রেল
প্রতি মাসে দিতে হয় জোর করেই নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি মাসে দিতে হয় জোর করেই নেয়
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শিপিং অফিসের প্রতিটি টেবিল যেন এক একটা ঘুষের খনি। সাইন অন, সাইন অফ থেকে শুরু করে প্রতিটি টেবিল টাকা ছাড়া কথা বলে না। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে কাগজ পত্র এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায় না। যে কাজের সময় লাগে ২০/৩০ মিনিট সেখানে ১/২দিন ও লাগতে পারে।
গেলাম এয়ারিশি সনদের জন্যে আবেদন করতে। যেহেতু বর্তমান সময়ে এয়ার্ড মেম্বার নেই সেহেতু আমাকে বল্ল বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন করবে কিছু যাতায়াত খরচ দিতে৷ বলে রাখা ভালো পৌরসভা থেকে আমাদের বাড়ি আধা কিলোমিটারও হবে না। আমি ১০০ টাকা দিতে গেলে আমাকে ধমক দিয়ে বল্ল কি দিলেন মিয়া, পরবর্তিতে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। যেহেতু আমার জরুরী ভিত্তিতে লাগবে সেহেতু দিতে বাধ্য হয়েছি। কাহিনি শেষ না৷ ভেরিফিফাই করে সব ঠিক পেয়েছে৷ এখন ওয়ারিসি সনদ তৈরি করার জন্যে নাকি আরও ৩০০ দিতে হবে। আবেদন খরচ এটাই৷ জরুরী ভিত্তিতে লাগবে বলে আমি দিয়েছি৷
সরকারি নথিতে বরাদকৃত জমির পরিমান ভুল আসে, যা সংশোধনের জন্য একটি চিঠি প্রয়োজন। এক পাতার একটি চিঠির জন্য ১০০০০ টাকা দাবী করে।
কলকারখানা লাইসেন্স নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের কার্যালয়, দিনাজপুর অফিসে দশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
আমাদের একটা মামলার রায় হইছে। কিন্তু মামলার রায়ের কপি আনতে গেলে উকিল আমাদের থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে কিন্তু লিগাল ভাবে নিতে গেলে এর জন্য ম্যাক্সিমাম খরচ হবে ২ হাজার টাকা।
প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য সহকারী পরিদর্শক এর কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, দিনাজপুর অফিসে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন ফি জমা দিলেও থানায় এক্সট্রা ঘুষ দিতে হয়, নয়তো সময়মতো তা পাওয়া যায়না, যদিও নিয়ম হলো আবেদনের ১ সপ্তাহ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেয়া
আমার মার জন্য জন্ম নিমন্ত্রণ করতে গিয়েছিলাম
নোয়াখালী সদর উপজেলার ইজিপি টেন্ডার ইস্যু করা হয় মেসার্স হারুন ট্রেডার্স নামে ২৫-২৬ অর্থ বছরে, সরজমিনে কাজটি সম্পাদন করার পরে । নোয়াখালী সদর উপজেলা সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার কাজের বিল বন্ধ করে রাখে। আমার প্রাপ্য বিলের এক পারসেন্ট তাকে দেওয়ার শর্তে বিলটি ফাইলটি সে স্বাক্ষর করে অন্য টেবিল হস্তান্তর করে ( তাকে ৬০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি )। এরপর কম্পিউটার অপারেটর — বিলের তৈরি জন্য১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। সহকারী একাউন্ট —কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। মূল অ্যাকাউন্টস এর দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা বলেন অফিসে সকলের জন্য বিলের ২.৫০% দিতে ২৬০০০ ঘুষ দিতে হবে। তা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করিতেছি 😭😭
কারা ক্যান্টিন ম্যানেজার হতে হলে জেল সুপার এর বউকে এ পরিমাণ টাকা দিয়ে আসতে হয় , তিনি সব নিয়ন্ত্রণ করেন পোষ্টিং
মাল্টিপল পাসপোর্ট ইস্যুতে একটি বাতিল ও সঠিক টি সচল রাখার জন্য বেরিফিকেশন পাসপোর্ট ইস্যু
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ হলেও সেখানে ২ কোটি টাকার বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পের এফডি-৬ ফরম অনুমোদনের বিনিময়ে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গভীর প্রশ্নচিহ্ন বসিয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রকল্প অনুমোদন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও ঘুষের বিনিময়ে এই অনুমোদন দেয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট উদাহরণ। বিশেষত যখন এই ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত, তখন এই ঘটনা শুধু একটি প্রকল্পের গতি ধীর করেই ক্ষান্ত নয়, বরং শীর্ষ পর্যায়ের একটি সংস্থার বিরুদ্ধে জনআস্থার সংকট তৈরি করে।
পাসপোর্ট এর আবেদনের পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য একদিন কল আসে দেখা করার জন্য, দেখা করার পর বলে জানতে চায় কেন পাসপোর্ট করছি ইত্যাদি। সবকিছু বলার পর চা পানির খরচ চায়, ৫০০ দিলে বলে হবে নাহ্। পরে বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়। এর কমে হবে না বলে।
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় গ্যাস একাউন্টের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা পরিবর্তন করে নিজ নামে করার জন্য যাবতীয় সকল কাগজপত্র জমা দেওয়া হলে উক্ত অফিসে চাকুরীরত পিয়ন আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন এবং আমি তা দিতে প্রত্যাখ্যান করি। আজও আমি আমার গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করিনি এবং ব্যাংক, ভিসা, হোল্ডিং ট্যাক্সের কাজের জন্য ডিপিডিসি অফিসেও ঘুষ প্রদান করে মিটারের নাম নিজের নামে করে নিতে হয়েছে, যা আমি পরবর্তীতে প্রকাশ করছি।
জমির মামলা সংক্রান্ত রায় নিষ্পত্তি করার জন্য সেটেলমেন্ট অফিস এ ৪ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পিওএম পূর্ব বিভাগের বিএইচএম এএসআই(সঃ) — আমার কাছে সিগারেট খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা চেয়েছিলেন। আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন। এএসআই(সঃ) — প্রতিটি পুলিশ সদ্যসের কাছে টাকা দাবী করেন। টাকা না দিলে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার করেন।
ভালুকা বাহিরপাথার ৩৮নং গোয়ারি ধীরপাড়া স:প্রা: বিদ্যালয়। এই স্কুলে সৃজনশীল পরিক্ষার নামে বাচ্চাদের কাছ থেকে গোসলের সাবান ঘুষ নেয় শিক্ষক শিক্ষিকারা। আমার মেয়ে খেলনা বানিয়ে নিয়ে গেলে তার বদলে সাবান নিয়ে যেতে বলে। এসব সাবান পরে শিক্ষক ও কমিটির লোকেরা ভাগাভাগি করে নেয়
জন্মনিবন্ধন এর নাম সংশোধন করতে বোর্ড অফিস এ গেলে তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৯০০ টাকার বিনিময়ে আমার জন্মনিবন্ধন টি সংশোধন করে দেয়
সরকারি ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য সরকারি ফ্রি এর অতিরিক্ত আরো ২০০০০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেটা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লাইসেন্স দিতে গড়িমসি শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে টাকা দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন হয়।