ফাইল প্রসেসিং
তিতাস গ্যাসের গুলশান অফিসে টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। আমার গ্যাস সংযোগের মালিকানা পরিবর্তন করতে গিয়ে সেখানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হতে উপমহাব্যবস্থাপক পর্যন্ত সবাইকে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়েছে।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
তিতাস গ্যাসের গুলশান অফিসে টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। আমার গ্যাস সংযোগের মালিকানা পরিবর্তন করতে গিয়ে সেখানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হতে উপমহাব্যবস্থাপক পর্যন্ত সবাইকে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে পরীক্ষা নেন সাজেশন করেন কোন লোকই টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না।
Uthharidikar Southray namjari
রাজউক হতে প্ল্যান পাশ করানোর জন্য তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মোট ২ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। আর বাড়ি নির্মাণে কিছু ডেভিয়েশন হওয়ায় ২.৫ লক্ষ টা দেয়া হয়। পূর্বাচলে প্লটের ফাইল প্রসেস করতে ১.৫ লক্ষ টাকা রাজউক অফিসে ঘুষ।
আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আম্মা পেনশনে যাবে তখন আব্বার এনআইডি কার্ডে — কিন্তু আমার আম্মার এনআইডি কার্জে স্বামীর নাম আসছে — এই — থেকে —ে আসতে 25000টাকা লাগছে 2 মাস ঘুরাইছে সবচেয়ে বাটপার হচ্ছে চাঁদপুর এনআইডি কার্ডের বড় অফিসারা তাদের সাথে দেখা করার জন্য 3/4 ঘন্টা ওয়েট করা লাগে হঠাৎ বলবে এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন ঠিক করে নিয়ে গেলে ওটা দেখে না আবার নতুন করে ভুল ধরে হালারা ফালতু max pro একটা কথার বেশি কথা বলা যায় না। শুধু আজ আসেন কাল আসেন সার নাস্তা করে সার টয়লেটে সার সার লাঞ্চে পরে ভাবলাম এভাবে হবে না ধরলাম দাদাল 2 ঘন্টার মধ্যে কাজ শেষ। এই বাটপারির শেষ কোথায়। অফিসারের মানুষকে মানুষ মনে করে না। তাদের সময়ের দাম আছে সাধারণ মানুষের কোন দাম নাই। আল্লাহ তাদের বিচার করবে
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরিক্ষায় জন্য ২০১৯ সালে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিলো এবং উক্ত নিয়োগ পরিক্ষায় তাকে প্রথম বানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এখন সে চাকরি করতেছে।
তিতাসের গ্যাস সংযোগে ঠিকাদারের মাধ্যমে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
৬ তলা ভবনের ১০ টি ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ডেসকো কে ১৫০০০০ টাকা দুই ধাপে ঘুষ দিতে হয়েছে।
ঢাকা সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নরসিংদী সদর বাঘ হাটা মৌজা আমার জমি অধিগ্রহণ হয় ২০২১-২০২২ এ আজো আমি ক্ষতিপূরণ বিল পাইনি শুধু ঘুষর টাকা দিতে না পারায়। বিলের মোট ১৫% ঘুষ চায়
সেবা ছিল আমার বউ এর এবং আমার ছোট ভাই এর জন্য নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র জন্য নবায়ন করা । টাকা দিলে ওনারা কাজটি তারাতাড়ি করবে না হলে অনেক দেরি হবে। কিন্তু আমার দরকার ছিলো ইমার্জেন্সি ছোট ভাই এর পাসপোর্ট তৈরির জন্য ।
আপনাদের উচিত যারা সততার সাথে ভালো কাজ করে তাদের প্রশংসা ও অনুপ্রেরণার জন্য কিছু লেখার ব্যবস্থা করা। যাতে তারা আরো বেশি ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ হয়।।
পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রতিবছর রিনিউ করতে হয়। এই লাইসেন্স এর সব কাগজ ঠিক থাকলেও ঢাকা মহানগর অফিসে লাইসেন্স প্রতি ৩০,০০০টাকা দিলে লাইসেন্স সম্পন্ন হয়। আর টাকা না দিলে তারা বলে আপনার প্রতিষ্ঠানে ত্রুটি আছে। আমি বলেছি স্যার ২৪ এর পর আমরা লস করে আসতেছি, তিনি বললেন আমার স্যাররা এসব শুনবেনা, আপনি টাকা না দিলে হবে না। শেষ পর্যন্ত বহু কষ্ট করে এই টাকা যোগাড় করে দেয়ার পরের দিনই ডেকে লাইসেন্স দেয়। তারা টাকা না দিলে অফিসে মোবাইল কোটের ভয় দেখায়।
প্রায় ৭ বছর আগে সরকারি চাকরির ভাইভা দেয়ার কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের কল আসে। চাহিত কাগজপত্র নিয়ে তার সাথে দেখা করলাম। তিনি উল্টাপাল্টা কিছু প্রশ্নও করেছিলেন। যাহোক এক পর্যায়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট তৈরির কথা বলে খরচ দাবি করে। প্রথমে আমি ৫০০টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু সে মানেনি। পরে আরও ৫০০টাকা দেই। মূলত চাকরির ভেরিফিকেশনগুলোতে প্রার্থীরা ভয়ে থাকে যদি নেগেটিভ রিপোর্ট দেয়! তাই নিরুপায় হয়ে বেশীরভাগ টাকা/ঘুষ দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ২য় বার ভেরিফিকেশনের ডাক আসে। সেখানে আমার বাবা গিয়েছিলেন দেখা করার জন্য তার কাছেও আনুমানিক ১৫০০ টাকা দাবি করেছিলেন। বাবা ৭০০টাকা দিয়ে আসছিলেন। শেষমেশ চাকরিটা হয়নি কিন্তু মোট ১৭০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
এগুলো দায়িত্বরত যারা আবেদন করতে গেলেই নেয়।
ময়মনসিংহ এডিসি শিক্ষা ও আইসিটি অফিসের পিএ ফাজিল মাদ্রাসার দুই জন শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেড আবেদনের রেজুলেশন এর জন্য আট হাজার টাকা নিয়েছে। এমন ভাবে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই টাকা নিচ্ছে।
মঙ্গলবাড়ী ময়েজ মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজে যারা নতুন শিক্ষক হিসেবে জয়েন করে তাদের বেতন সাবমিট করার জন্য একটা মোটা অংকের টাকা দাবী করা হয়। টাকা না দিলে বেতন সাবমিট না করে দিনের পর দিন হয়রানি করা হয়।তারপর যারা নতুন জয়েন করে তাদের ছোট বিংবা বড় এমাউন্ট বকেয়া থাকে সেটা উত্তোলন করতে চাইলেও উত্তোলনকৃত অর্থের অর্ধেক /এক-তৃতীয়াংশ দাবী করা হয় & সেটা দিতে হয়। শুধু তাই না,এখানে উচ্চতর গ্রেডের আবেদন করতে, সহঃ অধ্যাপকের ফাইল সাবমিট করতেও মোটা অংকের টাকা দিতে হয়। পুরো কলেজের শিক্ষক তার কাছে জিম্মি। শুধু শিক্ষকই নয়,এখানে ফরম-ফিলাপের সময় বোর্ড ফির চেয়ে ৩-৪ গুন টাকা বেশী নেওয়া হয়।গরীব অসহায় ছাত্রের জন্যও তিনি ছাড় দেননা।
ঘটনাটি আনসার একাডেমির পোস্ট অফিসের। Aliexpress থেকে ৩ টা প্রডাক্ট এসেছিল। ফোন পাওয়ার পর রিসিভ করার জন্য যাওয়ার পর বলে চা-নাস্তার জন্য কিছু দিতে। আমি কোনোভাবে টাকা না থাকার অজুহাতে পার পেয়ে যাই। তবে অনেকেই হয়তো বাধ্য হয়ে দিয়েছে৷ এভাবেই বিন্দু বিন্দু চাঁদা মিলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনাস্থা আমাদের বাড়তে থাকে।
সরকার অনুমোদিত ইঞ্জিনিয়ার কর্তিক তিনতলা বারোশ স্কয়ার ফিট বাড়ির নকশা নিয়ে গেলে পৌরসভার লোক বলে প্রতি টেবিলে পাস করতে টাকা দিতে হবে
জন্ম নিবন্ধন সনদ এর জন্য আবেদন করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে গেলে তারা বিভিন্ন নামে এই টাকা গুলো নেওয়া হয় প্রত্যেক মানুষের কাছে থেকে নিয়ে থাকে।
গফরগাঁও এর LGED এর প্রধান কর্মকর্তা চরম ঘুষখোর উনি উনার চাকরি জীবনে শত কোটি টাকার উপরে ঘুষ খেয়ে সম্পদের পাহাড় অলরেডি গড়েছেন। এর আগে উনি দীর্ঘদিন ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা অঞ্চলে কাজ করেছেন।