সরকারি ভাতা ও বিল অনুমোদন
সরকারি কর্মচারী/কর্মকর্তা সকলকে এবং সরকারি কেনাকাটার ৫% হারে জেলা বা বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে ঘুষ দেওয়া লাগে। এটি অনেকটা ওপেন সিক্রেট, সবাই জানে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সরকারি কর্মচারী/কর্মকর্তা সকলকে এবং সরকারি কেনাকাটার ৫% হারে জেলা বা বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে ঘুষ দেওয়া লাগে। এটি অনেকটা ওপেন সিক্রেট, সবাই জানে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।
DPDC 1 Kilowatt addition
বিটাক, ঢাকার, অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা), প্রধান কার্যালয়, বিটাক ও প্রকল্প পরিচালক (৬ বিটাক শীর্ষক প্রকল্পে সংযুক্ত) অফিস: বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) ইমেইল: [redacted] ফোন : +৮৮০১৮১৬৮৮৮০৫৪ (৬ বিটাক শীর্ষক প্রকল্পে সংযুক্ত) প্রকল্পে উনি ২ কোটি টাকা অসৎভাবে উওনার পছন্দের কনট্রাকটর কে দিয়েছেন ওই কনট্রাকটর এর সাথে জোগসাজসে বার বার এই অবৈধ কাজ করছেন ।
আমার চাচা, একজন প্রবাসী তিনি যখন দেশে আসে পাসপোর্টটাকে রিনিউ করার জন্য, পাসপোর্ট অফিসে যাই, এবং ইউনিয়ন পরিষদে যায়,তখন তাকে বিভিন্নভাবে বলে যে এটা এই এই সমস্যা, অনেক সমস্যার কারণ উল্লেখ করে, অনেক কিছু বলে যে এখন এটা করা সম্ভব না, ইত্যাদি। কিন্তু এখানে সমস্যা ছিল শুধু একটা সেটা হলো তার মাতার নামের সমস্যা, এই একটা সমস্যার সমাধান করতে সে চেয়েছিল, না হলে তার পাসপোর্ট রিনিউ। কিন্তু সরকারি নিয়মে এটা আবেদন করলেই খুব দ্রুত সংশোধিত হয়ে যায়, কিন্তু সংশোধনের বিভিন্ন উসিলা দেখিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করেছে, যেহেতু তিনি প্রবাসী এবং তার ছুটি বেশি সময় না, এবং তাকে NID সংশোধন করে আবার পাসপোর্ট সংশোধন করতে হবে এবং পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে, এই কারণে তিনি বিভিন্ন ঝামেলা এড়াতে তাকে টাকা দিতে সে বাধ্য হয়েছে।
একটি ভোটার আইডি কার্ডের নাম আংশিক পরিবর্তনের জন্য দিতে হবে ৫০০ টি টাকা হাজার হাজার মানুষ জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, ভাতার কাট, নাগরিক সনদ ইত্যাদি নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। নাম —, অনেক বড় লিংক তার।
আয়কর ফাইলে ভৌতিক ব্যবসা প্রদর্শন পূর্বক বিক্রয় প্রাক্কলন করেন ১৪ কোটি টাকা। নীট আয় ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। যার আয়কর নির্ধারণ করা হয় ৩৫ লক্ষ টাকা। উপরি প্রদান সাপেক্ষে সম্পূর্ণ অংশ বাতিল করে দেন।
যমুনা তেল কোম্পানির ঢাকা বিভাগ সেলস এর এ জি এম সেলস —, এই তেল সংকটের সময় প্রতিটা পাম্প থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা খেয়ে তেল বিতরন করেছেন। এবং বর্তমানে — সরকারি নিয়ম না মেনে যাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ পেয়েছেন শুধু তাদের নিয়মের অতিরিক্ত তেল বরাদ্দ দিতেছেন এবং তারা প্রতিদিন জ্বালানি তেল পাচ্ছেন। যারা —কে টাকা না দিচ্ছে তারা তেল পাচ্ছে না যদিও পায় খুবই খুবই অল্প পরিমাণ।আমাকে বিভিন্ন ভাবে ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়েছেন টাকা চেয়েছেন যে টাকা দেন প্রতিদিন তেল পাবেন। আমি তো আছি।
আমার ওয়াসার পানির মিটার টি নষ্ট হয়ে গেছে এ মিটার টির রিডিং আসেনা বা মিটার টি কাটা ঘুরেনা বিধায় সঠিক রিডিং পাওয়া জায় না। অফিসে অবগত করার পরেও দীর্ঘ দিন যাবত বিল বেশি তৈরি করে বেশি বিল নিচ্ছে। নতুন মিটার এর জন্য অফিসে বললে তারা আমাকে বলে য়ে নতুন মিটার দেওয়া যাবে না অথচ অচল মিটার য়া রিডিং আসেনা অথচ ভিল তৈরী করে বেশি বিল নিচ্ছে। নতুন মিটারের কথা অফিসে বললে তারা আমার কাছে মোটা অংকের অর্থ দাবি করেন।
FC account খুলার জন্য আমি সোনালী ব্যাংক ওয়েজ আর্নার ব্রান্ষে যাই 9 August 2026, account ghular por দ্বিত তলায় বসে লোকটা Lunch করার নামে আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়, শেষ পর্যন্ত আমি ৫০০ টাকা দিয়ে বিদায় হই
নতুন পাসপোর্ট আবেদন ভেরিফিকেশন এর জন্য নওগাঁ সদর পুলিশ আমার কাগজ নিয়ে কয়েকদিন বসে ছিল ,পরবর্তীতে নিজ উদ্যোগে থানায় গিয়ে আমার বাবার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে , পরবর্তীতে আনুমানিক ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফিকেশন করিয়ে নিতে হয়।
The police officer asked for "khorcha pati". Sent 1000 through bkash.
পেনশনের সময় ছুটির বিল এবং এলপিআর এর বেতন বিল
আমার বয়স ২২।আমরা ২ভাই। বড় ভাই বিবাহিত। এম.এ পাশ। চাকরি করে না।মাদকাসক্ত বড় ভাই গাজা ইয়াবা সেবন করে এসে প্রতিটি কথা মানে আব্বু মারা যাওয়ার পর থেকে সে বাবা(ইয়াবা) খেয়ে এসে এবং যখন টাকা পায় না সেগুলো খাওয়ার জন্যে আমাকে মারধর মা কে একবার মাথায় কাচের গ্লাস দিয়ে মেরে ৭টা সেলাই আবার সেই মা ই ওই বড় ছেলের দিকে টান বেশি দেখায় এসব সব অভিযোগ দেওয়ার পরেও পুলিশ বাসায় আসে এবং আমার গায়ে অসংখ্য কাটা দাগ দায়ের কোপ,রডের বাড়ি দেখেও গ্রেপ্তারে নারাজ ঘুষ দাবি। বাসায় এসে মা এর কথা শুনে। আর আমার মা আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার বিধান থেকলেও আমাকে আমার প্রাপ্য দেন না। এসবের সব ১০০% সত্য তা থাকলেও। সদর থানার এ এস আই ঘুষ দাবি করেন বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে পিকাপে উঠার সময়
এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে বেতন ছাড় করতে গেলে বিভিন্ন ইস্যুতে ভুল ধরে তৃতীয় মাধ্যমে ২৫০০ টাকা নাস্তা খরচ নিয়েছে
আমাদের বাসায় একটি মিটার লাগানোর প্রয়োজন ছিল।আমি অনলাইনে নতুন মিটার এর জন্য একটি আবেদন করি।সেখানে আমার খরচ হয় ২০০ টাকা। ২০০ টাকার মধ্যে সরকারী আবেদন ফি ১৩৪ টাকা দিতে হয়।১৩৮ টাকা পেমেন্ট করলে আবেদন কমপ্লিট হয়।আবেদন কপি দিয়ে আমার বাবা কে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে পাঠালে প্রথম এ অফিসে থাকা কর্মকর্তারা আমার বাবার সাথে খারাপ আচরণ করেন।তারপরে তারা আমার বাবাকে 7000 টাকায় মিটার লাগানোর জন্য প্রস্তাব জানান।পরে আমার বাবা তাদের ফোন নাম্বার নিয়ে কাগজ জমা দিয়ে আসেন এই বললে যে পরবর্তীতে তাদেরকে জানানো হবে।এর পর তারা একদিন আমাদের বাসায় আসেন এবং আবার সেই 7000 টাকার প্রস্তাবটি জানান। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অনেক খারাপ আচরণ করে এবং তারা বাইকের তেল খরচ বাবদ ৫০০ টাকা দাবি করে ২০০ টাকা দিলে নিতে চায় না।
সার্টিফিকেট পিতার এর নাম ভুল ছিলো, ঠিক করতে ক্যাশ নিয়েছেন —
বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন এর চেয়ারম্যান জামিন দেয়ার জন্যে নিয়মিত ঘুষ নিতেন এবং আমার এবং আমার পরিচিত অনেকের কাছে চেয়েছেন।
জন্ম নিবন্ধন এর কাগজ জমা দিবো তাই ১০০ টাকা জমা দিতে হবে।
সকল অফিশিয়াল কার্যক্রম শেষ করে যখন সনদ ইস্যু করা হবে তখন ফাইনাল ষ্টেজে যেয়ে পিয়ন ১০,০০০/- টাকা দাবী করে বসল। তখন অনেক রিকুয়েস্ট করে ৭০০০/- (সাত হাজার ) টাকায় দিয়ে রফাদফা করতে হয়েছে
Whenever you go to collect your certificate, you are required to pay Tk 100 to the clerk. Otherwise, he refuses to hand over the certificate. When I asked for a receipt for the payment, the clerk refused to provide one and said, “Without the money, I will not give you the certificate. Do whatever you want.” This is extremely concerning, as the payment appears to be unofficial and no receipt is being provided. I would like this matter to be investigated and appropriate action taken.