Nid card neyar jnne
এনআইডি কার্ড নিবন্ধনের জন্য নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশন আমার স্ত্রীর।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এনআইডি কার্ড নিবন্ধনের জন্য নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশন আমার স্ত্রীর।
বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ২৩ আগস্ট রোহিতপুর-কেরানীগঞ্জ BMET অফিসে ট্রেনিংয়ের জন্য ভর্তি হতে গেলে অফিস থেকে নির্ধারিত কিছু কম্পিউটার সেন্টারের তালিকা দিয়ে সেখান থেকে ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়। নির্ধারিত দোকানে গেলে তারা জনপ্রতি ২,৫০০ টাকা ভর্তি বাবদ দাবি করেন। বিষয়টি অফিসে এসে জানালে পরিচালক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো তাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং এটিকে সেন্টারের পারিশ্রমিক বলে জানান। বেশ কয়েকবার পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশিক্ষককে বিষয়টি জানানোর পরও তারা লিখিত অভিযোগ দিতে এবং ভর্তি বাতিল হলে তাদের পক্ষ থেকে কোনো করণীয় থাকবে না বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের সময় ৫ থেকে ৬ লক্ষ্য টাকা খরচ হয়
জমি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত ভার পরে এক এস আই এর কাছে। সে এস আই গিয়ে জমি দেখা শেষে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে৷ আমি ১০০০ দিতে চাইলাম তারা নাকি ২ জন এসেছে! এটা সেটা! পরে ১৫০০ টাকা নেন! তেল খরচ, এটা সেটা অযুহাত দেখিয়ে তারা সব সময় এমন ঘুষ নিয়ে থাকে৷
একটি মোবাইল চুরির জিডি করেছিলাম অনলাইনে, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেটি প্রক্রিয়াধীন রেখে দেই এবং থানায় গিয়ে সেবা নিতে বলে মেসেজে। ২৫ আগষ্ট সকাল ১১ টাই থানায় গেলে জিডি কপি তদন্তাধীন করে দেই এরপর এটির জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে চট্টগ্রাম বন্দর থানার তৃতীয় তলায় বসে থাকা একজন বয়স্ক বেতার অপারেটর।
পুলিশ দাবি করেছিল, আমার পাসপোর্ট খুব দরকার ছিল আমি কিছু বলতে পারি নাই
কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলা পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এ বিগত বছর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদ এ জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ২০০ টাকা করে নিচ্ছে যেখানে জন্ম নিবন্ধন নতুন করতে গেলে ৫০ টাকা লাগে এবং সংশোধন করতে 100 টাকা লাগে কিন্তু এখন পর্যন্ত ২০০ টাকা করেই নেয় যেটা প্রকাশ্যে সবাই জানে কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করে না। দাউদকান্দি উপজেলা সকল ইউনিয়ন এ একই অবস্থা আপনারা সরেজমিনে তথ্য নিলে জানতে পারবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয় নাই। দয়া করে আমার পরিচয় পাবলিক করবেন না। ধন্যবাদ
আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ইউনিয়ন পরিষদ গিয়েছিলাম। জন্ম তারিখের সাল ভূল। এটার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ কর্মচারীদের ভ্রমণ ভাতা বিল দিয়ে মোট বিলের ২০% টাকা ঘুষ দাবি করে
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মা ছোট ভাই এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্য টিকিট কাউন্টারে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাটতে যায় দীর্ঘ সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তখন লক্ষ করলাম কাউন্টার থেকে কাউকে টিকিট দিচ্ছে না বলল টিকিট শেষ। কিন্তু কষ্টের বিষয় কাউন্টার এর পাশেই খোলা ময়দানে দাড়িয়ে টিকেট কালোবাজারি করছে ৩ গুনের চেয়ে ও বেশি টাকা দিয়ে। মা আর বউ এর কারণে বাধ্য হয়ে নিতে হলো
সরকার আইআরসি নবায়ন সরকারী ফি প্রদান সাপেক্ষে সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র অনলাইনে প্রদান করার পরও তারা সকলকে দিনাজপুর আমদানী-রপ্তানী অফিসে আসতে বলে এবং তাদের সরকারী ক্ষমতা বল দেখিয়ে কি কি করতে পারে তার ভয়ভীতি দিখেয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য অর্থ দাবি করে।
ছোট একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কলকারখানার লাইসেন্স জন্য আবেদন করছিলাম অনলাইনে। অধিদপ্তর থেকে লোক এসে যাচাই বাচাই করে গিয়ে ৪০০০০ টাকা দাবি করে লাইসেন্স দিবার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৪ হাজার টাকায় রফা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করি।
আমি জন্ম নিবন্ধন সংসধন করতে টাকা চায়
রাজউক এর কর্মকর্তারা যখন কোনো ব্যক্তি কোনো বাড়ি বানান, তখন তাদের কিছু প্রতিনিধি বা দালাল চক্র বিভিন্ন এলাকায় থাকে, যখন কেও বাড়ী বানান , তখন ওই সব দালাল , বাড়ি বানানোর তথ্য রাজউক কর্মকর্তাদের জানান, পরে কর্মকর্তরা বাড়ির মালিকের কাছে টাকা দাবি করেন না দিলে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে বাড়ি বানানো বন্ধ করে দেন, পরে টাকা দিলে সকল সমস্যা ঠিক হয়ে যায়, তাদের অবশ্যই টাকা দিয়ে বাড়ী বানাতে হয়। @
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজুক)কদমতলী এরিয়ার আজ থেকে সাত মাস আগে নির্মাণ ভবনের বিদ্যুতের মিটারগুলো খুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই মিটারগুলো উত্তোলন করতে গিয়ে। অথরাইজ -৭ অফিসার — এবং তার অর্ধনস্থ কর্মচারী মিলে একেকজন থেকে পাঁচ থেকে আট লাখ টাকা ঘোষ দাবি করে। অনেকে এই টাকাগুলো পরিশোধ করে এবং ভুয়া কাগজপত্রী নথি জমা দিয়ে। মিটারগুলো ক্লিয়ারেন্স পেপার নেয়। এবং রাজুকে আমার অভিজ্ঞতা খুবই বাজে এখানে প্রত্যেকটি লোক দুর্নীতির সাথে যুক্ত। আপনি যদি গত সাগের এই কার্যক্রম গুলো পরিলক্ষিত করেন। এই মিটারগুলো কিভাবে দেওয়া হয়েছে। ওকে দেয়া হয়েছে।
ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর সি আই প্রতি স্টুডেন্ট ৫০০টাকা চায় যা বে-আইনি।তাছাড়া উনি এবং প্রিন্সিপ্যাল সিন্ডিকেট করে যা টাকা মেরে দেয় হিসাব করতে পারবেন না।হাজার হাজার টাকা লুটপাট করে খাচ্ছে দেখার কেউ নেই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সচরাচর একজন ডিউটি পুলিশ বাসায় আসেন, কাগজপত্র দেখেন। গত ২ বার (২০১৯, ২০২৪) এভাবেই হয়েছিল, কোন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা লাগে নাই। অথচ, এবার, ২০২৬ এ এসে একই থানা থেকে এক ডিউটি অফিসার ফোন করে জানালো কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে ভেরিফিকেশনের জন্য। গেলাম, আমাকে একটা কক্ষে নিল যেইখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কাগজপত্র দেখে বলল, "সব ঠিক আছে, ফটোকপি প্রিন্টের খরচ বাবদ কিছু টাকা লাগবে।" আমি বললাম, "সব কিছু মিলায়ে তো আমরা ১৫০০ টাকা করে দিচ্ছি, আগে যেটা ৫০০ টাকা ছিল।" তিনি বললেন, "সেটা আমাদের ব্যাপার না, সরকারের ব্যাপার। আপনার কাজ আমার করে দিতে হচ্ছে, সেই হিসাবে প্রত্যেক থানাতেই একটা ফিক্সড পেমেন্ট থাকে"। পরে দরকষাকষির পর ১০০০ টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হলেন।
খরচ দিতে হবে। না দিলে তো হবে না।
জিডি ও অভিযোগের তদন্ত ও আইনি সহায়তার জন্য
পৌরসভা থেকে কাজ করতে হলে খুশি করা লাগবে।