জাতীয় চিড়িয়াখানা
অবৈধভাবে প্রতিটি যানবাহন থেকে বিশ টাকা আদায় করা হচ্ছে ঢাকা চিড়িয়াখানায়। —
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অবৈধভাবে প্রতিটি যানবাহন থেকে বিশ টাকা আদায় করা হচ্ছে ঢাকা চিড়িয়াখানায়। —
সিলেট প্রবেশন অফিসারের কার্যালয়ে একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব গিয়েছিল। উকিল মনে হয় টাকা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছিল কি না সঠিক জানা নেই। তবে ওই কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল রিপোর্ট পক্ষে পাইয়ে দিতে তাও আবার রমজান মাসে! রমজান মাসেও ঘুষের টাকা গ্রহণ করেছিল ওই অফিসার। রুমের ভিতরে কম্পিউটার এবং টাইপিংয়ের ছোট একটা জায়গা আছে। ওখানে পর্দার অপরপাশে যেয়ে অফিসারটি ঘুষের টাকা নিয়েছিল।
সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ, ময়মনসিংহ শাখায় একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা দাবি করে
জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ার বিনিময়ে
Labour License Renewal
ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি চার লেনে উত্তোলনের জন্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করে। যার ফলে ঐ সড়কের পাকুন্দিয়া অংশে আমাদের জমিও সরকার অধিগ্রহণ করে, অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকার আমাদের ৯৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন দেয়। ক্ষতি পূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য যখন আমরা জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় যায় তখন তারা ২০ লক্ষ টাকা ঘোষ দাবি করে এবং দর-কষাকষি করে না পেরে অবশেষে ১০ লক্ষ টাকায় রফাদফা করি। তাছাড়া দীর্ঘ ১ বছর তারা আমাদের চরম লেভেলের ভোগান্তিতে ফেলে, ১ বছর তাদের দরজায় দরজায় ঘুরে টাকা উত্তোলন করা লাগছে।
কলকারখানা লাইসেন্স ও নকশা অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ দাবি করে পরে নেগোসিয়েশন করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন নিই
আমি গত জুন মাসের ২২ তারিখে হরিদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ আমার বাবার মৃত্যু সনদ করতে, সেখানে তাড়া যে টাকা দাবি করেছে তার চেয়ে আরো কিছু টাকা বেশি দিয়ে বলে আসি যে আমার বাবা মৃত্যু সনদটি একটু ইমারজেন্সি দরকার কিন্তু আবেদন দিয়ে আসার এব মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও তাড়া আবেদন পর্যন্ত করেনি দোকানে আবেদন করলে সেই আবেদন তাড়া জমা নিবে এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একটা মৃত্যু সনদ দেয় যেখানে বাবার নাম, বাবার মা ও বাবার না এবং বাবার জন্ম তারিখ সবকিছুই ভূল অথছ তাদের আমি আমার বাবার নতুন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন যা অনলাইনে যাচাইকৃত কপি বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রসহ দিয়েছি । তাদের বারবার ফোন এবং যাওয়ারপর একটা কপি দেয় কিন্তু সেটা বাবার জন্ম নিবন্ধন। মৃত্যু সনদের আবার আবেদন দিয়েছি প্রায় দুই মাস হল । উক্ত ইউনিয়নের সচিবের দূর্নিতির শেষনাই
নাগরিকত্ব সনদ প্রদান এর জন্য আমাকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় এই কাগজ সেই কাজগ নানান জিনিস এর কথা বলা হয়। তার পর আমার বাবা একটা সিস্টেম করে একটা link বের করে ২০০০ টাকা দেয় তার পর সব কাজ সহজে হয়ে যায়।
মা বাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে হবে উমরাহ হজ পালনের জন্য । তাই পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশন এর জন্য থানায় গেলেই তারা জন প্রতি ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন হবে না । টাকা দিলে সাত খুন মাফ ভেরিফিকেশন ডান । না দিলে অপেক্ষায় থাকেন কখন হবে কোনো নির্ধারিত সময় নেই ।
১টা মসজিদের মিটার নামাতে ৮০০০হাজার টাকা দিতে হয়েছে পরানগঞ্জ ডিজিএম কে
নাটোর জেলার, ৪ নং (সাবেক ৯ নং) লক্ষীপুর ইউনিয়ন (হয়বতপুর) এ আমার ছোট বোন এবং স্ত্রীর গর্ভকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, জনপ্রতি ৫০০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। টাকা চায় মহিলা আসনের মেম্বার —। টাকা না দিলে উনি কোনো এপ্রভুভাল দিবেন না। আমার প্রশ্ন হলো, যেই গরিব নারীগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই সু্বিধা পাবার কথা, তারা কেনো ৫০০০ টাকা করে ঘুষ দেবে এই টাকা পেতে হলে? বিষয়টি সরজমিনে গেলে অবশ্যই প্রমাণ পাবেন।
Barite 2 ta Meter er jonnno abedho korte 21K taka legeche.
টাঙ্গাইল জেলা, কালিহাতি থানা, এখানে সব তথ্য ঠিক থাকার পরও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, এখানে টাকা ছাড়া কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না, আমি সহ আরো অনেককে দেখেছি ঘুষ দিতে,ঘুষ না দিলে ফাইল নড়েনা।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব নাম — (17830) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ দাবি করেন, এবং বলেন তিনি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বাধ্য নন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব গাইবান্ধা খুবই একজন খারাপ মানুষ, টাকা ছাড়া তার দপ্তরে কোন ফাইল ই সই হয় না। অনেক অনেক ফাইল পেনডিং করে রাখে টাকার জন্য। এর বিরুদ্ধে সরকারের আসু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সরকারি প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে অবস্থিত একটি সরকারি অফিসে একটি ট্রান্সফর্মার লাগানোর জন্য আনা হয়। ট্রান্সফর্মার লাগানোর পূর্বে ইলেকট্রিক লাইসেন্সিং বোর্ড কর্তৃক একটি সার্টিফিকেট লাগে এবং তার জন্য একজন পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনে আসা-যাওয়া, খাওয়া বাদ দিয়েও উক্ত টাকা ঠিকাদার কর্তৃক পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার তো ঠিকই উক্ত সরকারি অফিস থেকে ধরে দিবেন। অর্থাৎ সরকারি এক অফিসের কাজের জন্য অন্য অফিসকেও ঘুষ দিতে হয়। এখনও কিন্তু বৈদ্যুতিক সংযোগ দেয়া হয়নি। জানিনা সংযোগ বাবদ ব্যয় কত টাকা লাগবে!
জিনিস পত্র চুরি হয়েছে, এই কারণে থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম, তো খরচ হিসেবে এটা নাকি লাগবে, তাই ১০০০ টাকা দিয়েছে, তবে জিডি হচ্ছে ফ্রী।
আমার নিজ নামীয় জমি ক্ষমতার ব্যবহার অপব্যবহার করে জবরদখল করার হুমকি দেয় যদি তার ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয় তাহলে সে উক্ত জমিটির দখল করবে না বলে আমাকে জানায় কিন্তু আমি উক্ত চাহিত ঘুষের টাকা না দিতে পাড়ায় আমার জমিটি ক্ষমতার জোরে জবরদখল করে রেখেছে এবং আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা পর্যন্ত দায়ের করেছেন। জমির লোকেশন বরিশাল লাইন রোড।
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য দিতে হয়েছে
I paid for the increase in power supply capacity at the DESCO office on Uttara Mazar Road,