দ্রত বিচার ট্রাইবুনালের পেশকার anonymous
মামলার হাজিরা দেওয়ার জন্য প্রতি তারিখে ১৫০০ টাকা করে নিয়েছে তার নাম চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের পেশকার —। মামলায় একদিন হাজিরা না দিলে ভয় লাগিয়ে টাকা দাবি করে এখনো
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মামলার হাজিরা দেওয়ার জন্য প্রতি তারিখে ১৫০০ টাকা করে নিয়েছে তার নাম চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের পেশকার —। মামলায় একদিন হাজিরা না দিলে ভয় লাগিয়ে টাকা দাবি করে এখনো
ডেসকোতে বানিজ্যিক মিটার ছিলো মার্কেটে ৪ টা কিন্তু দোকান মোট ৫৮ টি সব মিটার আলাদা করতে চেয়েছিলাম। ডেসকো থেকে ম্যানেজ করতে ৭,০০,০০০/-(সাত লক্ষ) টাকা দাবি করছে।
আমি রুপগঞ্জ থানা থেকে ৪ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছি। ৪ বারই বিভিন্ন ভাবে আমার কাছে টাকা চাওয়া হইছে। বলে চা পানি দিলে নাকি রিপোর্ট ভাল আশে না দিলে নাকি ঝামেলা হয়।
সোনালী ব্যাংকে এ চালান করতে গেলে কারেন্ট নাই জেনারেটরের সমস্যা এই বইলা টাকা দাবি করে টাকা দিলে সার্ভার ফিরে এসে নইলে বলে সার্ভার নাই পরে করেন ঘন্টা পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় আবার দাবি কি তোর ঘুষ প্রদান করলে সার্ভার ফিরে আসে কিন্তু দলিলে এই চালানোর টাকা উৎস কর জমা না দিলে দলিল কিভাবে করব নির্ধারিত সময় তো দ করতে পারতেছি না পদক্ষেপ নিন।
ট্রেড ইউনিয়ন রিটার্ন দাখিলের জন্য বা অন্য যে কোন কাজের জন্য শ্রম পরিচালক এর অফিস ঘুষ ছাড়া নড়েও না
আমার পরিবারের একজন ব্যক্তিকে আনুমানিক রাত একটায় এসে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা থানায় গেলে তারা বলে টাকা দিতে হবে না হলে মামলা দিবে। আর এমন অবস্থায় ভিকটেম এর ভিসা প্রসেসিং হচ্ছে যার কারনে বাড়াবাড়ি না করে তাদের দাবীকৃত অর্থ আমাদের পরিষদ করতে বাধ্য হই।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিসার এসআই — ও তাহার সঙ্গী কনস্টেবল — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পোস্টিং বানিজ্য করে আসছে। আমি বদলী সূত্রে অন্য জেলা থেকে আসলে আমাকে সদর থানায় পোস্টিং করে দিবে বলে জিম্মি করে ৪০ হাজার টাকা ঘুস নেয়।
আমার নাম —।আমি একটি ভাড়া বাসা নিয়ে থাকতাম রংপুরে সদর এ।সকালবেলা আমার কিছু বন্ধু আসে যারা ঢাকায় যাবে রংপুর থেকে তাদেরকে নাস্তাকড়ানোর জন্য বাসায় বের হয়েছিলাম।তারা রিক্সায় ছিল আমি আর আমার স্যার বাইকে ছিলাম।রংপুর তাজহাট থানা একটি গাড়ি হঠাৎ আমাদের সামনে এসে আমাদেরকে গাড়িতে জোরজবস্তি উঠিয়ে নেয়।এবং আমাদের হাত থেকে ফোনগুলো কেড়ে নেওয়া হয়। ২ ঘন্টা পর আমাদের হাতে ফোন দেয়া হয় এবং বাড়িতে কল দিয়ে ২০,০০০৳ নিয়ে আসতে বলে। আমার পরিচিত এক আংকেল পুলিশ আমি বাসায় কল না দিয়ে তাকে কল দেই তিনি যখন রংপুর তাজহাট থানা অসি মহোদয়ের সাথে কথা বলে তিনি দাবি করেন আমার তাদের গালিগালাজ করি।এবং পরবর্তীতে আমাদের বিশ হাজার টাকা দিয়ে থানা থেকে বের হতে হয়। Si — এই ব্যক্তি আমাদের কাছে অর্থ নেয়
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের সার্টিফিকেট নিতে কল করে আমাকে যেতে বলে। এরপর বিভিন্ন ডকুমেন্ট চায় যেগুলো আমি সব দিয়েছি । এরপরেও আমার কাছে খরছ দাবী করে এবং কাওকে জানাতে মানা করে । ১০০০/১৫০০ টাকা চাইলেও ৭০০ টাকা দিয়ে এসে যাই
I was listed in top 10 candidates-list(Assistant Manager (Technical)) after successfully passed in all short+written exams. But after a very good performance(correctly answered all questions to the point) in final viva, I was asked to pay 10,00,000.Tk to someone who was linked to deal this recruitment process. I was shocked and proudly denied to gave them bribe. Therefore my name was not recommended finally. I hate them shameless people who asked illegal money. May Allah provide them perfect justice as their work.
Sonali Bank er Kaj sehse bill submit kora hoile 5000 tk kore na dile bill processing kore na, mas er por mas ghuriye bill dey na
স্কুলে দফতরি চাকরির কথা বলে ৭ লক্ষ দাবি করে ২ লক্ষ টাকা আগে হাতিয়ে নিয়েছে। ৪ বছর হয়েগেল চাকরি হবে হবে করে আর হচ্ছেনা টাকাও ফেরত দিচ্ছেনা।
I was applied for dual citizenship. Police was present at my permanent address in Habiganj to verify it was my legal permanent address in Bangladesh. They demanded to my younger brother that amount of money. My brother did pay 3000 first time and later on 5000. Without paying this amount they will not release my police verification paper to ministry of foreign affairs. Thank you.
আমি টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠেছিলাম। কারণ টিকিট পাই নাই। টিটি আমার কাছ থেকে টিকিটের সমপরিমাণ টাকা নিল ঠিকই কিন্তু কোন রশিদ দিল না। টিটি এই টাকা মেরে দিয়েছে
I went to the pabna pourasava for the name and address correction. There was a man who works there inside the office. He mainly does everything in the computer. He reviewed everything and filled the form in the computer and asked 300 tk. But the real amount is less than that. I asked him about it and he said it's normal payment here. He didn't even gave me any payment slip or anything. It was urgent for me and I didn't say anything more about that. I paid him and he did rest of the process.
মিরপুরের রাজউক বা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (NHA) আওতাধীন প্লট মালিকদের জন্য এক চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির নাম ‘এনওসি’ বা অনুমোদনপত্র। অথচ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্পষ্ট গ্যাজেট প্রকাশ করে জানিয়েছে,এসব বরাদ্দকৃত প্লটের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গৃহায়ন বা রাজউকের কোনো চিঠি বা অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। গ্যাজেট প্রকাশ হলেও ভূমি অফিসে নাকি এখনও কোনো অফিসিয়াল পরিপত্র পৌঁছায়নি! ফলে মাঠপর্যায়ে বহাল রয়েছে পুরনো সেই জটিল ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা। ঘুষের ফাঁদে সাধারণ মানুষ: অহেতুক টাকার দাবি: ওয়ারিশ সূত্রে নামজারি, হেবা (দানপত্র), সাব-কবলা দলিল কিংবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করতে গেলেই এনওসি-র নামে রাজউক/গৃহায়ন এবং স্থানীয় ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানিতে নিয়োগ পাই কিন্তু এসবি রিপোর্ট দিতে পুলিশ প্রায় পৌনে তিন মাস সময়ক্ষেপণ করে। অতঃপর এসবি অফিসে রিপোর্টের জন্য গেলে এসআই — (—) চার হাজার টাকা ফ্লাইওভারের নিচে ডাকিয়ে নেয়। টাকা দেওয়ার ৪/৫ দিন পর রিপোর্ট কোম্পানিতে গেলে চাকরিতে যোগদান করতে পেরেছিলাম।
পুলিশ রিপোর্ট কোর্টে জমা হয়েছে, রিপোর্ট এর কপি নেয়ার জন্য আমাকে ৬০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে কোর্টের স্টাফকে। স্টাফ বলে একটা বড় নোট দেন মানে ১০০০ টাকা। কোনমতে ৬০০ টাকা দিয়েছি।
বেতন চালু করার জন্য সকল ডকুমেন্ট যখন দিয়ে আসি হিসাব শাখার ওই লোক সকল কার্যক্রম শেষ করে আমাকে ফোন দেয় যে আপনার তো নতুন বেতন হয়েছে আমাকে আপনার এই মাসের বেতন করে দেওয়ার জন্য ট্রেজারি শাখায় ১২০০ টাকা দিয়ে সবাইকে মিটাতে হইছে এখন আপনি দেখেন কত দিবেন আমাকে। পরে বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়েছি।কারণ সকল বিল ওই লোকের মাধ্যমে পাস হয়। এখন যদি ওনাকে আমি এই টাকাটা না দিতাম তাহলে উনি আমার পরবর্তীতে সকল বিলগুলো আটকে রাখতো।
আমার মিটারের চেয়ে তাদের বিলের কাগজে বেশি ইউনিট উঠিয়ে বারতি টাকা আদায় করতো, এটি সংশোধন করার জন্য যাওয়ায় আমার থেকে ৬০০টাকা দাবি করে পরে দর কসা কসি করে ৫০০টাকায় রাজি হন