ইউনিয়ন পরিষদ, জন্মনিবন্ধন
জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে ৬০০ ছয়শত টাকা ঘুষ নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে ৬০০ ছয়শত টাকা ঘুষ নেয়।
আমার নাম মানুষ সব থেকে বর ভুল করছি এই দেশে জন্ম নিয়ে- কারণ এই দেশের মানুষের মনে কোনো ঈমান নেই আমার দাদার জায়গা জমি কিছু খারাপ মানুষ দখল করে নিয়েছে আমার দাদা কেস করছে আজ ৫০ বছর চলছে আমরা কেসে জিতছি মনে করছিলাম এবার মনে হয় এটার শেষ হলো কিন্তু না দেশের সর্বোচ্চ আদালত Bangladesh Supreme court সেখান থেকে বলছে টাকা লাগবে তারপর শেষ হবে- এটা কিসের system আমার জন্ম এখানে এই দেশ আমার এই মাটি আমার আজ আমার মাটিতেই আমাকে দরাতে দিচ্ছে না আমার মাটি আমাকে নিতেও টাকা দিতে হবে কিসের fucking system এটা যেখানে এই দেশের সর্বোচ্চ কোট ও টাকা চাই
নতুন বাড়ি করছিলাম । কারেন্টের লাইনের জন্য মিটার লাগবে । কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করে, বারবার ডিলে করা হইতেছিল । এত সময় লাগে কেন, জিজ্ঞেস করার পরে ঘুষ দাবি করে । পরে টাকা পরিশোধ করে ,মিটার আনা লাগছে!
ছেলের মোবাইল চুরি হয়েছে কলেজ হোস্টেল থেকে। থানায় জিডি লিখতে ২০০ টাকা, জিডি জমা দিতে ডিউটি অফিসার কে ৮০০ টাকা। মোবাইল উদ্ধার হওয়ার পর এএসআই দাবী করেছে ৩৫০০/-। রিকুয়েষ্ট করে ৫০০ টাকা কম দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম দুই বার অন্য মোবাইল দেওয়া হয়েছিল।
রূপালী ব্যাংকের সিলেট অঞ্চলে বাইরের কর্মকর্তারা বদলি হতে চাইলে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বদলি করাতে হয়। আবার লোকাল অনেকে বছরের পর বছর একই এলাকায় থেকে যাচ্ছেন। ঋণ বিতরণ ও রিকভারিতে সন্তোষজনক অর্জন না থাকলেও কার্যকর জবাবদিহিতা নেই । এছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের জোনাল ও বিভাগীয় অফিসে কয়েকজন কর্মকর্তা গত ৫–৬ বছর ধরে একই অফিসে কর্মরত। রোটেশন নীতিমালা সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে SPO/AGM পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গত ৫–৬ বছরের পোস্টিং ইতিহাস, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিংয়ে থাকার সময়, ম্যানেজার হিসেবে ঋণ বিতরণের টার্গেট বনাম অর্জন এবং রিকভারি পর্যালোচনা করা হোক। যাঁদের কর্মদক্ষতা সন্তোষজনক নয়, তাঁদের বিরুদ্ধেও যেন জবাবদিহিতা করা হয়
আমি একজন প্রবাসী ২০২৩ সালে উত্তরাতে একটি বাড়ি ক্রয় করি এই বাড়ির নাম জারি ডেসকো, ওয়াসা, তিতাস এবং সিটি কর্পোরেশনের নাম জারির জন্য সরকারি ফীর বাহিরে অতিরিক্ত 75 হাজার টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছিল
নতুন জন্ম নিবন্ধন অথবা সংশোধন করতে মূলত সরকারি খরচ ৫০ টাকা আর ইউনিয়ন অফিস থেকে তারা নেয় ১৫০ টাকা প্রতিজন থেকে তারা ১০০ টাকা করে বেশি নে যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করি কেন ১০০ টাকা বেশি নিবেন বলে যে অফিস খরচ চেয়ারম্যান খরচ। যদি অফিস খরচ চেয়ারম্যান খরচ আমরা দিতে হয় তাহলে সরকার কেন আপনাদেরকে বেতন দিচ্ছে অফিস খরচ দিচ্ছি এগুলা কোথায় যাচ্ছে এগুলোর কথা বলে প্রতিজন থেকে যদি ১০০ টাকা করে বেশি নেয় তাহলে এখানে কত টাকা দুর্নীতি করতেছে???! কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, ইউনিয়- গলিয়ার দক্ষিণ গলিয়ারা উত্তর।
আমার একটি Account খোলার জন্য গিয়েছে,Account এর From পূরন করার জন্য আমার কাজ থেকে ২০০ টাকা নিয়েছে। এই টাকা টা সবার কাজ থেকে নেয় ২০০/৩০০/৫০০ টাকা পযন্ত।
যেমন ১। সিভিল মামলা দায়ের করতে ৫০০-১০০০ টাকা দিতে হয়। ২। নিষেধাজ্ঞা , আপত্তি দাখিল,জবানবন্দি দাখিল ও অন্যান্য এর জন্য সিভিল কোর্টের সেরেস্তাদারের কাছে এভিডেভিড দিতে ৫০০-১০০০ দিতে হয়। সিভিল মামলায় সংশোধনের জন্য পেশকারকে ৩০০-১০০০ দিতে হয়,জবানবন্দি / সাক্ষীর জন্য ১০০০-২০০০ দিতেই হয় আরো অনের সার্ভিস এর জন্য টাকা দেওয়া বাধ্যতামুলক হয়ে গেছে
ঘটনাটি ঘটেছিলো, আমি একটা পুলিশ বাদি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলাম, দোকান থেকে ডিবি-পুলিশ তারাঅল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতার করে একজন বা দুইজন শাক্ষি নাম ঠিকানা নিয়ে চলে যাবে। জব্দ তালিকা শাক্ষি কে ঠিক মতো দেখাবে না ১২০,০০০ হাজার টাকা দোকান থেকে নিলেও তারা, উল্লেখ করেছে ৫০০০টাকা দোকানে পেয়েছে। শাক্ষিকে না দেখিয়েই উক্ত জব্দ প্রক্রিয়া করেছেন। গ্রেফতার ১ তারিখে করলেও ২তারিখে গ্রেফতার দেখানো হয়। এতে, ব্যাংক ও বিকাশ থেকে তারা জোরপূর্বক পাসওয়ার্ড পিন নিয়ে টাকা চুরি করে। পুলিশ দের গ্রেফতারের সময় যদি তারা, গ্রেফতারের তারিখ ও সময় সহ পুলিশের বিপি নাম্বার সহ জব্দ মামলাল সহ কিছু ও গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি কে কাগজে সাইন ও পুলিশের সাইন সহ ঐ কাগজ শাক্ষি ও গ্রেফতার কৃত ব্যাক্তির পরিবারকে ঐ কাগজ দেওয়া উচিত।
আমি একজন মেডিকেল অফিসার হিসেবে ময়মনসিংহের একটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছি। গত অর্থবছরে প্রাপ্য কিছু TA-DA বিল আইবাস++ থেকে সাবমিট করেও পাইনি, বাজেট নাই বলে! অথচ স্বাস্থখাতের বাজেট ফেরত যায়। আসলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী এই বিলের বাজেট ফাইল আটকে রাখে এবং বিভিন্ন এমাউন্টের টাকা দাবি করে। আমি এই বিষয়ে GRS এ অভিযোগ করলেও অভিযোগ আমলে নেয়া হয়নি ৩-৪মাস হয়ে গেলো।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় ফুলবাড়ীয়া কলেজে অনার্স চতুর্থ বর্ষে ভাইভার নামে ১০০০৳ করে ঘুষ নেওয়া হয় এবং বলা হয় এই টাকা না দিলে ভাইভার রেজাল্ট খারাপ হবে। টাকা দিলে রেজাল্ট ভালো হবে। বিশেষ করে আমাদের রাস্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টে আমাদের টাকা নেওয়া সত্বেও, ভাইভা তে সঠিক উত্তর দেওয়া সত্বেও আমাদেরকে A দিয়েছে। অন্য সবাইকে এ+ দিয়েছে। আমাদের সাথে এই বৈষম্যের জন্য ফার্স্ট ক্লাস মিস হয়ে যায়। কলেজের বিভিন্ন ধাপে এমন ঘুষের ছড়াছড়ি রয়েছে।
সরকারি চাকুরি হওয়ার কয়েক মাস পর পুলিশ যায় ভ্যারিফিকেশনের জন্য, সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও চা-পানি খাওয়ার জন্য ৫০০০ দাবি করে, টাকা না দিলে রিপোর্টে প্রবলেম হবে বলে, টাকা দিতে অস্বীকার জানালে পরবর্তীতে তর্ক বিতর্ক হয়, পরে বাসার সিসি ক্যামেরা দেখে আর কিছু না বলে চলে যায়, পরের দিন এসে আস্তে করে বলে ফুটেজটা ডিলিট করে দিয়েন
আমার ভাতিজাকে ২২ বছরের,,৮ ঘন্টা জেরাও করে দোষী করা হয় প্রমান থাকলেও যাচাই বাচাই করেনা.এক পর্যায়ে যহেএতু এটা অনেক আগে ক্রাইম হইসে তাই তারা টাকা নিয়ে বলসে যে বিভিন্ন প্রসেস করবে যাতে মামলা না হয়।কিন্রু এই ঝামেলা এখনো সক্রিয় মানে আপোস হয়নি কিন্তু বাদীদের থেকেও অনেক টাকা নিসে।পুরা মিথ্যা অভিযোগ ছিল।
সন্তানের আর নিজের জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য বৈধ আবেদন করার পরও আবেদন ইউএনও অফিস থেকে রিজেক্ট করে দিয়েছে ২ বার৷ দালাল ধরে টাকা ঘুষ দেওয়ার পর কাজ হয়ে গেছে ১ দিনে। এ জন্য দায়ী ইউএনও এবং তার সহকারী কর্মকর্তা। আমার জীবনের প্রথম ঘুষ দিলাম সরকারি সেবা নিতে। আমি নিজেও সরকারি কর্মকর্তা।
আমি NId কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিয়ে মধুপুর নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় জাই সেখানে তেমন ভির ছিলো না কিন্তু অফিসের সামনে একজন লোক ছিল সম্ববত কাজের বুয়া। বুয়া আমার কাগজ গুলো নিয়ে স্যার কে দেয় কিন্তু কোনো কিছু করছিলো না । বুয়া আমার কাছে ১০০ টাকা চায় আমি ৫০ টাকা দেই। পরে কাজ শেষে আবার ১০০ টাকা চায় আমি প্রত্যাখ্যান করি এটি আমার সাথে হয়েছিলো ২০২২ সালে আগস্ট ১৮ তারিখে। এতি ছিল আমার জীবনে প্রথম সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ দেওয়া তাই এটি এখনো মনে আছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের কমলাপুর স্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্মের পাশে অবস্থিত ইলেকট্রিক সেকশনের ট্রেন লাইটিং বিভাগের এমওজি ও এসি অফিসে কর্মরত কর্মচারীদের ভেতর অন্তত ৩৫ জন কোনো ট্রাভেল না করে বহু বছর ধরে খাতায় নাম দেখিয়ে সরকারের কাছ থেকে ট্রাভেল এলাউন্স নিচ্ছে একেকজন গড়ে ১৭০০০ টাকা করে প্রতি মাসে। ট্রেনের প্রতিটি পাওয়ারকার কোচ ইনচার্জ ও ব্যাচ ইনচার্জরা মিলে মাসিক টাকায় বিক্রি করে কর্মচারীদের কাছে। উচ্চমূল্যে বিক্রি হওয়া কয়েকটা পাওয়ারকার যেমন : জামালপুর কমিউটার মাসে ৪০০০০ টাকা দিতে হয় ইনচার্জ দের। এই টাকার বিমিময়ে পাওয়ার ইঞ্জিনের ভেতর অগনিত অবৈধ যাত্রী নেওয়া হয় প্রতিদিন। এবং এর দায়িত্বে থাকা কর্মচারি বাইরে থেকে আরেকজন লোক নিয়োগ দিয়ে নিজে ডিউটি করেনা। এরকম প্রতিটি ট্রেনের পাওয়ারকার বিক্রি হয়েছে।
আমার মামার মৃত্যু সনদ তুলতে গিয়ে ২ হাজার টাকা ঘুষ চেয়ে বসে। অতঃপর ২ হাজার টাকা দিয়ে স্থানীয় বকশীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে তা জমা দিয়ে মৃত্যু সনদ তুলতে হয়।
সাইন বাবদ টাকা প্রদান
কোন নিয়োগ এর ক্ষেতে যারা মেধা তাদের কোন চাকরি হয় না আার যারা টাকা দিয়ে চাকরি নিয়ে নেই