সেল পার্মিশন
সেল পারমিশন করাতে গিয়ে এই টাকা দাবি করেন। তাছাড়া কাজ করবে না তাই বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সেল পারমিশন করাতে গিয়ে এই টাকা দাবি করেন। তাছাড়া কাজ করবে না তাই বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে।
একাউন্ট খোলার সময় চা- নাস্তা খাওয়ার টাকা চাই। এটা না দিলে কাজ কিছুটা আটকে রাখে। এছাড়াও মোবাইল নাম্বার সম্পর্কিত একটা সমস্যা হয়েছিল। টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে দিয়েছিল। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেলে , গ্রামের গরীব অসহায় মানুষদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক টাকা পয়সা নেওয়া হয় , এটা সবার উপর সমান হয় না , কারো থেকে বেশী কারো থেকে কম , তবে শুধু জন্ম নিবন্ধনই নয় আরো অনেক সেবা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে টাকা ছাড়া হয় না , আমি 333 থেকে অনেক অনেক সেবা যেগুলো ফ্রিতে পাওয়া যায় সেগুলো সম্পর্কেও জেনেছি, সে সকল সার্ভিস ও বিপুল পরিমাণ টাকার মাধ্যমে দেওয়া হয় , যেগুলো আইনত অপরাধ আমাদের পুলিশ কিংবা এমপি মহোদয় কখনো এগুলো দেখেনা
আমার এন আই ডি কার্ড করার জন্য এই টাক দাবি করা হয়েছিল। আমি এই টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি।
আমার বোনের জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম পরিষদের পক্ষ থেকে আমার কাছে অনলাইনে আবেদনের জন্য অতিরিক্ত চার্জ করেছে এটি সাধারণ ব্যাপার কিন্তু সচিব ২৫ টাকার আবেদন 50 টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত রাখে আর যদি সেটি সংশোধন হয় সে তো ১০০ টাকা রাখবেই যে কোন আবেদনের ক্ষেত্রে যা নিয়মের বহির্ভূত । আর যদি সেটিং থানা কার্যালয় প্রধান অফিসে যায় সংশোধনের জন্য ওইখানে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় প্রতিদিন এরকম কিছু না কিছু ভুল তো তারাই করে এবং এটির জন্য আমাদেরকে ভুক্তভোগী হতে হয় এবং মাসে কম করে 25 জন তো এরকম হয়।
I paid for the increase in power supply capacity at the DESCO office on Uttara Mazar Road,
খুলনা থেকে ঢাকা গামী, ঢাকা থেকে বেনাপোল ও বেনাপোল থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে খুলনা.. গামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস/রূপসী বাংলা ট্রেনের টিটি রা মিলে। গার্ড রুমে স্ট্যান্ডিং টিকিট না কাটিয়ে প্রত্যেকদিন ২০/২৫ জন লোককে, যাতায়াত করার সুযোগ করে দেয়। যার ফলে,তাদের পকেট ভারি হয় কিন্তু সরকারের ক্ষতি হয়।
পুলিশ বলছিলো, তাদেরকে সরকার কোনো টাকা দেয়না ফোন উদ্ধার করতে কার্যক্রম চালাতে। টাকার দাবিতে আমরা নাকচ ছিলাম ফোন লাগবে না বলে চলে আসি, পরে ও কল করে ৩০০০ টাকা দিলে হবে ফোন নিয়ে আস্তে পারব। আর কিচ্ছু করার ছিলো তখন ফেন বেশি জরুরি ছিলো।
আমি বিদেশ যাত্রার জন্য অনলাইনে আবেদন করে শাহরাস্তি মডেল থানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য হার্ড কপি জমা দিতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশ আমাকে থানার বাহিরে একটি কম্পিউটার দোকানে জমা দিয়ে যেতে বলে। দোকানে জমা দিতে গেলে সে বলে খরচ ১৫০০টাকা দিয়ে যান। আমি বলি, কেনো? সে বলে এটা খরচ। আমি আবার ঐ পুলিশের কাছে গেলে বলে দিয়ে দেন, না হলে বাদ দেন। পরে দোকানে গিয়ে ১২০০টাকা দি। তারপর কিছুদিনের মধ্যে কাজটি হয়।
রীট মামলাটি কোন ভাবেও শুনানির সিরিয়ালে আসছিলো না। সংশ্লিষ্ট অফিসার কে অনুরোধ করলে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে। পরবর্তীতে মহুরির মাধ্যমে ১০ হাজারে রফা দফা হয়।
পাসপোর্ট তদন্ত করার জন্য পেকুয়া থানার তৎকালীন ডিএসবি অফিাসারকে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
Plan disse na eto tk khawor por bolse apnr far kom rastar pashe jomi 2035 sal er por ei khan dea rasta jabe
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য দিতে হয়েছে
পটিয়া পোস্ট অফিস, পটিয়া, চট্টগ্রাম, যেখানে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা রাখা হয়। অনেক অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের টাকা ও সঞ্চয় করা হয়। কিন্তু টাকা উত্তোলনের সময় নানা অজুহাতে হিসাবের টাকা গ্রাহককে ঠকিয়ে রেখে দেয়া হয়। আমার টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে এই টাকা তুলতে 1মাস সময় চাওয়া হয়। 1 মাস পর যাওয়ার পর ও আমাকে সেবা দিতে অপরাগতা দেখানো হয়। এর পর আমি ক্ষুব্ধ হলে আমার পে অর্ডারটি খুজে বের করে আমাকে দেয়া হয় এর জন্য আমার কাছ থেকে টাকা খুজে। আমি সেটি দিতে প্রত্যাখ্যান করি।
সিটি গণপূর্ত অধিদফতরে ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নের সরকারি ফি ২৩০০ টাকা। কিন্তু, নেওয়া হচ্ছে ৩৫০০ টাকা! ঠিকাদারদের অবস্থা বর্তমানে খুবই করুন! হাতে কোনো কাজ নেই। তবুও ঘুষ দিতে হয়
টাঙ্গাইল জেলা, কালিহাতি থানা, এখানে সব তথ্য ঠিক থাকার পরও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, এখানে টাকা ছাড়া কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না, আমি সহ আরো অনেককে দেখেছি ঘুষ দিতে,ঘুষ না দিলে ফাইল নড়েনা।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব নাম — (17830) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ দাবি করেন, এবং বলেন তিনি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বাধ্য নন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব গাইবান্ধা খুবই একজন খারাপ মানুষ, টাকা ছাড়া তার দপ্তরে কোন ফাইল ই সই হয় না। অনেক অনেক ফাইল পেনডিং করে রাখে টাকার জন্য। এর বিরুদ্ধে সরকারের আসু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আমি কিশোরগঞ্জ থেকে কমলাপুর যাচ্ছিলাম রেলগাড়ির ভিতর একজন আমার কাছ থেকে টাকা নেই পরে উনি আমাকে একটি রিসেট দিবেন বলে সামনে যান এবং পরে উনি আসেন নাই ঠিক তার পরেই আমি বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে নেমে পড়ি সেখানে একজন টিকেট চেকার আমাকে বিভিন্ন রকম হুমকি এবং চোর বাটপার এরকম কথা বলে ৩০০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং আমাকে একটি রুমে নিয়ে তারা বিভিন্নভাবে মানসিক টর্চার করে
আমি অনলাইনে আবেদন করে নির্বাচন অফিসে আমার যাবতীয় কাগজ পত্র নিয়ে যাই লাইনে দাড়াই সিরিয়ালে গিয়ে আমার কাগজপত্র দেখে বলে ঠিক আছে আপনি মঙ্গলবারে আসেন,আমি মঙ্গলবারে আবার যাই ঐ দিন বলে ছবি তুলে সোমবার আর বুধবার আপনি বুধবারে আসেন আমি বুধবারে যাই লাইনে দাড়াই আবার সিরিয়ালে গেলে বলে আপনাকে কি কল দেওয়া হয়েছিলো?? আমি বললাম না কল তো দেওয়া হয় নাই। পরে বললো অফিস থেকে কল বা মেসেজ দিবে। তারপরে গেলো ১৫ দিন কল মেসেজ আসলো না।আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানলাম যারা টাকা দেয় শুধু তাদের ছবি তোলার জন্য কল দেয় তার ৮০০০ টাকা লাগছে পরে আমি আবার নির্বাচন অফিসে যাই বলি আমার কাছে ৬০০০ টাকা চায় পরে আমি রাজি হই নাই