সরকারি ভূমি অধিগ্রহণ এর ক্ষতিপূরণ
কিশোরগঞ্জের বিন্নাটি টোক মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ এর সময় আমাদের দেওয়া ক্ষতিপূরণে টাকা তুলতে গেলে ১০ % ঘুষ চায়। আমি ২৫ লাখ টাকার মাঝে হাতে পেয়েছি মাত্র ১৮ লাখ সরকারি বিভিন্ন খরচ এবং ঘুষ দিয়ে
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কিশোরগঞ্জের বিন্নাটি টোক মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ এর সময় আমাদের দেওয়া ক্ষতিপূরণে টাকা তুলতে গেলে ১০ % ঘুষ চায়। আমি ২৫ লাখ টাকার মাঝে হাতে পেয়েছি মাত্র ১৮ লাখ সরকারি বিভিন্ন খরচ এবং ঘুষ দিয়ে
কসবা উপজেলা নির্বাচন অফিসে NID এর বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করার পর অফিসের বাইরে যাওয়া মাত্রই অফিসের ভিতরকার একজন কর্মকর্তা "ফাইল টেবিলে পরে থাকবে, ৬ মাসেও NID পাবেন না" হেনতেন বলে সুবিধা ভোগ করার চেষ্টা করে এবং ৩০০০ টাকা দাবি করে৷ আমি তা এড়িয়ে বাসায় চলে আসি এবং ১ মাসের মধ্যে ঠিকই নিয়ম অনুযায়ী আমার NID পেয়ে যাই।
সহকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের ভেরিফিকেশনের সময় DSB-র এক কর্মকর্তা ৬০০০ টাকা দাবি করে।আমি ২০০০ টাকা দিতে চাওয়ায় রাজি হচ্ছিল না।মনের মধ্যে ভয় থেকেই (যদি ভেরিফিকেশনে নেগেটিভ তথ্য দেয়)পরবর্তীতে ৪০০০ টাকা দিই।কিন্তু তারপরও দিনি রাজি হচ্ছিল না।কথাবার্তার এক পর্যায়ে উনি কনভিন্স হন।
ভালো train ticket কেটে normal train এ উঠিয়ে দিয়েছে, জয়দেবপুর থেকে ঢাকা এবং তারা সবসময় বসে থাকে, যখন ট্রেন কাছাকাছি আসে তরিগরি করে টিকিট কাটে
আমি মাদরাসার একটা রুম করতেছিলাম ২০২৫ সালে অক্টোবর মাসে। ২ হাত পাহাড়ের কোণা কেটে রুমটা সোজা করলাম। একদিন কাজ চলা অবস্থায় ইউএনও ও কিছু আনসার সদস্য আসে এবং আমার কাজটা বন্ধ করে দেয়। পরে পিএস এর মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয় অন্যথায় পাহাড় কাটার দায়ে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আমি কাজটা বন্ধ রাখি এখনো।
কাচা রাস্তা পাকা করতে হবে, সেই জন্য বাজেট পাস করতে এলাকাবাসী থেকে ৫০০০০ টাকা দিতে জানানো হয় স্থানীয় নেতাকর্মী মাধ্যমে, গ্রাম :বাংলাইশ, থানা মনহরগঞ্জ, জেলা কুমিল্লা ( কুমিল্লা ৯ আসন)। রাস্তার অবস্থান ( বালু মাঠ থেকে বাংলাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত)
সেনাবাহিনীর চাকুরী শেষে বাবার পেনশন পাওয়ার জন্য বাবাকে তাদের রেকর্ডস অফিসে ৭০০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া আমার বাবার যারা ব্যাচমেট ছিল। যারা আমার বাবার সাথে অবসর গ্রহন করেন, তাদের সবাই কে ৭০০০০-১২০০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছ।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার জন্য একটি আবেদন অনলাইনে পেমেন্ট সহ সবকিছু জমা দেওয়ার পরও হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ অফিসে সরাসরি উপস্থিত হয়ে আবেদনটি জমা দিতে গেলে একজন দায়িত্বরত পুলিশ ঐখানেই আমার কাছে চা-পানের টাকা দাবি করে (৫০০ দেই কিন্তু এতে হবেনা জানায়, তারপর ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই অন্যথায় ক্লিয়ারেন্সে কিছু ঝামেলা করতে পারে এইটা ভেবে)। এই হচ্ছে স্বয়ং রক্ষকদের অবস্থা, বিচার দিব আর কার কাছে!! এই ওয়েবসাইটের জন্য সাধুবাদ জানাই। আশাকরি অভিযোগগুলি আমলে নিয়ে ব্যবস্হা নেওয়া হবে জনকল্যানে।
আমার জন্ম নিবন্ধন এর জন্য NID কার্ড এর Online Verified Copy এর প্রয়জন ছিল। নির্বাচন অফিসে গেলে পরে তারা বলে এই অপশন এখন আর চালু নেই অমুক দোকানে যান তারা দিতে পারে। সেই দোকানের সাথে তাদের WhatsApp এ যোগাযোগ থাকে। দোকানে গেলে তারা WhatsApp এ পাঠিয়ে দেয় এবং 100 টাকা রাখে।
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাচন অফিসে আমার ফাইল নিয়ে যাই জমা দেয়ার জন্য । প্রথমে হেল্প ডেস্কে জাই কিভাবে কি করতে হবে, আমি নিয়ম মেনে জমা দিতে চাইলে তিনি বলেন' " আপনি ফাইল জমা দিকে আমার বায়োম্যাকট্রিক অনেক পরে আসবে , তখন তিনি বলেন , আপনও আমাকে ২ হাজার দেন আমি এখনই আপনার বায়োমেট্রিক করিয়ে দিচ্চি । ঠিক ঐ দিন ই আমার সকল কাজ সম্পনন হয়ে যায় , কোনো ধরনের লিগার প্রসেডিওর ছাড়া ।
আমি উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর এপ্লাই করি। তারপর থানা থেকে আমাকে বিভিন্ন ধরনের আমার পার্সোনাল ডকুমেন্টস জমা দিয়ে আসতে বলে। জমা দেয়ার সময় তারা বলে কিছু খরচ আছে এটা না দিলে আপনার ফাইল আলমারির কোনায় পড়ে থাকবে যদি কাজ টা তাড়াতাড়ি করতে চান তাহলে যা পারেন দেন। পরবর্তীতে আমি তাদেরকে তাড়াতাড়ি করার জন্য কিছু টাকা দেই। এছাড়া আমার আর উপায় ছিল না।
গত ৩০ জুলাই, ব্যক্তিগত কাজে সচিবালয়ে গিয়েছিলাম, একটি সেবা যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা, সেই কাজ করতে গিয়ে নানান অজুহাতে টাকা চাওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যদি ফি-ও থাকে, তবে তা অনলাইনে পেমেন্ট করার বিধান রয়েছে। আমার কাছে ২,৫০০ টাকা দাবি করেন। আমি বোকার মতো ৫০০ টাকা অফার করি। আল্লাহর রহমতে তিনি রাজি হননি । এরপর আমি আর কারও কথা না শুনে সরাসরি সচিবের কক্ষে গিয়ে আমার আবেদনপত্র দেখাই। সচিব মহোদয় দুই মিনিটের মধ্যে আমার কাজ সম্পন্ন করে দেন।
সরকার নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি দাবি করে আসছে।যেখানে সরকারি ফি ৫০ টাকা সেখানে ১৫০/২০০ টাকা করে নিচ্ছে।নাগরিক সনদ ফি যার কাছ থেকে যত পারছে ইচ্ছে মত নিচ্ছে। সাধারণ মানুষ নিরোপায় হয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। অভিযোগ জানালে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়।
BIDA তে Industrial IRC করতে থার্ড এডহক নিতে ৫৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেছে। আমি প্রত্যাখ্যান করে আবেদন করেছি।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লাইসেন্স নবায়নের আবেদন এর জন্য ১২০০০ টাকা ঘুষ চায়। পল্টন আফিস এ।
আমি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে যাওয়ার পর পৌরসভা অফিসের ২জন কর্মকর্তা আমাকে দেখালো যে লাইসেন্স ফি অল্প টাকা হলেও সাইনবোর্ড এর ভ্যাট ট্যাক্স মিলিয়ে ১০ হাজার টাকার উপরে আসবে। আমি যতই বোঝাই যে আমি লাইটিং সাইনবোর্ড ব্যবহার করিনা, ইনফ্যাক্ট আমার সাইনবোর্ডের লাইটগুলো সব নষ্ট, একটাও জ্বলেনা, তারপরেও তারা সেটা মানতে নারাজ এবং বেশি টাকা ধরতে চাচ্ছিল। আমি জানি একবার বেশি টাকা ধরলে প্রতি বছর বেশি টাকা দিতে হবে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তাদেরকে ফি কমানোর একটা ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করি। তখন তারা বলে যে আপনি ৫ হাজার টাকা রেখে যান। সবকিছু রেডি হলে কালকে এসে নিয়ে যাবেন। আমি তাই করি। পরেরদিন লাইসেন্স আনার পর দেখলাম বিল ভাউচারে ৩ হাজার পরিশোধ দেখানো আছে। তার মানে বাকি ২ হাজার তারা ২ অফিসার পকেটস্থ করেছে।
Amar name a court a ekti mamla hoisilo ami jamin newar por o amk rat 3 ta baje bashai eshe hoirani kore 30 k taka niye gese
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ থানায় ডাকেন এবং বকশিস দাবি করেন ।
স্টোনো মামলা নথি আটকে রেখে টাকা চেয়েছিল।
পাসপোর্ট তৈরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় থানার একজন কর্মচারীর মাধ্যমে ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়। তাকে জানানো হয়, এই টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সমস্যা হতে পারে। পরবর্তীতে দাবি করা ১,০০০ টাকা প্রদান করা হয় এবং থানার ওই কর্মচারীর মাধ্যমে টাকাটি গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ, পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা দাবি ও গ্রহণ করা হয়েছে।