মোমেনশাহী ইসলামী একাডেমী কলেজ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয় প্রধান শিক্ষক
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয় প্রধান শিক্ষক
প্রশিক্ষণের যাতায়াত ভাতা মেরে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের ৫০০+ টাকা খাবার বরাদ্দ থাকলেও ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকার বেশি খাবার দেওয়া হয় না। অন্যান্য খরচ ভাউচারে খরচ দেখালেও খরচ হয় না। ভুয়া নামে প্রশিক্ষণ করা হয়। টাকার বিনিময়ে প্রশিক্ষনে নাম দেওয়া হয়। কর্মচারীদের যাতায়াত ভাতাও ভাগ করে কর্মকর্তা নিয়ে নেয়। অফিসের কোন বরাদ্দ সঠিক ভাবে ব্যয় হয় না।
টাকা হাতে পেয়ে ৩০০ কম দিয়ে দিছে
১. গত আগস্ট মাসের ঘটনা: গত আগস্ট মাসে পুলিশের ডিবি (Detective Branch) শাখার কয়েকজন সদস্য আমার কাছ থেকে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন বলে আমি অভিযোগ করছি। উক্ত টাকা নেওয়ার পর যে কাজের কথা বলা হয়েছিল/যে প্রত্যাশা তৈরি করা হয়েছিল, বাস্তবে তার কোনো কার্যকর ফল আমি পাইনি। অর্থাৎ, টাকা নেওয়ার পরও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে আমার অভিযোগ। ২. ২০১৮ সালের ঘটনা: এছাড়াও, ২০১৮ সালে কোতোয়ালি থানার পুলিশের বিরুদ্ধে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মাদক-সংক্রান্ত একটি বিষয়/অভিযোগের ক্ষেত্রে উক্ত টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে আমার ভাই আমাকে জানিয়েছেন। এই ঘটনাটিও যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। উপরোক্ত ঘটনাগুলোতে সরকারি দায়িত্ব পালনের নামে ঘুষ গ্রহণ
আমার প্রবাসী বড় ভাইদের জাতীয় পরিচয় পত্র এন আই ডি কার্ড এর জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার জন্য অফিসে যোগাযোগ করলে এই টাকা দাবী করে। চলে আসি, আর যোগাযোগ করিনি।
চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (TTC)-এ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স/পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে প্রশিক্ষণার্থীপ্রতি ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা না দিলে লাইসেন্সের প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করা বা পরীক্ষায় হয়রানি করার আশঙ্কা দেখানো হচ্ছে। এতে সাধারণ ও দরিদ্র প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন। চুয়াডাঙ্গা TTC-এর নিজস্ব সরকারি ওয়েবসাইটে ২০২৬ সালের “ড্রাইভিং উইথ অটোমেকানিক্স” কোর্সকে “সম্পূর্ণ ফ্রি” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনি
২য় চাকরি হিসাবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের চাকরি পাওয়ার পর ভি-রোল ফরম ফিল-আপ করে দপ্তরে পাঠানো হলে কিছু দিন পর গাইবান্ধা স্পেশাল ব্রাঞ্চের একজন এস.আই আমার বাসায় আসে ডকুমেন্টস যাচাইসহ ভেরিফিকেশন কার্যক্রমের জন্য। আমার ১ম জবে ভেরিফিকেশন হয়েছিল সাঘাটা থানা হতে, তখন কোনো অর্থ লাগে নি। কিন্তু এইবার উনি ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও একই কাগজ আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে নতুন প্রত্যয়ন চায় বাট ওই সময় ঈদের ছুটি চলমান থাকায় তাকে জানাই যে আমার তো প্রত্যয়ন আছেই, এখন তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। চাইলেও নতুন করে দিতে পারব না। তখন বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিতে হয়। আমার রাজনৈতিক দিক, মামলা ইত্যাদির ব্যাপারে নিট & ক্লিন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য সরকারি ফি ১৫১৫ টাকা,,কম্পিউটারে দোকানের আবেদন এর ফি ২০০ টাকা সব পরিশোধ করার পর,,থানায় জমা দেওয়ার জন্য পুলিশ আরো ১০০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা চায় এবং দিতে হয়,,না দিলে পেপার জমা ই নেয় না কেন,,বাড়তি ১০০০/১৫০০ টাকা নেওয়া কি ঘুস না।আমাী কাছে ও বাড়তি ১৫০০ টাকা নিয়েছে পুলিশ আমি এই টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছি,,আমি এটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই
আমার অফিসের জনবলের যাতায়াত ভাতা পাই কিন্তু আমার অফিস প্রধান ১৫% দাবিবকরে কিন্তু আমি রাজি না হলে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হেরেজ করে। বাদ্য হয়ে আমার এবং আমার সহকর্মীদের যাতায়াত ভাতার ১৫% দিতে বাদ্য হই।
দিয়ারা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস বরিশালে অনলাইন ভিএস পর্চায় নামের বানান ঠিক করতে গেলে ১৫০০০ টাকা ঘুস চায়.
বারবার প্ল্যান জমা দেওয়ার পরেও প্রত্যাক্ষিত হচ্ছিল এবং রিভিউ আসছিল পরে জানতে পারি এখানে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না তারা এমনও বলেছে এখানে কাজ করাতে হলে দেশের প্রধানমন্ত্রীও টাকা দিতে হয় আপনি তো সাধারণ মানুষ
বিষয়: বিএসটিআই সিএম (CM) লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়ায় ঘুষ দাবি, হয়রানি এবং দীর্ঘসূত্রতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম]-এর একজন স্বত্বাধিকারী। আমার প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুর এলাকায় অবস্থিত। নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসার পরিচালনা ও পণ্যের মান নিশ্চিত করার জন্য আমি বিএসটিআই গাজীপুর অফিসে সিএম (CM) লাইসেন্সের জন্য আবেদন জমা প্রদান করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আবেদন করার পর বিএসটিআই গাজীপুর অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আমার কাছে লাইসেন্স অনুমোদনের বিনিময়ে অনৈতিকভাবে ৪ (চার) লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও আমাকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়নি এবং বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হচ্
আমার বুলগেরিয়ার এম্বাসি ফেস করার জন্য ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন ডুকছি লাইনে দারায়ছি তারপর এক জন ছিবিল ড্রেসে আসলো বল্লো পাসপোর্ট দেখি আমি বললাম আপনি কে উনি আমার সাথে ওই খানে খারাপ ব্যাবহার করতেছে কেও কিছু বলতেছেনা তারপর পাসপোর্ট নিয়ে আমাকে বলতেছে লাইন থেকে বাহির হতে পরে আমাকে লাইন থেকে বাহির করে অন্ন জায়গায় নিয়ে দারা করে রাখছে পরে আমি উনাকে জিজ্ঞেস করলাম কি সমস্যা কি করতে হবে উনি বলতেছে স্যার এর কাছে জায়তে হবে আমি বললাম কোন স্যার আপনি আমার পাসপোর্ট দেন আমি যাচ্ছি কোন স্যার এর কাছে যায়তে হবে উনারা আমার পাসপোর্ট দিতেছেনা আর একজন আসলো বল্লো ৫০০০ হাজার টাকা দেন আমি সব করে দিতেছি আমি বললাম পাসপোর্ট দেন কার কাছে যেতে হবে আমি যাচ্ছি উনারা পাসপোর্ট দিতেছেনা অনেক সময় পড়ে উনাদের ২০০০ হাজার টাকা দিলাম
আমার বাড়ির গ্যাস লাইন কাটার অনুরোধের জন্য, তারা দ্রুত পরিষেবা দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছিল। তখন আমি নবীনগর, সাভার গ্যাস অফিসে ২৫০০ টাকা দিয়েছিলাম। আসলে এটা আমার সমস্যা নয়, আমার মা এই ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
সারা বাংলাদেশের যতগুলো ফায়ার সার্ভিস এর অফিস আছে সেইখানে ফায়ার লাইসেন্স করতে গেলে ছোট ব্যবসায়ী কিংবা বিভিন্ন কোম্পানি আপনাদের শোরুম দোকান আছে তোদের প্রত্যেকের কাছেই ২০০০ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। তাদের দাবি পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নেই, কিংবা এক্সিট ডোর নাই। যারা ছোট ব্যবসায়ী তাদের তো একটা শোরুমে কখনো দুইটা দরজা থাকে না। এবং পানির ব্যবস্থা থাকে না। এই কারণেই অনেক শোরুম কিংবা দোকান মালিক ঘুষ দিতে বাধ্য থাকে। যদিও আমি জানি এটা কোন সরকারি কাজ না। তবুও বিষয়টা আপনাদের সাথে শেয়ার করে রাখলাম। আপনার নিজেরাই খোঁজ নেবেন তখন জানতে পারবেন বিষয়টা। আমি একাধিক বার এই ফায়ার লাইসেন্স করছিলাম প্রত্যেকবার অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগে।
২০০৫ অথবা ২০০৬ সালের দিকে একটা বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করতে সিডিএ তে প্রায় ৫০০০ টাকার উপরে ঘুষ দেয়া লাগছে।
মাদারীপুর সদর থানার এসআই একটি তদন্ত প্রতিবেদন আমার পক্ষে দেওয়ার জন্য ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি উক্ত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করি। পরবর্তীতে, আমার কাছে থাকা সঠিক ও প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র/দলিলাদি উপেক্ষা করে এবং প্রকৃত তথ্য যথাযথভাবে যাচাই না করে আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সাধারণ ডাইয়েরি তুলতে এই টাকা নেয়
আমি এবার এসএসসি পরিক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছি।কলেজে ভর্তির জন্য প্রশংসা পত্র ও মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট প্রয়োজন যা স্কুল থেকে নিতে হয় কিন্তু কর্তিপক্ষ ৫০০ টাকা দাবি করেছে। স্কুলের নাম সরিষাকোল উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN128288)। তছারাও পরিক্ষার প্রবেশপত্র দিতে ৫০০ টাকা এবং প্র্যাকটিক্যাল খাতা স্বাক্ষর করতে ১২০০ টাকা নেয়। এমন অনিয়ম যাতে আমার কনো ছোটো ভাই বোনদের পরিবারকে সহ্য করে না হয়।
জন্ম নিবন্ধন করার জন্য মেম্বার কে বলছি আমার বাগনী জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কি লাগবে মেম্বার বলছে ২৫ টাকা দিলেই করে দিবে।আমি রাজি না হয়ে নিজেই ডেন্টাল সাটিফিকেট নিয়ে সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা দিয়ে সংশোধন করছি।কিশোরগঞ্জ, চৌদ্দশত ইউনিয়ন,জালোয়াপাড়া ওয়াড।