জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন
কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জাতির পরিচয় পত্র আবেদন করতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অফিসের পিয়ন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জাতির পরিচয় পত্র আবেদন করতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অফিসের পিয়ন
জিডি করার সময় বলেছিলো ১০০০ টাকা দিতে হবে। আমি প্রথমে দিতে মানা করেছিলাম। তখন বললো তাহলে নিজেই লিখে নেন জিডি। আমি জানতাম না বিধায় টাকা দিতে হয়েছিলো
এলাকায় একটা ঘটনায় আমরা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের থেকে ১০০০০ টাকা দাবী করেন, যেহেতু মামলা করতেই হবে আমাদের কিছু করার ছিল না। পরে কথাবার্তা অনেক হওয়ার পরে ৫০০০ টাকা তাকে দিতে হয়েছে।
অফিসের বড়........ যিনি লাইসেন্স ইনলিষ্টমেন্ট (গনপুর্ত ডিভিশন অফিস) এ ফর্ম দিয়ে থাকেন। তিনি ফর্ম পুরন করে জমা দিয়ে দিবেন ২২,০০০ টাকা দিতে হবে। ফর্ম নিয়ে এসেছি আজ ও জমা দেই নাই। কষ্ট পেয়েছিলাম আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) ভাল কাজ করার আশা করছিলাম। ওদের কপাল খারাপ।
ডাক্তারের স্বাক্ষী ছাড়া, বাদীপক্ষকে না জানিয়ে, মিথ্যা যুক্তিতর্ক দেখিয়ে এর পরের দিনই আসামীদের পক্ষে রায় দিল,প্রকৃত আসমীদের খালাস দিয়ে দেয়,প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা ঘুস নিয়েছে জজ সাহেব।
সরকারি কাজের বিল তুলতে গিয়ে বললো ১% করে দিতে হবে একাউন্ট সেকশনের জন্য। নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ২% মোট ৩% টাকা চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই এম বিভাগ ২ এর ক্যাশিয়ারকে পরিশোধ করতে হয়েছে কারণ সে আমার প্রাপ্য চেক দিচ্ছিলো না।
আমার বাবার পেনশনের টাকা ওনি ষখন তুলতে যান, তখন তার টাকা তারই তুলতে টাকা দিতে হবে, আসলে চা নাস্তা, খেতে ২৫ হাজার টাকা লাগে, 😅 এটাই আমাদের বাংলাদেশের system.
জন্ম নিবন্ধন সনদ ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ বানাতে সরকারি ফিস ৫০ টাকা , অথচ ইউনিয়ন পরিষদ এ ব্যাক্তি বেদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয় ,, এখানে জন্মনিবন্ধন সনদ আবেদন করতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয় । আর যদি প্রশ্ন করা হয় জন্মনিবন্ধন এর ফিসতো ৫০ টাকা সেক্ষেত্রে বলে হ্যা ৫০ টাকা কিন্তু আমি এখানে আবেদন পত্র জমা দিয়ে দিবো কিন্তু আপনার উপজেলা জমা দিতে হবে এবং সেখানেও টাকা দিতে হবে । ( অথচ এখানে আবেদন জমা ও ডুকেমেন্ট চেক করে ) সব কাজ তার । এভাবে হয়রানি করে মানুষ দের থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা নেয় । এটা ঘুষ না কিন্তু সরকারি ফিস থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা সে নেয় । আবার কোন কাজে গেলে সে করে না ,, সে বলে বাইরের কম্পিউটার দোকান (যেটা তার) সেখান থেকে করে আসতে বলে। ভুক্তভোগী ইউনিয়ন বাসী
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঘোষবাণিজ্য ঘটে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে এখানে টেন্ডার থেকে শুরু করে সব ধরনের চাকরি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং সকল ধরনের অফিসার লেভেল থেকে শুরু করে একজন সরকারি পিয়ন পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন করে থাকে। টাকা ছাড়া এখানে কোনভাবেই কোন কাজ করা যায় না আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে পাঁচ বছর চাকরি করছিলাম সেখান থেকে মূলত এগুলো আমার জানা এবং এত অনিয়ম দেখে আমি আমার মাস্টার রোলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি লাস্ট দুই মাস আগে এখানে বেতন নিলেও দিতে হয় খরচ
Warish sonod ber korte giyechi, 3k taka cheyeche per warish sonod.
অফিসের বড়........ যিনি লাইসেন্স ইনলিষ্টমেন্ট (গনপুর্ত ডিভিশন অফিস) করেন, তিনি ফর্ম পুরন বাবদ ২২,০০০.০০ টাকা চেয়ে ছিল সরকারি জমা ৪০০০+৫০০=৪,৫০০.০০ টকা। রাগকরে ফর্ম নিয়ে চলে এসেছি ।
আমার স্মার্টফোন টি চুরি হলে উদ্ধার বাবদ তারা ৫০০০ টাকা চায়। এমনকি যার কাছ থেকে উদ্ধার করে তার কাছেও টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিলে আমাকে ফোন দিয়ে দেয়
ঢালুয়া হাই স্কুল, থানা: নাঙ্গলকোট, জিলা: কুমিল্লা বিভাগ : চট্রগ্রাম। JSC এবং SSC সাটিফিকেট, মাকশিট, প্রসাংশ পত্র, তুলতে প্রত্যয়ন নিতে টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে আটকে রেখে দে, হয়রানি করে। আমি গত ১১ বছর পর সাটিফিকেট তুলতে পারছি ৬০০ টাকা দিয়ে, তারা দাবি করছে ১ হাজার টাকা। ।এতো দিন টাকা দি নাই তাই কাগজপত্র দে নাই, চাকরি আবেদন করতে পারি নাই কাগজপত্র কারনে। আমাদের প্রতিটি স্কুল মাদ্রাসাতে হয়, নাঙ্গলকোটে আমরা জানি ফর্মফিলাপ সময় সব টাকা নিয়ে যায় সকল খরচ, এটা অন্য টাকা ছাড়া কাগজপত্র দে না
চাপান খাওয়ার জন্য চেয়ে নিয়েছে
I just go for viva exam. At that time an interviewer propose me for ghush/Money. I told them you want 15,00,000/- but i have not 15 tk in my pocket now. Then he told me that sorry you can go now.
পুরাতন মিটার বদলে নতুন মিটারের আবেদন করলে সার্ভিস চার্জের নাম করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে।
একটি জন্মসনদ সংশোধন করতে গেলে আমাকে বলে আপনার কোন কিছু লাগবে না শুধু 5000 টাকা দিলেই হয়ে যাবে।
আশুলিয়া তিতাস গ্যাস অফিসে গিয়ে বাসার লাইনের গ্যাস এর মালিকানা পরির্তন (নাম পরিবর্তন) এর জন্য আবেদন করতে যাই। তখন আমার কাছে ১৫,০০০ টাকা চেয়েছে। আমি বললাম- ৪,৫০০ টাকা দিয়েই লিগ্যালভাবে এই কাজ করা যায়, আপনি কেন এত টাকা চাচ্ছেন? তারপর ১০,০০০ টাকায় রাজি হয়। টাকা ওয়াশরুম থেকে গুণে নিয়ে এসে তার টেবিলের নিচে টাকাগুলো ফেলতে বলেছেন। কারণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে অফিসে। তাই৷ লোকেশন: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অফিস, আশুলিয়া থানা সংলগ্ন, সাভার, ঢাকা।
রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট তুলতে প্রধান অফিস সহকারী প্রায় সব ইন্টার্ন ডাক্তার থেকে 1000 -5000 টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয় । টাকা না দিলে হয়রানি করে । হাসপাতালের পরিচালক, কলেজের প্রিন্সিপাল সবাই জানে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয় না ।
ফায়ার সেফটি প্লান পাশ এবং NOC সার্টিফিকেট বাবদ কমপক্ষে ২৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফায়ার সার্ভিস এ আবেদন এর পরে ফিল্ড ভিজিট এ যেই ইন্সপেক্টর (ফায়ার সার্ভিস) যান, ওনার চা খরচ ১০,০০০টাকা। এটা ফিক্সড। এর পরে প্লান পাশ আর ফায়ার সার্ভিস এর NOC এর জন্যে বর্তমানে মিরপুর ১০নং এর সদর দপ্তরে, ১৫,০০০টাকা ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। যেই টাকা AD স্যার নিজে অন্যদের (২জন ইন্সপেক্টর আছে) কাছে দিয়ে দিয়ে দিতে বলেন। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এবং যে সকল ফার্ম ফায়ার সেফটি প্লান নিয়ে কাজ করেন সবাই দেন। অনেকে আবার ঘুষ এর পরিমান বাড়িয়ে দেন যেন অযথা হয়রানি কিম্বা সিরিয়াল ব্রেক করে দ্রুত ফাইল পাশ করে দেয়া হয়।