গৃহায়ন (প্লট মালিকের নাম পরিবর্তন) এবং পুনর্নির্মাণ আবেদন,
গৃহায়ন (প্লট মালিকের নাম পরিবর্তন) এবং পুনর্নির্মাণ আবেদন, নগদ টাকা - ধাপে ধাপে (টেবিল ও প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করুন)
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গৃহায়ন (প্লট মালিকের নাম পরিবর্তন) এবং পুনর্নির্মাণ আবেদন, নগদ টাকা - ধাপে ধাপে (টেবিল ও প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করুন)
আমার কাছে সরাসরি ৫০০ টাকা দাবি করেছেন
আমার একজন প্রবাসি বন্ধুর জন্মনিবন্ধন সংসোধনের জন্য দিয়েছিলাম ফটিকছড়ি, ভুজপুর ইউনিয়নে, যেখানে ২ দিনের মধ্যে কাজ হওয়ার দরকার সেখানে ৫ দিনেই কিছু হলনা, সচিবকে জিজ্ঞাস করলে বলে উপজেলা থেকে approval না হলে হবেনা, এতে ১০-১৫ ও লাগতে পারে, যদি জলদি লাগে উপজেলা গিয়া করে নিয়ে আসতে হবে, ওনার কথার ধরণ এমন ছিলো যে ওদের টাকা দিলে এখনি করে দেবে, আমার একটা বন্ধুতে বললাম যে একটা পরিচিত পটোকপির দোকানের নাম বললো সে ও একি কথা বললো উপজেলাই ১০০ টাকা দিলেই সাথে সাথে এপ্রোপ দিবে, পরে আমি ১০০ টাকা দিলে দেড় মিনিটের সেটা এপ্রোব হয়..
এমসি ও চারসীট সংক্রান্ত
আমার গাড়ির নাম্বার — আমার এই গাড়িটির সাথে একটু হোন্ডার দুর্ঘটনা ঘটে থানায় অবিবাহিত করে ওরে আমি উদ্ধার করেছি পরে তারা ওই হোন্ডার লোকদেরকে ডাকাতির মামলা কথা বলে অনেক টাকা ঘুষ নে এবং আমার আমার বিরুদ্ধে দায়ের করে আমার গাড়িটি এখন থানায় বর্তমানে জদ্য আছে আমার কাছে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে আমার গাড়িতে মাল ছিল ডালডা চার আনুমানিক বাজার মূল্য ২২০০০০ এই মাল দেওয়ার জন্য তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করে পরে বিশ হাজার টাকা নিয়ে মাল দিয়ে দেয় পরে যে কোন কথার কারণে আমার বলতেছে ঝাড়ু ২০ হাজার টাকা লাগবে আমাদের গাড়ি ছাড়ানোর জন্য তখন আমরা দিতে রাজি হইনি এমনকি আমি থানার ওসি স্যারের কাছে অভিযোগ করি সে ক্ষেত্রে এসআই আমাদের টাকাটা ২০ হাজার টাকা দিয়ে দেয় বা ফেরত দেয়
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেলে যে অফিসার তদন্ত করে বা ভেরিফিকেশন করেন তখন টাকা দাবি করেন। নগদ টাকা দিতে হয়। আমার জানামতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স মানে হচ্ছে ব্যক্তির নামে কোন প্রকার মামলা আছে কিনা বা কোন প্রকার মামলা ছিলো কি না ? তা তদন্ত করা কিন্তু বর্তমানে এগুলো না দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করলে দেখা হয়। ব্যক্তির পদত্ত কাগজ সত্যায়িত করা আছে কি না এবং তার এবং তার পরিবারের কোন জায়গাজমি আছে কি না। আর এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রচন্ড হয়রানির শিকার হন সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশ গিয়ে টাকা উপর্জান করে দেশের ভাল অর্থনিতির কথা ভাবেন । তাদের বিদেশ যাত্রার শুরুতে ঘুষ দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়।
সাধারণত জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার পরে এটা ইউএনও অফিসে ফরওয়ার্ড হয় ফরওয়ার্ড হওয়ার পরে এটা ইউ এন ওর সরকারি আইডি থেকে এটা রিসিভ করাতে হয় যা করাতে গেলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না কিন্তু আমাদের ধনবাড়ি উপজেলা ইউ এন ও অফিস এটা রিসিভ করাতে গেলে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি এটা দিয়েছি তাছাড়া রিসিভ করে না উনারা
এদের সার্কুলারে পুরাতন গিটার সংযোগ রয়েছে তাদের ভোটার আইডি কার্ড যথেষ্ট। এছাড়াও অনেক ধরনের কাগজ চাওয়া হয়। চাইলে এরা বাসার উপর যোগ করতে পারে। কতদিনের শেয়ার করবেন নিশ্চয়তা নেই। সংযোগের তার নিয়ে সমস্যা। কিচ্ছু জটিলতা রয়েছে। কিছু জটিলতা নিজেরা তৈরি করে রেখেছে অর্থ পাবার জন্য। মনে হয়েছে তো অর্থ বা ঘুষ ছাড়া মিটার পাওয়া সম্ভব নয়। অফিসে একটা চক্র রয়েছে, এরা অর্থ ছাড়া সাইন করে না। কারণ একজন অফিসে অস্থায়ী কর্মকর্তা দায়িত্ব দেয়ার পরও, অফিস থেকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। অত্যাবশ্যকিয় সেবা, তাই ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
সরকারি অফিসে প্রতি অর্থবছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের মূল্যের স্টেশনারী মালামাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। সেটি আঞ্চলিক সরাকরি প্রকশনা ও মূদ্রন অফিস থেকে আনতে হয়। সেখানে ফাইল রিসিভ করা থেকে শুরু করে প্রতিটা টেবিলে ৩০০/৪০০ টাকা দাবি করে। শেষপর্যায়ে ম্যানেজার ৮০০০/১০০০০ টাকা দাবি করেন না দিতে পারলে বলে মালামাল আসেনি। তাই তার সাথে নেগোসিয়েশন করে মালামাল আনতে হয়। যার ৬০০০/৭০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হতে হয়।
আমার একটি ফোন হারিয়ে যাবার পর থানায় গিয়ে জিডি করার জন্য গিয়েছিলাম। থানার ভিতরে দেখে জিডি করার অপশন নেই। ওখান থেকে কর্তব্যরত পুলিশ আমাকে জানাই বাহিরে থেকে জিডি করে নিয়ে আসতে,, বাইরে কোথাও সিটি করতে গেলে তারা তে ৭০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে থাকে
পাকশি ডিমই অফিসে রেলওয়ে কর্মচারীরা অফিশিয়াল কাগজপত্র নিতে বা সংশোধন করতে দিতে হয় ধাপে ধাপে ঘুষ দিতে হয়।যেমন আমি কিছুদিন আগে আমার স্যালারি একাউন্ট এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম ডিএমই নিজস্ব অফিস সহকারি কাছে সে দাবি করে ১০০০টাকা না দিলে সম্ভব নয়।।কিন্তু এই সেবা নিতে কোন টাকা বা কিছু লাগেনা। ঘুষ দাবি কি তো ব্যক্তি : —, পদবিঃ অফিস সহকারি মোবাইলঃ—
উনারা ৫ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সরকারি ফিসমাত্র ১০০০ টাকা পরবর্তীতে আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে কলকারখানা লাইসেন্সটি গ্রহণ করে করি।
ময়মনসিংহ সঞ্ছয়পত্র অফিসে সঞ্চয়পত্রের মোবাইল নম্বার পরিবর্তনের জন্য যাবার পর তারা বললো যে ঢাকা থেকে করাতে হবে।তারা ময়মনসিংহ থেকে নম্বার পরিবর্তন করতে পারবেনা, সেইজন্য কিছু খরচ দিতে হবে। আমি ৩০০ টাকা দিতে চাইলে তারা বলে ১০০০ দিতে হবে এইটা নাকি তাদের রেইট করা।
এটি মূলত আমি যে কোম্পানি চাকরি করি সেই কোম্পানির কাজে গিয়েছিলাম উনারা সরকারি ফিস বাদে অতিরিক্ত বিশ হাজার টাকা দাবি করে। আমি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে ১৫০০০ টাকা ঘুস প্রদান করি।
টিলাগাও বাজার থেকে বাগৃহাল ,ডরিতাজপুর, মিয়ার পাড়া, নামার হাজিপুর, লং লা খাস, লংলা বাগান পর্যন্ত এই পাঁচটা গ্রাম এবং তিনটা ওয়ার্ড মিলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের এবং দৈনন্দের কাজের জন্য শহরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বন্যার পানিতে এবং ১৭ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে রাস্তাটির করুন অবস্থা স্বচক্ষে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবেন না। এ রাস্তার সংস্কারের জন্য অনুমোদন হলেও সব টাকাটা আমলারা নিয়ে গেছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দয়া করে আমার পোষ্টটি হাইলাইট করবেন সরকারের চোখে আসলে এই পঞ্চাশ হাজার মানুষের খুবই উপকার হবে প্লিজ
Hoyrani theke muktir jonno chairmaner Kase gele ghush chay
ময়মনসিংহ সিভিল সার্জনের অফিসে বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থী, বিদেশগামী মানুষ সহ অনেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট এর জন্য যান । তাদের প্রত্যেকের কাছে 100 টাকা নেয়া হয় । না দিলে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিতে হয়রানি করা হয় ।
— — constable amr kache phone dai document nia atrai thanai jaite bole.ami gele civil dress pora akjon ase amk e bole j 700 tk dite hobe police clearance er certificate ti dhakai pathaite hobe.but eita ami jani j kono tk thanai dite hoina.ami 1500 tk online e A-chalan er maddome police clearance er tk joma dai.— constable k ami 500 tk dai.
DIFE License Renewal
ভবানীপুর, গাজীপুর সদর, ৭ নং ভাওয়ালগড়ে, ইউনিয়ন পরিষদে একটা গোডাউনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি হল ১১-১২ হাজার টাকা কিন্তু ওখানে ওপেনলি ৮-১০ গুন টাকা চায়। ঐ এলাকায় সব ফ্যাক্টরী গুলো থেকে এরকম নেয়। এটা সবার সামনেই হয়, এটাকেই একটা সিস্টেম বানিয়ে ফেলেছে।