জিডি
মানিব্যাগ হারানোয় খিলক্ষেত থানায় জিডি করতে কর্তব্যরত পুলিশ ১০০ টাকা দাবি করে। আমি জিডির প্রয়োজনে তা দিতে বাধ্য হই।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মানিব্যাগ হারানোয় খিলক্ষেত থানায় জিডি করতে কর্তব্যরত পুলিশ ১০০ টাকা দাবি করে। আমি জিডির প্রয়োজনে তা দিতে বাধ্য হই।
এন আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করার জন্য টাকা নিয়েছে।
টিএডি বিলের টাকা প্রায় অনেক মাস ধরে আটকিয়ে রাখছে, আমাদের পরের বিল গুলো পরিশোধ করেছে। কিন্তু আগের গুলো পরিশোধ করে নাই, ঘুষ প্রধান না, করার জন্য, মোট টিএডি বিলের ১৫% ঘুষ প্রদান করলে, তারপর আমাদের সরকারি কাজে যাতায়াত এর বিল গুলো পাওয়া যায় না হয় পাওয়া যায় না। আমরা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি,
আসলে আমি সংশোধন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটা নাম সংশোধন করতে আমাকে কেন ৩০০০০ টাকা দিতে হবে। আমি প্রবাসী বলে যে কেউ যেভাবে খুশি সেভাবে একটা রেট বলবে, এগুলো ঠিক না মোটেও। আমাকে কেউ বলে ১০০০, কেউ ১৫০০০ আবার কেউ ৩০০০০। আমি একজন ইতালি প্রবাসী মহিলা মানুষ। তাই এই প্রসেসিং আমার স্বামী করেন সব কিছু। কিন্তু এভাবে উনাকে বিরাম্বনায় পড়তে হলে এই দেশে থাকা থেকে না থাকাই উত্তম বলে মনে করি। আমার পাসপোর্টে নামের বানান ভুল ছিল বলে আমি ভাবলাম দেশে থেকে কেউ যদি করে দিতে পারে তাকে একটা সম্মানী দিব। কিন্তু দেশে এই পরিমাণে দুর্নীতি যে সেটাও এখন আর করব না বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। নিজ দেশেই কোন শান্তি নেই।
গত ৪-৫দিন আগে ভারত যাওয়ার সময় আমার নতুন পাসপোর্ট ব্যতিত আগের পাসপোর্ট গুলো ব্লকড দেখায় অর্থাৎ ইমিগ্রেশন এ ব্লকড দেখায়। । ইমিগ্রেশনে এ দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার এয়ারপোর্টে ইমেইল করলে ওরা রেস্পন্স করে খুলে দেয়। সময় আধা-১-দেড় ঘন্টা লাগতে পারে উনি বলেছিলো। সেই ইমেইল পাঠানোর পর উনি ১০০০ টাকা দাবি করেন দালালের মাধ্যমে কারণ টাকা দিলে কাজটা সিউর হবে। অনেকের নাকি ১০ হাজার, ৭ হাজার লেগেছিলো। আর ইমেইল এ রেস্পন্স না করলে ঢাকার এসবি অফিসে গিয়ে ঠিক করতে হবে যেটা ওই মহুর্তে আমাদের জন্য বিড়ম্বনামূলক ছিলো। তাই কাজ হওয়ার পর টাকা দেই আমরা🙂 যদিও এর মাঝে আরও কাহিনি ছিলো শর্ট এ যা আপনি টাকা ফেলবেন আর আপনার এমন কোনো কাজ নেই জা করতে পারবেন না বাংলাদেশে। টাকা ফেলুন কাজ সহজ এ করুন🙂
For my scholarship purpose in abroad, I needed to appostile a affidavit that declare my sponsors financial declaration, i applied via my gov site but they rejected it and told me that i need to come in person with the doc, i went to the law ministry and tgey didnt allow me in without a pass, i told my problem to a police and adked for his help, he called someone and told me this things need some "khorchapati". The man came and asked for 3k, I said i am a student and cant give so much then he said its impossible without 2.5 k, igave hime and he immediately forwarded the application to foreign ministry.
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় সাধারণ অভিযোগ করে সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে আসলে দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হয়। এছাড়া চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসবিরোধী কোনো গুরুতর মামলার ক্ষেত্রে ওসি সাহেবকে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা উৎকোচ না দিলে মামলা গ্রহণ করে না ঘটনা সত্য জানার পরও।সন্ত্রাসী ও এলাকার যত খারাপ লোকদের সাথে ওসি ও এস আই এর গভীর সম্পর্ক থাকে ও নিয়মিত টাকা গ্রহণ করে। টাকা ছাড়া কোন কাজ থানায় হয় না। ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে ডাকলে ও পরে টাকা না দিলে উল্টো অনেক ঝামেলায় ফেলে দেয়।
সরকারি ঠিকাদারি কাজ পাওয়ার আগে বিভিন্ন দুর্নীতি কথা আমাদের সকলের ই জানা কিন্তু প্রতি কজে শেষে বিল তুলতে গিয়ে অফিস খরচ বাবদ ২%-১০% যা (পিসি) নামে নামাঙ্কিত আদায় করা হচ্ছে। এবং এই টাকার ভাগ কাজের দায়িত্ব প্রাপ্ত সকলেই ভাগবাটোয়ারা করে জনগনের কষ্টার্জিত টাকার শ্রাদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়াও আমরা প্রায় শুনতে পাই কোন ঠিকাদার কাজ না করে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার যোগসাজশে সেই কাজ করা হয় কিন্তু দোষ হয় ঠিকাদারের। টাকার বড় অংশটুকু ঘুষ হিসাবে সরকারি কর্মকর্তারাই আত্মসাৎ করেন। এ থেকে আমাদের নিস্তার কবে হবে জানা নাই।
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের কাজ চলমান। এই প্রক্রিয়াকে একটি অসাধু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। মাত্র ২ বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে কর্মকর্তা নিয়োগের তারা দাবী করছে ৫লক্ষ বা তারও বেশি টাকা। আবার নিয়োগের পরে ওই কর্মকর্তা যে বেতন পাবেন সেখান থেকেও তাদেরকে দিতে হবে ১০% কমিশন। এইভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে চলছে বাণিজ্য। এই সিন্ডিকেটে আছেন সিউকের প্রধান নির্বাহী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী ও আরও অনেকে। এভাবে চরম দূর্নীতিবাজদের হাতে সিউকের নিয়ন্ত্রণ থাকলে নাগরিকরা কি সেবা পাবেন তা তো সহজেই বুঝা যায়।
হস্তান্তরের অনুমতির ক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ল্যান্ড সেকশন এর কর্মচারীগন জন্য মানুষকে কি পরিমাণ হয়রানি করে, বাস্তবে যদি আপনারা তদারকি করেন বুঝতে পারবেন।
পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জন্য ১৫০০ এর কম নাকি নেয়ই না। নাহলে ক্লিয়ারেন্স দিবে না। অথচ আমার সব ডকুমেন্টসই ঠিক ছিলো।
আমি আমার মায়ের ওয়ারিশ সনদ উত্তলনের জন্য গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে। যেহেতু কাগজটি আমার জরুরী ভিত্তিতে পাওয়ার দরকার ছিলো তাই আমি দওতে বাধ্য হই। ওয়ারিশ সনদ নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে তার সাক্ষর নিতে গেলে আমি তাকে ৫০০ টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানাই। চেয়ারম্যানপর মন্তব্য ছিলো এগুলো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এমনই নিবে। উনি বলে পৌরসভায় এই কাগজ নাকি ২০০০/৩০০০ টাকা লাগবে আনতে। শুধু ওয়ারিশ না, নাগরিক সনদে সকল কাগজ নিতে টাকা লাগে।
চাকরের ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ আমাদের সাথে দেখা করে এবং নির্দিষ্ট কিছু টাকা আসে দাবি করে। তাকে তার ২০০০ টাকা দেয়ার পরেও তে আপনার বাবার নামের এই বানান ভুল আছে এজন্য আপনাকে আরো কিছু টাকা দিতে হবে এরকম বাহানাও করতে থাকে কিন্তু পরবর্তীতে আর টাকা দেয়নি।
একটা প্লান জমা দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করে।
গার্মেন্টস শিল্পের জন্য আমাদের প্রায়ই ঢাকা বিমানবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করতে হয়। গত এক বছর ধরে Dhaka বিমানবন্দরের ভেতর থেকে প্রতিটি প্যাকেজ খুঁজে বের করার জন্য আমাদের ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। সিঅ্যান্ডএফ (C&F) কর্মীরা সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না, তাই পণ্য খুঁজে বের করার বিষয়টি শ্রমিকের ওপরই নির্ভর করে।
লটারিতে ভূমি অফিস নির্মানের কাজ পেয়েছিলাম। কাজের চুক্তি করার জন্য অফিস খরচ হিসাবে ৫০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করেছিল ইঞ্জিনিয়ার সাহেব, না দিলে চুক্তি ডিলে করতেছিল এবং নানা জটিলতা তৈরী করছিল। পরে, পরিশোধ করে কাজের চুক্তি করেছিলাম।
রাঙ্গুনিয়া থানার অন্তর্গত চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিটি মৃত্যু সনদ বাবদ ৩০০ টাকা করে দুইটির জন্য ৬০০ টাকা জমা নেন, কোন প্রকার রশিদ প্রদান করেনি। সরকারি গ্যাজেট মোতালেব যার ফি প্রতিটি ৫০ টাকা।
In every government sector. bribery has become a system without which getting any work done is virtually impossible. On the other hand, there is no choice but to pay bribes, nor is there any way to protest. Therefore, in the end, may our freedom to express these thoughts through your platform remain intact.
Sobkichu thik thakar poro amake badhdho hoye ei taka ghush dite hoyechelo.
ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে সংঘটিত হয়। আমার ভাই কম্বোডিয়ায় প্রবাসী এবং বর্তমানে সেখানে কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন। তিনি কম্বোডিয়া থেকে অন্য একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ কারণে তার একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হয়। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়ে আমরা যাত্রাবাড়ী থানায় যোগাযোগ করলে একজন এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তার সঙ্গে আমাদের কথা হয়। আমরা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করেন, অনলাইনে আবেদন করা হয়েছে কি না। আমরা জানাই যে, এখনো অনলাইনে আবেদন করা হয়নি এবং প্রক্রিয়াটি জানার পর আবেদন করার উদ্দেশ্যেই থানায় এসেছি। তখন ওই কর্মকর্তা বলেন যে, অনলাইনে আবেদনসহ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ তিনি করে দিতে পারবেন। এর জন্য তিনি ৭,০০০ টাকা দাবি