ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
লাইসেন্স নবায়নের জন্য ঘুষ দাবি করেন।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লাইসেন্স নবায়নের জন্য ঘুষ দাবি করেন।
একজন ডিএসবি কর্মকর্তা আমাদের বাসায় এসে আমার সব একাডেমি সার্টিফিকেট এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করার পর সরাসরি আমার বাবার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে। যদিও আমার সব ডকুমেন্টস সঠিক ছিল। তারপরও বিভিন্নভাবে রাজি করিয়ে ৩৫০০ টাকা নিয়ে যাই।
পাসপোর্ট ও চাকরির ভেরিফিকেশনে পুলিশকে ঘুষ দিতে হয়েছিলো। আমাকে বাধ্য করা হয়েছিলো টাকা দিতে।
৩ টি সাবজেক্টের ভাইবা এক্সামের জন্য ৫০০ করে মোট ১৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছিলো। বলা হয়েছিলো এক্সটার্নাল স্যারদের নাস্তার টাকা। কিন্তু কয়েকজন স্যারের নাস্তার জন্য প্রতি স্টুডেন্টের কাছ থেকে প্রতি পরীক্ষায় ৫০০ টাকা নেওয়া অনেক বেশি, যেটা আমি ঘুষ হিসাবে বিবেচনা করছি।
nid কার্ড জরুরী ভিত্তিতে করা প্রয়োজন ছিল চাকরির সুবাদে। আমার এলাকায় না করে অন্য এলাকায় করতে হয়েছিল, এইজন্য ৫০০ টাকা নাকি দিতে হবে।
২০১৯ সালে অক্টোবর মাসে আমার প্রবাসে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর প্রয়োজন পড়ে তারপর আমি থানায় যাই আপনারা বলেন 500 টাকা ব্যাংক স্টপ করতে এবং ৩৫০০ টাকা তাদেরকে দিতে এই ৩৫০০ টাকা না দিলে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন থানা থেকে ট্যানেস্ফার হবেনা
বাড়ির নকশা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের টাকা পরিশোধ করতে হয়। যার কাছ থেকে যা নিতে পারে। আমি ফরিদপুর পৌরসভায় সব মিলিয়ে প্রায় 50000 টাকা বাড়তি দিয়ে প্ল্যান পাস করিয়েছি।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা জন্য দিয়েছিলাম পরে ১০০০ টাকা লাগবে বলেছিল server নষ্ট এর কারণে সিলেট শহর থেকে সংশোধন করে আনতে হবে।
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমার ফাইল এপ্রুভ করে দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে, অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও আমার পরে আসা অনেক লোকের ফাইল এপ্রুভ হয় আমারটা হয় না। পরে আমি ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর আমি বলি ভিডিও করে হেড অফিসে কমপ্লেইন করবো, তখন ফাইল এপ্রুভ করে দেয় চাপে পড়ে।
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনে আমি সরাসরি একটি কলেজে নিয়োগ পাই। কলেজের কাগজপত্র চাইলে প্রথমে আমার কাছে কলেজের একজন শিক্ষক ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজ হাতে পাই। পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার জন্য আমার ছুটি নিতে হয়। বিনিময়ে কলেজে আমার পরিবর্তে একজন ক্লাস নিবে এই মর্মে আমার ছুটির চারমাসে মোট ২৪ হাজার টাকা প্রদান করতে হয় (প্রতিমাসে ৬ হাজার)। পরে জানতে পারি উনারা ১ মাসের জন্য শিক্ষক নিয়েছিলেন, বাকি ৩মাসে এমনি টাকা নিয়েছেন। পুনরায় আমি কলেজে যাওয়া শুরু করলে কলেজ কতৃপক্ষ আমার প্রথম ৫ মাসের বেতন দাবী করেন (২২ হাজার×৫মাস)। এখনও আমার বেতন হয়নি। একে তো বেতনের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছি, তার উপর বেতনের টাকা কতৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার মানসিক চাপ আর নিতে পারছিনা।
police clearance er verification korar somoy taka dabi kore, dite na caile negative report deyar humki dey. baddho hoye dichi
পর্চারে আবেদন করেছি। পর্চা পোস্ট অফিসে আসছে। কিন্তু গিয়ে আনতে হবে। দিয়ে গেলে টাকা দিতে হবে। একটা নিতে গিয়ে 50টাকা দিতে হয়েছে।
আমাদের কাছে নতুন বিদ্যুতের সংযোগ ও বিদ্যুতের পোল বাবদ ৮০০০০ টাকা দাবী করেন পল্লীবিদ্যুৎ এর একজন ইঞ্জিনিয়ার। পরবর্তীতে একজন ঠিকাদারের মাধ্যমে ৫০০০০ টাকায় রফা করে বিদ্যুৎ সংযোগ পাই আমরা
কিছুদিন পূর্বে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য পৌরসভায় গেলে তারা নতুন করে সকল কাগজ নিতে বলে। অথচ আমার নবায়নের জন্য সকল কাগজ কেন লাগবে? মূল ট্রেড লাইসেন্স কপিটা নিয়ে যাওয়ার পরেও তারা অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। সর্বশেষ ৫ হাজার টাকা দাবি করেন৷ বিষয়টি আপাদত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না৷ টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করবো কি না? প্রতি বছর সরকার কত রাজস্ব হারাচ্ছে, তা তো এটাতে বুঝাই যায়। সরকারী খাতে ১০ টাকা জমা দিয়ে নিজেরা ৯০ টাকা খেয়ে ফেলে। এর থেকে পরিত্রান এর উপায় কি!
যশোর সদর পল্লী বিদ্যুত অফিস, সময়কাল ২০২৫: আমার বাসা বানাচ্ছিলাম। বিদ্যুত খুটির জন্য আমার বাড়ির কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিলো। আমি অফিসিয়ালি খুটি সরানোর জন্য আবেদন করি। কিন্তু খুটি সরাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে আবার অফিসে খোজ নিয়ে জানতে পারি কাজের সিরিয়াল অনুযায়ী আমার কাজ করে দিবে। কিছুক্ষণ পর একজন কর্মকর্তা ফিসফিস করে ২০০০ টাকা চেয়েছিলো কাজটি দ্রুত করার জন্য। আমি প্রত্যাক্ষাণ করি। আমার কাজটি সমাধান করতে প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় নিয়েছিলো।
অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র, সমাজকল্যাণমন্ত্রণালয় এর একটি প্রজেকট, এটি সরকারি হবে এই কথা বলে এখানে সবার কাছ থেকে বিভিন্ন পদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয়। ৫ লাখ থেকে ২৬ লাখ। প্রায় ২০০ এর বেশি মানুষ। তারপর আমাদের নামে বা বিভিন্ন খাতে আসা টাকা তো পাই না। উল্টা বেতন চাইলে, রিজাইন দিতে বলে দেয়৷ অলরেডি ডিপিডি কে কাজ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। কেও বিদ্রোহ করলে শূন্য পদ ঘোষণা সহ অনেক অত্যাচার চলছে। সরকারি জব সোনার হরিণ। এই আশায় সবাই এসেছে। আবার বলছে রাজস্ব তে এই প্রজেকট গেলে আমাদের কাছ থেকে আবারও ৭/৮ লাখ নেওয়া হবে। কেও না দিলে তার পদ সরকারি হবে না। অনেক গুলো পদ এমনি খালি আছে, অনেকেই পরীক্ষা দিয়ে হলেও ঢুকতে চায়৷ কিন্তু টাকা ছাড়া কাওকে নেয় না। এজন্য পদ শুন্য হয়ে থাকে এবং ঢাকার বাইরে প্রতিবনধীরা সঠিক সেবা
২০২৩ সালে চাকরীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য তথ্য চেয়ে চট্টগ্রাম সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশের এক কর্মকর্তা ফোন দেন, অথচ ভেরিফিকেশন হওয়ার নিয়ম হচ্ছে গোপনে তথ্য যাচাই করা এবং নিয়োগকৃত কোম্পানী আমার তথ্য পুলিশকে সরবরাহ করেছে যা সব কোম্পানী নতুন নিয়োগকৃত কর্মকর্তার জন্য করে থাকে। উনি আমাকে ফোন দিয়ে আবার সব তথ্য চান, আমি তাকে সেইসব তথ্য জমা দিতে গেলে উনি আমাকে বিকাল ৪ টা থেকে রাতের ৯ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন এবং আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবী করেন চা নাস্তার জন্য, পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে আসি, পুলিশ কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা থাকায় উনি অফিসের বাইরে এসে টাকা নেন। আমার অন্যান্য সহকর্মীদের কাছ থেকে একই পরিমাণ টাকা উনি গ্রহণ করেন।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর ফেনি কার্যালয় থেকে আমার ছোট একটি কারখানার লাইসেন্স ও লে-আউটের জন্য স্থানীয় পরিদর্শক ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। যদিও চালান ফি ৫০০০ টাকা। আমি ২০০০০ টাকা দিতে রাজি হলেও উনি মানতেছেন না। বলতেছে ডিআইজি কে ১০০০০ দিতে হবে ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে হবে। এদের অত্যাচারে দিন দিন ব্যবসা খারাপ হচ্ছে।
আমি JLQ ALUMINUM COMPANY LIMITED এর ম্যানেজার। আমাদের কোম্পানি সাভার থানায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় গত জুনে আমি সাভার এলাকায় ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য আবেদন করি। ততকালীন ইন্সপেক্টর আমাদের অফিসে এসে সরাসরি ৬০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এবং বলেন না দিলে উনি বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করবেন বলে হুমকি দেন।
Job er police verification, dabi cilo cha biscuit khauyar tk 🥴🥴🥴.