শিক্ষক স্থায়ীকরন ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে।
চাকুরি স্থায়ীকরন ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য টাকা চাওয়াহয়েছে। সরকারি আলাওল কলেজ, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চাকুরি স্থায়ীকরন ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য টাকা চাওয়াহয়েছে। সরকারি আলাওল কলেজ, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
আমার একটি পণ্যের বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স এর জন্য সরকারি ফি এর বাইরে অতিরিক্ত আরও ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। আমি এখনো পরিশোধ করি নি। তবে না দিলে ফি বাড়িয়ে ধরবেন বলে হুমকি প্রদান করেছেন।
আমরা ৩ জন কনস্টেবল ও ১ জন এস আই মিলে রাস্তায় নিয়মিত চেকপোস্ট এ ডিউটি করতেছিলাম। একটা সি এন জি তে চেক করে আমরা ১,০০০ পিছ ইয়াবা পাই। ১,১৬,০০০ টাকায় এস আই মাদক কারবারি কে ছেড়ে দেয় এবং আমাদের কে নিষেধ করে ওসি স্যার কে না জানাতে। বিনিময়ে জনপ্রতি ২৫০ পিছ করে ইয়াবা অথবা সমপরিমান টাকা দেওয়ার কথা দেয়। কথা অনুযায়ি জন প্রতি ৬২,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ২ দিন পর শুধু মাত্র ৪০,০০০ টাকা দেন তিন জনকে। মানে জনপ্রতি ১৩,০০০ টাকা। আমি এই টাকা নিতে না চাইলে এবং ওসি স্যার কে বলে দেওয়ার কথা বললে ওনি কিছুটা নমনিয় হন কিন্তু বাকি দুই জনকে ৪০,০০০ দিয়ে দেন এবং আমাকে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু ৫ দিন এর ভিতর আমার নতুন করে বদলির আদেশ আসে খাগড়াছড়ি যেখানে আমি মাত্র ২৭ দিন আগে সোনারগাও বদলি হয়ে আসছিলাম ।।
মাতৃত্বকালীন ভাতার কাড করতে নিয়েছে । হয়েছে কি না তা টাকা আসলে জানা যাবে।
আমি প্রতিবারের মতোই ভ্যাট আফিসে গিয়ে আমার দোকানের ভ্যাট জমা দেই ভ্যাট অফিসে গিয়ে,কিন্তু তারা ভ্যাট বাড়ানোর জন্য বলেছেন আমি বারিয়েছি এরপরেও ভ্যাট দেওয়ার পরে আমার কাছে তাদের খরচের টাকার কথা বলে ৫০০টাকা চান এবং আমাকে দিতে হয়,নাহলে উনারা যেকোনো উপায়ে জরিমানা লাগিয়ে দিতে পারেন যেটা পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক
থানায় বলল যে এখন হচ্ছে আপনার জামাতের এমপি হয়েছে এখন তার ঘুষ নিতে পারবো না হাদিয়া দেন টাকা ছাড়া কাজই করল না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হলো
টাংগাইল পৌরসভায় জন্ম সনদ /মৃত্যু সনদ সংশোধন করতে গেলে বিনা কারণে হয়রানি করা হয়।অজথা অনলাইনের আবেদন গুলো ভুল ধরে সেগুলোকে পেন্ডিং করে রাখে। দায়িত্বশীল সেনেটারী ইন্সপেক্টর — আমার কাছে থেকে ৫০০৳ ঘুষ নেয়, পরবর্তীতে অফিস টাইমের বাহিরে ফোন করে আরো টাকা ধার হিসেবে দাবী করে, আমি দিতে অস্বীকার করি, এতে সে আরো কয়েকদিন ঘুরিয়ে পেচিয়ে তারপর আমায় সনদ গুলো দেয়। টাংগাইল পৌরসভার সবগুলো কর্মচারী দূর্নীতিবাজ, টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না সেখানে।
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী। আমার ভোটার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট গরমিল রয়েছে। পাসপোর্ট অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ড করতে হবে। আমি আবেদন করেছি। কিন্তু আবেদন বাতিল হয়ে গেছে। উপযুক্ত ডকুমেন্ট গিয়েছিলাম। মানিকগঞ্জ নির্বাচন কমিশন অফিসের একজন ড্রাইভারকে ১৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে থাকি। কিন্তু ঘুষ নেওয়ার পরে সে কোন কাজ করেনি
মানহানির একটা মামলা করেছিলাম সব কিছুর প্রমাণ দেওয়ার পরও পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকার দাবী করে । কিন্তু আমি না দেওয়ার কারণে আমার মামলা টা ভুল করে দেওয়া হইসে। এ মামলা ভুল প্রমাণিত হওয়ায় পরে যে ব্যক্তি আমার মানহানি করলো সে যদি চায় উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে যা অনেক দুঃখ জনক। শুধু তাই নয় আদালত এর প্রত্যেকটা জায়গায় এরকম হয় একবারে পেশকার থেকে শুরু করে যেমন - ১ বার একটা কাগজ দিতেই লেগে গেছে ১০০০ টাকা শুধু তাই না আরও অনেক কে দেওয়া লাগসে অনেক বার করে। এই পর্যন্ত আমার ২ লক্ষ টাকার বেশি চলে গেছে এইটার পিসনে আমার ধারা আর কুলানো সম্ভব না হওয়ায় আমার মামলা টা হলোই না উল্টো আমি যুক্ষিতে পরে গেলাম ।। বাংলাদেশের করাপশন মুক্ত বাংলাদেশ হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য ।।
আমার পণ্যটি ছিল ১০৯০ ডলারের। কিন্তু অফিসার আমার উপর জুলুম করে ১৫৯০ ডলারের অ্যাসেসমেন্ট করতে চেয়েছিল। ৩২৫০০০টাকা ঘুষ খেয়ে, ১১৪০$ এসেসমেন্ট করেছে।
জন্ম নিবন্ধন করতে সরকারি চার্জ ৫০ টাকা । কিন্তু আমি ২টা নিবন্ধন এর বাবদ ৪০০ টাকা দিয়েছি । এটা সাভার উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ
pcc.police.gov.bd এর মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। এরপর পুলিশ ফোন দিয়ে অনেক কাগজ চায়। পরে অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে, খরচ পাতি আছে বলে টাকা চায়। বিদেশ যাবার জন্য প্রয়োজন, তাই দিতে বাধ্য হই।
মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কোনো মাতৃত্বকালীন ভাতাই অর্থের বিনিময়ে ছাড়া হয় না। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও চৌকিদারের মাধ্যমে এই ঘুষের টাকা সংগ্রহ করেন। ওনার কাছে এই সংক্রান্ত কোন সেবার জন্য গেলে তিনি তথ্য প্রদান না করে উচ্চবাচ্য এবং খারাপ ব্যবহার করেন । তিনি একজন মহিলা হয়েও গর্ভবতী মহিলাদের সাথে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন। সরকারের এই আর্থিক প্রণোদনাকে তিনি আওয়ামী লীগের আমল থেকেই ব্যবসায়ের মাধ্যম বানিয়েছেন। ভাতা বন্ধ থাকলে তথ্য নিতে গেলেও কোন তথ্য না দিয়ে বরঞ্চ রাগ করা হয়।
আয়কার আসছে ৫০০০ টাকা। আর আয়কর সরকারের কোষাগারে জমা দিতে ঘুস দিতে হয়েছে ৩৫০০ টাকা।
আমাদের বিদ্যুৎ মিটার থেকে যে তারটি খাম্বাতে গেছে। সে তারটি মাঝখানে টিনের সাথে লেগে ছিড়ে যাওয়ার কারণে নতুন তার দিয়ে সংযোগ স্থাপন করার জন্য বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করতে গেলে। তারা বলে এটা তাদের যাচাই করতে হবে। তারা যে লোকটাকে পাঠিয়েছিল। সেই লোকটা মিথ্যা তথ্য তৈরি করে জমা দেয়। সে রিপোর্টে লিখেছিল আমরা নাকি মিটারের তার থেকে জেনারেটর চালিয়েছি। আমি বিদ্যুৎ অফিসার কে জিজ্ঞেস করেছিলাম জেনাটার থেকে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করি বিদ্যুৎ থেকে জেনারেটর কেন চালাবো। এটা টিনের সাথে লেগে তারটা কেটে গেছে। তারা আমার এবং আমার মায়ের কথা শুনে নাই। তাদের একটাই দাবি নতুন তার লাগাতে হলে ২৭ হাজার টাকা দিতে হবে। এবং এই টাকার কোন রশিদ তারা দিবে না। পরবর্তীতে আমরা সে টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই। এটা রাউজান পল্লী বিদ্যুৎ।
আমি কিছুদিন আগে ডিপিডিসি এর নারিন্দা জোনের বিদ্যুৎ অফিসে যাই তাদের একজন কর্মচারীর সাথে কথা বলে আমার বাসার জন্য একটি নতুন মিটার নেতার জন্য। নতুন মিটার লাগাতে সাধারণত ১১০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে কিন্তু তারা আমার কাছে প্রথমে ২০০০০ এবং পরে ১৭০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা ছাড়া মিঠা লাগানো সম্ভব না টাকা ছাড়া শুধু মিটারের টাকা জমা দিলে বছরের পর বছরও মিটার লাগানো সম্ভব না। আমার পক্ষে এত টাকা দিয়ে মিটার লাগানো সম্ভব না তাই আমি আর কথা বাড়েনি আমি চলে আসি।
ডিলার নিয়োগ ও নিবন্ধন নবায়ন আবেদন করতে এই টাকা চাওয়া হয়েছে।
এসএসসি ২০২৬ সালের শিক্ষার্থীর ৮ম শ্রেণির পুরোনো রেজিষ্ট্রেশন বাবদ ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে...অথচ উক্ত রেজিষ্ট্রেশন এর সরকারি ফি মাত্র ১৯৫ টাকা
They demanded that we pay VDS on our earnings, but we clearly informed the revenue officer that we are exempt from paying VAT as per the Supreme Court order. However, he demanded that we pay under the table Tk. 4,000,000; otherwise, they will issue a demand note on our total earnings, which may be Tk. 18,000,000. As we kept refusing payment of 4 million, they came down to Tk. 2 million, but we still refused to pay. We took the matter to the higher authorities and explained our position; they told us they would look into it and get back to us. We are now waiting and hope good sense will prevail.
পাকুন্দিয়া থানা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে ২৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে,, টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের অগ্রগতি একের মধ্যে আটকে থাকে