পানির মিটার বদল।
আমার নষ্ট পানির মিটার বদলাতে চাইলে ২০০০০ টাকা দাবী করা হয়। অথচ সমস্ত খরচ সহ নতুন মিটার লাগানোর খরচ ৭০০০ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার নষ্ট পানির মিটার বদলাতে চাইলে ২০০০০ টাকা দাবী করা হয়। অথচ সমস্ত খরচ সহ নতুন মিটার লাগানোর খরচ ৭০০০ টাকা।
হাউজিং অফিসে যে কোন মানুষ যদি সেল পারমিশন বা নামজারি বা আনুষঙ্গিক যে কোন কাজ করতে যায় তার এই টাকা পরিশোধ করতেই হবে। আমাকে ও করতে হয়েছে।
সরকারি ফি বাবদ ৫০ টাকা সরকারি কোষাগারে অর্থাৎ ব্যাংকে জমা দিয়ে স্লিপ নিয়ে আমাকে প্রত্যয়ন পত্র হস্তান্তর করার কথা।কিন্তু চা খাওয়ার টাকা হিসেবে ৫০ টাকা দাবি করা হলো। সরকারি টাকা আমি তো দিয়েই দিলাম তাহলে কেন দাবি করা হলো। কর্তৃপক্ষের কাছে এটা টোটালি ওপেন সিক্রেট এর মতো। দিন দিন দেশে থাকার মায়া চলে যাচ্ছে এসবের কারণেই।
প্রতইদিন মামলার হাজিরা, তদবির, সময়ের দরখাস্ত, জামিনের পিটিশন সহ সব কিছুই নিত্যকার মতো দাখিল করি, পেশকার ২০/৫০/১০০/৫০০/১০০০ ছাড়া জমা নেয় না, এমনকি টাকা ছাড়া তার দপ্তরের কোনো পিয়ন ই এক চুল নড়ে না। কোনো আইনজীবী কে কল দিয়ে এসব জিজ্ঞেস করেন, এক ফোঁটা পরিমান অসত্য পাবেন না। চট্টগ্রামের সকল কোর্ট/দপ্তরে হরহামেশাই ঘুষের বানিজ্য চলে। একেকটা পেশকার ৫০/১০০ কোটি টাকার মালিক।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রাজস্ব এর অফিস থেকে আমাকে বলা হয়েছিল যে, তাদের ২.৫ লক্ষ টাকা দিলে সঠিক রায় নিয়ে দিবে অনথায় আমি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এর কাছে যে রায় পেয়েছি সেটা বাতিল করে পুনরায় এসি ল্যান্ডের অফিসে পাঠানো হবে। আমি টাকা না দেওয়ায় আমার মামলার বিরোধী পক্ষের কাছে টাকা নিয়ে আমার মামলা পুনরায় এসি ল্যান্ডের অফিসে পাঠানো হয়েছে।
Went to the DPDC office in green road. I wanted to transfer the electricity bills in my name. I presented all the necessary documents, yet they still wanted bribe to complete the work. One official asked me to give him 6,500 tk to complete the work. Another staff later asked me for 10,000 tk as he can finish the work. Country needs to completely remove public utility companies - make it private, non-government so that the people will be saved from such harassment.
4 Times electric bill 3 months. After complaining they will send someone for checking. To fast track the process asked for 1000. For Travel cost 500 extra.
ডাইরেক্ট টাকা চাইছে দিতে হয়েছে। না দিলে লাইন দিবেনা
নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালক ( সিসি) কে মাসিক ভিত্তিক চাঁদা না দিলে এবং বাতসরিক টাকা না দিলে দুরবর্তী উপজেলায় বদলি করে দেয়। সম্প্রতি আমাকে বদলি করা হয়েছে। দাবিকৃত এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো আমাকে পুর্বের জায়গায় বদলির অর্ডার করেনি। অফিস সহকারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চাচ্ছে।
ডিসি অফিসের নাম সংশোধন সংক্রান্ত নথি যিনি জমা নেন উনি প্রথমে বলেছিলেন দেড় মাস পর সংশোধন করা হবে, টাকা জমা দিলে ৩ দিনেই সংশোধন।
আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ি চট্টগ্রাম, রাউজান। বিগত শনিবার ২২ শে আগস্ট রাউজান থানায় গিয়ে আমি আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফাইল জমা দেওয়ার সময় আমার কাছ থেকে কর্মরত পুলিশ অফিসার পকেট খরচের জন্য এক হাজার টাকা দাবি করে, আমার কাছে অত না থাকার কারণে আমি তাকে বললাম আমি 500 দিতে পারব, এরপর উনি ওই ৫০০ টাকা নিয়ে আমার কাছ থেকে পকেটে রাখে। ওনার নাম —।
প্রতিটি এক্সপোর্ট ডকুমেন্টস এর সাথে ১ টা করে সিও/ সাফটা লাগে, যা ৩ টি টেবিল হয়ে ই পি বি থেকে পাশ করতে হয়। সরকারী ফিস ছাড়াও অতিরিক্ত আর ১৫০০ দাবি করে, যা শেষ পর্যন্ত কোম্পানির স্বার্থে এক্সপোর্ট বাধাগ্রস্ত যাতে নাহয় সেজন্য দিতে হয়। যা নিয়মে পরিণত হয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করতে গিয়ে যতরকম সরকারি ফ্রি আছে সবকিছু পরিষদ করে যারা কাজ করেছে তাদের টাকা দিয়েও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শুধুমাত্র স্বাক্ষর করার জন্য ১৫০০ টাকা নিয়েছে।
প্রতি সপ্তাহেই আমার শীপমেন্ট হয়, এক্সপোর্ট পারমিশন কপি, ডলার টিটি ভাঙানো, ভর্তুকি ফাইল করা এভাবে প্রতি খাতেই প্রতি সপ্তাহেই ব্যাংক কর্মকর্তা এবং তাদের হয়ে কাজ করে কিছু ব্যাক্তিকে দিতে হয়। জনতা ব্যাংক লোকাল শাখায়, মতিঝিল, আমি বাদেও আরো ৪৫০+ এক্সপোর্টার আছে সবাই একইভাবে ভুক্তভোগী।
Holding kor notoun korta
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড হে আমার নাম সংশোধন করার জন্য
দিনাজপুর ধান ও চাল এর জন্য বিখ্যাত। বাংলাদেশের ৭৫% চাল দিনাজপুর এ উৎপাদন হয়। তাই দিনাজপুর সদর এর খাদ্যগুদাম এল,এস,ডি ও সিএসডি প্রচুর পরিমান চাল সংগ্রহ করে আমন ও ইরি তাদের লক্ষমাএা ৫০০০০মে.টন।৷ এখানে এল,এস,ডি (ওসিএলএসডি) ও সিএসডি (ম্যানেজার) তাদের রেস্টুরেন্টের মত ম্যানু কার্ড আছে। আমাদের ৩০ কেজি বস্তা প্রতি ২০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। যেটা না পৌছালে কোন অটো রাইস মিলের গাড়ি আনলোড হয় না। প্রতি সিজনে ৪/৫ কোটি টাকা এল,এস,ডি (ওসিএলএসডি) ও সিএসডি (ম্যানেজার) আদায় করেন। আমার কাছে ১১ লাখ টাকা চেয়েছে দেই নাই তাই আমার চাল আজ ৯দিন দারিয়ে আছে
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
[redacted] এই নাম্বার থেকে ফোন করে ভুক্তা অধিদপ্তর অফিসার পরিচয় দিয়ে আমাদের এলাকার তেলের মেল এর মালিক থেকে টাকা দাবি করতেছে
আমার প্রবেশপত্রটি আমার সামনে ছিল। কিন্তু ঘুষের জন্য দেয়নি। ময়মনসিংহ ডিসি অফিসের দু তলায়। অফিস সহকারি। ৭০০ টাকার বেশি খরচ ছিল bank draft এর। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পোস্টে।