ফায়ার লাইসেন্স
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
জিডি ও অভিযোগের তদন্ত ও আইনি সহায়তার জন্য
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি প্রকল্পে ইউএনও অফিসে ১০%, পিআইও অফিসে ১০%, ইঞ্জিনিয়ার অফিসে ১০%, চেয়ারম্যান ৫%, সচিব ৫%, ভ্যাট, ৮-১০% খরচ হয়। অবশিষ্ট টাকার কাজ হয়। এবার বোঝেন কতটা কাজ হয়। অনেক প্রকল্পের কিছুই হয় না। শুধু তুলে খায়।
আমি ছোট একটি ব্যবসা পরিচালনা করি সে আমাকে ভ্যটের ভয় দেখিয়ে বার বার ঘুস দাবি করে এবং আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমার কাছ থেকে ঘুস আদায় করে নেয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সচরাচর একজন ডিউটি পুলিশ বাসায় আসেন, কাগজপত্র দেখেন। গত ২ বার (২০১৯, ২০২৪) এভাবেই হয়েছিল, কোন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা লাগে নাই। অথচ, এবার, ২০২৬ এ এসে একই থানা থেকে এক ডিউটি অফিসার ফোন করে জানালো কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে ভেরিফিকেশনের জন্য। গেলাম, আমাকে একটা কক্ষে নিল যেইখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কাগজপত্র দেখে বলল, "সব ঠিক আছে, ফটোকপি প্রিন্টের খরচ বাবদ কিছু টাকা লাগবে।" আমি বললাম, "সব কিছু মিলায়ে তো আমরা ১৫০০ টাকা করে দিচ্ছি, আগে যেটা ৫০০ টাকা ছিল।" তিনি বললেন, "সেটা আমাদের ব্যাপার না, সরকারের ব্যাপার। আপনার কাজ আমার করে দিতে হচ্ছে, সেই হিসাবে প্রত্যেক থানাতেই একটা ফিক্সড পেমেন্ট থাকে"। পরে দরকষাকষির পর ১০০০ টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হলেন।
পৌরসভা থেকে কাজ করতে হলে খুশি করা লাগবে।
বন বিভাগ থেকে নবায়নকৃত করাত কলের লাইসেন্স। পাঠানো হয় ইউএনও'র অফিসে। সেখান থেকে ফোন করে কাগজ পত্র নেয়ার জন্য দেখা করতে বলা হয়। ইউএনও'র সহকারী আগেই বলে রাখে স্যারের বিষয়টা মনে রাইখেন। কথা অনুযায়ী ইউএনও অফিসে গেলে ইউএনওর সহকারী ৩০০০০ টাকা দাবী করে। পরে ২৪০০০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে আসি।
আমি জন্ম নিবন্ধন সংসধন করতে টাকা চায়
ছোট একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কলকারখানার লাইসেন্স জন্য আবেদন করছিলাম অনলাইনে। অধিদপ্তর থেকে লোক এসে যাচাই বাচাই করে গিয়ে ৪০০০০ টাকা দাবি করে লাইসেন্স দিবার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৪ হাজার টাকায় রফা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করি।
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মা ছোট ভাই এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্য টিকিট কাউন্টারে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাটতে যায় দীর্ঘ সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তখন লক্ষ করলাম কাউন্টার থেকে কাউকে টিকিট দিচ্ছে না বলল টিকিট শেষ। কিন্তু কষ্টের বিষয় কাউন্টার এর পাশেই খোলা ময়দানে দাড়িয়ে টিকেট কালোবাজারি করছে ৩ গুনের চেয়ে ও বেশি টাকা দিয়ে। মা আর বউ এর কারণে বাধ্য হয়ে নিতে হলো
নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের, সামাজিক সুরক্ষা ক্ষাতে, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতা সহ সমস্ত ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ৫০০০/৭০০০ টাকা করে দিতে হয়, এটা তাঁরা ভুক্তভোগীকে প্রচন্ড চাপ ও হুমকি ধমকির মাধ্যমে গোপন রাখতে বাধ্য করে থাকে। পাশাপাশি ইউনিয়নিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা ক্ষাতকেই দুর্নিতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে, যেমন ইউনিয়ন ভুমি অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র, ঘুস, চাঁদাবাজি সহ নানা ধরনের অন্যায় অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। দেখার কেউ নেই।
বাংলাদেশের আদালত ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও ঘুষ বাংলাদেশের আদালত প্রাঙ্গণে মামলা ফাইলিং, সাক্ষী হাজির বা প্রত্যাহার, তদবিরসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় ১০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ বা ঘুষ দিতে হয়। ছোট একটি কাজের জন্যও যদি বাড়তি টাকা না দিলে ফাইল নড়ে না, তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে ন্যায়বিচারের জায়গাতেও কি ঘুষ এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে? আদালত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল, যেখানে একজন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় আসে। সেখানে যদি প্রতিটি ধাপে অনিয়ম, তদবির ও অর্থ লেনদেনের সংস্কৃতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা কীভাবে অটুট থাকবে? দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার করবে কে, যদি বিচারব্যবস্থার ভেতরেই দুর্নীতির অভিযোগ থাকে?
সরকার আইআরসি নবায়ন সরকারী ফি প্রদান সাপেক্ষে সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র অনলাইনে প্রদান করার পরও তারা সকলকে দিনাজপুর আমদানী-রপ্তানী অফিসে আসতে বলে এবং তাদের সরকারী ক্ষমতা বল দেখিয়ে কি কি করতে পারে তার ভয়ভীতি দিখেয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য অর্থ দাবি করে।
Medical device registration purpose for two product
For the extension of a gas stove connection at my residence, I was forced to pay a total of BDT 50,000 in bribes to officials at Titas Gas Transmission in Motijheel. Initially, an officer demanded BDT 30,000 and promised approval within one week. Later, another official claimed he had not received any money and suggested that additional payments were needed for senior officials. The first officer then demanded another BDT 20,000, which I paid. Despite these payments, I faced repeated delays, negligence, and excuses. After I complained directly to a supervisor, I was promised a quick resolution, but the process ultimately took about three months and required constant follow-up. experience
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে ইস্যুকৃত সুলভ মুল্য কার্ড যার মাধ্যমে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১৫টাকা করে দেয় । অধিদপ্তর হতে পুরাতন কার্ড নবায়ন করে ডিলারের কাছে পাঠানো হয়েছে বিতরণ করার জন্য। সেই কার্ড নিতে ১০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন বাবা এবং মায়ের নাম ইংরেজিতে ছিল নাহ,, এইটা ঠিক করে দেবার জন্য ৪,০০০ টাকা নিয়েছে,,২ দিন দেখার পর কোনভাবেই পারতেছিলাম নাহ ইমার্জেন্সি ছিল তারপর ৪,০০০ টাকা দিয়েই নিতে হল।।
went to grab a map for my land issues. couldn't resist but had to pay to that bloody bastard.
এই নির্বাচন অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না ভোটার থেকে শুরু করে ভোটার ট্রান্সফার ও আইডি সংশোধন সহ নানা ধরণের টাকা চেয়ে থাকে সোজা কথা প্রতি মঙ্গল বার টাকা ছাড়া কোন প্রকার ভোটার করা হয় না টাকা না দিলে না ধরণের ভূল ধরে আজ না কাল কাল না পরশু তারিয়ে দেয়
নন্দিপাড়া ব্রিজের পাশে বটতলা রোডে রাস্তার পাশে প্রতিটি দোকান থেকে দোকান প্রতি 100 টাকা করে নেওয়া হয় এই চাঁদাবাজের নাম হল — দৈনিক এই চাঁদা উঠানো হয় ।