ময়মনসিংহ জেলা জজ এর পি পি
ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্টরে পিপি এডভোকেট — প্রতি ফাইল 1000 টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেন না। অন্যথায় আইনজীবীদের সঙ্গে দূর্ব্যবহার করেন।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্টরে পিপি এডভোকেট — প্রতি ফাইল 1000 টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেন না। অন্যথায় আইনজীবীদের সঙ্গে দূর্ব্যবহার করেন।
সরকারি অফিসের কর্মচারী / কর্মকর্তা মিলে অল্প কিছু মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিতেছে। তার প্রতিকারের জন্য কোর্টে মামলা করতে চাওয়া। কিন্তু উক্ত মামলার বাদি সরকার হওয়ায় তা খারিজ করা। টাকা প্রদান করলে মামলা গ্রহণ করা হবে মর্মে তথ্য দেয়া। 😭
সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার ম্যানেজার ঋণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নিজেকে 'এজিএম ম্যানেজার' পরিচয় দিয়ে তিনি গ্রাহক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দাম্ভিক ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমার নিজেরসহ অনেকের অভিজ্ঞতা হলো, অর্থ ছাড়া ঋণ অনুমোদন করা হয় না। একটি নির্দিষ্ট মহলের মাধ্যমে ঋণসংক্রান্ত কাজ ও অর্থ লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক লোনের ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের হয়রানি ও তিরস্কার করা হয়। গ্রাহকদের সামনেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপমান করার ঘটনাও ঘটছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঋণ অনুমোদনের নথি, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
পুলিশের SI আমার বাবার NID তে উনার নাম এবং আমার NID তে উনার নামের বানানে কার চিহ্ন না থাকা নিয়ে আমায় বলল যে এইসব ঠিক করতে টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে নামের বানান ভুল হিসেবে রিপোর্ট করে দিবে বলে থ্রেট দেয়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে আসি। এমন ৫০ জনের ভেরিফিকেশনে তিনি ডেকেছিলেন আমাদের মিরপুর থানায়।
আমি সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সলঙ্গা জোনাল অফিসে ৫ কেভি ট্রান্সফরমারের জন্য আবেদন করি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করার পরও প্রায় ৩ মাস আবেদনটি পেন্ডিং রেখে পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। এরপর পুনরায় আবেদন করলে, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষ থেকে একজন দালালের মাধ্যমে আমার কাছে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই কর্মকর্তা আমাকে বলেন, “আমি অফিসে থাকাকালীন আপনার কোনো সংযোগ হবে না।” বিষয়টি তদন্ত করে ঘুষ দাবির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমার বৈধ আবেদনটি বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ করছি।
সেবাটি ছিল মুক্তিযুদ্ধার ভাতার অ্যাকাউন্ট লাইফ ভ্যারিফিকেশন জন্য দাবি কৃত অর্থ ১০/১২ হাজার নিয়েছিল।
লাইসেন্স এর সরকারি ফি ২৫০০ টাকা। তারা প্রথম দিন ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তারাই সব কাজ করে দিবে এবং আমারও লাইসেন্সটি টেন্ডার জমা দেবার জন্য জরুরি দরকার ছিল তাই ২০ হাজারে রাজি হয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি। পরে তারা ফোন দিয়ে জানায় আপনি রপ্তানি করেন, কিন্তু আজ অবধি রপ্তানির জন্য লাইসেন্স নেননি। এটার জন্য ২৫ টাকা দিতে হবে এবং যত বছর যাবত ব্যবসা করছেন তত বছরের লাইসেন্স এর টাকা জরিমানা দিতে হবে। আমি তাদের বলছি এটি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয় তাহলে আমি কেন নিব। এটা না নিলে তারা আগেরটাও দিবেনা। তখন এডি সাহেব এসে বলে আমাদের আর ১০ হাজার টাকা দেন আর লাইসেন্স নিয়ে যান। ২৫০০ টাকার লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার দিতে হয়েছে। আর টেন্ডার ধরার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরে ২০-২৫ ঘুষ না দিলে টেন্ডার পাওয়া যায় না।
আমি আইডি কার্ডের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম।তারপর উনি প্রায় ৭ টা পেপার রেডি করে আনতে বলেছিলেন।জেলা শহর এবং ইউনিয়ন অফিস এবং কাজীর কাছ থেকে যাবতীয় কাগজগুলা আনার পরে জমা দিতে গেলে।উনি বলেন যে, আপনার আইডি কার্ডে তো সমস্যা অনেক,আমাকে অনেক শ্রম দিতে হবে,আপনি কিছু টাকা দিলে দ্রুত কাজটা হবে।আমি থ হয়ে অবাক হলাম,কারণ এত কষ্ট করিয়ে এখন টাকা চাইতেছে।টাকার পরিমাণ জিজ্ঞাসা করলে উনি কি কি জানি হিসাব দেখাইয়া কইছে ১৭ হাজার লাগবে টোটাল।এর কমে হবেনা।আমি বলছি,আচ্ছা ঠিক আছে আমি দেখি।আমাদের ইউএনও স্যারকে জানানোর পরেও,কোনো কাজ হয় নাই।
আমার বাবা একজন মুক্তিযদ্ধা, তিনি সেক্টর ৯ তে ছিলেন, তার ৭০% ডকুমেন্টস কিন্তু কিছু ডকুমেন্ট যুদ্ধের শেষে আমাদের বাড়ি রাজাকর রে পুড়িয়ে ফেলে। সেখানে কিছু কাগজ পুড়ে যায় পরে ২০১০ সালে বাবা তার নাম মুক্তিযোদ্ধা দের নামে তুলতে গেলে সব কিছু দেখে কর্মকর্তা বলে ৫ লাখ টাকা দিলে সার্টিফিকেট দিয়ে দিবে। সেই ২০১০ সালের কথা। বাবা পরে রাগ করে আর কিছু করে নি। তিনি আমাদের বলেছিল "আমি যে যুদ্ধ থেকে বেঁচে ফিরেছিনেতা কি তোমাদের জন্য বেশি না?" আজ বাবা নেই। হাজার ভুয়া মুক্তি যোদ্ধা নাম লিখিয়েছে লিস্ট এ, ভাতা পাচ্ছে। আর আমার বাবা আসল যোদ্ধা হয়েও পায় কি কিছুই। এই দেশের বুকে আমি থুতু দিয়ে গেলাম। আমার ছেলে মেয়ে কে কখনও দেশের ভালোবাসা তো দূরে থাক, নিজের রক্ত বেশি বেচে হলেও বাহিরে দেশে পাঠিয়ে দিব।
রেলওয়ে জায়গাতে আমার একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আছে তার লাইসেন্স অনেক পুরনা বর্তমানে অনলাইন করার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে আমি জানিনা অনলাইন করতে কোন টাকা লাগে কিনা
আমার বউয়ের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এর জন্য এই অর্থ দাবি করা হয়েছিল।
আমার বাবার বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলাম ২০২৪ সালে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও সমাজসেবা অফিস থেকে কোনো প্রকার ডাক পাইনি। ২০২৬ এর শুরুর দিকে একজন ইউনিয়ন মেম্বার আমার কাছে ৫০০০ টাকা ঘুষ চায় এবং বলে যে আমার বাবার বয়স্ক ভাতার বিল বিকাশে ধরিয়ে দিবেন। সে বলে যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিসারদের এই টাকার একটা অংশ দিতে হবে। আমি বুঝতে পারছিলাম, ওদের সাথে ডীল না করলে আমার বাবা ভাতা পাবেননা। তাই শেষে দরাদরি করে ৩০০০ টাকা দেই। এবং আমার কাজটি সম্পন্ন হয়। এরকম অনেক বৃদ্ধ- বিধবা মানুষ ভাতার জন্য আবেদন করছে ৪/৫ বছর হয়ে গেসে। কিন্তু ওদের ঘুষ না দিলে ওরা বিল ধরিয়ে দেয়না। শুধু ঘুড়ায়, আইডি কার্ডের ফটোকপি নেয়, আশ্বাস দেয়। বলে যে বাজেট আসলে দিবে। কিন্তু বছরের পরও বাজেট আসেনা। অনেক মুরুব্বি তো মারা যায়।
মাত্র ৪ দিন আগে আমার বউয়ের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এর জন্য এই অর্থ দাবি করা হয়েছিল
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের (ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা) ঘন ঘন বদলির ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রাপ্ত একাধিক অফিস আদেশ পর্যালোচনা করে জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে অন্তত ৮টি বদলি আদেশ জারি করা হয়েছে। এসব আদেশে একই কর্মকর্তাকে একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন ইউনিয়নে বদলি করার নজিরও রয়েছে। ফলে কোনো কোনো কর্মকর্তা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে বদলি করা হলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার কর্মস্থল পরিবর্তন হলে দাপ্তরিক কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে সম
মুক্তিযোদ্ধা অনি মারা গেছে ওনার ছেলে মেয়ে বাতা অফ করে রাখে।বার বার ডেট ডিসে কাজ করে না।গড়াচ্ছে টাকা দেওয়া লাগবে
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করার জন্য প্রত্যেকটা ধাপে সময়ক্ষেপণ আর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অর্থ দাবী করার বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছি । একবছর হলো আবেদন করেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার আবেদনটি দেখেনি এক্সামিনি করেনি। এখন আমার জরুরী প্রয়োজন হলে যখন যাই তখন অরথছাড়া কাজ কবে হবে কোন ঠিক নেই। ২-৩ বছরও লেগে যেতে পারে। টাকা দিলে তাহলে ২-৩ মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হবে। সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য আমার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে ৪০-৫০ হাজার টাকা। শুরুতে শুধু ফাইলটি এক্সামিনি করার জন্য দিবে সেজন্নই ৩-৫ হাজার পর্যন্ত দাবি করেন। আমি তখন টাকা না দিয়ে ফিরে আসি। এখন আমার কাজটি ওভাবেই পড়ে আছে।
আমি বৈধ বাভে সব কাগজ পত্র নিয়ে গেলেও দেরি হবে বলে। দেরি হলে আমার ক্ষতি হবে।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।
আমি আত্মরক্ষার জন্য একটি অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি ২০২০ সালে। এটি সিটি এসবি তে পাঠানো হয় ভেরিফিকেশন এর জন্য। থানা পর্যায়ে অল্প কিছু টাকা দেয়া হলেও পরবর্তীতে রিপোর্ট ছাড়ার জন্য ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। আমি দিতে অস্বীকার করার কারণে আজ পর্যন্ত সেটি আর আগ্নেয়াস্ত্র বিভাগের কাছে ভেরিফিকেশন শেষে পাঠানো হয়নি সিটি এসবি থেকে।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য স্থানীয় গ্রাম পুলিশ জন্ম নিবন্ধন করে দেবার কথা বলে ৫০০ টাকা দেই উনি আমাকে বলে জন্ম নিবন্ধন করে আমার বাসায় এনে দিয়ে যাবে ছয় মাস পর যখন আমি খোঁজ নেই তখন বলে হচ্ছে হবে দিচ্ছি এরকম করে আমাকে ঘুরায় আরো দেড় বছর আমি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক কে বলি উনি বলে টাকা লাগবে তাহলে আমি তাড়াতাড়ি করে দিতে পারব ওইখানে দিলাম সাড়ে চার হাজার বলল হলে আমি ফোন দিব ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক বলল জন্ম নিবন্ধন কমপ্লিট হলে আমি আপনাকে ফোন দিব ফোনের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আমি আবার গেলাম ইউনিয়ন পরিষদে এখন বললে সার্ভার সমস্যা বয়স বেশি বিভিন্ন ইস্যু এখন আমার ছেলের বয়স ২৫ মাস করতে এখনো জন্ম নিবন্ধন করতে পারিনি আর করতে পারব কিনা তাও জানিনা
জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে গিয়ে আবেদন ফ্রি ২৫০ টাকা আমার কাছে চাওয়া হয়েছে না দিলে আবেদন করে দিবে না । আমি ঢাকা থেকে গিয়েছি আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে অতঃপর বাধ্য হয়ে দুইশত ৫০ টাকা দেওয়া লাগছে।