mutation khatian
নামজারী খতিয়ানের জন্য 1150 টাকা ফি ধার্য থাকলেও AC land office 5500 টাকার নিচে কোন নামজারী করে না
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারী খতিয়ানের জন্য 1150 টাকা ফি ধার্য থাকলেও AC land office 5500 টাকার নিচে কোন নামজারী করে না
একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠান এ বদলি হওয়ার জন্য একটা রেজুলেসন দরকার ছিলো কুমুটি র কাছ থেকে, কিন্তু তা দেওয়ার জন্য তারা ৫০০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু শেষ এ ১০০০০ টাকায় করে দেয়, কারণ প্রথম এ আমরা প্রথ্যাখান করেছিলাম,
আমাদের কয়েকজনকে আসামি করে একটি সাইবার মিথ্যা মামলা হয় ঢাকায়, এটির জন্য ঢাকা থেকে আমাদের কিশোরগঞ্জ ঠিকানায় ফাড়ি পুলিশের কাছে ঠিকানা ভেরিফিকেশন পাঠায়। আমি সহ ৩ জনের নামে ঠিকানা ভেরিফিকেশন আসে। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার আমাকে কল দেয় এবং প্রথম দিন আমরা ৩ জন যাই ও কাগজ দিয়ে আসি। পরের দিন আবার আরো কিছু কাগজ নিয়ে যেতে বলে এবং আমি কল দেই তিনি আমার সাথে ফোনে কথা বলে, কথা বলার পরেই সে বলে আমি Whatsapp এ আপনাকে কল দিচ্ছি। তারপর সে Whatsapp এ কল দেয় এবং আমার কাছে সরাসরি বলে টাকা নিয়ে আসবেন আমাদের এই কাজ করতে খরচ করতে হয়। তারপর সেই দিন আমি তাকে ১৫০০/- টাকা দেই এবং সেই দিন সে কাগজ রাখে আর বলে আরো কিছু টাকা দিতে হবে + আরো কিছু কাগজ লাগবে পরের বার যাওয়ার পরে জোড়াজুড়িতে আরো ৫০০/- টাকা দিতে হয়।
Amr choto bon er mobile basa theke churi hoye jay, er por Dhaka Rupnagar thana te complaint kori, then ASI amr theke 4000 taka dabi kore , ata naki fee phone rescue korar, tai baddo hoye dite hoyece, jodio se pore phone Rescue kore diyece.
বানিজ্য লাইসেন্স নবায়ন, টাকা না দিলে অনুমোদন দেয়না
আমার মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য আবেদন করার পর বিভিন্ন আজু হাতে তা বাতিল করে দেয়া হয়। তারপর পৌরসভার এক স্টাফ কে বাধ্য হয়ে ধরি আমার কাছে ২০০০ টাকা দিয়ে চায় তারপর তাকে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধক করে দেয়। আমার বাবার জন্ম নিবন্ধক ও মৃত্যুর সনদ করার জন্য ৭০০০ টাকা দিয়ে সেই একই পৌরসভার স্টাফ কে দিয়ে আমার কাজ করে নেয়।
আমার ভাগিনার জন্ম নিবন্ধনে ইংরেজী বানান ভুল আসে যেটা তারা ইচ্ছা করেই করেছে বলে মনে হয়,পরে সংশোধন করার জন্য ৩০০ টাকা দেয়া হয়
আদালতে সুনানি তারিখ সমায় মত পেতে।
জমির পর্চা বা খতিয়ান সংগ্রহ কালে যার যত জমি অতিরিক্ত টাকা না দিলে পর্চা প্রদান করে না
নোয়াখালী সিআইডিতে আমার একটা মামলা তদন্তাদিন রয়েছে মামলার নাম্বার জিয়ার ৩২২ বাই ২৪ মামলাটি তদন্ত চলা কালীন সময় সিআইডি অফিসার বারবার আমার কাছে টাকা চায়, তার এই জন্য টাকা লাগবে ওই জন্য টাকা লাগবে যার কারণে এখন পর্যন্ত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন নাই।
রাজবাড়ী সদর, ১২নং সুলতানপুর এ ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর ***,সরকারি যেকোনো আবেদন জন্য ২০০-৫০০টাকা দাবি করে অথবা তাকে ইয়াবা সেবন করাতে হয় এছাড়াও তিনি চেয়ারম্যান(বর্তমান বিসিএস ক্যাডার ভারপ্রাপ্ত) তার সাক্ষাৎ নকল করে দিলে আরো ৫০০টাকা দাবি করে এবং সাধারণত কোনো সেবা নিতে গেলেও সময় লাগে ৫-৭দিন ১২নং সুলতানপুর ইউনিয়ন বাসী অনেক ভোগান্ত মধ্যে আছে
সরকারি কর্মচারীর মারা গেলে ডিসি অফিস থেকে ৮ লক্ষ টাকা দিয়া হয় ।এটার জন্য আমরা ১ বসর দৌড়াইসি কিন্তু কোনও কাজ হয়নি ১ বসর পরে তার বলে তাদের ৪০০০০ টাকা না দিলে নাকি টাকা পাওয়া যাই না । যদি টাকা না দেই তাহলে এই টাকা কোনদিন পাবনা
মুক্তারপুরের পরে গোপনগরে যেতে বন্দর যাওয়ার ব্রিজের একটু আগে থেকে ওঠে। গোপনগর বিএনপি'র কার্যালয়ে এসে বলে- "এই বামে রাখ-তো, বামে রাখ"। বলেই লাফ দিয়ে নেমে কার্যালয়ে উপস্থিত গন্যমান্য নেত্রীবৃন্দের সাথে মিটিং বসে যায়। অটোওয়ালা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো৷ ভাড়ার টাকাটা দিলো না
বিএসটিআইয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সাধারণ জনগণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং বাজারে পণ্যের মান ও সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করা। একটি প্রতিষ্ঠান তার কারখানার প্রয়োজনীয় মানোন্নয়ন ও বিধিবদ্ধ শর্ত পূরণ না করেও যদি কোনো অনৈতিক উপায়ে লাইসেন্স বা সনদ গ্রহণ করে, তাহলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর। কখনো কখনো অভিযোগ পাওয়া যায়, কিছু অসাধু কর্মকর্তা অনৈতিক আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স বা সনদ প্রদানে সহযোগিতা করেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাগজপত্র বা নানা অজুহাত দেখিয়ে লাইসেন্স বা সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে অবৈধ আর্থিক সুবিধা দাবি করার অভিযোগও উঠে আসে। এ ধরনের অনিয়মের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ হলো সাধারণ জনগণ ও ভোক্তা
টাকা চেয়ে ছিলো, দেই নাই বলে তারা নাম ওহ দেই নাই, সরকার ভাতা বিনামূল্যে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলো৷ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান —, টাকা না দেওয়ার কারলে আবেদন বাতিন করেন
রাস্তা, ফোটব্রিজ(ADP),কাজ করেছি 2700000 টাকার। কাজ শেষ করার পর বিল জমা দেওয়ার সময় বলে ৫% ঘুষ দিতে হবে তানাহলে বিল দিবে না।এখন কি করি এই কাজ করার সময় দোকান থেকে রড,সিমেন্ট বাকি নিছি তাদের টাকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছি।
আমি ছবি আপলোড করেছিলাম কিন্তু তারা আপলোড না দেখিয়ে বলে ছবি আপলোড হয়নি এজন্য টাকা দিতে হয়েছে।
প্রত্যায়ন পত্র আমার জরুরী প্রয়োজন ছিল। আমাকে বলা হয়েছিল আজ প্রত্যায়ন টা যে কোন ভাবে ম্যানেজ করে দেব, যদি আমাকে কিছু টাকা ধরে দেন।
BMET Manpower Clearance ঘুষ না দিলে ফাইল এপ্রুভ হয় না দ্রুত। অনেক দিন ফাইল ফেলে রাখে।
একটি অতি প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় চাহিদা পূরণ করার কাজ উদ্বোধনের জন্য তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তারা সেখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য জনপ্রতির দুই থেকে তিন হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোন দপ্তরের কোন কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হন নাই এবং ইউএনওরা তাদের অন্য কাজ আছে বলে অনুপস্থিত থেকেছেন। এভাবে তারা প্রতিনিয়ত সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছেন। এবং উন্নয়ন কাজকে নিরুৎসাহিত করছেন। আমি পরে খোঁজ নিয়ে জানলাম সারা বাংলাদেশে এটি মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের একটি সাধারণ চিত্র।