NID
Ami nid er jonn apply korsi then amk form joma dawar jonno 3k chaise
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Ami nid er jonn apply korsi then amk form joma dawar jonno 3k chaise
বিদ্যুৎ লাইন নেয়ার জন্য দরখাস্ত ৭ বার রিজেক্ট হয় এবং প্রতিবারই কাগজপত্র ভুল আছে বলা হয়। কমপ্লেন নম্বরে কল করলে ডিজিএম এর কাছে রিপোর্ট করতে বলা হয়। এরপর ১৫ দিনে ৫ বার অফিসে এদিকে সেদিকে পাঠান হয়। এপ্লিকেশনে পুনরায় বাতিল করে নতুন এপ্লিকেশন এর জন্য নির্দিষ্ট দোকানে পাঠানো হয়। এর পরই দোকানদার সব শুনে ১০,০০০ টাকা চায় ও পুরাতন এপ্লিকেশনেই কাজ ৫ দিনের মধ্যে হবে বলে দাবি করেন। এবং তার কথা মতো আর ডেসকো অফিসে না গিয়েই প্লটের মধ্যে লাইনম্যান একদিন ফোন করে সংযোগ দিয়ে যায়। টোটাল সিস্টেমে ঘুষ ১৩,০০০ টাকা খরচ দিতে হয়েছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে এসে কাগজপত্র দেখার ফাঁকে চা খাওয়ার টাকা চাইলো। বললাম এসব কাজ আমি করি না, এরপর অনেক কষ্ট তেল খরচ করে এসেছে বলে কান্নাকাটি শুরু করলো। মায়ায় পরে করুণা করে ৫০০ টাকা দিতে গেলাম, তখন বললেন এত কম কেউ দেয় নাই, কম দেখে না নিয়েই চলে গেলেন। খারাপ রিপোর্ট দেয় কিনা দুশ্চিন্তাতেও থাকতে হয়েছিলো।
শুনানির পর এলআর ফান্ড বাবদ ৩০০০ দাবি করেছিল।আমি ২ হাজার দিই।পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুনানির সাক্ষর প্রদান করেন ১ মাস ৩ দিন পর।
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যে কোন দাপ্তরিক কাজের জন্য আলাদা অর্থ দাবি করে থাকেন তারা। চিরাচরিত ভাবে এটাই চলে আসছে , প্রতিবাদ করার সাহস কারো নেই। প্রতিটি দাপ্তরিক কাজের জন্য তাদের খুশি করতে হবে, নাহলে ভোগান্তি পোহাতে হবে।
ami amar tikana transfer kortae chaisi..kintu dey nai...ami france e thaki..tai vabse amar kache taka bor pur...5000 tk chaise..ami ulta bolsi 1 ta o dibo na...tikana transfer korle koren na korle nai...pore abedon korse...kintu omni falaiya rakse
আমার ভাইয়ের ছেলের জন্ম নিবন্ধন তথ্য যাচাইয়ের জন্য আমার কাছে একজন কর্মকর্ত ওনার যাতাযাত ও শারীরিক পরিশ্রমের অযুহাতে এই টাকা দাবি করে ছিলো। আমি এতে অস্বীকৃতি জানাই। পরবর্তীতে আমি কয়েকজন অফিস কর্মকর্তার নিকট ঘুরে আমার কাজ সম্পন্ন করে জন্ম নিবন্ধন সনদ হাতে পাই। কিন্তু এতে বার বার পৌরসভা অফিসে গিয়ে অতিরিক্ত কয়েকদিন সময় ও অনর্থক শারীরিক - মানসিক শ্রম ব্যয় করতে হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী সিসি লোনের সুদ মওকুফের আবেদন করি, বরুড়া সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার সাহেব বলেন সুদ মওকুফের প্রস্তাব উপরে পাঠালে ও মওকুফ পেতে হলে খরচ বাবদ-১০০০০০/টাকা দিতে হবে, অন্যথায় সুদ মওকুফের প্রস্তাব পাঠাবে না, পাঠালেও কাজ হবে না বলে সাব জানিয়ে দেন, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করলে বলে ম্যানেজার প্রস্তাব পাঠাতে হবে না হয় আমাদের কিছু করণীয় নেই
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যাতায়াতের জন্য এবং গ্যাসের পাইপ নেওয়ার জন্য তাদের মেইন গেট সংলগ্ন সরকারি জমি রোডস এন্ড হাইওয়ে ডিপার্টমেন্টের কাছ থেকে সরকারি ফিস ও আবেদন জমা দেওয়ার পরেও ঐ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের এ অতিরিক্ত টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ফাইল সামনে আগায়নি।
এনআইডি কার্ড তৈরি করার জন্য কাগজ জমা দিলে কাগজের মধ্যে কিছু কাগজ নাই বলে পাটওয়ে দেয় একটার পর একটা ভুল আছে এরকম বলে ২ মাস এবং কি ৯ মাস পর্যন্ত করে থাকে পরে টাকা দিলে এক সপ্তার মধ্যে কাজটি হয়ে যায়
যশোর সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে we care প্রকল্পের নিয়োগে আমার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ও প্রকৌশলী ঘুষের বিনিময়ে চাকুরী দেয়। পরবর্তী দুই বছর পর আবার আমার কাছে ঘুষের বিনিময়ে চাকুরী মেয়াদ বাড়াতে চাইছিলো কিন্তু আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে আমার চাকুরী কেড়ে নেয়।যার ফলাফল আমি আমার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে চরম বিপর্যয় মুখে পড়ে যায়।
আমার বিরুদ্ধে এক অন্যায়ের প্রেক্ষিতে থানায় অভিযোগ দিলে একজন পুলিশ সদস্য এলাকায় তদন্তে আসেন। এসে তিনি আমার সাথে দেখা করেন, একসময় তেল খরচ দাবি করেন। পরে বললাম, আমি এসব করি না। মন খারাপ করে চলে গেলো।
হয়রানিমূলক বদলির আদেশ প্রত্যাহার
At Fenchuganj No. 1 Union Parishad,Fenchuganj, Syleht I applied for a birth certificate and was officially asked to pay ৳1,000 for the service. I understand that there may be an official government fee for issuing a birth certificate, but ৳1,000 seemed unusually high to me for this service. I am reporting this to document the amount and to clarify whether ৳1,000 is the officially approved fee for obtaining a birth certificate from this Union Parishad.
৪০ দিনের বেশি হলে শিশুদের জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে ২৫ টাকা সরকারি ফি। কিন্তু তারা জোর করে ২৫০ টাকা করে নিচ্ছে প্রত্যেকজনের কাছ থেকে। নরসিংদী জেলার মহিশুরা ইউনিয়ন
ড্রাইভিং কোর্সে নামে মাএ ভর্তি পরীক্ষা নেয়৷ মূলত একজন ইনসট্রাক্টর আছে সে ঘুষ নিয়ে যারা টাকা দেয় তাদেরকে কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ করে দেয়। আর বাকি কেউ ভর্তি পরীক্ষা ভালো দিলেও তাকে ফেল করিয়ে দেয়া হয় এবং সে ঐ কোর্স করতে পারে না৷।
আমার বাড়িতে কয়েকজন সন্ত্রাসী হামলা করে আমার মাকে আঘাত করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করি। পরে থানা ও এলাকার সবাই ভয় দেখিয়ে সমাধান করে। যারা হামলা করেছিল তারা সবাই বিচারে ছিল না। পরবর্তীতে তারা আমাদের দায়েরকৃত মামলা থানা থেকে উল্টো আমাদের নামে এফআইআর করে দেয়। পুলিশও নিনা তদন্তে টাকা খেয়ে কাজ করে। আমাদের কাছে টাকা দাবি করলে আমরা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। ফলে বিরোধীদের কাছ থেকে টাকা পেয়ে মামলা আমাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করে দেয়
জন্ম নিবন্ধন এর কপি অনলাইনে ডাবল দেখাচ্ছিলো। তাই আমি আমার মেয়ের জন্মনিবন্ধন করতে পারছিলাম না।তাই দালাল ধরে দুই জনের জন্য ৩৭০০৳ পরিষোধ করে ঠিক করে নেই।আমার ছোট বোন একই কাজের জন্য ৮০০০৳ দিয়েছিলো কারন তার মেয়ের স্কুলে ভর্তি করতে হতো খুব দ্রুত।
ফায়ার সার্ভিসে চাকরি পাওয়ার জন্য দিতে হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের জন্মলগ্ন থেকে ঘুষ ছাড়া একজনেরও চাকরি হয় না। তাই সবাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। কিছু অফিসার ছাড়া সবাই বাংলাদেশে একটাই ডিপার্টমেন্ট ফায়ার সার্ভিস যেইখানে নিজের টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়ে জনগনের জন্য সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করে। এখন ২০ লক্ষ + হয়ে গেছে একটা চাকরি।
ঠিকাদারদের work order বের করতে গিয়ে টাকা চেয়েছে ! Natore pbs2