ট্রেজারি
নরসিংদী ট্রেজারির — এবং আরেকটা লোক পেনশনের বই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটা আবার চালু করার নামে 20000 টাকা দাবি করেছে। সেই টাকা পরিশোধের পরও কয়েকমাস ঘুরাইয়া তারপর কাজ করে দিছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নরসিংদী ট্রেজারির — এবং আরেকটা লোক পেনশনের বই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটা আবার চালু করার নামে 20000 টাকা দাবি করেছে। সেই টাকা পরিশোধের পরও কয়েকমাস ঘুরাইয়া তারপর কাজ করে দিছে।
আমার মা একজন পেনশনার. প্রতি বছর লাইভ ভেরিফিকেশন করতে হয়, সেটার জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে,
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাঘাইছড়ি উপজেলা বিভিন্ন নিম্ন ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটি অনুমোদন, পাঠদান অনুমতি, স্বীকৃতি নবায়ন করতে হয়। এটার কাজ করার জন্য বেয়াইনী ভাবে বোর্ডের এক কর্মকর্তা (বাঘাইছড়ি এরিয়ায় দায়িত্ব প্রাপ্ত) ২০০০- ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি টাকা গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও হেসেল না নিতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
ট্রান্সফার। এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে (প্রাইমারি স্কুল) ট্রান্সফার।
একজনের স্ত্রী দরজা বন্ধ করে গলায় ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, মেয়ের বাবা থানায় এজাহার দিয়েছে তারপর থেকে পুলিশে নানান ভাবে হয়রানি করছে। ২০০০০ টাকা চেয়েছিলো পরে ১০০০০ দিতে হয়েছে। এখন আবার ফাইনাল রিপোর্ট এর জন্য টাকা চাচ্ছে, না দিলে নাকি চার্জশিট জমা দিবে।
সাভার সরকারী কলেজের (আরও অনেক কলেজেই) সকল বিভাগে, ইনকোর্স পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত নাম্বার কম দিয়ে শিক্ষকরা প্রায় সকল শিক্ষার্থীদের কাছে জরিমানা দাবি করে, এবং জরিমানা না দিলে রেজিস্ট্রেশন করতে না দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ খাতা দেখতে চাইলে, শিক্ষকরা খাতা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। গড়ে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ১০০০ টাকা করে (প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা করে) নেয়া হয়। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এরূপ কোনও নিয়ম নেই। এটা একান্তই কলেজ থেকে বেআইনি ভাবে নেয়া হয়।
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
আমার মোবাইল ফোনটি সাভার সিটি সেন্টারের সামনে থেকে হারিয়ে যায়। এ বিষয়ে জিডি/রিপোর্ট করতে সাভার থানায় গেলে, শেষ পর্যন্ত যেন তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজাখুঁজি করে সেই জন্য ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ৫০০ টাকা প্রদান করলেও কোনো ধরনের সেবা বা সহায়তা পাইনি।
সেবাটি ছিল জেলা স্বাস্থ্য অফিস। চাকরির পরীক্ষার জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। সে সার্টিফিকেটের জন্য সরকারিভাবে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হয় , সাটিফিকেট তৈরি হলে শেষ মুহূর্তে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করেন,দিতেই হবে এইটা বলেন।
রেস্টোরেন্টে নতুন ৩ ফেইজ লাইন নেওয়ার জন্য পিডিবি এক্সেন এর সাথে যোগাযোগ করে আবেদন করা হয়। উনি প্রাথমিক ভাবে ৫ লাখ দিতে বলেন। পরে একটু কমানোর জন্য রিকোয়েস্ট করা হলে এক্সেন সাহেব ফিল্ড ভিজিটে এসে সাত লক্ষ টাকা দাবি করেন। এত টাকা না থাকায় সোলার লাইন লাগানো হয়। পরবর্তীতে সোলার সিস্টেম এড করায় উনি নরমাল কানেকশনের দিতে অপারগতা করেন। একটা নরমাল সিঙ্গেল ফেইজের লাইনের জন্য সাত লাখ টাকা দিতে হবে। যদিও সব ইলেক্ট্রিকাল সাপ্লায় লাইন ঐ রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত আছে।
২০২৪ সালে একটা জমি এর রায় পাওয়া পর সেটার নকল তুলতে মুক্তাগাছা দায়ারা জজ (ময়মনসিংহ এর বিদ্যুৎ অফিস এর ২য় তালায় এক দাত ওয়ার করানো ফসা লোক (উন্নত শিক্ষিত) তাকে ২৫০০/- টাকা দিতে হয় এবং কপি পেতে নিচ তালায় কে ১৫০০/- দেই যদিও ২০০/- ফেরত দিসে বলছিলও এতেই হবে।
রেস্টুরেন্টের ভ্যাট জমা দেওয়ার সময় ৬০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে।
ব্যবসায়ীদের vat online এ প্রতি মাসে রিটার্ন সাবমিট করতে হয়। সার্কেলের যে ARO থাকে সে প্রতি মাসে রিটার্নের বিপরীতে ৫০০০ করে টাকা নেয়। এছাড়াও কমার্শিয়াল ইমপোর্টার হলে প্রতি বছর কাগজপত্র চেক করার নামে একটা চিঠি ইস্যু করে ৫০০০০/১০০০০০ করে নেয়।
আমার কোম্পানীর পেমেন্ট ও তা থেকে কর্তিত ভ্যাট-ট্যাক্সের ডকুমেন্টস সংগ্রহ, দুই বারই হিসাব বিভাগে ঘুষ দিতে হয়েছে৷ আরো অনেক টাকা লাগতো, কিন্তু ফাইক নিয়ে কয়েকটা রুমে নিজে দৌড়েছি বিধায় কিছু খরচ এড়ানো গেছে৷ টাকা ছাড়া বিল ছাড়তে চায় না৷ ভ্যাট-ট্যাক্সের কাগজও দিতে চায় না৷
নামের বানান সংশোধন করার জন্য ফাইল জমা দিলাম তিন মাস হলো এখনো কাজ হলো না। এখন প্রতি ফাইলে দশ হাজার করে ঘুষ চায়
I'd applied for BIN on NBR online portal. But it has to be approved by VAT officials after that I got the BIN. But, for this approval they asked me to pay 5000 BDT. After negotiations I have to pay 2000 bdt then I got the BIN & drop box in NBR online portal.
জামালপুর ইউনিয়নের পল্লি বিদ্যুৎতের কর্মকর্তা, ইঞ্জিনিয়ার এবং লাইন টেকনিশিয়ান, ওয়ারিং পরিদর্শক, এবং সকল লাইনম্যান টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা, আমি তাঁর প্রধান সাক্ষী।
যতগুলো শুরুম আছে সবাই ভ্যাট ফাকি দিয়ে অফিসার কে ঘুস দেয় যে খানে সরকার ভ্যাট পাবে ৪ লাখ সেটা ২০ হাজারে মিটানো হয়
সোউদিতে জাব।তাই 3 দিন ট্রেনিং করতে ৬৫০ টাকা লাগবে বলে টাকা নিয়েছে
ই-কমার্স এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম ।গ্যাজেট নাম্বার অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের টাকা আসে আনুমানিক ৪২০০ টাকা ,ভ্যাট;ট্যাক্স সহ । তারা দাবি করে ৬০০০ টাকা ।তা না হলে সময় লাগবে ২-৩ মাস ।তাই ৫৫০০ টাকা পরিশোধ করা লাগে । ২য়: বাড়ির ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে গিয়েছিলাম ।ভ্যাট ট্যাক্স সহ চার্জ আসে ২৭৯০ আনুমানিক ।তারা ৩৫০০ টাকা নিয়েছে ।এগুলো রিসেন্ট কথা বললাম ।আগে পরে সকল কাজে ১০০০-৩০০০ টাকা প্রতি কাজে ঘুষ নিয়েছে ও নিয়ে থাকে তা ব্যাক্তি ভেদে কমবেশি