Tenders enlistment EED
for enlistment government selected fee is 5750 tk with vat but even my all documents is perfect .asked for 21000.if i not agree i can get enlistment even all the prosses is online
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
for enlistment government selected fee is 5750 tk with vat but even my all documents is perfect .asked for 21000.if i not agree i can get enlistment even all the prosses is online
I was mugged near banasree, and when I reported it to the Rampura Thana located in Banasree, the assigned investigation officer worked on the case. He asked if he should put "full effort" into it. I wasn't sure what he meant, but I told him to do so. It took four to six months to recover the phone. Once it was recovered, he called to deliver it and mentioned that he required abo20% of the phone's value (around 10K–12K BDT) or he wouldn't hand it over. After going back and forth for some time, I had to pay about 10K BDT just to get back the phone that was stolen from me! These people are paid from my tax money, yet I am forced to pay for their service and effectively buy back my own phone.
Directorate General of Drug Administration Jashore এ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া এবং সকল সরকারি ফি পরিশোধ করার পর ও বড় স্যার কে দিতে হবে বলে ১০০০ টাকা দাবি করে কর্মরত ব্যাক্তি
আমার মায়ের পেনশন এর টাকা চালু করার সময় জেলা একাউন্ট অফিসার সই করার পূর্বে তার সহকারী কে ডেকে টাকা দাবি করে, নাস্তা খাওয়ার কথা বলে। আমরা দিতে বাধ্য হই।
ছোট বোনের কলেজ ট্রান্সফারের আবেদন করেছিলাম কিন্তু এক মাস পার হয়ে যাওয়ার পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডে পরের স্টেপে যাচ্ছিল না। পরে ফেসবুকে সংক্রান্ত হেল্প গ্রুপে পোস্ট করলে একজন আমাকে ইনবক্স করে কিভাবে টাকা দিয়ে এটা এপ্রোভ করা হয়। এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আইটি'র কর্মচারী/কর্মকর্তার কন্টাক্ট ডিটেইলস শেয়ার করা হয় সত্যতা যাচাইয়ের জন্যে। আমি ঐ নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিলে আমাকে বিস্তারিত জানানো হয় এবং বলা হয় এখানে টাকা না দিলে এটা কখনোই পরের স্টেপে মুভ করবে না। পরে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করেও যখন দেখি এপ্রোভ হচ্ছে না তখন ঐ আইটি কর্মকর্তা/কর্মচারির সাথে যোগাযোগ করে টাকা সেন্ড করে বাকি প্রসেস কমপ্লিট হয়েছে।
বয়লার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ব্যাংক ড্রাফট জমা দেয়ার পর নিযোক্ত বয়লার পরিদর্শক পরিদর্শন এ আসে, সব কিছু ঠিক থাকার পরও দির্গ দিন দরে নবায়ণপ্রপ্ত চলে আসা বয়লারকে নানা ভাবে অবৈধ বলে বয়লার চালানোর নিষেধ করে চলে যায়। যার ফলে কলকারখানার কার্যক্রম বন্ধ হলে যায়। তারপর অফিসের পিয়ন ও অন্যান্য পরিদর্শকের কাছের মানুষ দিয়ে কল করে ঘুষ অফার করার জন্য না রকম চাপ সৃষ্টি করে এবং অফিসে দেখা করতে বলে। ওনার কথা ঐভাবে কাজ না করলে উনি বয়ল্যার চালানোর পারমিশন দিবে না। তারপর বাধ্য হয়ে ওনার ডিমান্ড করা টাকা দিতে হলাম এবং এর পর উনি বয়লার চালানোর পারমিশন দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করে দিল।
File audit complete by inspector, nothing found abnormal, but she demands some money. After that she transfer and new officer came. also new DCT. Now UD and their stuff ready a new report and show a large amount as deemed income. otherwise, he will send it to range.
মাদক বিক্রি করি এমন মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শক আমাদের বাড়িতে আসেন। তল্লাশির সময় আমাদের ব্যাগ থেকে ৩০,০০০ টাকা ও একটি স্মার্ট মোবাইল নিয়ে যান। কিছু দিন পর শুধু মোবাইল ফেরত দিয়েছেন, কিন্তু টাকা ফেরত দেননি।
মনপুরা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে কোনো আসামীর জামিন করাতে হলে আসামী প্রতি ৫০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা দিতে হয়, নাহলে জামিন হয় না। এই টাকা কোর্টের পেশকার ও জিআরও নেন। এখানে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে অন্য মামলায় ফাঁসানো হয়।
আমার টাইলস এর দোকান মিরপুর ১০ নাম্বার প্রতি মাসে ভেট অফিস থেকে আমাদের মারকেট থেকে ৩ থেকে চার লক্ষ টাকা তুলে নেয় । না দিলে তারা প্রতিটা দোকানে অভিযান চালায় বাধ্য হয়ে টাকা দেই আমরা প্রসাশোন কনো বেবস্তা নেয় না ।
ভ্রমণ বিলের ২০% পরিশোধ করতে হয়েছে
30 বছর আগে ভাগ করা জমি এখন দখল করে বাড়ির উপর দিয়ে ঘিরে দিয়েছে বিএনপি নেতা যে এই অভিযোগ করেছে জমিটা তার সে গ্রামে থাকে না নেতাদের টাকা দিয়ে এ কাজ করিয়েছে কিন্তু যার জমি দখল করেছে সে একটা পাগল মহিলা বললেই চলে অনেক কষ্ট করে বেচে আছে দুই সন্তান নিয়ে যারা দখল করেছে তারা এখন বলতেছে টাকা দিতে তাহলে তার ঘরবাড়ি থাকবে না হলে ভেঙ্গে দিবে আমরা এই গরিব হিন্দু মহিলার সাথে যা হচ্ছে তার সঠিক বিচার চাই এটা নিয়ে নিউজ করেছে কিন্তু এখনো কিছ হয়নি
5k bribe for driving at late night with female
আমরা ইসলামী ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে এটিএম বুথে চাকরি করি আমাদের কোম্পানি হচ্ছে এলিটফোর্স কোম্পানি এদের মাধ্যমে আমরা চাকরি করি আমাদের সর্বনিম্ন বেতন হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে আমাদের সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে 6000 টাকা এই টাকা বেতনে আমরা চাকরি করি এর মাধ্যমে এত টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে কেন আমাদেরকে এত টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে সর্বনিম্নে এত বেতন আর কোথাও এই বাংলাদেশে বা এই পৃথিবীর মধ্যে তাই আমরা উল্লেখ করছি যে আমাদের এই বেতন যেন উর্ধ্ব-কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ রইলো এবং যারা চাকরি করে সর্বনিম্ন পারিশ্রমিক হিসেবে তাদের বেতন যেন উর্ধ্বে কর্মকর্তার কাছে বলা হয় বেতন যেন বাড়তি করা হয় সর্বনিম্ন বেতন যেন ১০ থেকে ১২০০০ টাকা পর্যন্ত সিকিউরিটি গার্ডকে দেওয়া হয়।
কোর্টে আমার একটা মামলা চলছে। আমি ডেভেলপার কোম্পানির কাছ থেকে ফ্ল্যাট নিয়েছিলাম, বর্তমানে ডেভেলপার পলাতক, সেজন্য কোর্টে মামলা করি। মামলার পর পুলিশের কাছে কেস গেলে একজন এসআই আমাকে ফোন করে বলেন, এই মামলার কাজ করতে হলে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। না দিলে তিনি ডেভেলপার পলাতক মর্মে কোনো রিপোর্ট দেবেন না, ফলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ওয়ারেন্ট হবে না এবং মামলা কোনো কাজে আসবে না।
নিজের বেতন স্কেল নিতে ibass++ fixation এ ডাটা দিতে হয়। আমার বিদ্যালয় নাম পূর্বে ibass++ software এ ছিল না। পরবর্তীতে আমার বিদ্যালয়ের নাম এই সফটওয়্যারে ইনক্লুড হলে, নিজের বিদ্যালয়ের নামে (কর্মস্থল ঠিকানা) ibass++ update করতে গেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছ থেকে ফরওয়ার্ডিং নিয়ে আসতে বলে, আমি সকল কাগজ সঠিকভাবে ফরওয়ার্ডিং করে ওখানে তথা উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দিতে গেলে ১০০০ টাকা চায়। আমি কিছুক্ষণ পর এই তথ্যটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কেউ জানিয়ে দেই। উনি বলেন দেখেন কিভাবে মিনিমাইজ করা যায়। পরবর্তীতে আমাকে কাজটা ১০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই করতে হয়।
EPZ official demanded the money to amend export permit. The service is free.
মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার নির্ধারিত তারিখ ছাড়া কোনো আসামীর জামিনে মুক্তির দরখাস্ত দাখিল করতে গেলে সংশ্লিষ্ট আদালতের পিওন, পেশকার অথবা পুলিশের জি.আর.ওকে কমপক্ষে ৫০০ টাকা ঘুষ না দিলে সেই ফাইল বিজ্ঞ বিচারকের টেবিলে গিয়ে পৌঁছায় না। যারা সেই টাকা দিতে চান না, তারা নির্ধারিত তারিখে জামিন শুনানী করেন।
প্রতি ২ লাখ টাকার প্রকল্পে পিআইও ৪৫,০০০ টাকা ঘুষ নেন, ইউনিয়নে প্রকল্প না দিয়ে নিজেই প্রকল্প করেন। অনুমান করা হচ্ছে দেড় বছরে ২ কোটি টাকার বেশি লোপাট হয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন ইংলিশ করতে ১০০০ টাকা ছাড়া এপ্রুভাল দেয়নাই