সমবায় অধিদপ্তরের ঘুষের আগ্রাসন চালাচ্ছেন।
নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে 800000 এই টাকা দাবি করে। 200000 সমবায় অফিসারা গ্রহন করে। নির্বাচন আসলেই প্রতিবার আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো নির্বাচন কমিটি গঠন করে। এই কর্ম তারা করে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে 800000 এই টাকা দাবি করে। 200000 সমবায় অফিসারা গ্রহন করে। নির্বাচন আসলেই প্রতিবার আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো নির্বাচন কমিটি গঠন করে। এই কর্ম তারা করে।
আমার সরকারী চাকরীর প্রজ্ঞাপন আসার পর আমি চাকরীতে যোগদান করি। আনুমানিক ১ মাস পর নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ এর দিকে আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদন করলে আমার কর্মস্থল হতে উক্ত আবেদন থানায় পৌঁছায়। সেই সময়ে থানায় দায়িত্ত্বরত কর্মকর্তা আমাকে ফোন দেয় আমি তাৎক্ষণিক থানায় হাজির হওয়ার পর পুলিশ সবকিছু যাচাই বাচাই করে সঠিক পায় এবং আমাকে বলে "আপনার রিপোর্ট ভালো আছে আমি পাঠিয়ে দিবো" এই কথাটা শুনে আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বের হবো সাথে সাথেই উনি আমাকে টাকার কথা বলেন, ২৫০০ টাকা দাবী করেন, তখন আমার ব্যগে ১৫০০ টাকা ছিলো, আমি উনাকে বার বার বুঝানোর পরও উনি মানছিলোনা, পরে রিপোর্ট খারাপ দিবে ভেবে না পারতে ১৫০০ টাকা দিলে উনি তা গ্রহণ করেনা, পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে বাড়িতে এসে বাকি ১০০০ টাকা বিকাশে দিলাম।
আমি একটি ম্যারিজ সার্টিফিকেট ই এপোস্টেলের জন্য আবেদন করেছি স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস মুন্সিগঞ্জ। অনেক দিন হয়ে যাওয়াতে যোগাযোগ করি রেজিস্ট্রার অফিসের এক কর্মচারির সাথে সে জানায় এখানে কোনো কাজ হয় না যা করবে কাজি কাজির নাম্বার নিয়ে কাজিকে কল করলে কাজি জানায় হাদিয়া বাবদ ২০০০ টাকা দিতে হবে এবং সে বিকাশ নাম্বার দেয় এ বিষয় নিয়ে তর্ক হলে সে পরবর্তীতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে ইতোমধ্যে ৩৩৩ ও লিগ্যাল এইড সেবা নাম্বারে কল করলে তারা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে লিখিত অভিযোগ করতে জানায় এখনো চলমান অভিযোগ কম্পোজ করে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুরছি এক সপ্তাহ ধরে জানিনা পরবর্তীতে কি হবে।
আমি USA প্রবাসী। NYC Consulting Office-এর মাধ্যমে NID কার্ডের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এখন শুধু সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেই আমার NID প্রস্তুত হবে। কিন্তু এই ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসে কেন সরকারি কাজ সম্পন্ন করতে ঘুষ দিতে হবে? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
বিদ্যুত মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে পাচ হাজার টাকা দাবি করা হয়।আমি দিতে বাধ্য হই।
এখন হবে না, টাকা ছাড়া
অপরপক্ষের কাছে কোনো দলিল নেই, জমিতে তাদের কোনো ভোগদখলও নেই। তবুও তারা বগুড়া সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা খাইয়ে আমাদের জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। বর্তমান অফিসের কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে সবকিছু করেন। তারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা দাবি করছে—তারপরও তারা ঠিকমতো কাজ করবে কিনা, তা নিয়ে আমি বিভ্রান্ত ও অসহায়। আমি যদি আদালতে যাই, আমার কাছে সব প্রমাণ থাকায় আমি জিতবোই। কিন্তু প্রশ্ন হলো—যে অফিস প্রমাণ দেখে কাজ না করে, শুধু টাকা দেখে রেকর্ড বদলে দেয়, সেই অফিসের অস্তিত্ব কী অর্থে? আমি চাই, এই ঘুষখোর চক্র ও ৫ লাখ টাকা দাবিকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। নইলে সাধারণ মানুষ কোথায় ন্যায়বিচার পাবে?
যশোর মনিরামপুর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এর সহকারী প্রকৌশলী কমিশন না দিলে ফাইল ছাড়ে না এবং টিউবওয়েল সাবমার্সিবল টিউবওয়েল এবং পাবলিক টয়লেট বিক্রির রমরমা ব্যবসা খুলে নিয়েছে
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বগুড়া জেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজে ভর্তি বাতিল পূর্বক মূল মার্কশীট ফেরত চাইলে ১৫০০ টাকা দাবী করা হয়।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
সিঙ্গার দেওয়া ফরই প্রত্যেকটা মানুষ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে।
দুপুরের খাবারের কথা বলে নেয়া হয়েছিল
আমার এক জেঠি বিধবা হয়েছেন ১০ বছর হয়। উনার বর্তমানে বয়স ৬৫ বছর। বিধবা কার্ড করার জন্য আবেদন করেছি। জমা দিতে গিয়েছি সংশ্লিষ্ট অফিসে কিন্তু অফিসের লোক বলল যে এখন বিধবা কার্ড আশ হয় না আগের গুলাই দিতে পারি নাই এটাও না হবার সম্ভাবনা বেশি।তখন সে বলল অফিসের কিছু খরচ দিলে ওনারা এই কার্ড টা করে দিবেন। ৫০০০ চেয়েছিল কিন্তু আলোচনার পর ৩০০০ রাজি করিয়েছি।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করতে ফোন দেয় লালমাই থানার এএসআই —। গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিতে-পরে ১৫০০ টাকা দি।
মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করার ভয় দেখিয়ে ঘুষ আদায় নীলফামারী সদর থানা এসআই
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় গাইবান্ধা এসপি অফিস থেকে ৭০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। এক পুলিশ আত্নীয়কে দিয়ে বলিয়ে আফটার বার্গেইনিং এট লাস্ট ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।