Mukti jodha kollam trust
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
এলাকায় কেউ বাড়ি করতে গেলে তাকে হয়রানিমূলকভাবে সিটি কর্পোরেশনের আইন দেখিয়ে যার কাছ থেকে যা পারে নিয়ে নেয়। এমনকি জন্ম নিবন্ধন প্রতি ৩০০ টাকা করে নেয়। কার্ডের জন্য ৩০০ টাকা করে নিয়েছে। ভাতা কার্ড হোল্ডার দের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে।
“ময়মনসিংহ পিডিবির একজন অসাধু ইঞ্জিনিয়ার মালিকের অনুপস্থিতিতে মিটার খুলে নিয়ে আসে। পরে প্রিপেইড মিটারে বিভিন্ন ধরনের কারচুপি হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বিষয়টি নিয়ে আপস করতে বলে। এরপর আপসের জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করে এবং বলে, টাকা দিলে সে নিজে থেকেই বিষয়টি ঠিক করে দেবে। অথচ প্রকৃত সমস্যা মিটারের সফটওয়্যারজনিত। অর্থাৎ, সফটওয়্যারের সমস্যাকে মিটার কারচুপির অভিযোগ হিসেবে দেখিয়ে আপসের নামে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে।”
আমি একটি ১০০% রপ্তানি কারক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কমার্শিয়াল ম্যানেজার। আমার প্রতিষ্ঠানের সহগ রিনিউ করার জন্য আবেদন করি, সব কিছু ঠিক থাকার পরো, ARO অফিসার আমার কাছ থেকে এই অর্থ দাবি করে। সে বলে এই টাকা সকল অফিছার কে ভাগ করে দিতে হবে। অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে মহাপরিচালক পর্যন্ত টাকা ছাড়া ১ টি স্বাক্ষর ও করে না।তার পর আমি আমার কোম্পানির মালিক কে বলে এই টাকা দিতে বাধ্য হয়। কারণ সহগ ছাড়া আমরা কোন পণ্য রপ্তানি করতে পারবো না।
আমার আম্মু আব্বুর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য, থানার কম্পিউটার অপারেটর ২০০০ টাকা দাবি করে নিছে!
যোগ্য ব্যাক্তির সার্টিফিকেট এর জন্য আমার কাছে ৫০০০০০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলো। কলকারখানা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়।
জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলা তাদের অফিসের সামনে হেল্প দেখছে বসে থাকা দালাল অফিসের কর্মচারী তাদের কাছে নতুন ভোটারের জন্য গেলে টাকা ছাড়া হয়রানি করা হয়। এটি প্রত্যেকটি ভোটারের ক্ষেত্রে
ঢাকা-ঘাটে লঞ্চ চলাচলের অনুমোদন দিয়ে থাকে। তারা সব সময় বিভিন্ন লঞ্চ থেকে এভাবে টাকা উত্তোলন করে। নাহলে প্রচুর ঝামেলা করে। লঞ্চ চল্লেই কোন না, কোন বাহানায় টাকা আদায় করে। ওই টাকা সবাই ভাগকরে নেয়।
অনেক দাবি করে, কমপক্ষে ২০০ দিতেই হয়। তা নাহলে তিনি সনদ কম্পিউটারে টাইপই শুরু করেন না
জাতীয় পরিচয় পত্র নবায়ন করা অন্য শহর মানে ঢাকা থেকে জন্মনিবন্ধন করা হইছিলো এখন নোয়াখালী আইডি করতে চাওয়াতে এই অর্থ দাবী করে।
কৃষি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় কিন্তু এটার অনলাইনে আপডেট হয় নাই তিন দিন ঘুরানোর পর এটার জন্য টাকা দাবি করা হয়েছিল ।
বিল্ডিং এর প্ল্যান অনুমোদন করানো বাবদ নোয়াখালী পৌরসভা অফিসকে টেবিল খরচ বাবদ দিতে হয়েছে। ঘুষ ছাড়া ফাইল ফেলে রাখে। বারবার ফেরত দেয়। অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও একটা কাগজপত্র চায়।
Id Card uttolon korte gie amar sathe protarona koreshilo, box number dieci prothome bolece nai id card n cimputer dokan theke duplicate copy ber korte bolece , jokon 450 taka die id card utani hoy tokhn dokandar bolece id card ace , upore abar gie dekhi id card asce , tara bole akhn dibe na kinto taka dewar kotha bolle tatkhonic id card ane dai,,,
একটি সরকারি ট্রেনিং এ গমনের জন্য জিও অনুমোদন করতে উপসচিব এর প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে। নির্ধারিত যাত্রার প্লেন এর তারিখ এর আগেরদিন পর্যন্ত টাকা না পেয়ে ফাইল ধরে রেখেছিলো। পরে টাকা নিয়ে সেদিন বিকালে ফাইল ছাড়ে।
সাংবাদিক এসেই টাকা চায়, নাস্তা খরচ, লাঞ্চ খরচ, যাতায়াত খরচ বকশিস
অনেক ঘুরাচ্ছিল। টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে, তাছাড়া দেরি হবে অনেক। — নামের লোক টাকা নিয়েছে, ডিজি হেলথ ঢাকা তে।
পাসপোর্ট করার জন্য একটি ন্যাশনাল আইডি কার্ড প্রয়োজন ছিল, ফেসবুকের একটা গ্রুপে পোস্ট করি "ইমারজেন্সি ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানাবো কিভাবে সে ব্যাপারে কেউ একজন সাহায্য করুন, একটা মেয়ে সেখানে কমেন্ট করলো, সে নাকি তিন দিনের মধ্যে ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানিয়েছে, তাই আমি তার কাছে জানতে চাইলাম, আপনি কাকে দিয়ে এই ন্যাশনাল আইডি কার্ডটি বানিয়েছেন, সে আমাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় নির্বাচন অফিসের একজনের নাম্বার দিয়েছে, এবং বলল সে একদিনের ভিতর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর ব্যবস্থা করে ফেলে, কি বলল ৭ হাজার টাকার মতো খরচও হতে পারে, তাই আমি ওই লোকটিকে ফোন করে কথা.......... এত লিখা এখানে জায়গা নিচ্ছে না, তাই বিস্তারিত জানতে [redacted] এটা আমার নাম্বার কাইন্ডলি নক দিন। আমি বিস্তারিত ঘটনা বলতে চাই
আমার চাচাতো ভাইয়ের সরকারী চাকরী হয়। পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য পুলিশ আসলে তারা ৫০০০ টাকার নিচে কনো মতেই নিবে না। এটা নাকি মিষ্টি খাওয়ার টাকা। গ্রামের মানুষ যদি চাকরী হাতছাড়া হয়ে যায় তাই টাকা দিছে। ২০০০/২৫০০ টাকা দিতে চাইলে নেয় নাই ৫০০০ টাকাই নিছে।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য মিরসরাই থানা থেকে ফোন দিয়েছিল। বিকাশ নাম্বার দিল এইটা তে ১০০০ টাকা পাঠাতে বললো । আমি ৫০০ টাকা দিয়েছিলাম । মাত্র ৫০০ কেন দিলাম জিজ্ঞেস করাতে আমি স্টুডেন্ট পরিচয় দিলাম । পুলিশ টা ভালো ছিলো বলে ৫০০ টাকা মঊকুপ করেছে ।
২০২৫ সালে সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতির পর পোস্টিং এর অপেক্ষায় থাকার পর একসময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে আন অফিসিয়ালি জানানো হয়, আপাতত কোন স্বাভাবিক পদায়ন হবে না। পরে এক সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া যায় যেটা থেকে প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা দাবি করে, কার্য সম্পাদনের দ্রুততার উপর বেইস করে। মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। ইনটেরিমের সময় পদায়নের জন্য অটোমেশন সিস্টেম চালু করা হয়েছিলো যা বর্তমানে অকার্যকর।এটি পূনরায় চালু করার দাবি জানাই।