সঞ্চয়পত্র ক্রয়
সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গেছিলাম, ফরম দিবে এমন সময় মিষ্টি খেতে ১০০০/- চাইছে। আমি আর ফরম ক্রয় করিনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গেছিলাম, ফরম দিবে এমন সময় মিষ্টি খেতে ১০০০/- চাইছে। আমি আর ফরম ক্রয় করিনি।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
পুরানো মামলার সইমোহর তুলতে
আমি একটি NID সংশোধন কাজে গেছিলাম যেটা আমার জন্য খুব জরুরি,তারা যখন বুঝতে পারলো যে বিষয়টা জরুরি তখন ৪৫০ টাকার কাজ ৪০০০ টাকা চাচ্ছে 😡। এতো দুর্নীতি হলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
২০২৫ সালে সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতির পর পোস্টিং এর অপেক্ষায় থাকার পর একসময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে আন অফিসিয়ালি জানানো হয়, আপাতত কোন স্বাভাবিক পদায়ন হবে না। পরে এক সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া যায় যেটা থেকে প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা দাবি করে, কার্য সম্পাদনের দ্রুততার উপর বেইস করে। মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। ইনটেরিমের সময় পদায়নের জন্য অটোমেশন সিস্টেম চালু করা হয়েছিলো যা বর্তমানে অকার্যকর।এটি পূনরায় চালু করার দাবি জানাই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় জিডি করতে সবার থেকে থানার ভিতরেই ওপেনলি ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়। আমার এসএসসি সার্টিফিকেট হরিয়ে যাওয়াতে জিডি করতে গেসিলাম কয়েকদিন আগে, আমার সামনে থেকে ৫ জনের থেকে টাকা নিচে, আমার থেকেও চেয়ে বসছে। আমি টাকা দি নাই, কিন্তু অফিসের ইনচার্জ কে ও বলার সাহস হয় নাই কারণ হয়তো এই টাকার ভাগ সবার পকেটেই যায় যার কারণে অপেনলি নেওয়া হয়।
কলকারখানার লাইসেন্স বাৎসরিক নবায়ন। গত বৎসর ঘুষ লাগছে ৫০০০।= টাকা। এবার দিতে হয়েছে ২০০০০।= টাকা। বিভিন্ন অজুহাতে মাসের পর মাস ঘুরাতে থাকে। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি । নবায়ন কপি ও পেয়ে গেছি। গত বৎসর থেকে ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে ঘুষের পরিমান। ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে আরও অনেক বেশী টাকা দেয়া হয়েছে। সাথে ৬ মাস ঘুরিয়েছে। এই হলো বর্তমান অবস্থা।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ নোয়াখালী হাউজিং স্টেটের জমির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস্টেট কে অর্থ ঘুস প্রদান করতে হয়।
বি ,এস, টি, আই লাইসেন্স নবায়নে আর প্রতি বছর ঈদের আগে এসে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । এদের বাচ্চা প্রতিবন্ধী হোক ।
আমি একজন প্রবাসী জনতা ব্যাংক লোকাল অফিস থেকে রেমিট্যান্স এর মাধ্যমে ওয়েব আনার বন্ড কিনার সময় , যতবার ফরিদ করেছি ততবারই ১০০০ করে ঘুষ দিতে হয়েছে
জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে হয়রানি শিকার, তার সাথে ঘুষ না দিলে কাজ করে। বিভিন্ন তাল বাহানা দেখায়। — নামের লোকটা — দুর্নীতি বাজ। এবং আরও অনেক দালাল আছে যেমন — পাশের রুমে বসে। এবং সবচেয়ে বড় কথা সেখানে থাকা প্রতিটা লোক চাদা বাজ। টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
আমার দুই ছেলের জন্ম নিবন্দন করতে ইউনিয়ন পরিষদের গেলে সেখান থেকে সরকারি মূল্য ৫০ টাকা তা দিয়ে করতে চাইলে করতে পারিনি। পরে অনেক দিন গুরাগুরির পর এক মহিলা ( কর্মরত) বল্ল সে ৩০০ করে নিবে কোন সমস্যা হবে না। পরে আর সমস্যা ছাড়ায় পেয়েগেলাম। এর প্রতিকার চাই।
ঘুস না দিলে সরকারী পিপি হাযিরা নেয় না। আমি বাদি পক্ষ।
আমার স্ত্রীকে গ্রাম থেকে ঢাকায় বদলির জন্যে সচিবালয়ের এক সচিবকে এই টাকা ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে উপায় না পেয়ে সংযুক্তিতে মাত্র এক বছরের জন্যে এই ঘুষ দিতে হয়েছে। (নোট:আপনাদের সাইটে অফিস হিসেবে সচিব বালয়ের নামটা রাখা উচিৎ)
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এ লোন এর জন্য আবেদন করি । আমার সমস্ত জমির কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৮০০০ হাজার টাকা লাগবে এমন বলেছে ।আমি জানতে চাইলাম এই টাকা টা কিসের জন্য বলেছে স্যার কে দেওয়া লাগবে মিষ্টি খাওয়ার জন্যে 🥹🥹
সরকারি ফি ২৫৳/৫০৳/১০০৳ সেখানে সচিব নেয়, ৩০০/৬০০/৫০০০ ৳, একটা কাগুজে যতগুলো ভুল থাকে সবগুলো আলাদা হিসাব করে আরো বেশি নেয়,
বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করানোর জন্য ফায়ার ব্রিগেড কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
কোর্টে মামলা করেছি। থানায় তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা দেইনি হলে ছয় মাস যাবত প্রতিবেদন আটকে রাখছে।
আমার কোম্পানির একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে না হলে বিদ্যুৎ সংযোগ দিবেনা তাই আবেদন করি কিন্তু যে ফায়ার সার্ভিসের লোক এই কাজ দেখেন তিনি বলেন উনি এই কাজ ১ লাখের নিচে করেন না, বাধ্য হয়ে অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০k দিয়া এই সনদ নিয়ে থাকি
চেয়েছিলেন ওয়ার্ড মেম্বার, বলছিল ২০০০ টাকা দেন, সচিবকে দিলে দ্রুত কাজ করে দিবে।