মিটারের লোড বৃদ্ধি
বিদ্যুতের মিটারের লোড বাড়ানোর জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা আমার থেকে ৬৫০/- বেশি নিয়েছে। ৩০ মিনিটের মধ্যে কাজ করে দিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিদ্যুতের মিটারের লোড বাড়ানোর জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা আমার থেকে ৬৫০/- বেশি নিয়েছে। ৩০ মিনিটের মধ্যে কাজ করে দিয়েছে।
বাংলাদেশের এক নম্বর কেবল কম্পানি তার কর্মচারী ও কর্মকর্তা দের চাকুরী থেকে বিনা কারনে বিদায় করে তাদের পাওনা টাকা/ ফাইনাল পেমেন্ট এর টাকা যেন না দেওয়া লাগে সেকারনে কলকার খানা অফিস এ ২,০০,০০০/- টাকা ঘুস দেওয়া লাগে
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ডাইরেক্টর, এসিসটেন্ট ডাইরেকটর এবং অফিসার, সোসাইটির ভিতর দির্ঘীদিন যাতব ৮-১০ বছর মাস্টাররোলে কাজ করছে এমন অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মূল্যায়ন না করে । বাইরে থেকে অনভজ্ঞ, লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা জানি না তাদের কাছে ঘুস নেওয়া হচ্ছে কিনা। তবে যারা বঞ্চিত হচ্ছে তারা বলছে এগুলো ঘুস বানিজ্য হচ্ছে। প্রতিকার চায়।
Bill ar file atkiyea Taka dabi
আমার একটা মুক্তিযুদ্ধোর বীর নিবাস ঘরের জন্য প্রায় দেড়বছর হয়রানি করেছে, তারপর বীর নিবাস ঘরের প্রতিবেদন ঢাকা পাঠানো হয়েছে,, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকে শুধু অনুমোদন কিন্তু মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা শাখার এক ব্যক্তি ৭০ হাজার টাকা, চাচ্ছে,, এজন্য টাকা দিতে না পারায় আমার ঘরও হলো না,, ঐ ভাবে চিঠিটা মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে,,কারণ আমার পিতা-মাতা মারা গেছে আমি নানিদের বাড়ি থাকি, নানিদের ভিটেবাড়ি পর্যন্ত নেই
সরকারি ভাবে,মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এবং সেখানে ভাতা প্রদান করা হয়, এই সব আফিসের পিওনেরা টাকা চায়, বলে নিজেরা আবেদন না করে আমাকে টাকা দিন বেশি আমি আপনাদের টিকাইয়া দিবো।
ওয়াসার পানির সমস্যা মিরপুরে প্রকট। সাপ্লাই পানি দেয় না। প্রদিন কল করেও সমাধা হয়না। কিন্তু গাড়ি গাড়ি পানি তারা বিক্রি করে। এইটা জনগনকে জিম্মি করে রাখা। প্রতি গাড়িতে ড্রাইভারকে ১০০/২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। নয়তো পানি দিতে গড়িমসি করে। গত তিন বছর এভাবে চলছে।
জেলা থেকে সরাসরি বলে দিলো ৫০০,০০০/ লাগবে।
সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গেছিলাম, ফরম দিবে এমন সময় মিষ্টি খেতে ১০০০/- চাইছে। আমি আর ফরম ক্রয় করিনি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এ লোন এর জন্য আবেদন করি । আমার সমস্ত জমির কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৮০০০ হাজার টাকা লাগবে এমন বলেছে ।আমি জানতে চাইলাম এই টাকা টা কিসের জন্য বলেছে স্যার কে দেওয়া লাগবে মিষ্টি খাওয়ার জন্যে 🥹🥹
বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করানোর জন্য ফায়ার ব্রিগেড কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
গার্মেন্টস্ এর যাবতীয় কাগজপত্র সাইনের জন্য ৫ হতে ১০ হাজার টাকা নেয়। যদি কোন শ্রমিকের অভিযোগ থাকে পরিমান মতো জনপ্রতি ৫০০০ টাকায় সমাধান করিয়া নেন, সাথে ফেডারেশন গুলি সহযোগী থাকে। উনার নাম —
জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে হয়রানি শিকার, তার সাথে ঘুষ না দিলে কাজ করে। বিভিন্ন তাল বাহানা দেখায়। — নামের লোকটা — দুর্নীতি বাজ। এবং আরও অনেক দালাল আছে যেমন — পাশের রুমে বসে। এবং সবচেয়ে বড় কথা সেখানে থাকা প্রতিটা লোক চাদা বাজ। টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে রেশন কার্ড নবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজ কল্যাণ ট্রাস্টের দায়িত্ব রত কর্মচারীর নিকট জমা দিলে তারা বোঝায় যে কার্ড নবায়নের জন্য তারা অনেক কষ্ট করে এজন্য তাদেরকে টাকা দিতে হবে প্রথমত ৩০০ টাকা দিলেও তারা তা গ্রহণ করে পরে ৮০০ টাকা দিলে তা গ্রহণ করে। এমনভাবে প্রত্যেক সেবা প্রত্যাশির নিকট থেকে তার অর্থ আদায় করে।
আমার দুই ছেলের জন্ম নিবন্দন করতে ইউনিয়ন পরিষদের গেলে সেখান থেকে সরকারি মূল্য ৫০ টাকা তা দিয়ে করতে চাইলে করতে পারিনি। পরে অনেক দিন গুরাগুরির পর এক মহিলা ( কর্মরত) বল্ল সে ৩০০ করে নিবে কোন সমস্যা হবে না। পরে আর সমস্যা ছাড়ায় পেয়েগেলাম। এর প্রতিকার চাই।
আমার কোম্পানির একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে না হলে বিদ্যুৎ সংযোগ দিবেনা তাই আবেদন করি কিন্তু যে ফায়ার সার্ভিসের লোক এই কাজ দেখেন তিনি বলেন উনি এই কাজ ১ লাখের নিচে করেন না, বাধ্য হয়ে অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০k দিয়া এই সনদ নিয়ে থাকি
Ami nid er jonn apply korsi then amk form joma dawar jonno 3k chaise
জাতীয় পরিচয় পত্র নবায়ন করা অন্য শহর মানে ঢাকা থেকে জন্মনিবন্ধন করা হইছিলো এখন নোয়াখালী আইডি করতে চাওয়াতে এই অর্থ দাবী করে।
এখানে জন্ম নিবন্ধন করতে হলে তিনশত টাকা ফি দিতে হবে। এটা নাকি সরকারি ফি। কিন্তু এটাও দেখেছি এই উপজেলার কিছুই ইউয়নে দুইশত টাকা নেওয়া হয়। ৩ নং চরএকরিয়া ইউনিয়ন, মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশাল। ইউনিয়ন সচিব ঘুষ গ্রহণ করেন। আবার জন্ম নিবন্ধনে নাম সংশোধন করতে গেলে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করে। সেই টাকা পরিশোধ না করলে তার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন হয় না।