Lged লাইসেন্স নবাযন
টাকা ছাড়া লাইসেন্স nobayon করতে চায় না. বিভিন্ন প্রকার harejment করে এটা লাগবে সেটা লাগবে . টাকা দেয়ার পর ও কাগজ এখনও হাতে পাইনি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা ছাড়া লাইসেন্স nobayon করতে চায় না. বিভিন্ন প্রকার harejment করে এটা লাগবে সেটা লাগবে . টাকা দেয়ার পর ও কাগজ এখনও হাতে পাইনি
বাংলাদেশের সরকারের হয়ে আমরা রাইস মিল মালিকগণ উপজেলা খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করে থাকি। মূলত বছরে দুই বার চালের বরাধ্য আসে। আমন, ভোরো মৌসুমে। বরাধ্য আসার আগেই খোলামেলা মিটিং হয় খাদ্য গুদামের ইনেস্পেক্টরের সাথে। তিনি তার সম্মানে প্রতি কেজিতে নির্ধারিত টাকা ধার্য্য করে দেন। শুরু হয় প্রতি কেজিতে ২/২.৫/৩ টাকা করে। শেষ আমন মৌসুমে এগারো শত টন চালের জন্য তাকে সম্মানি প্রদান করতে হয়েছে ২৪,২০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচের জন্য আমাদের প্রদান করতে হয়েছে ৭,৭০,০০০ টাকা মাত্র। — উপজেলা খাদ্য গুদাম ইন্সপেক্টর রামু উপজেলা কক্সবাজার
স্টেম্প লাগবে বলে আমাদের থেকে ওরা ৩০০ টাকা দাবি করে। বলে সদর থেকে আনতে হবে নয়তো। টাকা দেবার পর দেখি এটা সামান্য একটা ফর্ম ছিলো যেটা তারা ফিলাপ করে দিয়েছে আর এই জন্য টাকা নিয়েছে।স্ট্যাম্প বলতে কিছু না। এই কাজ টা করেছে নড়িয়া শাখার সোনালি ব্যাংকের ম্যানেজারের রুমের পাশে বসা কেরানী লোকটা।
ফ্লাটের জমির (জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় ) সেল পারমিসন ও রেজিস্ট্রেসনের জন্য উক্ত টাকা দেয়া লাগছে।
একটা মামলার কাগজ হাইকোর্ট থেকে আসছে তা রিসিভ করতে ৫০০ টাকা দেওয়া লাগবে,কইলাম যে টাকা কিশের এইটা তো ডাকে আসছে, এই কথা বলাতে এখন নিতে লাগ,না হলে সিরিয়াল অনুযায়ী ২/৩ দিন পরে আসুন খুজে দিবো,আমার সেই দিন এ জামিন এর কাগজ লাগবে তাই দেওয়া লাগছে,
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।
All government services are online but in the name of cross verification, the authorised officer charged me 3000tk for each police clearence report. Though I have filled up and uploaded all necessary documents properly.
আমাদের এলাকায় জন্মনিবন্ধন করতে গেলে ১০০০ টাকা করে দিতে হয় কার্ড প্রতি
আমি একটি মামলা করি আমার অফিস লুটপাটের বিষয় কিন্তু থানায় অভিযোগ এবং সিআইডি পিবিআই অফিসে রিপোর্ট দিতে ঘুষ দাবি করে আমি ঘুষ না দেয়ায় তারা মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করে এবং আমার মামলার পক্ষে তাদের যেসকল ডকুমেন্টস সরবরাহ করি তা কোর্টে জমা দেয়নি এবং রিপোর্টে সংযুক্ত করেনি। ২০ হাজার থেকে বিভিন্ন জায়গায় ৫ লাখ পর্যন্ত ঘুষ দাবী করেন। পিবিআই অফিসার — সিআইডি অফিসার — এবং অন্য একজন
আমার ওয়াইফের গর্ভবতী কার্ডের আবেদন করতে গিয়ে ময়মনসিংহ গৌরীপুর সদর ইউনিয়নের কম্পিউটার কর্মকর্তা আমার কাছে আবেদনের জন্য ২৫০ টাকা দাবি করে তারপর আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। এর আগে আমি মা ও কল্যাণ শিশু হাসপাতালে গিয়ে জানতে পেরেছিলাম এই কার্ড আবেদন করতে একটাকাও দিতে হয় না।
মাত্র ৪ দিন আগে আমার বউয়ের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এর জন্য এই অর্থ দাবি করা হয়েছিল
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ভিতরে একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মানের জন্য পৌরসভার অনুমোদন নিতে যাই। দায়িত্ব প্রাপ্ত একজন দ্রুত পাশ করে দিবেন বলে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং পৌরসভার বাহিরে দেখা করতে বলেন। অভিযোগ আছে তাদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিলে বছরের পর বছর অনুমোদন আটকা থাকে। বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে তাদের মিটিংয়ে সেইসব ফাইল উত্থাপন করা হয়না আর উত্থাপন করলেও কোন না কোন বাহানা দাঁড় করান। আর যেগুলাতে ঘুষ দেয়া হয় সেগুলা এক মিটিংয়েই পাশ হয়ে আসে।
আমার মোবাইল হারিয়ে যাওয়ায় আমি কালকিনি থানা পুলিশের সাহায্য নিতে যাই। মোবাইলটি উদ্ধারে তারা আমাকে সহযোগিতা করবে বলে জানায়। এ কাজের জন্য তারা আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে, এই টাকা ছাড়া কোনোভাবেই মোবাইল উদ্ধারের কাজ সম্ভব নয়। পরে বাধ্য হয়ে আমি তাদের ২,০০০ টাকা দিই। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার কাজটি করে দেওয়া হয়নি। এমনকি তারা কাজটি করে দেওয়ার কোনো উদ্যোগও নিচ্ছে না।
আমার বাবার বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলাম ২০২৪ সালে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও সমাজসেবা অফিস থেকে কোনো প্রকার ডাক পাইনি। ২০২৬ এর শুরুর দিকে একজন ইউনিয়ন মেম্বার আমার কাছে ৫০০০ টাকা ঘুষ চায় এবং বলে যে আমার বাবার বয়স্ক ভাতার বিল বিকাশে ধরিয়ে দিবেন। সে বলে যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিসারদের এই টাকার একটা অংশ দিতে হবে। আমি বুঝতে পারছিলাম, ওদের সাথে ডীল না করলে আমার বাবা ভাতা পাবেননা। তাই শেষে দরাদরি করে ৩০০০ টাকা দেই। এবং আমার কাজটি সম্পন্ন হয়। এরকম অনেক বৃদ্ধ- বিধবা মানুষ ভাতার জন্য আবেদন করছে ৪/৫ বছর হয়ে গেসে। কিন্তু ওদের ঘুষ না দিলে ওরা বিল ধরিয়ে দেয়না। শুধু ঘুড়ায়, আইডি কার্ডের ফটোকপি নেয়, আশ্বাস দেয়। বলে যে বাজেট আসলে দিবে। কিন্তু বছরের পরও বাজেট আসেনা। অনেক মুরুব্বি তো মারা যায়।
রেলওয়ে বানিজ্যিক লাইসেন্স করে দিবে বলে টাকা নেয়,এবং আরও টাকা দাবি করে,কাজ না করে দিয়ে ঘুরাচ্ছে ৩ বছর যাবত,তাদের ম্যাজিষ্টেট এর সামনে শিকারোক্তি লিখিত রয়েছে
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের (ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা) ঘন ঘন বদলির ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রাপ্ত একাধিক অফিস আদেশ পর্যালোচনা করে জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে অন্তত ৮টি বদলি আদেশ জারি করা হয়েছে। এসব আদেশে একই কর্মকর্তাকে একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন ইউনিয়নে বদলি করার নজিরও রয়েছে। ফলে কোনো কোনো কর্মকর্তা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে বদলি করা হলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার কর্মস্থল পরিবর্তন হলে দাপ্তরিক কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে সম
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে সরকারের ফি ৩৫০ টাকা। কিন্তু আমার কাজ থেকে ৭/১০ দিনের মধ্যে করে দিবে বলে ১০০০০ টাকা চেয়েছে।
টাকা দিতে গরিবেশি করার কারণে এক সপ্তাহের মধ্যে চেক পাওয়ার কথা হলো টাকার জন্য সেটা দুই মাস লেগেছে অবশেষে টাকা পরিশোধ করার পর চেয়ে হাতে পেয়েছি
সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়। পরবর্তীতে অনেকের সাথে কথা বলে জানতে পারি প্রায় সকলে কাছে এমন টাকা চাওয়া হয়