পুলিশকে চাঁদাবাজ ধরিয়ে দেয়ার পর টাকার বিনিময় ছেড়ে দেয়
পুলিশকে চাঁদাবাজ ধরিয়ে দেয়ার পর টাকার বিনিময় ছেড়ে দেয়, থানার SI টাকার বিনিময় চাঁদাবাজ কে ছেড়ে দেয় এবং আমাকে হয়রানি না করার জন্য ২০,০০০ টাকা দাবি করে
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পুলিশকে চাঁদাবাজ ধরিয়ে দেয়ার পর টাকার বিনিময় ছেড়ে দেয়, থানার SI টাকার বিনিময় চাঁদাবাজ কে ছেড়ে দেয় এবং আমাকে হয়রানি না করার জন্য ২০,০০০ টাকা দাবি করে
A policeman asked money when he came to me for passport verification. i had no other choice then and gave him the money.
গুলিস্তানের জিপিও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বাইরের দেশে কিছু পণ্য পাঠানোর সময় যেখানে পণ্যগুলোকে প্যাকেজিং করা হয় এবং পণ্যের নাম, প্রাপকের নাম ঠিকানা এন্ট্রি করা হয় সেখানে বাড়তি ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। পণ্যগুলো পাঠানোর বৈধ ফি (কম্পিউটারে হিসাব করে এসেছে) ছিল ৩৪০০ টাকা। কিন্তু যিনি প্যাকেজিং করেছেন তিনি বাড়তি ৫০০ টাকা হাতে হাতে দাবি করেন এবং যিনি নাম ঠিকানা এন্ট্রি নিয়েছেন তিনি ১০০ টাকা দাবি করেন।
বাংলাদেশে চাকরি বাজারে এত এত ঘুষ খুব খারাপ লাগে যখন দেখি এত পরিশ্রম করেও একটা চাকরি জোটাতে পারছি না, আর অযোগ্যরা টাকা দিয়ে চাকরির পদ বুকিং করে রাখছে। পাশেরর বাড়ির একমেয়ে ঘুষ দিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরে সিট বুকিং দিচ্ছে।
Bangladesh railways is selling its tickets from the counters at its premises for cash which is outlaw as per income tax act 2023. As per income tax act 2023 section# 67(13), if a person or collection of persons receives cash from a person or collection of persons through a non channel other than banks, leasing companies or financing companies, n the money received amounts to more than 500,000 in a single or multiple transactions, such receipts would be considered not a regular income but a special business income! With this particular section income tax act has made cash dealing in other than banking channel outlaw!regular income is exempt but other incme is subject 2 tax n BR is evadin tax
আমি একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানীর হেড অফিসে কর্মরত এইচআর (হেড)। আমার কোম্পানীর কিছু কর্মচারীর অভিযোগের কারণে বিষয়টি সমাধানের জন্য গুলশান এলাকার ইন্সপেক্টর ঢাকা অফিসে ডাকে। আমাকে ভয় দেখিয়ে বলে তার ডিআইজি আমার কোম্পানীর বিষয়ে নেগেটিভ। এখন ডিআইজিকে ম্যানেজ না করলে কোম্পানীর ক্ষতি হবে। ম্যানেজমেন্টকে জানালে ম্যানেজমেন্ট বলে যে, সরকারি লোক, ঝামেলা করতে পারে। কর্মচারীদের সব টাকাও দিলাম আবার ডিআইজি যাতে কোম্পানীর কোন ক্ষতি না করে তাকে পজিটিভ করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা পরিশোধ করি। ম্যানেজমেন্টের প্রশ্ন, আইনও মানতে হবে আবার ঘুষও দিতে হবে, তাহলে আমরা ব্যবসা করবো কিভাবে???
আমি বিদেশে আসার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করাতে গিয়ে এই ঘটনার শিকার হয়। পুলিশ তদন্ত করতে আমার বাসায় আছে এবং সবকিছু ঠিক থাকার পরেও তারা 10000 টাকা দাবি করে। যেহেতু ওই সময় আমার ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি জরুরী ভিত্তিতে দরকার ছিল তাই আমি এর বিরোধিতা বা সময় ক্ষেপন করতে চাইনি। সে ছিল বাসন থানার এএসআই। তার মুখের ভাষায় মনে হয়েছে তার বাড়ি বরিশাল। এবং ভেরিফিকেশন শেষে সার্টিফিকেট যখন ডেলিভারি আনতে যাই গাজীপুর মেট্রো পুলিশ হেডকোয়ার্টার তখন সেখানে ৫০০ টাকা আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়। আমার পরিস্থিতি এমন ছিল অসহায়ের মতো টাকাটা আমাকে দিতেই হয়।
গাইবান্ধা প্রবাসি কল্যাণ ব্যাংক গাইবান্ধা সদর শাখা প্রবাসে আসার সময় বলে এর ফ্রি লোন দেওয়া হয় কিন্তু না এখনে হজার রকম ডকুমেন্ট লাগে যা একজন প্রবাসির পক্ষে সম্ভব না। অতপর এরা ১৮৫০০ টাকা দিলে ২০০০০০ টাকা ঋণ দেয়। বেচেরা প্রবাসে ওর তো ভিসা হয়েছে বাধ্য হয়ে এতো টাকা দিয়ে ঋণ নিতে হয় না চাইতেও গাইবান্ধা যার টাকা নেই এর ঋন পাওয়ার কোনকোন চান্স নেই আমি নিজে ভুক্ত ভুগি
ASSET project is free project funded by World Bank following NSDA Standard which offers allowance (11,500 - 13,000) after successful course completion. But, some STP is trying to cheat/swindle with the trainees with their training allowance.
অধিকার অনুপ্রবেশ এবং হত্যার হুমকির সম্মুখীন হয়ে সাধারণ ডায়েরি করা হলে পুলিশ তা আমলে না নিয়ে নিজেরা সমাধান করে দিতে চায় এবং অর্থ দাবি করে, রাজি না হলে উল্টো ভুক্তভোগীর উপর চড়াও হয়।
আমার কারখানাটি মনিরামপুর উপজেলায়। বিদেশ থেকে এসে ছোট্ট একটি কারখানা করেছি। ০২ জন শ্রম পরিদর্শক কয়েকদিন আগে এসে তাদের ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বলে তারা এই এলাকার দায়িত্বে আছে। পরিদর্শনে এসেছে তাই দশ হাজার টাকা দাবী করে। পাঁচ হাজার টাকা দেই। টাকা দেয়ার পরও আমাকে চিঠি পাঠায়। লাইসেন্স না করলে মামলা দিবে বলে হুমকি দেয়। লাইসেন্স করতে গেলে বলে বিদেশ থেকে আসছেন ১ লক্ষ টাকা লাগবে লাইসেন্স করতে। পরে ৬০০০০ টাকায় লাইসেন্স করি। দেশের থেকে তো বিদেশই ভাল।
আমার কারখানা নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জে। নারায়ণগঞ্জ জেলার কলকারখানা অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক নিজে আমার কারখানার লেআউট প্লান পরিবর্তনের অনুমোদনের জন্য ০۴ লক্ষ টাকা দাবী করেন। ০۳ লক্ষ টাকায় সুরাহা হয়। কিন্তু টাকা না দেয়া পর্যন্ত তিনি অনুমেোদন দেন নাই। তিনি সরাসরি তার অফিস কক্ষে আমার কাছ থেকে ০৩ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। এরকম অফিস প্রধান আমি অন্য কোথাও দেখিনাই।
আমি, ভুক্তভোগী, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট-এর জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর আমাকে পার্বতীপুর মডেল থানায় কাগজপত্রসহ ডাকা হয়। থানায় উপস্থিত হবার পর দায়িত্বরত কর্মচারী আমাকে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং আমি উত্তর দিই। এরপর আমার প্রদত্ত তথ্যগুলোর মধ্যে থেকে সে আমার ঠিকানাসংক্রান্ত তথ্যে ভুল ধরে আমাকে নানাভাবে আমার আবেদন না-মঞ্জুর করার ইঙ্গিত দেন। দীর্ঘক্ষণ বুঝানোর পর আমাকে নিকটস্থ একজন ইন্সপেক্টরের কাছে পাঠানো হলে সেখান থেকে পুনরায় থানায় পাঠানো হয়। পুনরায় থানায় গেলে পরে সেই দায়িত্বরত কর্মচারীর উপস্থিতিতে আরেকজন দায়িত্বরত কর্মকর্তা চা-নাস্তাবাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং কাজের সফলতার আশ্বাস দেন এবং SP অফিস/অন্য কোথাও এই লেনদেন সম্বন্ধে বলতে নিষেধ করেন।
এক পক্ষ পুলিশকে টাকা দিয়ে অপর পক্ষের একজনকে ধরে নিয়ে যায় । আবার অপর পক্ষের সেই লোককে থানা থেকে ছাড়াতে পুলিশকে ২০,০০০ টাকা দিতে হয়ছিল । এতে পুলিশের দুইদিক থেকেই লাভ ।
The Newly appointed DG, DGDA made a disruptive change in application track and trace by transforming it into on line system which is now Track and Trace enabled. couple of years back in 2022 the "Application Lost " was the first step of DGDAs multi tiered bribe show. Its a commendable change.
আমি আমার দোহাজারী পৌরসভা তে tcb card আনতে গেলে কার্ড বিতরণকারী আমার কাছে ২০ টাকা নাস্তা করস কি যে আর বলে এটা নাকি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খরচ হয়েছে কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করেছি
Sorkar theke 1 lakh taka 6 dhoron er rugi k deya hoy. Sei report er file joma neyar jnno 1k taka dabi
জন্ম নিবন্ধন করে দিবে বলে — টাকা দাবী করেছে৷ দিতে না পারাই করে নি
বিগত ২০২৫ সালে আমাকে সেলুন থেকে গোবিন্দগঞ্জ থানার এস আই — উঠাইয়ে নিয়ে যায়। তখন তৎকালীন ওসি — (বর্তমান ঠাকুরগাঁও, বালিয়াডাঙ্গা) ওনি সোর্সদের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দাবি করে।পরবর্তীতে আমার আব্বু-আম্মু জমি বন্ধক রেখে এস আই — ও ওসি —কে ৩ লাখ টাকা দেয়। তবুও ওরা আমাকে মিথ্যা মামলায় দেয়।এরপর এখন ২০২৬ সালে ৫ বার পুলিশ আমার বাসায় গেছে আমাকে আবার আটক করার জন্য। আমার বিয়ের আগের দিন সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় এস আই — ও এস আই — ১০-১৫ জন পুলিশ নিয়ে আমার বাসায় তল্লাশী করে এবং আমার নামে মিথ্যা AI দিয়ে মাদকের ছবি দেখিয়ে ২ লাখ টাকার দাবী করে। আমার বাসা থেকে ল্যাপটপ ও সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক থানায় নিয়ে আসচ্ছে গত ৯ আগষ্ট। এখন ২ লাখ টাকার জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা —কে পাঠায়।
আমার একটা ৫ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র আছে শাহরাস্তি উপজেলা পোস্ট অফিস, চাঁদপুরে। সঞ্চয়পত্র ম্যাচিউর হয়ে যাওয়ায় সেটি রিনিউ করতে গেছিলাম আজকে। উনি কাজ করে দিয়ে সরাসরি ১০০০ টাকা ঘুষ চাইলেন। অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। যারা টাকা দেয়না তাদের সঞ্চয়পত্রের টাকা ম্যাচিউর হয়ে গেলেও ৪-৫ মাস ধরে রাখে। মানুষগুলো রিনিউ করতে না পারায় ৪-৫ মাস ইন্টারেস্ট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। টাকা ছাড়া ওই পোস্ট মাস্টার একটা কাজও করেনা। সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা ঘুষ নেয়।