এনজিও কার্যক্রম পরামর্শ ও প্রজেক্ট ছাড়করন
নতুন এনজিও হিসেবে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরোর মহাপরিচালকের একান্ত সচিবের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলাম।সে সুন্দর করে তার সিন্ডিকেটের ভিতর আমাদের ঢুকায় দিয়ে, ঘুষ দিতে বাধ্য করলো
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন এনজিও হিসেবে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরোর মহাপরিচালকের একান্ত সচিবের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলাম।সে সুন্দর করে তার সিন্ডিকেটের ভিতর আমাদের ঢুকায় দিয়ে, ঘুষ দিতে বাধ্য করলো
সংশোধন করা যাচ্ছিলো না, টাকা দেয়ায় করে দিছে
আমার মায়ের নাম সার্টিফিকেট ভূল ছিল। পরে তা সংশোধন করতে সরকারি খরচের বাইরে এই ২০০০ টাকা আমার থেকে দাবি করে, পরিশোধ করলে ও সময় মতো কাজ করে দেয় নি। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সেইম!!
গুগোল এডসেন্স এর চিঠি আসছিলো। এরা ঐটা আটকে মিষ্টির টাকা চায়। ৫০ টাকা দিতে চাইলে প্রত্যাখ্যান করে। সম্ভবত ১০০ দিয়ে পরে ম্যানেজ করেছিলাম। ঘটনা ২০২১ এর সম্ভবত।
ফাইল ফরওয়ার্ড জিম্মি
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।
ইউনিয়ন পরিষদে যাই, আমার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি সংশোধন করতে। সেখানে দেখা যায়, সচিব সরাসরি অর্থের বিনিময় ইউনিয়ন পরিষদ সেবা প্রদান করছে। যে টাকা দিতে পারছে না, তাকে নানা কাজের জটিলতা বুঝাচ্ছে। থানায় জিডি, উপজেলায় আবেদন, নির্বাচন অফিসে যাওয়া ইত্যাদি৷ টাকা দিলেই সেই জটিল কাজের দাইত্ব নিয়ে নিচ্ছে সচিব।
আমি জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট করে সৌদি আরবে এসেছি। আমার জন্মনিবন্ধনের সব তথ্য সঠিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারিভাবে তথ্য অনলাইনে তোলার সময় আমার জন্মতারিখ ভুলভাবে ৮ বছর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে ইউনিয়ন সচিবের কাছে গেলে তিনি বলেন, এটি ঠিক করা সম্ভব হবে না। পরে একই অফিস থেকে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা সেখানে নিয়মিত ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৩০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট চায়ের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতেও ৩,০০০–৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে
আমি একটা কন্টাক্টি কাজ এর জন্য একটা ফরম পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেই যা খরচ ৭০০টাকার মত,কিন্তু আমার দিতে হয় বিভিন্ন ভাবে ১হাজার টাকার মত।প্রতিটা স্টেপ এ তারা টাকা ছাড়া কাজ করে না,,,,টাকা না দিলে আটকায় রেখে দিবে।
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
সাধারণ জন্মনিবন্ধ করার জন্যে ৭০০৳ দাবি করে বসে। যদি না দিই তাহলে কার্ড হবে না। কার্ড ইমারজেন্সি ছিলো তাই চেয়ারম্যানের অফিসে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে হয়েছিলো।
বিগত কয়েকদিন থেকে জায়গা জমি জেরে আমাকে নানান ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং ঐদিনও আমাকে হুমকি দিচ্ছিল এবং সামনাসামনি এবং আমি ওটা ভিডিও করতে গেলে আবার ফোন ভেঙে ফেলে এই তো এটা নিয়ে আমি থানায় জিডি করি তবে তদন্ত কোর্টে পাঠাতে নাকি পুলিশের টাকা লাগবে সে আমাকে সরাসরি টাকা দাবি করে কোন কথা বলে নাই এ ব্যাপারে
ইউনিয়ন পরিষদে যেকোন সেবা নিতে গেলে মূল দামের তিনগুন টাকা রাখা হয়। উদাহরনঃ ট্রেড লাইসেন্স ফি ৫৭৫ কিন্তু বাস্তবে নেওয়া হয় ৯০০-১৫০০ এবং বড় বড় গার্মেন্টস থেকে লক্ষাধিক টাকা।জনগন অতিষ্ঠ সচিব আর কথিত চেয়ারম্যানের উপর।
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে কোন খরচ নেই, কিন্তু অফিস সহকারী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী সচিবের সাথে যোগ সাজসে ১৫০ বা এর অতিরিক্ত টাকা নেয়
ইদানীং বিদ্যুৎ অফিসে নতুন সংযোগ নিতে গেলে ইন্সপেকশন এ ফেইল করে দেয়। তবে মিটারপ্রতি ৫-১০ হাজার টাকা জমা দিলে ইন্সপেকশন ও সাকসেস হয় সাথে মিটার লাগিয়ে দিয়ে যায়।
আমাকে বলছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে। অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়ে ইনকাম ট্যাক্স বাড়িয়ে দিবে। আমি নিরুপায় তাই টাকা দিতে বাধ্য।
বিল্ডিং এ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া।
আমি বিদেশ থেকে হজ্বে যাওয়ার উদ্দেশ্য পাসপোর্ট রি-নিউ করতে গেছিলাম। উনারা বলছে জন্ম নিবন্ধন লাগবে। জন্ম নিবন্ধনের নামের বানান ভুল ছিল। আমি বিদেশ থেকে বসে কথা বলছি, টাকা না দিলে সংশোধন হবে না। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল