নিখোঁজ মেয়ে উদ্ধার
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
I paid the payment on govt site to get character certificate. But the computer operator of Manirampur Pourashova said that needs 100 tk even though that is paid. Even, he printed a citizenship certificate even though I filled up the paper to get character certificate. He demanded more 40 tk to print out character certificate.
ইদানীং বিদ্যুৎ অফিসে নতুন সংযোগ নিতে গেলে ইন্সপেকশন এ ফেইল করে দেয়। তবে মিটারপ্রতি ৫-১০ হাজার টাকা জমা দিলে ইন্সপেকশন ও সাকসেস হয় সাথে মিটার লাগিয়ে দিয়ে যায়।
আমি জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট করে সৌদি আরবে এসেছি। আমার জন্মনিবন্ধনের সব তথ্য সঠিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারিভাবে তথ্য অনলাইনে তোলার সময় আমার জন্মতারিখ ভুলভাবে ৮ বছর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে ইউনিয়ন সচিবের কাছে গেলে তিনি বলেন, এটি ঠিক করা সম্ভব হবে না। পরে একই অফিস থেকে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা সেখানে নিয়মিত ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৩০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট চায়ের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতেও ৩,০০০–৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে
একজন শিক্ষক যত টাকা কল্যাণ ও পেনশন এ পাবে তার ৫% দেওয়া লাগবে ঘুষ হিসেবে। ওখানে অনেক জট এজন্য টাকা দিলে আগে টাকা পাবেন। না দিলে অপেক্ষা করতে হবে যেটা ৪-৫ বছর।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের অস্ত্রের গুলি কেনার অনুমতি প্রদানের জন্য অফিস সহকারী লোকমান ৬/৭ দিন আমাকে ঘুরাচ্ছেন নানান অজুহাত দেখিয়ে।এক পর্যায়ে আমি বলি আপনি অনেক কষ্ট করছেন চা পান খাওয়ার জন্য কিছু বকশিস দিব তারপর ওনি বলেন আগামীকাল সকালে নিয়েন অনুমতি পত্র।আমি পরের দিন অনুমতি পত্র নিয়ে আসি এবং ওনাকে ৩০০ টাকা প্রদান করি।
পরশুরাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কিবরিয়া,জুনিয়র অডিটর সুব্রত ঘুষ ছাড়া কোন কাজই করেনা। যেকোন বপতন বিল,টিএডিএ ভাতা,এলপিসি সনদ পাশ করতে হলে ওনাদের ঘুষ দিতে হয়।যেটাকে ওনারা অফিসের ভাষায় বলে 'সমন্বয়' করা। আমার বিভিন্ন কাজে বারবার অনুরোধ করলেও ওনারা সমন্বয় না করে কোন ফাইল ছাড়ে না।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান এর পর বেতন এক্টিভ করার জন্য সবার নিকট থেকে এভারেজ 500-1000 টাকা নিয়েছিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আর উপজেলা প্রাথমিক এর কর্মকর্তা যোগসাজ ছিল। অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।
তাড়া বলেছিল আমাদের স্যার যেখানে যায় সেখান থেকে কিছু টাকা পয়সা নেয়। আপনি কত দিতে পারবেন। আমি তাকে বলি ভাই আমি এখনো ব্যবসাটা শুরু করি নাই ব্যবসাটা শুরু করি রিনিউ করার সময় কিছু দেই? সে বলে না আমাদের স্যার যখন যায় তখনই নেয়। পরে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই। সে তার স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে এসে জানায় আপনি ফাইনাল কত দিতে পারবেন বলেন। আমি তখন তাকে সেই ৫০০ টাকার কথাই জানায়। উপরন্তু তারা মোট পাঁচজন এসেছিলেন সবাইকে হাফ কেজি করে হ্যান্ডওয়াশ গিফট হিসেবে দিতে চাই। তাড়া সেটা গ্রহণ করেন। এবং টাকা বেশি পরিমাণে না হওয়ায় তাড়া সেটা নেননা। পড়ে আমার নিরাপত্তা সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটা রিজেক্ট করা হয়। অগ্নি নির্বাপক লাগিয়ে আবার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আমি জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য সব কাগজপত্র জমা দেই।কিন্তু তাও আমার কাগজ টেবিলে তোলা হায় নি।পরে আমার কাছে ইন্ডাইরেক্টলি টাকা দাবি করা হয়।২ সপ্তাহ হয়রানির পর আমাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়।পরে ২ দিন পর আমার কাগজ টেবিলে তোলা হয়।পরে সবার থেকে জানলাম,সবার থেকেই ২-৩ হাজার টাকা করে নিচ্ছে।এমন একজনও নেই যে টাকা ছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে পারছে ভোটের সময় বাদে।যেখান থেকে আমি হয়রানির শিলার হই-শিদলাই,ব্রাহ্মণপাড়া,উপজেলা অফিস,কুমিল্লা।
During monthly tax return submission, tax office employee demanded 20000-30000 taka only to record it in their book of entry otherwise they'd hold the return which would cause a penalty.
Vat office employee demands 10000-20000 taka every month for vat-return doccument submission. The receptionist is also a culprit, he/she damands 200-500 only to entry the data in the record book
দুর্নীতির মামলায় হয়রানিমূলক ভাবে জড়িয়ে, পরে টাকার বিনিময়ে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। মামলা চলাকালীন সময়ে আমার বেতন স্থগিত আছে । এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে আমার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে । এর ক্ষতি পূরণ আদায় করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা হয়েছে । এর পরেও কাজ হচ্ছিল না । পরে একজন সার্ভেয়ার অফার করে ১১% ঘুষ দিলে টাকা পাওয়া যাবে । ২৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে । চেক ও হয়ে গেছিল । পরে তাদের নিজেদের ভাগাভাগির গন্ডগোলের কারণে চেক আটকে দেয় ।এখনও টাকাটা পাওয়া যায়নি ।
ইচ্চেক্ক্রিত দাবি। টাক্স অডিটে দেয়ার হুমকি
কলকারখানা অধিদপ্তর এ Garments Factory License renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
সাইন অফ করাতে, অনলাইনে ভয়েজ আপডেট এসব ঘুরায়, পরে আসতে বলে ইত্যাদি নানবিধ অজুহাত। ৪ টেবিলে ৫০০+২০০+২০০+১০০ করে ১০০০টাকা দিয়ে ১ ঘন্টায় কাজ করেছে। টাকা না দিলে ২ দিন লাগায় বা নানাবিধ অজুহাত। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী। এভাবেই সবাই টাকা দেয় তাদের।
বাড়ির জায়গা সংক্রান্ত মামলায় ইনজাংশন জারি করলে, রায় পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং ৭০০০০ টাকা নেয়। টাকাটা নেয় জজের কথা বলে তার পেশকার।