ভোটার আইডি কার্ড
আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডটি আনতে যাই আমার খুব দরকার ছিলো। তারা সেটা বুঝতে পেরে সার্ভার এর দোষ দেয় এবং ১ মাস পরে যেতে বলে কিন্তু আজকেই চাইলে ১৫০০ দিতে হবে পরে ১০০০ দিয়ে নিয়ে আসি।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডটি আনতে যাই আমার খুব দরকার ছিলো। তারা সেটা বুঝতে পেরে সার্ভার এর দোষ দেয় এবং ১ মাস পরে যেতে বলে কিন্তু আজকেই চাইলে ১৫০০ দিতে হবে পরে ১০০০ দিয়ে নিয়ে আসি।
আমার মামা একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করে সৌদি আরব কাজের ভিসায় যাবে বলে। আবেদন করার দুইদিন পরে পুলিশ মামাকে কল দেয়। এবং কিছু কাগজ পত্র চায়। সেদিন বৃহস্পতিবার ছিলো তাই সিটি কর্পোরেশন থেকে সেইসব কাগজপত্র ম্যানেজ করা সম্ভব হয়নি ফলে পুলিশ ভাইকে বলা হয় শনিবার কাগজ গুলো দেয়া হবে। এর মধ্যে মামার রবিবার ঢাকাস্থ সৌদি এম্বাসি তে ফিংগার প্রিন্ট এর ডেট পরে। তাই শনিবার সকালেই উনি চলে যান। এবং আমাকে বলে যাব যেন আমি কাগজ গুলো থানায় পৌছিয়ে দেই। আমি কাগজ গুলো দিতে গেলে উনি কাগজ গুলো নেন এবং বলেন যে সম্মানী কিছু দেয় নাই? আমি বলি শুধু কাগজের কথা বলছে। সম্মানীর কথা তো বলে নাই। আমাকে তখন বলে দেখেন কি করবেন। এরপর আমি বলি আমি টাকা নিয়ে আসি নাই। বিকাশ নাম্বার দেন। উনি বলে না বিকাশে টাকা নেয়া যাবে না।
২০২৩ সালে থানায় স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী তা মিথ্যা স্বীকার করে উঠিয়ে নেয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এস.আই বললো ২০০০ টাকা খরচ আছে। কিসের খরচ জানতে চাইলে তিনি রেগে যান। বলেন কিসের খরচ বুঝেননা? থানায় আসলে দিতে হয়। আমি দিতে অস্বীকার করলে তিনি আমার অফিসে এসে বসে থাকতেন। সম্মান বাঁচাতে এবং নিরুপায় হয়ে তা পরিশোধ করেছিলাম।
নতুন ভোটার আইডি কার্ড বানাতে গিয়ে আমার কাছে ১৫০০ টাকা ঘুস দাবি করে পরে উপায় না পেয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই আমি
দুটি জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজী করব সরকারি ফি বোর্ডে লেখা 50 টাকা করে প্রতিটি তবে নিয়েছেন প্রতিটি 300 করে মোট 600 টাকা যার 500 টাকা ঘুষ ।
ফিটনেস এর ক্ষেত্রে অযথা ডকুমেন্টস চাচ্ছিলো
DPDC Prepaid meter change kore dise and post paid meter niye gese boksish chaise
চাকরির জন্য ভার্সিটির পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় চা-নাস্তার টাকা চায়। পুলিশ হোয়াটসঅ্যাপে ও ফোনে যোগাযোগ করেছিল। টাকা না দিলে ঝামেলা করতে পারে বা ভুল রিপোর্ট দিতে পারে এই শঙ্কায় ১০০০ টাকা বিকাশ করেছিলাম। (চাকরির ক্ষেত্রে স্হায়ী ঠিকানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়)
২০২৩ সালে আমার সাবেক স্ত্রী কর্তৃক থানায় হয়রানির শিকার হয়ে লিগ্যাল এইডে যাই আইনী সহায়তা পেতে। ওখানকার অফিস সহকারী দ্রুত সহায়তা পেতে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়। নতুবা ১ মাস পর ডেট দেবে বলে জানায়। আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হই।
মামলার বাদী পক্ষে অদ্য 31/9/26 ইং তারিখ দুই জন সাক্ষীর হাজিরা দিয়েছিলাম।একতরফা শুনানি বিধায় আদালত স্টেনোগ্রাফার কে জবানবন্দি লিপি করিতে বলে ।তখন স্টেনোগ্রাফার বাদীর নিকট 400 টাকা খরচ দাবী করে।এরকম প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ কে ঘুষ দেওয়া লাগে ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করলে কাগজপত্র সহ সব কিছু কালিয়াকৈর থানায় জমা দেয়ার 5 দিন পর আমাকে কালিয়াকৈর থানা দেখা করতে বলে মা বাবা এবং আমার মূল এনআইডি কার্ড নিয়ে যেতে বলে আমাকে 3000 টাকা দিতে বলে পরে এক পর্যায় দেন দরবার করে তা 1500 টাকা তে রফাদফা করি এখানে আমার মতো অনেকে হয়রানীর শিকার।
আমার স্ত্রী সরকারী চাকরি করে । চাকরি স্থায়ী করার আগে, পুলিশ আমার স্ত্রী কে কল দিয়েছিল। কাগজপত্র কুরিয়ার করতে বলে এবং আমরা তাই করি। আমার শশুর এর আইডি কার্ড এ শশুর এর নাম ভুল ছিল। তাছাড়া আমার শশুর শাশুরির তালাক ও হয়েগিয়েছিল। পুলিশ ইনিয়ে বিনিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নেয়। পরবর্তীতে আবার ও কল দিয়েছিল। আরো সমস্যা দেখাচ্ছিল। কিন্তু আমরা আর কোন টাকা দেই নাই।
job will be confrim, if i pay 100000 tk at LGED ofice
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিজে না এসে উনার প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলেন। ওই প্রতিনিধি কাজ করার জন্য নাকি পুলিশের নিজের খরচে ফাইল আপলোড দিতে হয় বলে কিছু টাকা দাবি করে। দরদাম করে ৫০০ টাকায় দফারফা হয়। আমার সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল, এমনকি আমার নামে কোন মামলাও ছিলনা। তবুও টাকা দিতে হয়েছে।
আমার ২ টি লাইসেন্স এর সমস্ত ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরে নারায়ণগঞ্জ ডি সি অফিসে ৭০০০০০ টাকা ঘুষ চায় আমি না দেওয়ার জন্য ৮ মাস যাবৎ আমার ফাইল আটকে আছে
চাকরিতে জয়েন করার কিছুদিন পর আসলো হিন্দু সাংবাদিকদের পূজার চাঁদা, এরপরে তাদের বনভোজনের চাঁদা, প্রোগ্রামের চাঁদা আরও কত কি
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়—সুবিধা পেতে ৫,০০০ টাকা দিতে হবে। সেই টাকা দেওয়ার পরও আমার স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম দেওয়া হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের অর্থ দাবি ও লেনদেনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
একটি মিথ্যা হত্যা মামলায় প্রায় ১০ জন নিরাপরাধ মানুষকে আসামী করা হয়েছিল যা মেডিকেল রিপোর্টে প্রমান হয়। ফলে যথা সময়ে মামলার চার্জশিট দাখিল করলে আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে যাবে বলে যানা যায়। কিন্তু তদন্ত কর্ম- কর্তা এবং ওছি মিলে ৩,০্০০০/- টাকা দাবী করে এই রিপোর্ট জমা বিলম্বিত করতে থাকে। এসপি সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও লাভ হয়নি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ১০০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করাতে হয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয় আদালতে এটা শামিল করতেও ঘুষ দিতে হয়েছে। জামিনের ক্ষেত্রেও পিপিকে ঘুশ দিতে হয়েছে। ঘুশ ছাড়া কোন কাজ হয় না বাংলাদেশে!!!
আমি আমার নিজের ও আমার ভাইয়ের জন্য জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে যাই।অনলাইনে আবেদন করে যাবতীয় কাজপত্রসহ জমা দিয়ে আসি।এরপর তারা বলে আপনার ফোনে মেসেজ আসলে আপনি এসে সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন নিয়ে যাবেন। মেসেজ আসার পর আমি জন্ম নিবন্ধন আনতে যাই।ওয়েবসাইট লেখা ছিল সংশোধনীর জন্য ৫০ টাকা সরকারি ফি দুইটার জন্য আমার হয় ১০০ টাকা। আমি ১০০টাকা জমা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন দুটো চাইলে তারা দিতে চায় না। তারা প্রতিটার জন্য ৩০০টাকা করে মোট ৬০০ টাকা দাবি করে।আমি তাও দিতে চাই না। এরপর আমি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্যারের সাথে দেখা করে বলি উনি বলে না আপনাকে দিতে হবে এটা আমাদের জেলায় আসা যাওয়ার খরচ এরপর আমাদের কিছু আলাদা খরচ আছে। বাধ্য হয়ে আমাকে ৫০০ টাকা বেশি দিতে হয়।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস। আমার স্ত্রীর NID ফর্ম অনলাইনে আমি নিজেই পূরণ করে সেটা জমা দিতে গেলে কম্পিউটারে বসা মহিলা সব কিছু চেক করে। আমার স্ত্রীর সকল সার্টিফিকেটের সাথে এমন কি জন্ম নিবন্ধনের সাথেও সব কিছু ঠিক ঠাক পাই। আমার শশুরের NID কার্ডে তার নামের শেষে "মিয়া" কিন্তু আমার স্ত্রীর সকল সার্টিফিকেটে বাবার নামের শেষে "ইসলাম"। এটাই ভুল ধরে তিনি ফর্মটা জমা নেন না। তিনি কোন এক লোকের কথা বলেন। যখন তার কাছে যাওয়া হয় তখন তিনি ১৪ হাজার টাকা লাগবে বলে। এর কমে কোন ভাবেই হবে না। মনে হলো বাংলাদেশটা ওর বাপ দাদার সম্পত্তি। NID টা খুব আর্জেন্ট ছিলো বিধায় বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। অভাক করার বিষয় হলো টাকা পাওয়ার পর অই মহিলাই ১ দিনে সব কাজ করে দেয়। এই হলো আমার সোনা ধনের বাংলাদেশ।