প্রবাসে মৃত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেক পাওয়ার জন্য
টাকা দিতে গরিবেশি করার কারণে এক সপ্তাহের মধ্যে চেক পাওয়ার কথা হলো টাকার জন্য সেটা দুই মাস লেগেছে অবশেষে টাকা পরিশোধ করার পর চেয়ে হাতে পেয়েছি
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা দিতে গরিবেশি করার কারণে এক সপ্তাহের মধ্যে চেক পাওয়ার কথা হলো টাকার জন্য সেটা দুই মাস লেগেছে অবশেষে টাকা পরিশোধ করার পর চেয়ে হাতে পেয়েছি
মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে একটা চাকরির জন্য ক্যারেক্টর সার্টিফিকেট(চেয়ারম্যান সনদ) প্রয়োজন ছিল। পুলিশ টাকা ছাড়া সাইন করবে না।
Lakshmipur LGED Total 7% dewa lagcha. 1ta kaj complete korta
পুলিশ ভেরিভিকেশন করতে এসে তারা চা নাস্তা বাবদ ১০০০০ টাকার অর্থ দাবি করে।এতো বেশি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখানো শুরু করে।পরে আমার মা ভয় পাওয়ায় নাস্তা বাবদ পুলিশকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়।
আমার বউয়ের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এর জন্য এই অর্থ দাবি করা হয়েছিল।
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
৩ phase মিটার নতুন করে আনার জন্য...............
কক্সবাজার জেলা হতে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বদলীর জন্য আবেদন করেছিলাম। খামারবাড়ী, ঢাকায় আমার এক কলিগের কাছে ফোন করে আমার বদলীর আবেদনের কথা বলেছিলাম। উনি আমাকে বদলী করিয়ে দিবে বলেছিলো। কিন্তু খরচ বাবদ ১ লক্ষ টাকা দাবী করেছিলো। আমি যাস্ট একটা কথা বলে ফোন টা কেটে দিয়েছিলাম। চাকুরী নিতে ১টাকাও লাগেনি, সেখানে বদলীর জন্য ১ লাখ টাকা দিবো?
আমার আংকেল ডিফেন্স এ কাজ করেন,রিটায়ার্ড এর টাকা উত্তোলন এর জন্য মোট ৩৫লাখ টাকা এর উপর ৫০হাজার দাবি করেন কাজ করে দিবে এই মর্মে।আর সবার সাথে আলোচনায় বুঝতে পারলাম এইটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কেউ লিংক করতে পারলে কারো মাধ্যমে ১৫- ২০ হাজারেও হয়ে যায়।এই ক্ষেত্রে পিওন দের ব্যবহার করা হয় এবং টাকার ভাগ উপর থেকে নিচে সবাই পায়।
নতুন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করতে এই টাকা দিতে হবে।
আমার মোবাইল হারিয়ে গেলে আমি জিডি করি। তদন্ত কারী SI এর সাথে দেখা করলে উনি মোবাইল ট্রেকিং করে উদ্ধার করার খরচ বাবদ ২০০০ টাকা দাবি করেন। না হয় উনি খুঁজে দিবেন না।
যেখানে লাইসেনস এমনি দেবার কথা,সেখানে বিশ হাজার টাকা চায়। শ্রম ও কলকারখানা DIFEঅফিস।
মুক্তিযোদ্ধা অনি মারা গেছে ওনার ছেলে মেয়ে বাতা অফ করে রাখে।বার বার ডেট ডিসে কাজ করে না।গড়াচ্ছে টাকা দেওয়া লাগবে
ফেনী ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ঘুষ দেয়া ছাড়া ওয়ারিশ সনদ , মৃত্যু সনদ ও অন্যান্য সেবা পাওয়া যায় না
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসে কর্মরত আরও-১ / রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত আছেন। অধিনস্থ পুলিশ সদস্যদের ভালো জায়গায় পোস্টিং করে দিবেন মর্মে ৩০,০০০/- থেকে ৬০,০০০/- টাকা ঘুস গ্রহণ করে থাকেন। কারো নামে কোন অফিসার কর্তৃক অভিযোগ গেলে সেই অভিযোগ হাতে রেখে যাচাই-বাছাইয়ের নামে অভিযুক্তের নিকট ৮০,০০০/- ( আশি হাজার) থেকে ১,০০০০০/- ( এক লক্ষ) টাকা দাবী করেন। ভুক্তভোগী বিপদ থেকে বাঁচতে এসআই —র হাতে পায়ে ধরে মিনিমাম ৫০,০০০/- ( পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে বাধ্য থাকেন। কোন অফিসে এলসি বা কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ নিতে হলে যোগ্যতা থাকাসত্বেও তাকে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ঘুস দিতে হয়। অন্যতায় এসআই — রাগ করে কয়েক মাসের ভিতর বদলী করে দেন।
আমি ০৫ নং সারোয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদে আমার, মা-বাবা ও ছোট ভাই জন্ম সনদ অনলাইন করতে দিয়েছিলাম । তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার মা ও বাবা নামের বানান ভুল করে । তা সংশোধনী জন্য ৩৫০০ টাকা দাবি করে ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমান সচিব ও কম্পিউটার সহকারী । পরবর্তীতে আমি অপরাগতা হয়ে এটা পরিশোধ করি ।
ঢাকা জজ কোর্টে একটি দেওয়ানী মামলা ফাইলিং করতে গিয়েছিলাম , সেখানকার কোর্ট স্টাফ সিগনেচার করতে ,কোর্টের সিল মারতে এবং কোর্ট ফ্রি এন্ট্রি করতে ইত্যাদি কাজে প্রায় ২০০০ টাকার মতো লেগেছে। টাকা না দিলে তারা কোন কাজ করে না। এমনকি ওপেন এজলাসে বিচারক থাকা অবস্থায় তারা টাকা নেয়। এটা তো খুব সামান্য ঘটনা। প্রতিদিন কোর্টের স্টাফরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়। আদালত প্রাঙ্গনে ঘুষ ছাড়া প্রপারলি কোন কাজ করা যায় না। আর আমরা আইনজীবীরা বাধ্য হয়ে , এইসব ঘুষ দিয়ে থাকি।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য স্থানীয় গ্রাম পুলিশ জন্ম নিবন্ধন করে দেবার কথা বলে ৫০০ টাকা দেই উনি আমাকে বলে জন্ম নিবন্ধন করে আমার বাসায় এনে দিয়ে যাবে ছয় মাস পর যখন আমি খোঁজ নেই তখন বলে হচ্ছে হবে দিচ্ছি এরকম করে আমাকে ঘুরায় আরো দেড় বছর আমি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক কে বলি উনি বলে টাকা লাগবে তাহলে আমি তাড়াতাড়ি করে দিতে পারব ওইখানে দিলাম সাড়ে চার হাজার বলল হলে আমি ফোন দিব ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক বলল জন্ম নিবন্ধন কমপ্লিট হলে আমি আপনাকে ফোন দিব ফোনের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আমি আবার গেলাম ইউনিয়ন পরিষদে এখন বললে সার্ভার সমস্যা বয়স বেশি বিভিন্ন ইস্যু এখন আমার ছেলের বয়স ২৫ মাস করতে এখনো জন্ম নিবন্ধন করতে পারিনি আর করতে পারব কিনা তাও জানিনা
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে সরকারের ফি ৩৫০ টাকা। কিন্তু আমার কাজ থেকে ৭/১০ দিনের মধ্যে করে দিবে বলে ১০০০০ টাকা চেয়েছে।
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।