Driving License Police Vewrification
ঘটনাটি ২০১৮/১৯ সালের। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজ জমা দিলে এস আই — আমাকে ফন করে ৫০০০ টাকা দাবী করে।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঘটনাটি ২০১৮/১৯ সালের। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজ জমা দিলে এস আই — আমাকে ফন করে ৫০০০ টাকা দাবী করে।
দিনাজপুর থেকে রাজশাহী যাওয়ার BRTC বাসে আসন পূর্ণ হওয়ার পরও অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়। অতিরিক্ত যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে আমি দেখেছি, কিন্তু তাদের টিকিট দেওয়া হয় না । ঘটনাটি প্রতিদিন ঘটে। অতিরিক্ত নেওয়া অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৩০০০০ টাকা। অর্থটি ব্যক্তিগতভাবে কেউ/কারা আত্মসাৎ করেছে—সে বিষয়টিও আমার কাছে পরিষ্কার নয়।
২০২৩-২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী —। ছাত্র দের কে সরকারি ভাবে ট্যাব বিতরন করেছিলো। আমি ধনুয়া আহমদিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরিক্ষা দিয়েছি। তখন আমিও একটা পেয়েছিলাম। কিন্তু পরিক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড আর প্রবেশ পত্র আটকে দিয়ে ট্যাব নিয়ে নিয়েছে ঐ দাখিল মাদরাসার সুপার (—)। আমার কথা হলো সরকার ছাত্রদের কে দিয়েছে উপহার হিসেবে। কিন্তু তারা কেন নিয়ে নিজেরা ব্যবহার করবে । আমি কয়েকবার চেয়েছি। কিন্তু দেয় নি। এর বিনিময়ে ৫০০০ হাজার টাকাও চেয়েছিলো । ৫০০০ টাকা দিলে ট্যাব আমাকে দিবে কিন্তু আমি দেই নাই।
লাইসেন্স ওয়েভার সার্টিফিকেটের জন্য ২০,০০০/- দাবী এবং ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টের লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০,০০০/- টাকা দাবী করা পহয় প্রায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের কাছে।
আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম, বললো উপজেলা থেকে কাজ আছে, আপনার কষ্ট হবে, এক হাজার টাকা লাগবে আমি করে দিচ্ছি, না দিলে হবে না। টাকার ভাগ উপরে যাবে ইত্যাদি, টাকা দেওয়ায় পরে দেখা গেলো জায়গায় বসে কিছু সময়ের মধ্যে জন্ম সনদ হাতে দরাই দিছে। এই হল আমাদের সোনার বাংলাদেশ।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য আবেদন করি ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার কাছে টাকা চান এটা ভেরিফাই করার জন্য
অভিযোগের বিষয়: মাতুয়াইল বিদ্যুৎ অফিস (ডেসকো/আরইবি/ডিপিডিসি) কর্তৃক অন্যায্য "নির্মাণ বিল" দাবি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ। অভিযোগকারীর তথ্য: নাম: ঠিকানা: মোবাইল নম্বর: বিদ্যুৎ অফিসের নাম/অঞ্চল: মাতুয়াইল বিদ্যুৎ অফিস ঘটনার বিবরণ: আমি ২০১২ সালে আমার নিজ জমিতে প্রথম তলা ভবন নির্মাণ করি এবং তখন থেকেই ১টি বৈধ বিদ্যুৎ মিটার ব্যবহার করে আসছি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ভবনটি ৩ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে প্রয়োজনীয় আবেদনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫টি মিটার সংযোগ গ্রহণ করি। সেই সময়ে তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ কার্যালয় কর্তৃক ধার্যকৃত ১২,০০০ টাকা "নির্মাণ বিল" বাবদ সম্পূর্ণ পরিশোধ করি। সম্প্রতি আমার উক্ত ৩ তলা ভবনের অতিরিক্ত
সাফায়াত আমার কাছে একটি ফেসবুক আইডি বিক্রয়ের জন্য ৭০ টাকা দাবি করেছে। উক্ত ফেসবুক আইডিটি ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্যে নয়; বরং অফিসের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে চাওয়া হয়েছিল।
100 takar ticket 300 taka na Dile আসন দেয় না।
oboshor bhata tulte giye taka ceyece
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসে চাকরির জন্য হেলথ সার্টিফিকেট নিতে গেলে বলে সিভিল সার্জন অফিসার টাকা লাগে।
আমি কক্সবাজর জেলার বাইরে থেকে আসি এখানে চাকরী করার জন্য। যেহেতু কক্সবাজার থাকি তাই এখানকার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। যে পুলিশ অফিসার আমার তথ্য ভেরিফিকেশনে এসেছিলেন উনি ওনার খরচবাবদ ১৫০০ টাকা দাবি করেন। যেহেতু আমি কক্সবাজারের বাইরের মানুষ তাই পাসপোর্ট পাওয়ার কথা বিবেচনা করে এবং ঝামেলা এড়ানোর জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েছিলাম। ২০১৯ সালের কথা।
Sedin amra taka uttolon er somoy ekta januar je ander taka role dibe se cha khawer tska babod 500 tka dabi korle anr ammu taka die dei
when we visited Electrical License Board (ELB) office in Chittagong during Substation approval renewal application, The chief directly ask for money 70000 BDT for renewal application approval. After a lot of negotiations and approach, we have given 35000 BDT although all legal updated documents are there.
ঢাকা পল্লিবিদুত সমিতি -১ নতুন মিটার আবেদনের ক্ষেত্রে আমার কাছে মিটার প্রতি ৪০০০ টাকা এবএনজি মোট ২০০০০ টাকা চেয়েছে।
শুধু আমি নই আমার মতো ভূক্তভুগি বহু মানুষ আছেন। মানুষকে বিভিন্ন উপায়ে জোড়পূর্বক, জিম্মী করে বাধ্য করা হচ্ছে। মানুষ নিরুপায়/বাধ্য হয়ে জটিলতাসময় অপচয় এড়াতে অর্থ দিয়ে কাজ করাতে। এই সকল মামলা গুলো বেশীরভাগ জমি/বাসা-বাড়ী সম্পত্তি বিষয়ক। জজ কোর্টের প্রতিটা সরকারী সকল কর্মচারীগন থেকে শুরু করে জজ এবং উকিল পর্যন্ত ঘুষ নেন। আপনাকে বিভিন্ন ভাবে বাধ্য করা হবে, বিভিন্ন মামলার সময় তৈরী, সহজ বিষয়কে জটিলতা তৈরী করে বা জিতে (রায়/ডিগ্রী) যাওয়া মামলায় অহেতুক ভাবে কার্নিকাল ভূল দেখিয়ে রায়ের শব্দের বানান ভূল করে প্রচুর অর্থ দাবি করা হয়। যার মূল্য নিম্ন ২০ থেকে ৫০+ হাজার টাকা। একজন সহকারী পেশকারের প্রতিদিনের উপরি ইনকাম নিম্ন ৩০ হাজার থেকে ১ (+/-) লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। AC/DC Land office গুলো তো আরও খারাপ।
বিষয়: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এর আওতাধীন সরকারি ক্রীড়া কার্ডের ভাতা থেকে ৭০% অর্থ প্রদানের অনৈতিক দাবির প্রতিবাদ করায় হয়রানি, মানহানি, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান এবং প্রশিক্ষণ ও বাংলাদেশ কিকবক্সিং জাতীয় দলীয় কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ
বিদেশি ডিগ্রি সার্টিফিকেট গুলো দিয়ে দেশে সরকারি চাকরিতে আবেদন করা যায়না আবার অনেক প্রাইভেট সেক্টরেও। এই সার্টিফিকেট ছাড়া দেশেও কোনো ইউনিভার্সিটিতে সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক কোনোটাতেই আবেদন করা যায়না। তার জন্যে দেশে UGC থেকে Equivalent certificate নিতে হয়। এখানে পদে পদে টাকার খেলা। একেকজন একেক টাকা দাবি করে। আগে এমনটা ছিলনা। এখন অনলাইনে সব করতে হয় সেই সুবাধে একজন — নামে অফিসার সবার ফাইল আটকাই রাখে। বিশেষ করে আমেরিকা কানাডা অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি করা স্টুডেন্ট কেউ ১-২ বছর করে ঘুরায় এই — নামে লোকটা। একজন শিক্ষার্থী কেনইবা দেশে আসবে যদি তার ক্যারিয়ার গ্যাপ ইচ্ছাকৃত করা হলে?
গত ২১ তারিখ আমি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি প্রত্যেক স্টুডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র দেওয়ার সাথে সাথে বলা হচ্ছে 'খুশি করেন'। শেষ পর্যন্ত সবাইকেই ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে । আমি নিজেও বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা পরিশোধ ও করেছি৷
বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানায় হাটকড়ই ডিগ্রী কলেজের ল্যাব এসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ ছাড়া হয় নিয়োগ ২০ লাখ টাকা প্রতি পদে দাবি করা হয় এবং ওই টাকা যারা দিতে সক্ষম তাদের শুধু চাকরি দেয়া হয় যেখানে চাকরির বেতন ১২ হাজার টাকা