প্রধান শিক্ষক, প্রাইমারি
পছন্দ মতো প্রাথমিক শিক্ষক পদায়ন
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পছন্দ মতো প্রাথমিক শিক্ষক পদায়ন
ই এফ টি চালু হওয়ার কারণে একটি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীর বেতন বন্ধ হয়ে যায় কারণ তার জন্ম নিবন্ধন ভুল ছিল। আইডি কার্ড ভুল ছিল আইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা জরুরী এজন্য আমরা ইউনিয়ন পরিষদে যায় সচিব আমাদের বারবার ঠিক হবে না এই বলে এক সপ্তাহ ঘুরাই। এরপর কম্পিউটার অপারেটর বলল দুনিয়াতে কোন কাজ আটকে থাকে না তবে মাল লাগবে । তখন আমরা বুঝলাম যে না এখানে ঘুষ দেওয়া লাগবে পরে সেই কম্পিউটার অপারেটর সেই সচিবের দালাল পরে বুঝতে পারলাম। এরপর সেই অপারেটর কে বললাম সচিব কে ফোন দেন কত টাকা নিবি ঘোষ এরপর সে ফোন দিল এবং 5000 টাকা লাগবে বলল এরপর আমরা পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করি। আমরা টাকাটা দিয়ে সংশোধন করতে বাধ্য হয় কারণ একজন কর্মচারীর চার মাস ধরে বেতন বন্ধ
পাসর্পোট ভেরিফিকেশন এর সময় আমার এনআইডি কপির সাথে সরাসরি ৫০০ টাকা চাইলো বললো খরচ দিতে হয় এইটাই নাকি নিয়ম। আমার সৌদি আরবে ভিসা হওয়ার কিছু দিন আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে গেলাম তখন ১৫০০ টাকা নিলো। বলে যে একটা লোক আপনার এই কাগজ টা নিয়ে জেলা শহরে আসবে যাবে গাড়ি ভারা আছে না তার নাস্তা পানি দরকার পরে না এই খরচ আবার অফিশিয়াল খরচ মনে করবেন না। এই হইল অবস্থা।
প্রথমে প্রত্যাখ্যান করেছি। কিন্তু আমার বিষয়টি জরুরী ছিল। নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। যে শ্লায় টাকা দাবি করেছিল, সেই শ্লায় পৌরসভা থেকে সরকারী কলেজে ইতিহাসের টিচার হিসেবে লবিং করে ঢুকে গেছে। মালুর বাচ্চার কাছে তখন আমি অসহায় ছিলাম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দায়রা জজ আদালত ছয় (6) এর বিচারক আসামী পক্ষ থেকে প্রভাবিত হয় ২ লক্ষ টাকা প্রায় ঘুষ গ্রহণ করেন এবং চেক ডিজাইনার মামলা হতে অব্যহতি দেন কোন প্রকার সাক্ষী শুনানি ছাড়াই বাদীপক্ষের এতে বুঝা যায় যে কোর্টে পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন হয়... এবং আপনারা দেখবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাইরাল নিউজ জর্জ কোট হামলা এবং ভাঙচুর... মানুষ বা জনগণ আইনের প্রতি যখন শ্রদ্ধাশীল থাকে না তখন এ সকল প্রতিষ্ঠানে হামলা করে.
নিয়োগটি ৩ সপ্তাহ আগে মেধাক্রম যাচাই বাছায় শেষ হয়েছে। এখন শুধু জয়েনিং বাকি। পরিক্ষায় অংশ গ্রহন না করে ভাইবাই ডাক পেয়েছিল এবং সেখানেও পাস করে মেধাক্রেম নাম আসছে। এখন জয়েনিং ডেট দিলেই জয়েন করতে পারবে। পদ স্টেশন মাস্টার।
As I am from a reputed public university and knew the OC of the thana the officer responsible for the verification backed off from taking the 500 tk.
২০১৯ সালে আমার একটি সরকারি চাকুরী হয়। নিয়ম ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশনের পরেই চাকরিতে জয়েন করতে দেবে । সুতরাং সঙ্গত কারণেই আমার বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে যায় দুইজন পুলিশ। তাদেরকে নাস্তা দেয়া হয়, তারপরে যাওয়ার সময় টাকা দাবি করলে প্রথমে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয় তাতে তারা খুশি হয় না, তারা আরও ২০০০ টাকা দাবি করে, ভয় দেখায় এই বলে যে পুরা 5000 টাকা না দিলে রিপোর্ট দিবে কিন্তু অনেক দেরি করে। ফলশ্রুতিতে পুরা পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়।
ইউএনও অফিসে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় আমি পাশ করার পর আমাকে নিয়োগ না দিয়ে প্রতিষ্ঠান সভাপতি তারই ভাতিজাকে দিয়ে ভুয়া মামলা করে আমার কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করছে, আমি টাকা না দিয়ে মামলা লড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। তারপরও আমাকে রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একের পর এক হুমকি দমকি দিয়ে আসছে।
আমি একজন গ্রামের দোকানদার৷ মুদি মালের সাথে সিলিন্ডার গ্যাস ও খুচরা ডিজেল বিক্রি করার জন্য ২০২৪ সালে যখন ফায়ার সার্ভিস অফিসে একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে যাই। তখন প্রথমে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসে গেলে সেখানে ৫০০০ টাকা দাবি করে বোয়ালমারি উপজেলার ফায়ার সার্ভিস অফিস। অনাদায়ে দোকানে রেড দেয়ার হমকি দেয়। এরপর এখানে টাকা দিলে ফরিদপুর অফিসে আবার ৫০০০ টাকা পরিশোধ করা লাগে ফায়ার সার্ভিস হাতে পেতে৷ ২০২৫ এ যখন বাৎসরিক কর দিতে গেলে। প্রথমে সোনালি ব্যাংকে টাকা দিতে হয়। আমি টাকা জমা দিয়ে রিসিট এসে ফায়ার লাইসেন্স বই তে অফিসার এর সাক্ষর করাতে গেলে ১৫০০ টাকা দাবি করে না দিলে কর পরিশোধ বইতে সাক্ষর করেন না। পরে বাধ্য হয়ে এই টাকা দেয়ার পর সাক্ষর করেন। এখন শুনতেছি ফায়ার লাইসেন্স অনলাইন হচ্ছে। অনলাইনে হলে বাচি।
অগ্রনী ব্যাংকে ফাইল প্রসেসিং এর জন্য হেড অফিস বা ব্রাঞ্চে প্রতি টেবিলে টাকা দেয়া লাগে। নাইল ফাইলের কাজ করে না। প্রচুর টাকা নেয় ফাইল পাশ করানোর জন্য। বাথরুমের বদনা পর্যন্ত টাকা চায়। পুরা অফিস ভর্তি বাজে এবং টাকাখোর লোক দিয়ে ভরা। একজ৷ শুধু দেখছি টাকা খায় না। এই অফিসে যে ক্লায়েন্ট আসবে তার জীবনের আয়ু অর্ধেক কমে যাবে। প্রতিটা লোক আবার নামাজ পড়ে।
একটি প্রকল্প স্টিমেট করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়, এলজিইডি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ — উপ সহকারী প্রকৌশলী তিনি ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
ফরিদপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ চলছে ভয়াবহ দূর্নীতি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট যাওয়ার জন্য প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে পার স্টুডেন্ট প্রতি 500 টাকা করে নেওয়া হয় । কাঁচামালের জন্য যদিও বোর্ড থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে টাকা দেওয়া হয়। আমাদের জন্য এ টাকা অনেক বোঝা। এছাড়া প্রতি সেমিস্টারে বিবিধ নামে ১০০ টাকা+খেলাধুল জন্য টাকা নেওয়া হয় তা কোথায় খরচ করা হয় তা হিসাব প্রিন্সিপাল প্রকাশ করে না। সুষ্ঠ তদন্ত চাই।
জনাব/জনাবা, আমি বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে আমি বিস্ফোরক পরিদপ্তরে একটি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে২০ (বিশ) লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী ঘুষ প্রদান না করলে আমার লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না বলে জানানো হয়। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের অনুরোধ করছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - জোন ০১(উত্তরা) এর অফিসের আওতাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত দিয়াবাড়ী এলাকায় আমার ভবনের নির্মাণাধীন কাজ সরকারি নিয়ন মেনে সমাপ্ত করার শেষ পর্যায়ে এসে গতবছর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - রাজউক কতৃক মোবাইল কোর্ট এসে আমাদের ভবনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেইন মিটার কেটে নিয়ে যায় এবং অপরাধ দেখায় রাজউকের নকশা দেখাতে না পারা কিন্তু আমরা তাৎক্ষনিক রাজউকের পাস করা নকশার কপি দেই এবং বলি যে নকশার মূলকপি অফিসে আছে, সেটা দেখাতে পারবো বা জমা দিতে পারবো কিন্তু তারপরেও নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং আমরা তাৎক্ষনিক পরিশোধ করি, কিন্তু তারপরও রাজউকের অসাধু কর্মকর্তা জোন-১ এর ইন্সপেক্টর — ৫ লাখ টাকা গত মার্চ ২০২৬ এ নিয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সমাধান করেনি।
প্রতিষ্ঠানে এসে বলে, ভাই ঈদের পাঞ্জাবি কেনার টাকা পাঠিয়ে দিয়েন, দুইদিন দেরি হলে আবার ফোনও দেয়, কই ভাই দেখা করলেন না তো! এভাবেই চালিয়ে যাওয়া লাগছে ক্ষুদ্র ব্যাবসা, যার পুঁজি পর্যন্ত পুলিশ চান্দাই খেয়ে নিচ্ছে!
এলজিইডি অফিসে এনারা ঘুষ কে বৈধ করে নিয়েছেন একপ্রকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যেমেই। ঘুষ না দিলে আপনি ১০০% কাজ করলেও কাজে ভুল হয়ে যাবে, এই বাহানা ওই বাহানা তারপর বিল আর হবে না। তখন বিলের কাগজ নিতে হলে প্রথম উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে মোট কাজের হবে ০.৫% এরপর জেলা অফিস Xen 0.5% পিডি ০.৫% একাউন্টস ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার মিলে ০.৫%। একটা কাজ টেন্ডারে পাওয়ার পর ০.৫ করে ৩ জায়গায় দিতে হয়। এনারা একাটে বলে সিএস। এরকম করে দিলে কিভাবে কাজ ১০০% হবে? কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজীবপুর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার দ্রুত না সরালে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৩.৫ বছর যাবত একই উপজেলায় তিনি আছেন।
রাজউক হতে প্ল্যান পাশ করানোর জন্য তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মোট ২ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। আর বাড়ি নির্মাণে কিছু ডেভিয়েশন হওয়ায় ২.৫ লক্ষ টা দেয়া হয়। পূর্বাচলে প্লটের ফাইল প্রসেস করতে ১.৫ লক্ষ টাকা রাজউক অফিসে ঘুষ।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরিক্ষায় জন্য ২০১৯ সালে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিলো এবং উক্ত নিয়োগ পরিক্ষায় তাকে প্রথম বানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এখন সে চাকরি করতেছে।
ডিলিং লাইসেন্স করার জন্য দাবি করেন।