পাসপোর্ট ফেরিফিকেশন
পাসপোর্ট ফেরিফিকেশনের জন্য যাবতীয় কাগজ পত্র ওয়াটস্যাপ করতে বলা হয়। সে কাগজ পত্র প্রিন্ট করার জন্য ৫০০ টাকা নেন পুলিশ কর্মকর্তা।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট ফেরিফিকেশনের জন্য যাবতীয় কাগজ পত্র ওয়াটস্যাপ করতে বলা হয়। সে কাগজ পত্র প্রিন্ট করার জন্য ৫০০ টাকা নেন পুলিশ কর্মকর্তা।
2 face electricity line conversion to 3 face electricity line.
আমি যখন জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি জন্য মতিঝিল ইত্তেফাকের পাশে নির্বাচন অফিসে যাই, প্রথমত আমাকে বিভিন্ন হয়রানির মাধ্যমে সাত থেকে আট দিন ঘুরানো হয়। সর্বশেষ প্রক্রিয়ায় আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তোলা কাজ শেষ হলে, আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করা হয় কিন্তু পরবর্তী সময়ে স্টুডেন্ট হওয়ার কারণে ২০০ টাকা আমার থেকে নেয়। কিছুক্ষণ পর আমি সেই ব্যক্তির কাছে আবার গিয়ে বলি: আপনি যেটা করছেন সেটা হালাল নয় আল্লাহর কাছে এর জন্য জবাব দিতে হবে। আমি আপনাকে অন্য কোন সময় অন্যভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব এরপর উনি আমাকে আমার টাকা ফেরত দেন।
হাইকোর্টের এনেক্স ৩২ নং আদালতে মামলা লিষ্টের সিরিয়াল আগায় না। আগাতে হলে ১০ হাজার টাকা কমপক্ষে ঘুষ দাবী করেছে উকিলের সহকারী। বলে বেঞ্চ অফিসে টাকা না দিলে মামলা সিরিয়ালে আসবে না। এখন দেখছি সত্যিই তাই। টাকা দেইনি বলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আমি সৌদি আরবে যাওয়ার আগে কিছু টাকার সংকটে পড়ি। শুনেছিলাম প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজেই লোন পাওয়া যায়। আমি ব্যাংকে সরাসরি জোগাজোগ করি কিন্তু তারা কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। তন্মধ্যে সরকারি চাকুরিজীবী এমন নিকট আত্মীয়ের ব্লাংক চেক। কিন্তু আমাকে ব্লাংক চেক দিবে এমন আত্মীয় খুজে পাইনি। এলাকার একজন সাংবাদিক ছিলো তিনি ব্যাংকের সাথে ভালো জোগাজোগ আছে এবং সিস্টেমে সব করে দিবে। ২ লাখ লোনের জন্য ১৫ হাজার এবং ৩ লাখ লোনের জন্য ২০ হাজার দাবি করেন। আমি ধাপে ধাপে ১৫ হাজার দেই। কিন্তু টিকিট কনফার্ম করার পর টাকা দিবে বল্লেও সেই টাকা আমি পাইনি। আমার কাছ থেকে নেওয়া ১৫ হাজারের মধ্যে ৫ হাজার ফেরত নিতে সক্ষম হয়েছি। বাকি ১০ হাজার হলুদ সাংবাদিক হজম করে ফেলেছে। আড়াই বছরে দেশে ১৭-১৮ লক্ষ টাকা রেমিট্যান্স আনতে সক্ষম হয়েছি।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের লাইসেন্সের প্রেক্ষিতে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয়। এখানে পাসপোর্ট বা অন্য কোন ধরনের বিদেশ গমনের ইসু ছিল না। তবুও পুলিশ আমার থেকে ঘুষ চায় এবং ঘুষ না দিলে কাজ ভালো হবে না বলেও ভয় দেখায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ঘুষ দেবার পরেও আমার রিপোর্ট যথাস্থানে পৌঁছায়নি। পরবর্তীতে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে আমাকে জানায় এসপি স্যার নাকি সাইন করেনি। তাকে বিষয়টি দেখার জন্য পুনরায় কল করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল ব্যাংকের চাকরির জন্য
আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের পর যখন কাগজে স্বাক্ষর দিতে হয়, তখন টাকা না দিলে তারা স্বাক্ষর দিতে দেয় না।। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ১৮৫০ টাকা সরকারি ফি।আমাকে ৫০০০০ টাকা দিতে হয়।
Court er pion r peskar Naogaon joudge court er kub besi tk khai....per mamla filing er Jonno peskar 100 tk nai and abar sign korar somoy pion Abar 200 tk nai...tacara sing nai na....ghurai manus... follow plz Naogaon joudge court
চর কুলাঘাট হাই স্কুলের শিক্ষক, কুলাঘাট,লালমনিরহাট নিয়গ,পদায়ন,বদলীর জন্য ঘুষ নেয়।প্রতারণা করে টাকা আত্মসাত করে।
বিদেশে যাওয়ার জন্য, এবিএম ইটি কাড রেজিষ্ট্রেশন করতে
My elder brother went to Dhaka DC office to take a sign off in my land documents for power of attorney which I sent from Canada. Note that Canada Toronto Consulate attested the documents but DC office asked bribery after doing their part. As it was a time bound documents, we could not but pay off for that. Thanks for this initiative!
কারেনট মিটার লাগানোর জন্য ২৪০০ টাকা দাবি করেছেন না হলে লাগিয়ে দিবেন না বলে জানিয়েছেন।
During year 2016/2017 for vendor enlistment more than 20 suppliers had to pay 2.5 lac BD each as bribe
আমাদের এলাকায় অনেকদিন যাবত পানি নাই, যার কারণে ওয়াসার থেকে পানির গাড়ি কিনতে বাধ্য হয়েছে, দুই দিন অপেক্ষা করে একটি গাড়ি পেয়েছি, সরকারি রেট ৬০০ টাকা, কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা রেখেছে। কারণ এক হাজারে কমে তারা পানি দিবে না
নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে 800000 এই টাকা দাবি করে। 200000 সমবায় অফিসারা গ্রহন করে। নির্বাচন আসলেই প্রতিবার আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো নির্বাচন কমিটি গঠন করে। এই কর্ম তারা করে।
No Ghush no work my file pending till today without Ghush it will not gonna move at all.
আমার সরকারী চাকরীর প্রজ্ঞাপন আসার পর আমি চাকরীতে যোগদান করি। আনুমানিক ১ মাস পর নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ এর দিকে আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদন করলে আমার কর্মস্থল হতে উক্ত আবেদন থানায় পৌঁছায়। সেই সময়ে থানায় দায়িত্ত্বরত কর্মকর্তা আমাকে ফোন দেয় আমি তাৎক্ষণিক থানায় হাজির হওয়ার পর পুলিশ সবকিছু যাচাই বাচাই করে সঠিক পায় এবং আমাকে বলে "আপনার রিপোর্ট ভালো আছে আমি পাঠিয়ে দিবো" এই কথাটা শুনে আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বের হবো সাথে সাথেই উনি আমাকে টাকার কথা বলেন, ২৫০০ টাকা দাবী করেন, তখন আমার ব্যগে ১৫০০ টাকা ছিলো, আমি উনাকে বার বার বুঝানোর পরও উনি মানছিলোনা, পরে রিপোর্ট খারাপ দিবে ভেবে না পারতে ১৫০০ টাকা দিলে উনি তা গ্রহণ করেনা, পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে বাড়িতে এসে বাকি ১০০০ টাকা বিকাশে দিলাম।
আমি একটি ম্যারিজ সার্টিফিকেট ই এপোস্টেলের জন্য আবেদন করেছি স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস মুন্সিগঞ্জ। অনেক দিন হয়ে যাওয়াতে যোগাযোগ করি রেজিস্ট্রার অফিসের এক কর্মচারির সাথে সে জানায় এখানে কোনো কাজ হয় না যা করবে কাজি কাজির নাম্বার নিয়ে কাজিকে কল করলে কাজি জানায় হাদিয়া বাবদ ২০০০ টাকা দিতে হবে এবং সে বিকাশ নাম্বার দেয় এ বিষয় নিয়ে তর্ক হলে সে পরবর্তীতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে ইতোমধ্যে ৩৩৩ ও লিগ্যাল এইড সেবা নাম্বারে কল করলে তারা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে লিখিত অভিযোগ করতে জানায় এখনো চলমান অভিযোগ কম্পোজ করে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুরছি এক সপ্তাহ ধরে জানিনা পরবর্তীতে কি হবে।