উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে যে কোনো সরকারি/ বিল উত্তোলন
অফিসটিতে সকল ধরনের বিলে একাউন্টস অফিসারকে ৫% ঘুস প্রদান না করলে কারোর ই বিল পাস হয় না। এমনকি উক্ত উপজেলার ইউএও সহ সকলকেই ঘুস প্রদান করতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অফিসটিতে সকল ধরনের বিলে একাউন্টস অফিসারকে ৫% ঘুস প্রদান না করলে কারোর ই বিল পাস হয় না। এমনকি উক্ত উপজেলার ইউএও সহ সকলকেই ঘুস প্রদান করতে হয়।
চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট বা নাগরিকত্ব সনদ প্রাপ্তির জন্য অনলাইন এ আবেদন করে (অনলাইন এ নির্দিষ্ট ফি ৩০ টাকা পেমেন্ট করা হয়েছিলো) ফর্ম নিয়ে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলা কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। তারপর ১০০০ টাকা দিয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন নাগরিকত্ব সনদ নিতে হয়েছে । এই ঘটনা ২০২৩ সালের ।
বর্ডার ক্রস করতে টাকা লাগে। প্রথমে সোনালী ব্যংকে পরে ইমিগ্রেশন এ।
সমাজকল্যান অফিস থেকে ক্যন্সার রোগীদের জন্য ৫০০০০ টাকা পেতে তাদের প্রতেককে অফিস খরচ ১৫০০০ দিতে হয়
সমস্যা: সঠিক জন্মসনদ দিয়ে এমআরপি পাসপোর্ট করা থাকলেও, এনআইডি (NID) কার্ডে আমার ও আমার মায়ের নাম ভুল আসে। জটিলতা: এই ভুলের কারণে পাসপোর্ট অফিস ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়নি এবং আগে এনআইডি সংশোধনের পরামর্শ দেয়। অভিজ্ঞতা: প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে একাধিকবার উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলেও কর্মকর্তা ফাইল জমা নেননি, বরং আকার-ইঙ্গিতে দালাল ধরার সংকেত দেন। বর্তমান অবস্থা: বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে ৮,০০০ টাকায় কাজ করাতে রাজি হই। শর্ত অনুযায়ী ৩ হাজার দিয়েছি, কাজ হওয়ার পর বাকি টাকা পরিশোধ করা হবে। বর্তমানে ফাইলটি জমা নেওয়া হয়েছে। দেখাযাক কি হয়।
আমি টিন সার্টিফিকেটের ঠিকানা ভুল দেওয়ার জন্য তা দিক করতে ওয়েবসাইটের হেল্প নেই কিন্তু ওয়েবসাইট থেকে কাজ না হওয়ায় অফিসে যাই সেখানে — নামের এক কর্মকর্তা ঠিকানায় গ্রমের নামের একটা অক্ষর পরিবর্তন করার জন্য ২০০০ এবং নামের ইডিট করানোর জন্য ১০০০ মোট ৩০০০ টাকা দাবি করে যায় প্রেক্ষিতে আমি অফিস থেকে কোনো টাকা না দিয়ে বেড়িয়ে আসি।
আমি অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, এই অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। দুইটি বিদ্যুৎ মিটারের জন্য দুইবার আবেদন করার পরও প্রতিবারই ৮,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে, যা তারা "চা-খাওয়ার খরচ" বলে উল্লেখ করেছে। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আজ পর্যন্ত আমার মিটার সংযোগ দেওয়া হয়নি। এর আগেও অভিযোগ করেছিলাম, কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমার গ ক্যাটেগরি আবেদন টি তদন্ত না করেই বাতিল করে দিবে বলেছে যেখানে সকল কাগজ সঠিক দিয়েছি কত কাগজ কষ্ট করে দিয়েছি। এখন নাকি সবারই একই অবস্থা কারও গ ক্যাটাগরি আবেদন যাচাই না করেই বাদ করে দেয় টাকা দিলে হবে
পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে সবাই জানে, এপ্লাই করার পর ১ সপ্তাহ পরে কল আসলো, পুলিশ ভেরিফিকেশনর জন্যে গেলাম। গিয়েই টাকা চায় ১০০০ প্রতি জনের। আমার কথা হলো আমি সারাজীবন অন্যায় করি নাই, আমার খারাপ রেকর্ড পাবে না তাও কেনো ভেরিফিকেশনে টাকার মাধ্যমেই নিজেকে ভালো দেখাতে হবে???? পরিবারের আরও ২ জন এর জন্যে পাসপোর্ট সহ মোট ৩০০০ টাকা দিয়ে চলে আসছি।
চাকরির জন্য নাকি চা-পানি খাওয়ার জন্য ১৫-২০ লাখ লাগবে। তাহলে আর কিছু প্রয়োজন নেই। সরাসরি চাকরিতে জয়েন 😌
নির্বাচন অফিস কতৃক আমার এনআইডি কার্ডে বয়স ভুল করছে। ১৯৬৭ এর জায়গায় ১৯৭৬ দিয়েছে । একটা ভুলের কারণেই তারতম্য ১০ বছর। অনলাইনে দীর্ঘদীন আবেদন করে অপেক্ষা করছি কোন ফলাফল নেই। ঢাকা নির্বাচন অফিস কিংবা হটলাইনে কল দিলে বলে মোবাইলে এসএমএস পাবেন। ৮/৯ মাস হয়ে গেছে অলরেডি । এই বয়সের জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বেতন আটকে আছে। পরবর্তীতে একজন মাধ্যমের সাথে যোগাযোগ করা হয়। উনাকে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । ২ মাস থেকে প্রতি সপ্তাহে কাজ হ্চ্ছে। বাট এখনো শেষ হয় না। আমার বৈধ আবেদন ।সপক্ষে সকল ডকুমেন্টস আপলোড করেছি তারপরো হচ্ছে না। কবে বাংলাদেশে সবকিছু সহজ হবে?
মেডিক্যাল অনলাইন করার জন্য ২০০ না দিলে দিবেই না আহারে পরে দিয়েছি
The engineer — asked this amnt for to do a civil work. I am currently working as a government listed tender party and the engr — tell me to pay them breakfast and lunch bill 5 lakh
আমরা মামলার এজাহার কপি চেয়ে ছিলাম। প্রথমে বলে কোট নিয়েন।পরে বলে খরচাপাতি দিলে দেওয়া যাবে
আমার জন্মসনদ আর ওয়ারিশ সনদ অনলাইন করতে চাদপুর পৌরসভা ৩০০০ টাকা নেয় 😢😢😢😢 কিছুই করার ছিল না আমার
ঢাকার কেরানীগঞ্জে বর্তমানে বিডিএস জরিপ চলছে। অভিযোগ রয়েছে, জরিপে অনেক জমিকে অযথা জটিলতাপূর্ণ দেখানো এবং দলিল ও নামজারির তুলনায় জমির পরিমাণ কম দেখানো হচ্ছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, দালালের মাধ্যমে কাগজপত্র জমা দিলে কাজ সহজ হয়, অথচ সাধারণ মানুষ নিজে কাগজ জমা দিলে নানা ত্রুটি দেখিয়ে হয়রানি ও অনৈতিক সুবিধা দাবি করা হয়। আমার নিজের জমির ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি। দলিল ও নামজারি অনুযায়ী জমির যথাযথ প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও জরিপের নকশা ও রেকর্ডে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা এখনও বিবাদমান ও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদোত্তীর্ন হবার পর সেই টাকা তুলতে গেলে ২-৩ মাস টাকা আসে নাই, জেলা পোস্ট অফিসে এসে আটকে আছে এসব বলে ঘুরিয়েছে। শেষ দিকে রাগান্বিত হয়ে ইমার্জেন্সি দরকার বলার পর অফিসে সহায়ক সাইডে ডেকে নিয়ে বলে কালকে বিকেলে আসেন, সাথে একটু চা-নাস্তার খরচ দিয়েন। পরদিন দুপুরেই সেই অফিস সহায়ক ফোন দিয়ে বলে টাকা আসছে নিয়ে যেতে। যাবার পর সে নিজেই ৫০০ টাকা চেয়ে নিয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতে চাকরির জন্য আবেদন করার পর একজন ব্যক্তি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১,০০,০০০ টাকা দাবি করেন। চাকরির আশায় পরিবারের গরু বিক্রি করে তাকে ৮০,০০০ টাকা দিই। পরে কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে আমার বাবার কাছ থেকে আরও ৩৫,০০০ টাকা নেন। মোট ১,১৫,০০০ টাকা নেওয়ার পর এখন তিনি বলছেন, আমার কাগজপত্রে সমস্যা ছিল। আমার কাছে ফোনে কথোপকথনের রেকর্ড এবং এলাকার সাক্ষী রয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতে চাকরির জন্য আবেদন করার পর একজন ব্যক্তি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১,০০,০০০ টাকা দাবি করেন। চাকরির আশায় পরিবারের গরু বিক্রি করে তাকে ৮০,০০০ টাকা দিই। পরে কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে আমার বাবার কাছ থেকে আরও ৩৫,০০০ টাকা নেন। মোট ১,১৫,০০০ টাকা নেওয়ার পর এখন তিনি বলছেন, আমার কাগজপত্রে সমস্যা ছিল। আমার কাছে ফোনে কথোপকথনের রেকর্ড এবং এলাকার সাক্ষী রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের হেড অফিসে আমার ঠিকাদারি কোম্পানির একটি তথ্য জানার জন্য অফিস সহকারী ১০,০০০ টাকা দাবি করে।