সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ
সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ পেতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ পেতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে।
২০২৩ সালে যখন প্রাইভেট ব্যাংকে ছিলাম তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩ হাজার টাকা নেয়। এবং ২০২৫ সালে যখন সরকারি ব্যাংকে এসেছি তখন পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য ১ হাজার টাকা নেয় বিকাশে
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এ আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দিয়েছিলাম। টাকা দেইনি বলে এখনো লাইসেন্স দিচ্ছে না।
বাবার মৃত্যূ পরবর্তী সময়ে তার নমিনি আমার আম্মার চিকিৎসা ভাতা বাবদ বকেয়া পেনশন এর অর্থ উত্তোলন এর জন্য আমরা জনতা ব্যাংক মতিঝিল এর প্রধান শাখা তে ব্যাংক ১.৫ বছর ঘুরেছি কিন্তু তাদের নানা বাহানায় (আমার বাবার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই মর্মে ) অর্থ উত্তোলন 'করতে পারিনি পরে ফোন করে অতিরিক্ত দাবি করা হয় , সেই অর্থ প্রদান পরবর্তী দুইদিনের মাঝেই অর্থ প্রদানের অনুমতি প্রদান করা হয় , যা খুবই বিব্রতকর।
ডিপিডিসি (DPDC) আমাদের নারায়ণগঞ্জ এলাকার কিছু অংশে প্রিপেইড মিটার সরবরাহ করেছে এবং আমরা সেই মিটারের মূল্য পরিশোধ করেছিলাম। তিন মাস পরেই মিটারের ব্যাটারি 'লো' (low) বা কম চার্জের সংকেত দেখাতে শুরু করে; বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করার পর তারা অতিরিক্ত একটি ব্যাটারি নিয়ে একজন কর্মীকে পাঠায় এবং এর জন্য ৫০০ টাকা চার্জ করে! ডিপিডিসি (DPDC) প্রিপেইড মিটারের ব্যাটারি পরিবর্তনের জন্য অফিসিয়ালি কোনো টাকা বা ৫০০ টাকা চার্জ নেওয়ার নিয়ম নেই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রিপেইড মিটারের ব্যাটারি শেষ বা নষ্ট হয়ে গেলে বিদ্যুৎ অফিস থেকে সেটি বিনামূল্যে পরিবর্তন করে দেওয়ার কথা। মাত্র ৩ মাসের মধ্যে ব্যাটারি লো দেখানো এবং এর জন্য ৫০০ টাকা দাবি করা সম্পূর্ণ একটি অনিয়ম।
জমি সংক্রান্ত দলিলের একটি ফাইনাল ডিগ্রীর রেকর্ড খুঁজে বের করার জন্য জর্জ কোর্টের রেকর্ডরুমে যারা আছেন তাদের দায়িত্ব প্রধান তাকে ৫০০০ টাকা দেয়া হয় পরবর্তীতে তারা ডিগ্রীর কপি আমাদের দেখায় এবং তাদের নির্দেশমতো আমরা আবেদন করি কিন্তু এখন বর্তমানে তারা কাগজটি খুঁজে বের করে দিচ্ছে না ( ডিগ্রীর কপিটি)। তারা এখন দীর্ঘদিন থেকে বলছেন যে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু তারা যে আমাদেরকে খুঁজে বের করে দিয়েছিলেন তার ছবি আমাদের কাছে আছে । এখন তারা দিতে অস্বীকার করছে মাসের পর মাস এমনকি বছরপার হয়ে গেছে এখনো তারা আর ওই ডিগ্রীর কপিটি আমাদের দিচ্ছেন না।
নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র করতে ফরিদগঞ্জ নির্বাচন অফিসে গেলে দ্বায়িত্বরত পিয়ন কি কি কাগজ লাগবে সেটা জানানোর জন্য ১২০ টাকা দাবি করে
মেহেরপুর জেলা গাংনী থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দিতে গিয়েছিলাম। কর্মরত থাকা পুলিশ অফিসার আমার কাছে অহেতুক দুই হাজার টাকা দাবি করে, এবং পরবর্তীতে সেটা পরিশোধ করার জন্য জোর দাবি করা হই। আমাকে বলে যে টাকা না দিলে কাজ হবে না। বিশেষ করে গাংনী থানার সবগুলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা ঘুষের সাথে জড়িত।
দেখা করতে বলে খরচের টাকা নিয়ে, তানা হলে হবে না।
Nid card correction Amar kache 4 lakh taka dabi Kore
ডায়াগনন্স্টিক সেন্টার চালু করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স করতে হয়। লাইসেন্স করতে সরকারি টাকা দিতে হয় ১২ হাজার টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতেছে ৩০ হাজার টাকা
সে আমার কাছে কাজ দ্রুত করার জন্য টাকা দাবি করে।টাকা না দিলে কাজ হবে না কাজ ঘুরবে।তখন আমি বুঝলাম টাকা ছাড়া আমার কাজ হবেনা।তখন আমি তাকে টাকা দেই
সেনাবাহিনীতে চাকরি হবে বলে টাকা দিতে হবে কোনো জায়গায় সমস্যা হবে না গেলেই এর আগে থেকে টাকা দিলেই চাকরি কন্ফার্ম।
আমার বাবার পেনশন ফাইল অনুমোদন সহ আনুতোষিক সব কিছু করে দিবে এজন্য।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে একটি এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করছি, সরকার নিবন্ধনের জন্য সমাজসেবা ও এনএসআইকে রেখেছে। টাকা না পেলে জড়াতে থাকে সঠিক পেপার , সঠিক কার্যক্রম পেলে ও । টাকা না দিলে সমাজসেবা অফিসের লোক বলে আপনাদের এসব ফালতু কাজ কে করতে বলে। টাকা না হলে সমাজসেবা কাগজ দেয় না অন্যদিকে এনএসআই ও নেগেটিভ দেয়। টাকা না দিতে পারায় অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এনএসআই নেগেটিভ রিপোর্ট দিছে, যারা প্রচন্ড ভালো কাজ করে। নিবন্ধনে সরকারি দপ্তর সমাজসেবার এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে টাকা না দিলে সাতক্ষীরাতে কাগজ ট্রান্সফার হতে বছর সময় লাগে। ভালো কাজ করে তাদের নিবন্ধন দেয় না অন্যদিকে কাজ না করে টাকা ও ক্ষমতার জন্য বেনামে ও নিবন্ধন দেয়।
জাহাজের বিভিন্ন সার্টিফিকেট নবায়ন করতে প্রায় এখানে অফিস সহকারী ও পিএস দের ঘুষ প্রদান করতে হয়। নাহলে উনারা কাজ করে দেন না। আজ সাধারণ একটি কাজ যার সরকারি মূল্য ছিলো ১১৫০ টাকা কিন্ত ঘুষ দিয়েছি ৬০০ টাকা।
সরাসরি সিএজি অডিট হতে এসে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে তারা ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে অফিস ত্যাগ করে। তেমন একটা অবজেকশনেবল অফেন্স ছিলো না যদিও কিন্তু, তারা ছোটো ছোটো জিনিসপত্র নিয়েও তোলপাড় করে টাকা আদায় করে
চাঁদপুর জেলা ও দায়রা আদালতের চাঁদপুর সদর সিনিয়র সিভিল আদালতের পেশকার এই অর্থ চেয়েছেন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেছিলাম তার জন্য থানা থেকে ভেরিফিকেশন করতে ফোন দিছিল। তাই আমি থানায় যাওয়ায় অফিস সহকারী দাবি করে যে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে সেই বাবদ ১ হাজার টাকা রাখে
I had to pay around 4500 taka to get my police verification certificate. The government mandated amount to be paid is 1500, but I had to pay extra so that my application could be processed.