Nid, smart card
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
আমার মোবাইল হারিয়ে যায়। জি ডি নেই। কিন্তু তদন্ত করার জন্য ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং মোবাইল খুঁজে দিতে চায় । টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কোন তদন্ত করে নাই।
ELB - electrical licence ministry of energy regulating board এর আন্ডারে এই প্রতিষ্ঠান উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা ইন্সপেক্টর কে নির্ধারিত প্রতিটি ফাইলের জন্য ঘোষ দিতে বাধ্য..ঘোয এর পরিমাণ শুরু হয় নির্দিষ্ট sub station kva এর উপর যেমন 150kva sub station এর জন্য ২০ হাজার টাকা ঘোষ অথবা সম্মানী ফাইল জমা দেওয়ার পরে ইন্সপেক্টর কে দিতেই হবে। এর পরিমাণ ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে ইন্সপেক্টর গুলোর নাম — সচিব — সহ সিনিয়র ইন্সপেক্টর গুলো ব্যাপক পরিমাণের অবৈধ সম্পদ উপার্জন করেছে। এরা আবার প্রতিনিয়ত প্রতিফাইল অনুযায়ী উক্ত মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্জনকৃত অবৈধ টাকা থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ দিয়ে আসেন। প্রত্যেকটা সাবস্টেশ কোম্পানির দিতে বাধ্যথাক
amar may er boyos 5 mas. ami ekhono jonmonibondhon korte parini. shob kagos thik ase tar poro bole amar kagos thik nai. ekjon to phone dia bollo taka khoroch korle kora jabe.
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়া শেষ হলে, পুলিশ বলল হাদিয়া দেন কিছু। ৫০০ দিলাম। এরপর বলল ব্যাংকের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০ দিয়ে হবেনা। ১০০০ লাগবে।
২০২২ সালে নাম সংশোধনের জন্য যশোর নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তখনকার নির্বাচন অফিসার ছিলেন —, তিনি অসংখ্যবার আমাদেরকে ঘুরিয়েছেন কাজটি ঝুলিয়ে রেখে, কাজটি না হওয়ার কারণ ছিল ঘুষ দিয়েছিলাম না তাই, পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আন্দোলনের পরে আমি একদিন ফোন করে বললাম আমার কাজটি কখন করে দিবেন আমাকে জানান তিন দিনের মধ্যে কাজটি না করলে আমি এলাকার অন্যান্য প্রতিবাদী লোকজন নিয়ে আপনার অফিসে হাজির হব এই কথা বলার একদিন পরেই মোবাইলে মেসেজ চলে আসে যে আপনার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে এবং আপনার নতুন এন আই ডি কার্ড টি যশোর নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করুন। কিন্তু এর আগে তিনি আমাদেরকে খুলনা বিভাগীয় অফিসে পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন দুইবার করে বিনা কারণে, আর যশোর নির্বাচন অফিসে অসংখ্যবার গিয়েছিলাম।
মিরসরাই ইকোনোমিক জোন এর জন্য অধিগ্রহণ করা জমির টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে আমি এল এ শাখার সার্ভয়ারকে এই টাকা দিয়েছি। আমার এলাকায় সব মানুষকে এই ঘুষ দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে হয়েছে। মোট টাকার ৭-১৫% পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে। জমিতে সামন্য সমস্য থাকলে সেটি ৪০-৫০% পর্যন্ত দিতে হয়েছে। শুধু আমার এলাকায় ১হাজার একর অধিগ্রহণ হয়ছে, ঘুষের টাকার পরিমান কত সেটি অনুমান করুন!! শুনেছি এই টাকার ভাগ পুরো জেলা প্রশাসক কার্যালয় সহ মন্ত্রনালয় পর্যন্ত যায়।
একজন ঠিকাদারের থেকে ফাইলের বিল করার সময় % উল্লেখ করে কমিশন চাওয়া হয়
কম্পিউটার অপারেটর ও বড় বাবু সেল পারমিশনের জন্য ৫০,০০০/- দাবি করে অফিসে বসে সিগারেট খেতে খেতে।
সিঙ্গার দেওয়া ফরই প্রত্যেকটা মানুষ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে।
ফাইল আটকিয়ে রেখেছে 19 দিন। কিছু করার ছিল না।
অপরপক্ষের কাছে কোনো দলিল নেই, জমিতে তাদের কোনো ভোগদখলও নেই। তবুও তারা বগুড়া সেটেলমেন্ট অফিসে টাকা খাইয়ে আমাদের জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। বর্তমান অফিসের কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে সবকিছু করেন। তারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা দাবি করছে—তারপরও তারা ঠিকমতো কাজ করবে কিনা, তা নিয়ে আমি বিভ্রান্ত ও অসহায়। আমি যদি আদালতে যাই, আমার কাছে সব প্রমাণ থাকায় আমি জিতবোই। কিন্তু প্রশ্ন হলো—যে অফিস প্রমাণ দেখে কাজ না করে, শুধু টাকা দেখে রেকর্ড বদলে দেয়, সেই অফিসের অস্তিত্ব কী অর্থে? আমি চাই, এই ঘুষখোর চক্র ও ৫ লাখ টাকা দাবিকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। নইলে সাধারণ মানুষ কোথায় ন্যায়বিচার পাবে?
একটা বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রমোশন দিবে বলে ৪৫০০০০/- নেওয়া হয়।
দুপুরের খাবারের কথা বলে নেয়া হয়েছিল
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একজন মিথ্যা অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত পিবিআই, রংপুর এর একজন অফিসার করে এবং ৭০০০ টাকা নেন। ক্যাশ নেন
পারিবারিক মামলা ডিগ্রি হওয়ার পরে। ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার জন্য পিরোজপুর পারিবারিক আদালতের সেরেস্তায় গিয়ে মামলা ডিগ্রি হওয়া টাকা দেওয়ার জন্য সেরেস্তাদারকে বললে তিনি তার অফিস সহায়ককে মামলা নাম্বার বলতে বলেন। মামলা নাম্বার বলার পরে কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক বলে নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর বলে একজন নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে যেতে তার কাছে গেলে নথি পাওয়া যাবে। সেরেস্তাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে তার অনেক কাজ আছে ওই নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে গেলে তিনি সবকিছু গুছিয়ে দিবেন। পরবর্তীতে সেই আইনজীবী সহকারী টাকার বিনিময় নথি খুঁজে পান এবং ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার সুযোগ মিলে।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।