বাবার এক কালীন টাকা জন্য রিপোর্ট
আমার বাবা শরিয়ত পুর দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ছিলেন, এমপি ভুক্ত হওয়ার পর, কয়েক বছর চাকুরী করা অবস্থায় বাবা মারা যান, তারা প্রথমে একটা টাকা দেয়, প্রায় ৭৩ হাজার টাকার মত, পর্বর্তীতে পেনসন অথবা এক কালীন একটা টাকা দেবার কথা, কিন্তু দেয় নাই, আমাদেন বাড়ি চাঁদপুর, আমরা চাঁদপুর থেকে শরিয়তপুর আমার বোন সহ একাধিক বার পেন্সিবল এক কাছে গিয়েছি, প্রতিবারে হুজুর দুই হাজার টাকা করে নিতেন, আর বলতেন আমি ঢাকায় গিয়ে যোগাযোগ করবো, এইভাবে একাধিক বার টাকা নেওয়ার পর, আমরা ক্লান্ত হয়ে সেই পথ থেকে ফিরে এসেছি, আমার বোনের নামে ছিল নমিনী, আর আমার বাবা ইরান যখন কুয়েত দখল করে সেই যুদ্ধের সময় বাবা বাড়িতে আসে, এবং বাবা কাগজ জমা দেয় ক্ষতুপূরনের জন্য, কিন্তু সেই টাকা ও পাই নাই, আসলে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা হচ্ছে বড় মাপের চো