RAJUK
RAJUK এর একটা ফাইল দেখতে গঘুষ হিসাবে ৫০০০ টাকা চায়। না দিলে দেখা যাবে না। ডিরেক্ট বলেনা । পরে আসেন, অন্য দিন আসেন। আজকে মিটিং, এই সেই ইত্যাদি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
RAJUK এর একটা ফাইল দেখতে গঘুষ হিসাবে ৫০০০ টাকা চায়। না দিলে দেখা যাবে না। ডিরেক্ট বলেনা । পরে আসেন, অন্য দিন আসেন। আজকে মিটিং, এই সেই ইত্যাদি।
আমাদের জমির উপর দিয়ে গ্যাস পাইপলাইন গিয়েছিল,নিয়ম অনুযায়ী আমরা মৌজা রেইট থেকে তিনগুন বেশি পাওয়ার কথা ,তো সব কাগজ দলিল দেওয়ার পর বললো যে ওকে আপনাদের এত পাওনা আপনারা যদি টাকা পেতে চান মোট টাকার সাত শতাংশ আমাদের দিতে হবে না হয় ভুল বের করে ফাইল আটকে দেওয়া হবে।চেক পাওয়ার আগে নির্দিষ্ট জায়গায় নগদ টাকা দিতে হবে,তারপর চেক হস্তান্তর করা হবে। এটি হয়েছিল ফেনী ডিসি অফিসে।
লাইসেন্স বাবদ ৩হাজার সামথিং চেয়েছে ১৪ হাজার নিজে নেন না পিউর নেয় না হলে কবে আসবে ঠিক নেই ১৪ হাজার দিলে ১ মাস সময়ে পাবেন লাইসেন্স
আমার একটা ঘটনা আমি ভিক্টিম ছিলাম উল্টো আমাকেই দিতে হয়েছে ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা। টাকা টা নিয়েছে ২০২৩ সালে গাজিপুরের বাসন থানার তদন্ত ওসি
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সচরাচর একজন ডিউটি পুলিশ বাসায় আসেন, কাগজপত্র দেখেন। গত ২ বার (২০১৯, ২০২৪) এভাবেই হয়েছিল, কোন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা লাগে নাই। অথচ, এবার, ২০২৬ এ এসে একই থানা থেকে এক ডিউটি অফিসার ফোন করে জানালো কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে ভেরিফিকেশনের জন্য। গেলাম, আমাকে একটা কক্ষে নিল যেইখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কাগজপত্র দেখে বলল, "সব ঠিক আছে, ফটোকপি প্রিন্টের খরচ বাবদ কিছু টাকা লাগবে।" আমি বললাম, "সব কিছু মিলায়ে তো আমরা ১৫০০ টাকা করে দিচ্ছি, আগে যেটা ৫০০ টাকা ছিল।" তিনি বললেন, "সেটা আমাদের ব্যাপার না, সরকারের ব্যাপার। আপনার কাজ আমার করে দিতে হচ্ছে, সেই হিসাবে প্রত্যেক থানাতেই একটা ফিক্সড পেমেন্ট থাকে"। পরে দরকষাকষির পর ১০০০ টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হলেন।
ছোট একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কলকারখানার লাইসেন্স জন্য আবেদন করছিলাম অনলাইনে। অধিদপ্তর থেকে লোক এসে যাচাই বাচাই করে গিয়ে ৪০০০০ টাকা দাবি করে লাইসেন্স দিবার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৪ হাজার টাকায় রফা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করি।
জমি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত ভার পরে এক এস আই এর কাছে। সে এস আই গিয়ে জমি দেখা শেষে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে৷ আমি ১০০০ দিতে চাইলাম তারা নাকি ২ জন এসেছে! এটা সেটা! পরে ১৫০০ টাকা নেন! তেল খরচ, এটা সেটা অযুহাত দেখিয়ে তারা সব সময় এমন ঘুষ নিয়ে থাকে৷
আমি জন্ম নিবন্ধন সংসধন করতে টাকা চায়
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ কর্মচারীদের ভ্রমণ ভাতা বিল দিয়ে মোট বিলের ২০% টাকা ঘুষ দাবি করে
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মা ছোট ভাই এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্য টিকিট কাউন্টারে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাটতে যায় দীর্ঘ সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তখন লক্ষ করলাম কাউন্টার থেকে কাউকে টিকিট দিচ্ছে না বলল টিকিট শেষ। কিন্তু কষ্টের বিষয় কাউন্টার এর পাশেই খোলা ময়দানে দাড়িয়ে টিকেট কালোবাজারি করছে ৩ গুনের চেয়ে ও বেশি টাকা দিয়ে। মা আর বউ এর কারণে বাধ্য হয়ে নিতে হলো
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি প্রকল্পে ইউএনও অফিসে ১০%, পিআইও অফিসে ১০%, ইঞ্জিনিয়ার অফিসে ১০%, চেয়ারম্যান ৫%, সচিব ৫%, ভ্যাট, ৮-১০% খরচ হয়। অবশিষ্ট টাকার কাজ হয়। এবার বোঝেন কতটা কাজ হয়। অনেক প্রকল্পের কিছুই হয় না। শুধু তুলে খায়।
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের, সামাজিক সুরক্ষা ক্ষাতে, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতা সহ সমস্ত ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ৫০০০/৭০০০ টাকা করে দিতে হয়, এটা তাঁরা ভুক্তভোগীকে প্রচন্ড চাপ ও হুমকি ধমকির মাধ্যমে গোপন রাখতে বাধ্য করে থাকে। পাশাপাশি ইউনিয়নিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা ক্ষাতকেই দুর্নিতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে, যেমন ইউনিয়ন ভুমি অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র, ঘুস, চাঁদাবাজি সহ নানা ধরনের অন্যায় অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। দেখার কেউ নেই।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (WARPO) এর স্মারক নং ৪২.০২.০০০০.০০৩.১৮.০১০.১৯(৩য় খন্ড)-৬৩৯, তারিখ ১৯/০১/২০২২ খ্রি. নিয়োগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী/কার্টোগ্রাফার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ঢাকার নিজ ভবনে ডেকোরেটর থেকে গোল টেবিল ভাড়া করে পরীক্ষা নেয়া হয়। পরীক্ষা শেষে ঐদিনই রেজাল্ট না দিয়ে সরাসরি ভাইভা প্রার্থীদের কাছে ১৮,০০,০০০ (আঠারো লক্ষ) টাকা করে দাবী করে। যারা আঠারো লক্ষ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তাদেরকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হয় নি। ১৪জনের থেকে জনপ্রতি ১৫-১৮ লাখ করে নিয়ে ১৪জনকে চূড়ান্ত নিয়োগ দেয়া হয়।
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে ইস্যুকৃত সুলভ মুল্য কার্ড যার মাধ্যমে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১৫টাকা করে দেয় । অধিদপ্তর হতে পুরাতন কার্ড নবায়ন করে ডিলারের কাছে পাঠানো হয়েছে বিতরণ করার জন্য। সেই কার্ড নিতে ১০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।
অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বর্তমানে চরম অনিয়ম ও বৈষম্য চলছে। সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অভিন্ন নীতিমালার জটিল মারপ্যাঁচে ফেলে বারবার নিয়ম পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং কৃত্রিম 'বটলনেক' বা জটলা তৈরি করে আমার মতো বহু যোগ্য ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, এই কৃত্রিম সংকটকে পুঁজি করে একটি চক্র পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে সরাসরি আমার কাছে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে। গত বছরও এই ব্যাংকে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে জ্যেষ্ঠতা চরমভাবে লঙ্ঘন করে অনেককে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
Medical device registration purpose for two product
আমার বাবার হজের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা চেয়েছিল। কেন দিতে হবে জানতে চাইলে বাজে ব্যবহার করেছিল। আমার চাকরির সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামেও টাকা নিয়েছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু হয়ে উঠতে পারেনি, আতঙ্কের নাম হয়েছে।
একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভর্তি ফরম তুলতে গিয়ে সেখানে আমাকে ২০০ টাকা এটি ফর্ম তুলতে দেওয়া লাগছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়..
ঠাকুরগাঁও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স ভর্তি পরীক্ষার জন্য যে ফরম তোলার লাগে সেই ফর্মটি নেওয়ার জন্য প্রতিফরমের জন্য ২০০ টাকা করে দেওয়ার লাগে যেটা বিএমইটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিয়েছে।