Name correction
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা সাথে আমার ইংলিশ নাম একটা ভুল ছিলো সেটা চেঞ্জ করতে যাবার পরে সে বিভিন্ন উপায়ে আমার কাছ থেকে টাকা নেয়.
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা সাথে আমার ইংলিশ নাম একটা ভুল ছিলো সেটা চেঞ্জ করতে যাবার পরে সে বিভিন্ন উপায়ে আমার কাছ থেকে টাকা নেয়.
ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে একটি প্রত্যয়ন পত্র ও দুইটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ১২০০ টাকা দেওয়া লাগছে এখানকার গ্রাম পুলিশ বলে এটা নাকি ফি
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে ৬ মাস ঘুরিয়েছে মেলান্দহ একাউন্টস অফিস। শেষে কেরানিকে দিয়ে একাউন্টস অফিসার ১০% ঘুষ দাবি করে। যেহেতু ৬ মাস যাবৎ আমি কোন প্রকার বিল পাইনি তাই বাধ্য হয়ে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
এই অফিসে একজন ভুক্তভুগী রোগী ভুল পরীক্ষা এবং নিম্নমানের পরীক্ষার জন্য একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়। অফিসের কিছু কর্মচারী এবং প্রধানের সমন্বয়ে ১ লক্ষ টাকায় তা অবিচার করে ধামাচাপা দেয়। এই অফিস স্বাস্থ্য বিভাগের অভ্যন্তরীণ বদলি জনিত, বিভিন্ন ভাতা বাবদ নানা ফন্দি বা জিম্মি করে টাকা আদায় করে। সরকারি নানা প্রজেক্ট বা প্রোগ্রাম বাবদ বরাদ্দ অর্থ মেরে খাওয়ার ঘটনা তো অহরহ। বিভিন্ন মেডিকেল বোর্ডে অর্থের বিনিময়ে ভুয়া রিপোর্ট দেয়ারও উদাহরণ রয়েছে। জেলার স্বাস্থ্য মনিটরিং এর ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে টাকা আদায়, প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক এর নিকট হতে লাইসেন্স নবায়নের জন্য অবৈধ অর্থ আদায়।
ওয়াসার আবাসিক নতুন সংযোগের জন্য রোড কাটিং পারমিট। সকল কাগজপত্র দেওয়ার পরে খাজনার কাগজ সহ আরো আবেদনপত্র যা আছে করার পরে। পৌরসভার কর্মচারী ১৫০০০০ টাকা দাবি করেন ফাইল এর কাজ করতে। কারণ হিসেবে দেখান টেবিল খরচ অন্যান্য খরচ । সরকারি খরচ হিসাব করলে ১৫০০০ টাকা শুধুমাত্র।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে-কোনো কাগজ পত্রের জন্য গেলে ইউনিয়ন সচিব মহোদয়কে এর বিনিময় চা খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দিতে হয় যেমন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা জন্ম নিবন্ধ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, প্রত্যয়ন পত্র, পারিবারিক সনদ ইত্যাদি। টাকা না দিলে উনি স্বাক্ষর ই করেন না।
১৯৯৪ থেকে আমার এক দেওয়ানী মামলা চলছে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে সাক্ষী জেরা চলমান। সরকার পক্ষ হাজিরা দেয় না। কোর্টের স্টাফ বলে ৫ কোটি টাকা দিলে ১ সপ্তাহের মধ্যে মামলার রায় এনে দিবে, নয়ত অপেক্ষা করা লাগবে। আমি প্রস্তাবে সায় দেই নাই।
আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা হয়। আমার বাবার নামেও মিথ্যা মামলা হয়। আমি এবং আমার বাবা দুজনেই অফিসের কাজে উপস্থিত ছিলাম। অফিসের অনলাইন হাজিরা কপি জমা দেয়ার পরও আমি এবং আমার বাবার নাম আসামীর লিস্ট থেকে কেটে দেয়ার জন্য আমাদের কাছে টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে টাকার পরিমাণ কিছু কম দিলেও শুধু আমার নাম কেটে দেয় এবং আমার বাবার নাম রেখে দেয়। বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায় এবং বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হেরেস করে।
Job kore atho taka income korben. 2000 e hobe na, 3000 laghbe.
মামলা করতে গিয়েছিলাম আমার এক ভাতিজার দুই হাত দুই পা ভেঙে গুড়ো গুড়ো করে দিয়েছে আর এক ভাতিজার মাথা দুই জাগা ফাটিয়েছে আর আমাদের বেধড়ক পেটাই মামলা করতে গেলে ৫০ হাজার লাগবে পরে আবার ৪০ হাজার লাগবে অবশেষে ২৫ হাজার টাকায় ফায়সালা হয় এবং মামলা রেকর্ড করা হয় মারামারিটা হয় মূলত জমি নিয়ে আমাদের জমি জোর করে আওয়ামী লীগ দখল করে রেখেছে একাধিক সালিশ মানেনি অবশেষ জমি গেলে আমাদের এই অবস্থা করে টাকা নিয়েছে অথচ একটিও আসামি গ্রেফতার করে নাই আসামিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে এই তো আমরা সাধারণ মানুষ
ড্যাপ এর উছিলায় ১ বৎসর আটকে রেখেছিল পরে টাকা পাওয়ার পর অনুমোদন দিয়েছে।
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
নাশতা না খেলে স্বাক্ষর হয় না রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজে সনদ নিতে এসে — শুনল, “নাশতার ব্যবস্থা করেছেন?” সে অবাক সরকারি কাগজে স্বাক্ষরের জন্য আবার নাশতা কেন? পাশের একজন ফিসফিস করে বলল, “এখানে এটাই নিয়ম টাকা দিলে কাজ হয়।” — দেখল, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কখনো নাশতা, কখনো মিষ্টি, কখনো চা-খরচের নামে টাকা নেওয়া হচ্ছে। আরও ভয়ংকর, কেউ কেউ চাকরিতে পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ডিগ্রির কাগজ টাকা দিয়ে কিনছে পড়াশোনা ছাড়াই। — ভাবল, ডিগ্রি যদি জ্ঞানের স্বীকৃতি না হয়ে টাকার বিনিময়ে কেনাবেচার পণ্য হয়, তবে ক্ষতি শুধু প্রতিষ্ঠানের নয় ধ্বংস হয় শিক্ষার মর্যাদা ও একটি প্রজন্মের বিশ্বাস।
শিক্ষার আড়ালে আরেকটি বাজার রাজশাহী কলেজের সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে দাঁড়ালে মনে হয়, শিক্ষা শেষ হলেও পরীক্ষা শেষ হয় না। সার্টিফিকেট, মার্কশিট, প্রশংসাপত্র কিংবা অন্য কোনো কাগজ প্রতিটি কাজের সঙ্গে যেন যুক্ত থাকে অদৃশ্য এক মূল্যতালিকা। কেউ টাকা দেয়, কেউ “নাশতা” করায়, কেউ “চা-খরচ” বলে মেনে নেয়। প্রশ্ন হলো, পুরো সেকশনের এই সংস্কৃতি কি সত্যিই ব্যক্তিগত অনিয়ম, নাকি দীর্ঘদিনে গড়ে ওঠা একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা? আরও বড় প্রশ্ন, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া হলে বছরে মোট অঙ্কটা কত? সংশ্লিষ্ট এত মানুষজনই বা এই টাকার কত ভাগ করে নেন? হিসাব করলে কি অঙ্কটি কয়েক লাখ, কয়েক কোটি নাকি তারও বেশি? যদি সবই নিয়মসঙ্গত হয়, তবে প্রকাশ্য তালিকা ও হিসাব দিতে আপত্তি কোথায়?
গতবার যখন লাইসেন্সটা করেছিলাম তখন ৮০০০ বর্গফুটের লাইসেন্সের জন্য জমা ছিল ১০০০ টাকার সামান্য কিছু বেশি। কিন্তু আমাদেরকে ঘুষ সহ বাধ্য হয়ে আট হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল। এবার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে বলে যে নতুন নিয়ম হয়েছে সব লাইসেন্সের ডিজিটাল করতে হবে । সেজন্য পুরাতন লাইসেন্স প্রথমে নবায়ন করতে হবে নবায়ন সেটা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়ে আবার ডিজিটাল লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। সব মিলিয়ে খরচ হবে ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে শুধু নতুন লাইসেন্সের জন্যই নাকি জমা দিতে হবে ১২০০০ টাকা। যদিও আমি এটা আপাতত মুলতুবি রেখেছি, কিন্তু ফ্যাক্টরি চালাতে হলে আমাকে লাইসেন্স নবায়ন করতেই হবে। এছাড়া ব্যাংকের ওডি কন্টিনিউ করতে হলে ফায়ার লাইসেন্স অবশ্যই নবায়ন করতে হবে। এখন কি করব বুঝতে পারছি না!
এটা আমার পাশের বাসার ঘটনা। এটি ডিপিডিসির অধীনে একটি এলাকা। রাতে বৈদ্যুতিক পিলার হতে বাসায় যে তার দিয়ে কানেকশন দেয়া হয়, সেটা চুরি হয়। এই তার লাগায় দেয়ার জন্য ডিপিডিসি লোকজন ৩০০০০টাকা দাবী করে। আবার আমি অন্য মিস্ত্রি যদি কানেকশন দিতে যাই, তারা মামলা করার কথাও বলে।
এমপিও ও বিল করে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, টাকা দিবো বলে কাজ করিয়ে নিয়েছি। এখন টাকা চাচ্ছে; কিন্তু আমি দিবো না এক টাকা ও। যদিও আমার অনেক কাগজ তার কাছে আটকে আছে। এরা অনেক জঘন্য ও নিলজ্জ।
বিল করে দেওয়ার পর টাকাটা সে গিফট হিসেবে চাচ্ছিলো এবং বারবার বিরক্ত করছিলো। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি বিরক্ত হয়ে।
প্রধান শিক্ষক উচ্চতর গ্রেড এর আবেদন এ স্বাক্ষর করবেন, তাই চা-পানির টাকা নেয়েছেন।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ডিজিটাল ভাবে নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, চারিত্রিক সনদ, ট্রেড লাইসেনস পত্র আবেদন করলে সরকারি ভাবে অর্থ নিয়ে থাকে তা ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অতিরিক্ত টাকা বা অর্থ নিয়ে থাকে ইউনিয়ন পরিষদ। যাহা নাগরিকগন দিতে বাধ্য থাকে কারণ তার ۱۰۰-۱۰۰۰ টাকা নিলেও তার জন্য সনদটি কাজে লাগবে। অনেকবারে আমরা এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে নিষেধ করেছি কিন্তু কে শোনে কার কথা। দিনে শত শত জনগনের নিকট হতে আনুমানিক প্রায় ۲۰ থেকে ۳۰ হাজার টাকা অবৈধ উপার্জন করছে ইউনিয়ন পরিষধ দেখার কেউ নেই।