জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত)
ট্রান্সফার। এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে (প্রাইমারি স্কুল) ট্রান্সফার।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রান্সফার। এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে (প্রাইমারি স্কুল) ট্রান্সফার।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
নোয়াখালী চাটখিলের উপজেলা অফিসে নতুন এনআইডি কার্ডের আবেদন করতে গেছে আমার একজন রিলেটিভ, অফিসের লোকজন কোনো পাত্তাই দেয় না৷ একবার বলে এই সমস্যা আর একবার বলে ওই সমস্যা। একবার বলে ওনার দাদার আইডি কার্ড লাগবে পরে আবার বলে দাদার আমলের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ লাগবে। মানে বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব ১০ কিলো প্রায় ৫ বার বাড়িতে আপ-ডাউন করা লাগছে। কিন্তু একবারে বলে না কি কি ডকুমেন্টস লাগবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকার কম্পিউটার দোকান থেকে সব রেডি করে আনতে হবে। যাইহোক সবশেষে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। আচ্ছা এইবার আমার ওই রিলেটিভ ৫০০০ টাকা দিলো তারপর ৩০ মিনিটের মধ্যে সব কাজ কমপ্লিট। অথচ সকাল থেকে তাদেরকে সব ধরনের হেনস্তা করা শেষ। অথচ আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদেরকে বেতন দেওয়া হয় আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য।
আমার বিয়ের কাবিননামা সম্পূর্ণ ফ্রি পরিশোধ করা হয়েছে এটা রশিদ আমার কাছে আছে। আমার এবং আমার স্ত্রীর উচ্চ শিক্ষার জন্য ডেনমার্কে আবেদন করি। স্পাউচ হিসেবে আমার আবেদল করা লাগে সেজন্য পাসপোর্ট বা অন্য অন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করতে আমাদের কাবিননামা রেজিস্ট্রার কপি প্রয়োজন পরে। সেজন্য আমাদের বিয়ের কাজীর শরণাপন্ন হয়। সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা এবং বউ খুঁজার বাবদ ১০ টাকা ফ্রি হওয়া স্বত্তেও সে আমার কাছে ৩০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং এটা দিতে হবে নয়তো সে দিবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি দিতে রাজি না হওয়ার সে পরে আমাকে উক্ত কাবিননামা টি দেয়নি।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাঘাইছড়ি উপজেলা বিভিন্ন নিম্ন ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটি অনুমোদন, পাঠদান অনুমতি, স্বীকৃতি নবায়ন করতে হয়। এটার কাজ করার জন্য বেয়াইনী ভাবে বোর্ডের এক কর্মকর্তা (বাঘাইছড়ি এরিয়ায় দায়িত্ব প্রাপ্ত) ২০০০- ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি টাকা গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও হেসেল না নিতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
আসালামুলাইকুম, আমি একজন প্রবাসী,—, আমি আমার মাকে ইতালি আনতে আবেদনের মাধ্যমে যথাযথ বাংলাদেশে ইতালি embassy জমা করি অতঃপর embassy আমার মায়ের visa আবেদন reset করে দেয়। কারন আমার দুই বোন আছে তাদের স্বামীর বাড়ি থেকে জীবন যাপন করে আসছে আমর মাকে italy আনতে হলে আমার বোনের লিখিত ডকুমেন্ট এবং আমার মা একজন অসুস্থ certificate ministri করে italy আদালতের মাধ্যমে আমর মায়ের visa rissue হবে। আমি পল্টন এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে সকল doc. পাঠানো হলে আমাকে বলে officer সাথে কথা বলে জানাবে 7/8দিন ঘুরিয়ে 10 হাজার দাবি করে। আমি আদালতে date এসে যাওয়ায় আমি আমার বোনদের docকরতে রাজি হওয়ায় আমার এক বোনের doc হয় তার পর আমার কাছে 5 হাজার দাবি করেন আমি না দিলে ministri ডকুমেন্টস online থেকে সরিয়ে দেয়।
আমি নির্বাচন কমিশনার অফিসে গিয়েছিলাম, আমার এন আইডিতে দেয়া তথ্য সংশোধনের জন্য।অফিসে প্রদর্শিত তথ্য দেখে ওরা আমাকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বলে, অফিস থেকে আসার পরে আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের কর্মরত এক ব্যক্তির নাম, যিনি ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। অথচ আমি যখন সংশোধনের জন্য সরাসরি যাই, তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে।
চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর অফিসে থেকে যে কোনো ধরনের বিল পাস করতেই ঘুষ দিতে হয় তা না হলে নানা বাহানায় মাসের পর মাস ফেলে রাখে। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রত্যয়ন আনা যেহেতু জরুরি বিষয় তাই বাধ্য হয়ে তাদের চা নাস্তার দাবি কৃত অর্থ (৫০০টাকা) দিতে হয়েছে।
রায়পুরা উপজেলা পরিষদে এনআইডির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে দেখে হয়তো ভাবছে বড়লোক মানুষ। আমি পেছনের সিরিয়ালে ছিলাম। ওইখান থেকে একটা দালাল আমাকে সিরিয়াল ভেঙ্গে সবার আগে ঢুকাইছে। পেছনের সবাই চিল্লাচিল্লি করছিল। আমার নিজের কাছেও অস্বস্তি লাগছিল। পরে দেড় হাজার চাইছে। আমি এক হাজার দিছি। তারপর আমাকে দুই নাম্বার সিরিয়ালে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া সহ সবকিছু করে দিছে। ওই দালালের সাথে অফিসের লোকও জড়িত
পটিয়া পৌরসভা অফিসে দুটো প্রত্যয়ন পত্র বানাতে দিয়েছিলাম যেগুলো সরকারি ফি প্রায় 16 টাকা প্রতিটা প্রত্যয়ন পত্রের। কিন্তু অপারেটরকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়।
৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের সময় NOC নিতে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জেলা শিক্ষা অফিসে। নিয়ম হচ্ছে সবধরণের কাগজপত্র জমা দিয়ে ডকেট করে রাখতে হবে। পরীক্ষায় পাশের পর ভাইবার আগে ডকেট নাম্বার দেখিয়ে NOC নিতে হবে। আবেদনের সময় সেই সব কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। কাগজে সাইন লাগবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার। সেই সাইন নেওয়া জন্য নাকি ৫০০ টাকা লাগবে!!! মানে কাগজপত্র ডকেট করার জন্যই ৫০০ টাকা!! উপজেলায় দিয়েছি ২০০টাকা। আসলে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। তখন ভাবতেছি NOC এর জন্য আসতে হলে কত টাকা খুজবে!!
এইচএসসি সার্টিফিকেট সরকার ফ্রিতে দিলেও কলেজ থেকে সবার কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের কাগজ দেওয়ার জন্য। যখন আমি দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করি এবং বলি এটা সরকারি, তখন আমার সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া হয় এবং পরে টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে হয়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সনদপত্র সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম। সব কিছু মিলে একজন কর্মকর্তা ১৫০০০ টাকা দাবি করে। শেষে উপায় না পেয়ে আনুমানিক ৭০০০ এ কাজ করেছি।
Gazipur mouchak skout sakha jonota bank ami amr babar sathey goto 1 week agey account korte jai first e akta line e darai then chobi ro baki kagojpati newar pore amader ke akta 5-6 page er from Puron korte deya hoy savabik vabei amra jehetu protidin esob kori na tai eto jana nei tarporeo jetotuku somvob amra Puron kore joma dile sekhaney khubi rude bebohar kora hoy akjon boyosko lok chilo and tar pashei bose akjon choto height er akjon Clark amader ke bar bar fereye deya hoy help chaile bole eta amader kaj na help kora Bangladesh e government Bank e account korte geye sokal 10 ta theke dupur 3 ta beje jay then amader then amader kachey 500 tk nay 2 ta from puron er jonno eta na dile
নতুন কারখানার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন
আমার মোবাইল ফোনটি সাভার সিটি সেন্টারের সামনে থেকে হারিয়ে যায়। এ বিষয়ে জিডি/রিপোর্ট করতে সাভার থানায় গেলে, শেষ পর্যন্ত যেন তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজাখুঁজি করে সেই জন্য ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ৫০০ টাকা প্রদান করলেও কোনো ধরনের সেবা বা সহায়তা পাইনি।
কম্পিউটার দোকানে ২০০ টাকা ফি দিয়ে জিডি সাবমিট করেছি। আবেদন পত্র থানায় জমা দিতে গিয়ে শুনি ট্র্যাকিংয়ের জন্য ১০০০ টাকা লাগবে। এছাড়াও ৫০০ টাকার চুক্তি করতে হবে, মানে হারানো মোবাইল ফেরত পাওয়ার সাথে সাথে জিডি ইনচার্জকে ৫০০০ টাকা দিতে হবে।
মামলার নিষ্পত্তির নকল তুলতে সাধারণত সরকারি ফি ৩২/- বার তার কিছু কমবেশী কিন্তু আমি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের থেকে এই নথি নিতে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে এর নিচে হয়নি। এটা শুধু এই ট্রাইবুনালে না সব ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেই একই অবস্থা।
আমি শিয়ালঘনী, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমার কাছে ৪৫০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। যা আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি। কারণ আমার জন্ম নিবন্ধন করার দরকার ছিলো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আবু সালেহ পাটোয়ারি, সে একজন মুফাসসির, কিন্তু কোন ঘুষ ছাড়া কাজ করেনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কলঙ্ক এই অফিসার