BTCL colony DGM
সরকারি কাজে পার্সেন্টেজ, বাসা নেওয়াতে টাকা চায় ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি কাজে পার্সেন্টেজ, বাসা নেওয়াতে টাকা চায় ।
Police clarence ৭ দিনের মধ্যে নিতে গেলে ২ হাজার extra দিতে হবে. Government fee বাদে। আমার ২ বার police clarence এর জন্য application করা লাগছে। প্রথম বার করেছিলাম নরমাল মনে করোছি ১ সপ্তাহে চলে আসবে। কিন্তু ৭ দিন পর থানা থেকে কল দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু ২ মাসেও পরে আসে নাই। কিন্তু পরবর্তী ২ হাজার৷ ঘুষ সহ দেওয়াতে ৭ দিনের মধ্যে পাইছি
বাবার আগে পোস্ট অফিসে চাকরি করতেন । পেনশন পেতেন পোস্ট অফিসে পরে পেনশন Bank এ দিবে বলেন । কাগজ জমা দিয়ে ৩ মাস পরেও টাকা পাচ্ছি না । এর মধ্যে অনেক বার অফিসে যোগাযোগ করি কোন ভাবে সাইন হচ্ছে না । পরে ২৫০০ টাকা দিতে বলেছে কোন উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি এর ১ সপ্তাহ পরে টাকা জমা হয়ে গেছে বাবার একাউন্টে
বিভিন্ন মাধ্যমে পদায়ন ও বকেয়া জন্য দাবী
পেনশন জনিত কারণে পেনশনের প্রসেসিং এ বান্দরবান বন বিভাগের অফিসে ২০১৯-২১ এর দিকে অফিস সহায়ক আমাদের কাছ হতে নগদ টাকা এবং ৮ মাসের বেতন নিয়ে ফেলে।
ssc exam er practical exam e number na dewar voi dekhie othoba nasta khawar nam kore student der kach theke tk chawa hoi. abong tk er poriman kom howar karone beshirbhag student dieo dei jeta khubi lojjajonok. bisoy ta khotie dekha houk.
আই আরসি নবায়নের জন্য বিডার সুপারিশ
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে, গত বছর নিয়েছিল ৮৫০ টাকা। এবারে ২,০০০ টাকা দাবী করে।
যে কোন কাজের জন্য ১০০০০০ টাকা জন্য তাদের কে ২০০০০টাকা ঘুস দিতে হয়। এবং টাকা পেমেন্ট না করলে চেক দেওয়া হয় না।
চুয়াডাঙ্গা সদর এর ২ নং মোমিনপুর ইউনিয়ন এর সরকারি খরচের বাইরে টাকা চায়, জন্ম নিবন্ধন কাগজ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য। কিন্তু আমি বলেছি আমি নিজে কম্পিউটার থেকে এপ্লাই করেছি, আপনি শুধু কপি বের করে দিবেন, বলে হবে না টাকা ছারা তারা কাজ করবে না। বলে অনলাইন এ হলে কি সবাই ইউনিয়ন এ আসে।
Jomi namjari hoyni khas hoyecilo mamla cholce 2007 theke 18+ years, keo akjn court er blcilo 3 lac tk dile solve mane ray manage kore dibe.but denied.
গার্মেন্ট ফেক্টরির ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে। না করলে ব্যবসা করতে দিবে না । লাইসেন্স করতে গেলে বার হাজার ২৫০ টাকার জায়গায় ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।
আমি বিদেশে আসার সময় ভিসা হওয়ার পর প্রাবসী ব্যাংক (ভাংগা শাখা) তে যায়। আমার জামিনদার ছিলেন সরকারি চাকুরী জিবি। ২ লক্ষ টাকা লোনের জন্য ম্যানেজার আমার কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করে।আমার টিকিট এর ডেট পরে গেছে টাকা ও জুরুরি তার আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে লোন পাশ করিয়ে নিয়ে আসি। বলে না দেন লোন হবে না বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে। এদেশের সরকারি অফিস গুলা এত বাজে অবস্থা তা আর ভাষায় প্রকাশ করা যায় না
ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার — আমার কাছে ৩,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করছি। তিনি টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলেও জানান। সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন ঘুষ দাবি অনৈতিক ও আইনবিরোধী। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি ভিসা করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হচ্ছিলো আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা ১২০ টাকা দাবি করে এবং কোনো রিসিপ্ট দিতে অস্বিকৃতি জানায়। বি: দ্র- আমি আগেও ঢাকা থেকে নিয়েছি কোনো প্রকার ফি ছাড়া। স্থান-রায়পুর পৌরসভা লক্ষীপুর।
আমার মা একজন গ্রিহেনি । আমার বারি রামগঞ্জ আমরা কিছুদিন আগে মায়ের ভোটের আয়িদির জন্ন গ্রামে জাই অনেক কাগজ মেনেজ করতে বলে কিন্তু করার পরেও তারা বলে কন হাত লাগাভে না । টাকা চায় ১৫০০০ একন আমরা ২ ভাই ২১, ২৪ মায়ের ভোটের আয়িদি ছাড়া আমরা আমদারের তা করতে পারভ না তাই বাদ্দ হয়ে তাকা দিয়া কাজ তা করান লাগচে
প্রথমে চিঠি দিয়ে অফিসে আসতে বলে, লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৫০০ টাকা কিন্তু অনেক নিয়ম মানতে হবে।অনেক ডকুমেন্ট দিতে হবে,যা দিয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব না।যেমন : সরকারের নিধারিত ইলেক্ট্রক দোকানের ওয়ারিং ডিজাইন করতে হবে।ভাড়ার দোকানে মালিক ও করে দিবে না
একটি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত এবং মৃত প্রিন্সিপাল এর বিরুদ্ধে অন্যায্য একটি অডিট আপত্তির যৌক্তিক জবাব দেখে, শীর্ষ অফিসার বললেন, অভিযোগ গুরুতর। ফাইল আটকে রাখা হলো।ডেস্ক অফিসার তার রুমে নিয়ে বললেন, আর কিছু ডকুমেন্ট দিতে পারলে, আমি ফাইল নিষ্পত্তি করাতে পারবো। অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এর পেনশন না হওয়ায় তার রিলেটিভগণ ঐ কলেজের একজন স্টাফকে মোট দুই লক্ষ টাকা সহ পাঠিয়ে ফাইল ছাড়িয়ে নিয়ে আসলেন।
আমি আমাদের ওয়ারিশ সনদ করার পর স্বাক্ষর এর জন্য দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রধান এর কাছে যাই। উনি স্বাক্ষর করার পর আমার কাছে সরাসরি ১০০ টাকা ঘুষ চাই। আমার কাছে টাকা নাই বলি। বলি ভাড়া ছাড়া টাকা নাই। তখন উনি আমাকে গালিগালাজ করে। দেশের শিক্ষিত মানুষ দেশের সবচাইতে উন্নয়নের বাধা ।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য চা খাওয়ার টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আটকে থাকবে। তারপর ১৫০০ টাকার কাজের জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে। আর আমি বিপদে আছি ভাই ঘুষ দেয়া লাগছে, কারণ সৌদি ভিসা পাইছি কিন্তু পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া ভিসা প্রসেসিং করা যাচ্ছে না।