ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হবে।তা না হলে নবায়ন হবে না।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হবে।তা না হলে নবায়ন হবে না।
আমার জন্ম নিবন্ধনে বাবার মায়ের নাম ছিল ভুল সংশোধন করার জন্য।নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি পৌরসভা এখান থেকে জানাইলো মাইজদিডিসি অফিসে যাওয়ার জন্য। মাইজদী ডিসি অফিস থেকে বলল স্থানীয় সরকারের আন্ডারে স্থানীয় সরকার আন্ডার আবার অনেকেই গোপনে নাম্বার দেয় তাদের সাথে কন্টাক্ট করার জন্য স্থানীয় সরকার বলল এটা বিশাল বড় এক সমস্যা উপজেলাতে যাওয়ার জন্য উপজেলাতে কেউ কথা বলতেই রাজি হয় না যাইহোক অনেক কিছুর পর একজনকে যখন পেলাম সে বলে পৌরসভাতে যাওয়ার জন্য সোনাইমুড়ি পৌরসভা পৌরসভা তে আসলে অনেক ঘুরাফুরি করে বলল যে কন্টাকে আসুন ১৭ হাজার টাকা একটা কথা সত্য মনে হচ্ছে দ্বিতীয়বার জন্ম নিলে হয়তো এত কষ্ট হতো না সরকারি অফিসগুলোতে যার সাথে কথা বলি আগের টাকা ঘুশের রাজ্জ্য বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা জেলা কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জ থানায় জিটি করতে গিয়ে হয়রানি শিকার হয়ে পড়ে জিটি না করে ফিরে আসছে আর দালাল টাকা চেয়েছিলেন
During the Eid festival time, we have to pay this amount to BEPZA, adamjee EPz office as a bonus. No way, otherwise many issues will arise creating by the culprits.
বিদেশে যাওয়া সময় আমি বাংলাদেশ থেকে ৫ কারটন সিগারেট নিয়ে আসতে চেয়েছিলোম জা বাংলাদেশে অনুমতি আছে কিন্তু আমি যা দেখলাম আমাকে ইমিগ্রেশন বিভাগের একজন আন্সার আটকে দিয়েছে কারণ আমি একটু দামী সিগারেট এনেছিলাম এ কারণে তারা আমার কাছে টাকা দাবী করে আমি এবং তারা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে টাকা না দিলে আমাকে বিদেশ আসতে দিবে না আর তারা সবার থেকেই দামী সিগারেট রেখে দেয় এবং বাহিরের দোকানে তা বিক্রি করে আমি নিজে দেখেছি আর তারা সস্তা সিগারেট সরকারি কোশাগারে জমা দেয় জা তারাই কিনে এনে রাখে আমি খুবই লজ্জিত তাদের কারণে এবং হ্মতিগ্রস্ত আমরা এর বিচার চাই
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ছাড়া যেসব সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হয় অর্থাৎ ২০০০ সালের আগের সেসব করার জন্য স্ব-শরীরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যেতে হয় এবং রেজিস্ট্রেশন,এডমিট, মার্কশিট সব সংশোধন এর পরে সার্টিফিকেট সংশোধন। প্রত্যেকটা কাগজ সংশোধন এর জন্য ৬-৭ দিন লাগে কিন্তু ওখানের অফিস সহায়ক এক লোক আছে ও অনৈতিকভাবে প্রতিটি কাগজের জন্য ৫০০ করে টাকা নিয়ে ১ দিনের মধ্যে দেয় যার জন্য যাদের কাজ সময়মতো হবার কথা তাদের কাজ সময়মতো হয় না। অনেক সময় লেগে যায়। দূর দূরান্ত থেকে যারা এসব কাজের জন্য ঢাকায় আসে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। একেকটা কাগজ ৭-১৫ দিন, সার্টিফিকেট সহ ৪ টা কাগজ করতে মাস খানেক, এর পিছে বসে থাকা লাগে। তার উপর আবার এরকম অনিয়ম।
আমার মার বয়স্কভাতার কার্ড করতে এলাকার মেম্বার সাব চেয়েছে
দেখা হলে যেমন সালাম দেওয়া রীতি ঠিক তেমনি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সরকারি খাতে ৩ হাজার টাকা জমা দিলে তাদেরকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে স্বাভাবিক রীতিতে।
আমার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চাকরি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এসআই ২৫০০ টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা দিলেও উনি অনেক জোর করেন। বলেন ২৫০০ টাকাই লাগবে। বাধ্য হয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হয়।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
পাসপোর্ট এর সাথে জন্মনিবন্ধন এর বয়সের ৪ বছরের ব্যবধান ছিল। ১৫,০০০ টাকার বিনিময়ে দোহার উপজেলা অফিসের UNO সাহেবের সহকারী ১৫০০০ টাকা দাবি করে। সেই দাবি পুরন করে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করানো হয়েছে। UNO সাহেবের ID & PASSWORD এই UNO সাহেবের সহকারী ই ব্যবহার করে। তিনি বয়স সংশোধন এর জন্য টাকা ছাড়া কাজ করে না। যত শক্ত ডকুমেন্টস থাকুক।
আমি সাবস্টেশন ব্যাবসা করি . পতিটা সাবস্টেশন লাইন্সেস করতে হলে ঘুস দিতে হয় ,
মৃত্যুর সনদপত্র একবার তুলতে খরচ হয় ৩৫০ টাকা/ কোন কারণবশত হারিয়ে গেলে /আবার তুলতে গেলে ৫ টাকার পরিবর্তে আবার ৩৫০ টাকা দিতে হয় /সবচাইতে ইউনিয়ন পরিষদে ঘুস হয় লেনদেন বেশি
ধরুন আদালতে কেস ফাইল করতে যাবেন। কোন মামলার ডেট জানতে জানতে যাবেন। রেস্টুরেন্ট সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে যাবেন। এরকম বিবিধ যেকোন আদালত সংক্রান্ত কোন কাজ করতে হলেই প্রতি কথায় টাকা দিতে হবে। *****এরকম একটি প্রচন্ড দুর্নীতিবাজ সেক্টরের নাম আপনাদের লিস্টে উল্লেখ করা নেই এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়।
যে জম্মনিবন্ধের সরকারি ফি -১৫০ টাকা, সেখানে এখন নে ৪০০-৫০০ টাকা সে সাথে সকিদার, দপাদার, ফাইল আনা-নেওয়া বাবদ অল্প কিছু হাদিয়া বলে যায় আরো ২০০-৩০০ টাকা এই মিলে খরচ ১০০০ টাকা কি করে জনগণ বাচবে
টাকার পরিমাণ ঠিক মনে নেই। ৮-৯ বছর আগের ঘটনা। টাকা আরো বেশি হতে পারে। পাবলিকে ভর্তি হওয়ার জন্য রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজে ভর্তি বাতিল করে মূল সনদ উত্তোলন করার সময় অফিসের চাকমা ভদ্রলোক আমার কাছ থেকে ঘুষ নেয়। পরবর্তীতে গণিত বিভাগের এক শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষক কোয়ার্টারে গিয়ে একটা কাগজে (দরখাস্তে হয়তো) সাইন নিতে গিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি হেসে রসিকতা করেন।
Police clearness er jonno apply korchilam aj phn diya ase bollo bhai apnar to sob thik ase amader ektu misty khaite den tahole kal porsu peye jaben. Bollam kache to tk nai ta bolle dekhen ase pase. 500 dilam pore bole ki dilen ata. Ami bollam bhai r to pailam na uni amake bole pore diyen thana te jeye call diten. Na paira abar 500 dilam. Pore koi karo sathe boile na jano jodi kew call tol o dei kichu hoilen na ki ekta obotha
আমরা একটি চাকুরির মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সে ট্রেনিং একাডেমিতে আসি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, ক্লাসে সততা শৃঙ্খলা নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখার পাশাপাশি পাশের জন্য কোন ধরনের আর্থিক লেনদেন, অসদুপায়, ও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে নিষেধ করা হয় এবং আমরা সবাই সেভাবেই চলছিলাম কিন্তু ফাইনাল পরীক্ষার কিছুদিন আগে থেকে কেন জানি স্যারদের মেজাজ গরম থাকে, আমাদের নানা দোষত্রুটি ধরা হয়, পান থেকে চুন খসলেই নোটিশ দেওয়া হয়, পরীক্ষায় ফেল করানোর গল্প শোনানো হয়। এক পর্যায়ে তারা ইঙ্গিতে টাকা দাবী করে নতুবা ফেল করানোর ইঙ্গিত দেয়। দাবী পূরণ সাপেক্ষে সবাই পাশ করে।
অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বলতে পারবোনা। শুধু ঘরটি পূরণের জন্য ১০০০ টাকা লিখেছি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নির্দিষ্ট অফিস থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সনদ সহ অন্যান্য কাগজপত্র উত্তোলন করার জন্য নির্দিষ্ট ফিস নেওয়ার পরও অনেক হেনস্তা করে। প্রথমে একটা তারিখ দেয়। পরে অমুখ তারিখে উপস্থিত হলে যে টেবিলে আমার ফাইল বা কাগজ নেই সেখানে আমাকেই নিজে থেকে খুঁজে দেখতে বলা হয়। এভাবে দীর্ঘক্ষণ হেনস্তা করার পর কয়েক ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তারপরও যখন আমি ঘুষ অফার না করে না বোঝার ভান করে বোকার মত ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকি তখন একপ্রকার বাধ্য হয়ে তাদের পরিচিত এক জায়গা থেকে আমার ফাইলটা বের করে কাগজে প্রয়োজনীয় কাজ করে আমাকে তাচ্ছিল্যের সাথে সনদ ও অন্যান্য কাগজ দেওয়া হয়।
সরকারি দফতরে ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ প্রয়োজন, অথচ বাংলাদেশে সকল গুরুত্বপূর্ণ পেশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত পরিষদ রয়েছে, যেমন চিকিৎসকদের জন্য BMDC, আইনজীবীদের জন্য BAR Council ইত্যাদি। কিন্তু স্থপতি, প্রকৌশলী ও পরিকল্পনাবিদ হতে হলে বেসরকারি পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন প্রয়োজন হচ্ছে। এতে করে অনেকেই এই সদস্যপদ নিতে ব্যর্থ হচ্ছে অনুমোদন সংক্রান্ত জটিলতায় এবং এখানেই জন্ম নিচ্ছে স্বাক্ষর বাণিজ্য ও ভবন নির্মাণ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির। এই সমস্যা সমাধানে সরকারের কাছে বার বার সহযোগিতা চেয়েও কোনো সমাধান মেলেনি। সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে রাষ্ট্র অনুমোদিত ডিগ্রি এখন বেকারত্ব সৃষ্টি করছে, কিন্তু রাষ্ট্র কোনো সমাধান দিচ্ছে না।