হরিরামপুর থানা
সেকেন্ড অফিসার — চোর ধরতে টাকা চায়
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সেকেন্ড অফিসার — চোর ধরতে টাকা চায়
খামার ঝাড়বাড়ি নতুনপাড়া দিনাজপুর সদরে সরকারি আশ্রয়ন কিছু ঘর দেওয়া হয় । এলাকার কিছু পাতি নেতা ঘর নির্মাণের সময় ঘর মালিকের কাছে ১-১০ হাজার টাকা মানুষের কাছে দাবি করে । তাদের মধ্যে —, — অন্যতম । এরা অন্যায় ভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের কাছে কৌশলে চাদা দাবি করে এবং মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে
বগুড়া র ওসির প্রাইভেট কার এ আমার মটর সাইকেল লাগার কারনে আমাকে আক্কেলপুর থানার ওসির হাতে তুলে দেয় আমার মটরসাইকেল সহ আর বগুড়া থানার ওসি বলে আক্কেলপুর এর ওসি আমার ক্লাসমেট এই বলে আমার থেকে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুস চায় আর ভয় দেখায় জে তোর নামে মামলা দিবো তোকে জেলে চালান দিবো এর কারণে বাদ্য হয়ে ঘুস দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে ছেড়ে দেয় এবং আদর করে মোটরসাইকেল ফেরত দেয়। আক্কেলপুর থানার ওসি ও, এ এস আই, ও বগুড়া থানার ওসি তিন জন আমার উপড় অনেক জুলুম করে আল্লাহ তাদের মান হানি করবে ইন সা আল্লাহ তাদের লাস জেনো শিয়াল কুকুর খায়, (ধন্যবাদ) তারিখ ২৬/০৮/২০২৬
২০২২ সালে ছোট বোনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলনা,ফতুল্লা থানায় জিডি করেছি,সেখানে কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় সাইনবোর্ড পিবি আই এর সরনাপন্ন হই,সেখান থেকে এস আই — ১৫০০০ অফিসিয়াল চার্জ এবং আরও ৫০০০ গাড়ি ভাড়া বাবদ দাবি করে।একনপর্যায় তা পরিশোধের প্রেক্ষিতে তিনি তদন্তে নামেন।এবং নিখোঁজ বোনকে উদ্ধার করেন।উদ্ধার পরবর্তীতে নারী পুলিশ সহকর্মীর নাস্তা বাবদ আরো ১৫০০ টাকা দাবি করেন।এবং এক পর্যায়ে তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
কয়েকদিন আগে আমি ঢাকা টু কক্সবাজার রাতের টিকেট কাটতে চেয়েছিলাম শুনলাম ১০ দিন আগে টিকেট ছাড়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে আমি সকাল ৮টা থেকে অনলাইন ছিলাম কিন্তু ২ থেকে ৫ মিনিটে পুরো টিকিট সার্ভার থেকে বিক্রি হয়ে যায় যা এত দ্রুত হয় যে আপনি কোন ভাবে কিনতে পারবেন না । পরবর্তীতে আমাকে ৭৫০ টাকা ঘুষ দিয়ে প্রতিটা টিকিত কিনতে হইসে । যার থেকে কিনেছি উনআর সাথে কথা বলে বুঝা গেল এই ভয়াবহ প্রতারনার সাথে সহজ ই জড়িত ।
টাকা না দিলে nid আবেদন গ্রহণ করলেও ছবি তোলার জন্য কোন মেসেজ বা কল পাওয়া যায় না, ডকুমেন্ট এর হয়রানি করে , 1500 টাকা দিলে কোনো প্রকার ডকুমেন্ট ছাড়া তাৎক্ষণিক ছবি তোলা হয় ।
সাব মার্সিবল টিউবওয়েল
বিষয়: গণপূর্ত অধিদপ্তরে (PWD) Contractor Enlistment প্রক্রিয়ায় ঘুষ/অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ ও তদন্তের আবেদন মাননীয় মহোদয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর (PWD)-এ Contractor হিসেবে Enlistment/নিবন্ধন গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি ও বিধিবদ্ধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও প্রদানের একটি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, Contractor Enlistment প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ/ঘুষ দাবি করা হয়। ফলে একজন বৈধ ও যোগ্য ঠিকাদারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ অর্থ প্রদানের চাপের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের অনিয়মের কারণে— ১. স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ Contractor Enlistment প্রক্রিয়া
2025 সালের নভেম্বর মাস। আমি যতটুকু জানি একটা জমি খারিজ করতে সরকারি খাতে দেওয়া লাগে 1600 টাকা। ঐখানে এক মহিলা নিজের কাজ করতে ঐখানে কর্মরত এক লোককে 3000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছিলো, আমাকেও দিতে বলছিল কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক থাকা সত্বেও আমাকে দিনের পর দিন ঘুরিয়েছে প্রায় 7 মাস। এরপর আমি ভূমি সেবা 16122 তে কল করে অভিযোগ করি। আমি বাধ্য হয়ে অফিসারের রুমে গিয়ে প্রশ্ন করি আমি কি অন্যায় করেছি বা আমার ভুল কি? আমার সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকা সত্বেও 28 দিনের কাজ 7 মাস পার হওয়ার পরও হলোনা কেনো? তারপর উনি আমার কাজ রিভিউ করে এবং ঘুষ ছাড়া আমি কাজটি সম্পূর্ণ করতে পারি।
জোমির মামলায় পজেটিভ রায় শুনিষ্টচিত করে দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে সেরেস্টা ৫০০০০ টাকা দাবি করেছিল। অন্যথায় রিভিউ তে ঝামেলা করে রেখে দেওয়ার মতো একটা হুমকি বললেই চলে।
চট্টগ্রাম ওয়াসা (CWASA)-তে Contractor হিসেবে Enlistment/নিবন্ধন গ্রহণ ও নবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি ও বিধিবদ্ধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ/ঘুষ দাবির বিষয়ে একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, Contractor Enlistment প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত সরকারি ফি-এর অতিরিক্ত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, এই অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করলে Enlistment প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা, বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা অথবা আবেদনকারীর কাজ সম্পন্ন করতে অনাগ্রহ দেখানোর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা CWASA-এর Contractor Enlistment ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পরিপন্থী। এর ফলে প
২০২০ সালের দিকে পাসপোর্টের আবেদন করার পর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট করার পরপরই একজন পুলিশ সদস্য আমার সাথে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং দেখা করতে চান। দেখা করার পর উনি পরিচয় দেন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্য হিসেবে; আমি আইডি কার্ড দেখেছিলাম। এরপর উনি টাকা দাবি করেন এবং হুমকি দেন যে টাকা না দিলে পুলিশ ভেরিফিকেশনে bad report দিবেন। আমি প্রথমে রাজি হইনি। পরবর্তীতে উনি কয়েকদিন পরপর ফোন দেয়া শুরু করেন আর টাকা না দিলে ফাইল ছাড়বেন না বলে দেন। এভাবে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট এর মাসখানেক পর যখন কোনো মেসেজ পেলাম না তখন টাকা দিতে বাধ্য হই।
ঘটনাটি কিছুটা আগের, মামলার আপোষ মীমাংসার পর জর্জ আমাকে তার সামনে বসা, ডান পাশের বেঞ্চ ক্লার্ক এর কাছে সিগনেচার করতে বলে, কোর্ট শেষে বেঞ্চ ক্লার্ক কাগজ নিয়ে এসে আমার কাছে 500 দাবি করে, আমি বললাম আমায় কাগজ দেন আমি সই করবো, কাগজ না দিয়ে তখন সে আমার সাথে হয়রানি মূলক আচরন শুরু করে। বর্নিত কাজের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক কোন ফি প্রদান করতে হয় না। কিন্তু, পরবর্তীতে হয়রানির শিকার হয়ে 300 টাকা দিয়ে আমায় সই করতে হয়। তখন আমি নাবালক ছিলাম, তাই এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো কার্যত পদক্ষেপ গ্ৰহন করতে পারিনি। 17-11-2024
Amr elalay online joiya onk besi chole 'agent sim ba marsent sim diye koti koti taka Len den hoi akta agent sim diya 1 koti taka Len den kore sonsi Joira site sim add kore Tara pore taka doke ber hoi emne lenden kore Tara 1koti te naki 2 lak taka pay jar sim se pay Amar elalay sob bkash Dokan dar r jader bkash lok ace ba agent sim banay pore lenden kore koti taka malaik hoye jaite se Tara
fake report kare blackmail orherwase bussiness fully off
জমি ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ এর জন্য পুলিশের কাছে সহযোগিতা চাইলে ঘুষ চায় । পঞ্চগড় জেলা বোদা উপজেলার — । ওনার কথা মীমাংসা করে দিবে কিন্তু টাকা লাগবে । তো কী আর করার টাকা দিয়ে মীমাংসা করতে চেয়েছিলাম। তবে, si আমার বিরোধী পক্ষ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আনুমানিক ৪০ হাজার । এই যদি হয় বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থা । এই যদি হয় তাদের টাকার বিনিময়ে সেবা । তাহলে আর কি করার । তবে এত টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার বা মীমাংসা পাই নি। এখন পর্যন্ত জমি গুলো জোর পূর্বক দখল করে নিচ্ছে — ।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের (DC) কার্যালয়ের প্রবাসী কল্যাণ শাখায় Unmarried Certificate ইস্যুর জন্য সরকারি ফি-এর বাইরে অফিস খরচ হিসেবে অতিরিক্ত 11,000 টাকা দাবি করা হয়েছিল। আমি উক্ত টাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে পরিশোধ করার পরই তিনি আমাকে সার্টিফিকেটটি ইস্যু করেন।
অনলাইনে নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার পরেও সংশ্লিষ্ট থানার তদন্ত কর্মকর্তা আরো ১৫০০ টাকার দাবি কোনরুপ তদন্ত ছাড়া অতিদ্রুত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাইয়ে দেবার জন্য
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ অফিসে ফাইল মুভমেন্ট করতে টাকা লাগে। না হলে ফাইল ফেলে রাখে
গতকাল ঢাকা রাজশাহী ট্রেনে টিটি শোভন চেয়ারের একজন দড়িয়ে থাকা যাত্রী থেকে ১০০ টাকা চেয়েছে। কোন টিকিট দেয়নি। ঐ যাত্রী ৮০ টাকার মতো দিয়েছে। তখন বলে যে ১০০ দিতে।সাথে থাকা পুলিশ বলে থাক সামনে চলে যান। এখন পুলিশ একজন সাথে নিয়ে এসব টাকা খায়।