যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের রেজিষ্ট্রেশন ও রিটার্ন দাখিলসহ সকল ক্ষেত্রে ঘুষ দিতে হয়
রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে হয়রানি করেছে, শেষ পর্যন্ত দালাল ধরতে বলেছে এবং ১৫০০০০ টাকা দাবি করেছে। আমি টাকা দেইনি এবং কাজটা এখনো পেন্ডিং আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে হয়রানি করেছে, শেষ পর্যন্ত দালাল ধরতে বলেছে এবং ১৫০০০০ টাকা দাবি করেছে। আমি টাকা দেইনি এবং কাজটা এখনো পেন্ডিং আছে।
কুমিল্লা আদালত, মুরাদ নগর কোর্ট, পেশকার প্রতি তারিখে অযুক্তিক টাকা দিতে হয়,২৮ বছর মামলা পরিচালনা করে এখনো সমাধান হয়নি, প্রতি তারিখে ১০০০/২০০০
দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এর পর নতুন করে জন্ম নিবন্ধন স্বাক্ষর এর জন্য ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ৫০০ টাকা দাবি করেছিল
কর্মচারীদের প্রমোশন শতভাগ টাকার বিনিময়ে হচ্ছে। ২০০০০০ থেকে ৫০০০০০ টাকায়। এম আর, এডহক নিয়োগে চলছে ৫০০০০০ খেকে ৮০০০০০ টাকায়।
সন্চই পত্রের টাকা উত্তলোনের সময় ঘুস দেওয়া লেগেছে ,আর কোন উপায় ও ছিলো না ,যদি ও ২০ বছর আগের ঘটনা সে হিসাবে বতমানে ও অবাধে গুষ বানিজ্য চলতেচে,রাউজান পোস্ট অপিস ও চট্টগ্রাম শহরে জিপিও কতোয়ালী তে ও ২ বার দেওয়া লেগেছে
আত্তীকরণের নামে টাকা দাবি
বিমান বাহিনীতে যোগদানের জন্য পরিক্ষা দিয়েছি। পরে দেখি ১০ লাখ টাকা দিয়ে কয়েক জন জয়েন করেছে।আমাদের সাথের।
পুলিশ মামলার ভিকটিম/ বাদীর পক্ষের দুইজন স্বাক্ষী কে মামলার হাজিরার তাং জানাতে এসে, বিভিন্ন ভাবে বাসার জিনিস পত্র ক্রোক করবে মর্মে হুমকি দিতে থাকে, ক্রোক করার এভিডেন্স দেখতে চাইলে না দেখিয়ে হুমকি দেয় গ্রেফতার করবে, পরে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুষ চায়, শেষে ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে যায়।আত্রাই উপজেলার পুলিশের এসআই
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে কাজের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার প্রাক্কালে তিন দিনের বিএমইটি ডেমো ক্লাসের জন্য যথারীতি ভর্তি হলাম। সেখান থেকে জানানো হলো, কাউকে কোনো প্রকার টাকা দিবেন না। অথচ সেই অফিসেই আমি চারদিন ঘুরে ফিঙ্গার দিতে না পেরে পরবর্তীতে গেটের বাহিরের কম্পিউটারের দোকানে যোগাযোগ করলে ১৫০০ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে পরবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট কার্যক্রম শেষ করি। অথচ সেই একইরুমে ২ ঘন্টা আগে থেকে চেষ্টা করে সেই রুমেই প্রবেশ করতে পারলাম না। এটাই আমার সোনার বাংলাদেশ।
ভূমি ব্যবহারের জন্য ইজারা ফি দেওয়ার আগে ফাইল গুছিয়ে ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিবকে ২৫০০০০ টাকা দেওয়া হয়,যেটা সরকার পাই না (ঘুষ) - সড়ক ও জনপদ
স্থান: গোদাগাড়ী বিদ্যুৎ অফিস, রাজশাহী সেবার ধরন: বাসার বিদ্যুৎ লাইনের লুজ কানেকশন/পোলের সমস্যা ঠিক করা ঘটনা: বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করার পর কর্মীরা এসে সমস্যাটি ঠিক করে দেন। কাজ শেষ করার পর তারা ২০০ টাকা চান/নেন। এই টাকার কোনো রসিদ বা সরকারি কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। কর্মীরা নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ করে নেন।
শ্রম আইন এর বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ঢাকা জেলা কর্যালয় এর ডি আই জি তার ইন্সপেক্টর কে দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে মামলা দেয়ার হুমকি দেয়। টাকা দিলে আর মামলা দেয় না। এছাড়া ব্যক্তিগত সুবিধা ও শ্রম সচিব এর কথা বলে বড় কোম্পানিগুলোর কাছে টাকা চায়। না দিলে খুবই ঝামেলা করে। তাদেরকে মামলার ভয় দেখায়। সিন্ডিকেট করে এসব করে, কারো কাছে বললেও কাজ হয় না। কয়েকদিন ধরে একটা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে, বিজ্ঞাপন দিতে গেলে তার কাছেই টাকা দিতে হবে।
আমাদের water bill ভূতুরে করে every month এ দিচ্ছিল, then bill man অফার দেই month এ 500 tk করে দিলে bill komai দিবে
আমার ভাতা কার্ড সচল করে দেবে যদি টাকা দি
বগুড়ার শেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকে তখন বিদ্যুৎ বিল দিতাম। ঘটনাটা ২০০১ সালের। আমার বাড়ি সহ আরও দুই রিলেটিভের দিতে গিয়েছি। গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। দোতলা ব্যাংকের ভেতরের ক্যাশ কাউন্টার থেকে শুরু করে একেবারে নিচতলার বাইরে রাস্তা পর্যন্ত লাইন। কিছুক্ষণ লাইনে থাকার পর দেখি দুইজন ব্যক্তি লাইনের মধ্য থেকে বের হয়ে গেলো। তাদের অনুসরণ করে দেখি উনারা পাশের চা স্টলে থাকা ব্যাংকের পিয়নের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ আর বিলের সমপরিমাণ টাকা দিলো এবং বাড়তি হিসেবে প্রতি বিলের জন্য ৫ টাকা অতিরিক্ত দিলো। আমিও তিন বিলের জন্য অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিয়ে বসে থাকলাম। খেয়াল করে দেখলাম, আমি লাইনের যে লোকটার পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম, উনি প্রচন্ড রোদে এখনো লাইনেই আছেন আর আমি পরিশোধ করা বিলের গ্রাহক কপি হাতে পেলাম! এটাই আমার দেয়া প্রথম ঘুষ!
জেলা বিচারক বিভাগ আমার বাবার বিরুদ্ধে রায় দেয় আপীল বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের ঘুষখোর বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খেয়ে রায় দেয় জামিন দেয়। আমার বাবা নির্দোষ তাকে ফাসিয়ে এতগুলো টাকা ভিলেজ পলিটিক্স, স্থানীয় প্রশাসন বলতে থানা এদের কথা বাদই দিলাম শুধু বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খাইছে। আমার বাবার চাকরি থেকে সাস্পেন্ড হইছিলেন। যাক শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত রায় না পেয়েই ২০২৩ সালে মারা যান।
আমি সংশোধনের আবেদন করি।এই আবেদনের আর কোন খবর ছিলো না।এটা তদন্তকারী অফিসারের কাছে পড়ে ছিলো। নির্বাচন অফিসার আমার ভগ্নিপতির বন্ধু ছিলো।আমি উনার কাছে যাই উনি আরো কিছু কাগজ আনতে বললো। আমি কাগজ গুলো পরে নিয়ে আসি জমা দেই উনি চেক করে ওকে বলে দেয়।কিন্তু ঐ তদন্তকারী রিপোর্ট কিন্তু পাঠায় না। ২ সপ্তাহ এভাবে চলতে থাকে।আমি আবার অফিসে গেলে আমাকে বলে আমার আরো কাজ আছে আপনারটা সিরিয়াল অনুযায়ী আসবে, আমি যখন রিকোয়েস্ট করলাম বললো কাজ করে দিবো আমাদের কিছু দিবেন না! আমার কাছে ভাঙতি ৩০০ টাকা ছিলো আমি তাকে দেই সেই এই টাকা দেখে আমার কাছথেকে টাকা নেয় নাই বলে আপনার কাছে কি আমি টাকা চেয়েছি! পরে আমি বললাম আপনার বিকাশ নাম্বার দেন আমি পাঠাবো উনি নাম্বার দিলো আমি টাকা পাঠাই নাই।তারে ফোন দিলে বলে হাতে কাজ আছে কালকে পাঠাবো আ
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ২০০০ টাকা গাড়ি ভাড়া দাবি করা হয়েছে, অথচ আমি নিজে গেছি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে। তাদের রুমে কোন সিসি ক্যামেরা নেই। আমার কাছে টাকা নেই বলার পরে ও ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
বয়লার পরিদর্শনের সময় টাকা দাবি করেছে এবং পরিশোধ করা হয়েছে
কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জাতির পরিচয় পত্র আবেদন করতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অফিসের পিয়ন