মাতৃত্বকালীন ভাতা
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে চেয়েছি। মহিলা মেম্বার 2000 টাকা দাবি করেছে, বলেছেন সে টাকা নাকিচেয়ারম্যান কে দিতে হবে। এবং ভাতার টাকা পেলে তাকেও আবার কিছু দিতে হবে। পাচঁগাও, টংগীবাড়ি, মুন্সীগঞ্জ
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে চেয়েছি। মহিলা মেম্বার 2000 টাকা দাবি করেছে, বলেছেন সে টাকা নাকিচেয়ারম্যান কে দিতে হবে। এবং ভাতার টাকা পেলে তাকেও আবার কিছু দিতে হবে। পাচঁগাও, টংগীবাড়ি, মুন্সীগঞ্জ
জম্ননিবন্ধন সার্টিফিকেট বা যে কোন কাজের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সরকারি নিধারিত মূল্য হথে অতিরিক্ত ৪০০/৫০০ টাকা দাবি করে
Olpo poriman diya aschi
Amader office er Fire licence renew korar jonno fire service ke 50000 taka dite hoiche tachara oi file appruve kore na oder required 100% ok Doc submit korar por ora visit a ase na call dile pik kore na er por jokhon oder office a amra gasi tkn ei taka under table dabi korche . ta na hole avabei jhulai rakhe file then baddho hoyei dite hoyeche amader
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, নেত্রকোনায় পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও পরিবার পরিকল্পনা সহকারীদের বছরে দুইবার ২৫০০০ করে মোট ৫০০০০ টাকা দিতে হয় অন্যথায় বদলি করে দেওয়া হয়।
নিজের জমি দখল করে আছে। সেই জমি উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে থেকে টাকা নেয়। এমনকি অন্যদের কাছে থেকেও টাকা নেয়
মামলা জিতিয়ে দিবে এক পেশকার দাবি করেছে
ট্রান্সফরমার আসতে দেরি হবে। দ্রুত চাইলে ম্যানেজ করে দেয়া লাগবে। তাই........
আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা হয় কোটে তো সেখানে বাদি বুঝতে পারে মামলাটি তে অনেক মিথ্যা তথ্য ঢুকানো হয়েছে আমাদের কাছে কিছু টাকা দাবি করে তো যাই হোক একটা সালিশের মাধ্যমে যেটা কোনু কোনু জেলার ভাষায় দরবার বলা হয় যাহোক আমরা টাকা দিয়ে মিট করে ফেলেছি তারা মামলাটা উঠিয়ে নিল এখন মামলার তদন্ত তো থানায় গেছে এখন আমরা তদন্ত কর্ম এসআইকে বিষয়টি অবগত করলাম কিন্তু আমাদেরকে কানাই ডাকলো আমরা বললাম মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে সে বললো ভালো হয়েছে গ্রাম্য ভাবে সুন্দর সমাধান পরে সে এসআই অন্য কিছু চা নাস্তার জন্য কিছু টাকা দিতে হবে ঠিক আছে কত টাকা দিব চা নাস্তার জন্য সে এসআই বলল ২০ হাজার টাকা দেন আ বেহুশ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা সুবহানাল্লাহ আমি বললাম কি জন্য ভাই বিশ হাজার টাকা কি কাজের জন্য সে বলল এটা লাগে
১০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে তারপরে তদন্ত রিপোর্ট এপ্রুভ করে।
আমার চেক বই হারিয়ে গেছে তাই থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম।থানায় যাওয়ার পর বলে থানায় জিডি করতে গেলে লেইট হবে,বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যান ওরা করে দিবে।আমার কাছে ২০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমি প্রতিবাদ করি পরবর্তীতে ১০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাদ্য হই।
সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামে আমার থেকে 10,000 টাকা দাবি করেছিলো। নওগাঁ DSB অফিস থেকে ।পরে জরুরী হওআই উপায়ন্তর না দেখে পরিশোধ করেছি।
পুলিশের ক্লিয়ারেন্স করতে ২০০০ টাকা ঘুস চাওয়া হয়েছে
২০১২ সালে আমার একটা চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানা থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন এস আই আমাকে ভেরিফিকেশন এর জন্য থানায় যেতে বলে। উনার কথামতো আমি থানায় গেলে আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অনেক কথা কাটাকাটির পর ১৭০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফিকেশন ওকে হলো।
আমাদের পারিবারিক সমস্যার জন্য আামার ভাবি আমি আমার ভাই, আমার মা এবং আমার ২ চাচা চাচীর নামে কোর্টে মামলা করে। আমরা যথারীতি কোর্টে হাজিরা দিয়ে জাবিন নেই এবং পরের কোর্টে ভাবি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু এর মধ্যে মামলা তদন্তের জন্য ডুমুরিয়া থানায় চলে আসে। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা যথারীতি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বলে আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে অস্বীকার করি।তখন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ২ বছরের বেশি সময়।তারপর আমি না পেরে দুদকে অভিযোগ দেয় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি বুঝতে পেরে আমাকে এবং আমার ভাইকে দায়ী প্রতিবেদন জমা দেয়।
জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ১০০০০০ (এক লক্ষ) টাকায় ৬০০০ টাকা দিতে হবে না দিলে কোন যে পাশ হয় না
একজন জুনিয়র কর্মকর্তা তার অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে বদলী করেন গুলশান মেট্রো কৃষি অফিস, ঢাকায় যা ঢাকা খামারবাড়ী থেকে করা হয়।
10 তলা বাড়ী নির্মানের জন্য প্রথমে প্লান পাসের জন্য রাজউকের কতিপয় ব্যক্তি 1500000 টাকা চাওয়া হয় । পরবর্তীতে 4000000 টাকা চাওয়া হয়। না হলে প্লান পাস হবে না। পরে 4000000 টাকা দেওয়ার বিনিময়ে প্লান পাস করা হয়।
আমি আমার একটি অনলাইন ডকুমেন্টস হারানোর জিডি করেছিলাম থানার পাশের একটি দোকান থেকে। দোকানদার বললেন আপনি থানায় গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে সাইন নিয়ে আসেন।আমিও থানায় গেলাম। গিয়ে দেখি কাউন্টারে একজন বসে আছে তিনি আমার পেপারস টা নিয়ে বললেন আপনি বসুন আমি করে দিতেছি তার পর উনি সব করলেন। আমার হাতে পেপারস টা দিয়ে বললেন ৫০০ টাকা দেন।আমি দিতে বাধ্য হইলাম।পরে তারা হুরো ছিলো তাই দিয়েই চলে আসছি।
কাশিনাথপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ।। নতুন সংযোগ গ্রহণের জন্য আমাদের একটা বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমার প্রয়োজন ছিল। সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে ইঞ্জিনিয়ার ডিজাইন করতে আসে তাকে দিতে হয় ২০০০ টাকা । **এখানে বলে রাখা ভালো পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরাসরি কারো কাছে টাকা চায় না তারা অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালাল সেট করে রেখেছে যেমন ইলেকট্রিশিয়ান **। তারপর ডিজাইন অনুমোদন হয় অনুমোদন হওয়ার পর আমরা কয়েকজন মিলে অফিসে যাই তখন তারা বলে মালামাল নেই মালামাল আসলে কাজ করা হবে। আবার অফিসে গেলে বিভিন্ন দালাল বলে আপনার কাজটা করে দিব আপনি কত টাকা দিবেন তখন আমরা ৫০০০ টাকা দেয়ার জন্য সম্মত হয় কিন্তু সে বলে কাজ হওয়ার জন্য আরো পাঁচটা ফাইলে স্বাক্ষর হবে সেখানেই প্রায় আট নয় হাজার টাকা খরচ হবে আর......