পুলিশ
আমার একটি মোবাইল চিনতাই হয় ২০২৪ ডিসেম্বরে, পুলিশ মোবাইল পাইছে এবং আমাকে দিবে দিবে বলে প্রায় ১৫০০০ টাকা নিয়ে গেছে,কিন্তু আমাকে ফোন দেয় নাই.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার একটি মোবাইল চিনতাই হয় ২০২৪ ডিসেম্বরে, পুলিশ মোবাইল পাইছে এবং আমাকে দিবে দিবে বলে প্রায় ১৫০০০ টাকা নিয়ে গেছে,কিন্তু আমাকে ফোন দেয় নাই.
শ্রমিক ছাটাই করে পুরো ৪ মাসের বেতন অগ্রিম, ও প্রতি বছর এর জন্য ১ টি করে অতিরিক্ত বেতন, অর্জিত ছুটির ভাতা দিয়ে শ্রমিক ছাঁটাই করার যেই নিয়ম আছে, সব পরিশোধ করার পরেও লেবার ফেডারেশন এর সাথে যুক্তি করে ১৫০০০০ টাকা নিয়েছে। অন্যথায় হয়রানি মূলক মামলা করবে হুমকি দিয়েছে।
ঘটনা আত্মীয়ের: নতুন এনআইডি তৈরি ও সংশোধন করতে টাকা দিতে হয়। ফাইল জমা দেওয়ার পর ৩-৪ মাস চলে যায় কিন্তু এসএমএস আসে না। অথচ তার অনেক পরে এমনকি গত সপ্তাহে ফাইল জমা দিয়ে ছবি তুলে আইডি পেয়ে গেছে। খোঁজ নিতে গেলে বলা হয় যে, সময় হলে মেসেজ যাবে। জরুরি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে এনআইডি করতে হয়েছে। বন্ধুর কাছে খবর পেলাম, তার নামের শুধু মোঃ থেকে মোহাম্মদ হবে। এটা সংশোধন করার জন্য সার্টিফিকেট সহ আবেদন করার পরেও প্রায় ২ মাসের মত অপেক্ষা করতে হয়েছে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সংশোধন করতে হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর পৌরসভায় বড় বোর্ডে স্পষ্ট করে লেখা আছে এই দুইটি সনদ তুলতে ১১৩ টাকা করে ২২৬ টাকা খরচ হওয়ার কথা।আমি তা আগে দেখিনি যেদিন এইসব সনদ তুলতে যাবো ঐদিন ৫০০ দিয়ে এসেছি।পরের দিন সনদ তুলতে গিয়ে চেয়ারে বসে অপেক্ষা করার সময় আমার সামনে বড় একটি বোর্ডে কোন কাজের জন্য কত টাকা প্রয়োজন তা চার্ট আকারে দেওয়া আছে।কিন্তু তারপরেও তারা বাড়তি টাকা নিচ্ছে
একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালকের কাছ থেকে ৫ লাখ বা ১০ লাখ টাকা দাবি করে। প্রকল্পে জড়িত কর্মকর্তারা কোন বা প্রকল্প পরিচালক কোন ভাবেই কোন অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত না থাকলেও (which is extremely rare) অডিটরদের চাপে প্রকল্প থেকেই টাকা দেওয়া লাগে। অডিটরদের চাপে পরিচালক মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরলে পরে অডিটররা দয়া করে ২ লাখ টাকায় রাজি হয়।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদনে চরম অবহেলা আর ভোগান্তি! অনলাইনে আবেদন করলেও তাদের অফিস থেকে হার্ড কপি আনতে হয়, অপারেটর ইচ্ছে করে ভুল করে ফাইল আটকে রাখেন আর যিনি সাইন করবেন উনি অফিসেই থাকেন না সব সময়, সাধারণ ১টা কাজ ১ মাস ঘুরে হাতে পেলাম।
আমার ছোট বোনের কাবিননামা বাংলা থেকে ইংলিশ করানো হয়েছে। আমার কাছে ৫০০০ টাকা চেয়েছে এবং বলছে এই টাকা ছাড়া হবে না। আমি মজলুম হিসেবেই এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
police clearance এর কাগজ পত্র চেক করতেছিলো ।তখন আরেকজন আসলো ক্লিয়ারেন্স নিতে ।মেবি মিডল ইস্ট যাওয়ার জন্য নিতে আসছিলো ।তারে হুমকি ধামকি দিচ্ছিলো টাকা দেওয়ার জন্য ।আমারে বলে চা পানি বাবদ কিছু দিয়ে যান ।আপনার টা দ্রুতই চলে আসবে ।এটা আমার দ্বিতীয় অভিজ্ঞতা ছিলো ।কিন্তু একই থানায় প্রথমবার ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়েছিলাম সে সময় একজন এস আই ছিলো ।মওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়া । টাকা নেয়নি ।
২০২০ সালে অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করি। কিন্তু থানায় অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর কাজ হয়। বর্তমানে বিষয়টি এখনও আছে। টাকা না দিলে সময় বেশি লাগে ক্লিয়ারেন্স পেতে
আমার ট্যাক্স সার্কেল অফিসে যাই টিআরসি নিতে। ৩০ কার্যদিবসে বিনা মূল্যে সেবা দেয়ার কথা। একদিনেই ৫ ঘন্টার মধ্যে সেবা পাই ঘুষের বিনিময়ে।
পুলিশ সদস্য সরাসরি কোনো টাকা দাবি করেন নাই। তবে হাবভাবে বুঝিয়েছেন যে কিছু প্রয়োজন। কাগজপত্র রেডি করতে, প্রিন্ট করতে খরচ হয়, অন্যের উপর নির্ভর করে কাজ করা লাগে এসব।
E passport kore dewar jonno. shobar kas teke 450 hajar kore nise. ta na hole file joma ney na.
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য পুলিশকে দিতে হয়েছে বিকাশে
To increase gas pressure, Titas manager demanded speed money. Operation manager Mamun jowarder
তিতাসে গ্যাস লাইনের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে গেলে দশ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিলে কাজ হয়ে যাবে বলা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চা পানি খাবার এর দাবি করা হয়।
পানির মিটার রিডার কে বলা হইসিলো মিটারের গ্লাস ঝাপসা তাই চেঞ্জ করবো। তিনি ১২০০০ চাইসে
আমি দুইটা প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটের টাকা সরকারি ট্রেজারের মাধ্যমে জমা দিন, তারপর ভ্যাট অফিসে ঘুষ বাবদ ৪৫০০০+৪০০০+১০০০ টাকা প্রদান করি , অন্যথায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের উপর নানা রকম জরিমানা করবে। তাই প্রতি মাসে আমাকে উক্ত টাকা প্রদান করতে হয় ।
police verification e passprt kortr gele tkhn ak police otirkto tk dabi koresilo .ghsoh niyesilo 1000tk..abong ta dite hoyesilo nah hole uni passport kortr onk late hob. hobe nah amn bhoy dekhaysilo
I need to attest my certificates for going overseas for my education. So I went to education ministry and they asked for 200 tk for each page and the police who was in the gate was so rude that I could not even stand in the road in front of him.