ফায়ার লাইসেন্স
আগে লাইসেন্স রিনিউ করতে ফি লাগত সরকারি ফি ৫০০ টাকা+ ঘুষ ৩০০০ টাকা। কিন্তু এই বছর লাইসেন্স এর উপর সরকারী ফি বসিয়েছে অতিরিক্ত ১৫০০০ টাকা আর ঘুষ দাবি করছে ১০০০০ টাকা।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আগে লাইসেন্স রিনিউ করতে ফি লাগত সরকারি ফি ৫০০ টাকা+ ঘুষ ৩০০০ টাকা। কিন্তু এই বছর লাইসেন্স এর উপর সরকারী ফি বসিয়েছে অতিরিক্ত ১৫০০০ টাকা আর ঘুষ দাবি করছে ১০০০০ টাকা।
আদালতে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে না পারার কারণে আমি ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার কাছে কল রেকর্ড এবং ডকুমেন্ট প্রমাণ রয়েছে।
দুর্নীতির মামলায় হয়রানিমূলক ভাবে জড়িয়ে, পরে টাকার বিনিময়ে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। মামলা চলাকালীন সময়ে আমার বেতন স্থগিত আছে । এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে আমার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
সেপ্টেম্বর মাসে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিবন্ধনধারীদের উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হয়। MPO আবেদন করার জন্য ফাইল পাঠানো হলে থানা শিক্ষা অফিসার, অপর্যাপ্ত লিখে সেটি রিটার্ন করে দেয়। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। এবং তাকে জানিয়ে দেন ঘুষের ব্যপারটা। MPO আবেদনের জন্য মাধ্যমিক থানা শিক্ষা অফিসার ১০০০ এবং এরিয়ার আবেদন বাবদ ২০০০ টাকা মোট ৩০০০ টাকা তিনি ঘুষ নেন। ৩ জন নতুন শিক্ষক ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়েছি। ঘুষের পরিমাণ ছিলো ৯০০০ টাকা। থানা শিক্ষা অফিসারকে না দিলে তিনি কোনভাবেই MPO ফাইল ও বকেয়ার ফাইল এপ্রোভ করতেন না। তাছাড়া থানা শিক্ষা অফিসের পর জেলা শিক্ষা অফিসে ১০০০+১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখে এবং শেষ সময়ে পাঠিয়ে দেয়।
আমি জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য সব কাগজপত্র জমা দেই।কিন্তু তাও আমার কাগজ টেবিলে তোলা হায় নি।পরে আমার কাছে ইন্ডাইরেক্টলি টাকা দাবি করা হয়।২ সপ্তাহ হয়রানির পর আমাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়।পরে ২ দিন পর আমার কাগজ টেবিলে তোলা হয়।পরে সবার থেকে জানলাম,সবার থেকেই ২-৩ হাজার টাকা করে নিচ্ছে।এমন একজনও নেই যে টাকা ছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে পারছে ভোটের সময় বাদে।যেখান থেকে আমি হয়রানির শিলার হই-শিদলাই,ব্রাহ্মণপাড়া,উপজেলা অফিস,কুমিল্লা।
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বালি ভরাট কাজটি পাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা রাজশাহীতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছি
রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে । এর ক্ষতি পূরণ আদায় করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা হয়েছে । এর পরেও কাজ হচ্ছিল না । পরে একজন সার্ভেয়ার অফার করে ১১% ঘুষ দিলে টাকা পাওয়া যাবে । ২৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে । চেক ও হয়ে গেছিল । পরে তাদের নিজেদের ভাগাভাগির গন্ডগোলের কারণে চেক আটকে দেয় ।এখনও টাকাটা পাওয়া যায়নি ।
কারমাইকেল কলেজ রংপুরের সবচেয়ে প্রাচীন ও সুনামধন্য কলেজ হলেও এর ভিতরে চলে রমরমা দুর্নীতির ব্যবসা। কলেজের 12th এর টেস্টের পর অকৃতকার্য ছাত্রদের টাকার (১০০০০) বিনিময়ে এডমিট কার্ড প্রদান করে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে । এছাড়াও বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানান অনিয়মের আতুরঘর। দুর্নীতির অপর নাম ই যেন কারমাইকেল
সাইন অফ করাতে, অনলাইনে ভয়েজ আপডেট এসব ঘুরায়, পরে আসতে বলে ইত্যাদি নানবিধ অজুহাত। ৪ টেবিলে ৫০০+২০০+২০০+১০০ করে ১০০০টাকা দিয়ে ১ ঘন্টায় কাজ করেছে। টাকা না দিলে ২ দিন লাগায় বা নানাবিধ অজুহাত। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী। এভাবেই সবাই টাকা দেয় তাদের।
জাতীয় পরিচয় পত্র তুলতে গেলে অফিস(কালশী, মিরপুর) থেকে জানায় সেটি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। ৭ দিন পর আসতে বলা হলো। এরপর আরো ৩ দিন পর আসতে বলা হলো। নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হলে অফিস কর্মচারি জানান, কার্ড খুজে পেতে কিছু টাকা লাগবে। আমি বললাম কার্ডটি কোথায় আছে? কর্মচারী বলল, সে জানে না, তাকে খুজে দেখার সময় দিতে হবে এবং অনেক পরিশ্রমের ব্যাপার তাই অন্তত ৭০০ টাকা লাগবে। সে সময় এই পরিচয় পত্র না থাকায় কিছু জরুরি কাজ আটকেছিল তাই অনেক বুঝানোর পর ৫০০ তে সেই কর্মচারি রাজি হলেন এবং আমাকে অফিসের নিচে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলা হলো। ১০ মিনিট পর অন্য একজন লোক(সেই কর্মচারীর কালেকশান এর জন্য নির্ধারিত) এসে কার্ড দিলেন আর ৫০০ টাকা নিয়ে গেলেন।
নোয়াখালী চাটখিলের উপজেলা অফিসে নতুন এনআইডি কার্ডের আবেদন করতে গেছে আমার একজন রিলেটিভ, অফিসের লোকজন কোনো পাত্তাই দেয় না৷ একবার বলে এই সমস্যা আর একবার বলে ওই সমস্যা। একবার বলে ওনার দাদার আইডি কার্ড লাগবে পরে আবার বলে দাদার আমলের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ লাগবে। মানে বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব ১০ কিলো প্রায় ৫ বার বাড়িতে আপ-ডাউন করা লাগছে। কিন্তু একবারে বলে না কি কি ডকুমেন্টস লাগবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকার কম্পিউটার দোকান থেকে সব রেডি করে আনতে হবে। যাইহোক সবশেষে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। আচ্ছা এইবার আমার ওই রিলেটিভ ৫০০০ টাকা দিলো তারপর ৩০ মিনিটের মধ্যে সব কাজ কমপ্লিট। অথচ সকাল থেকে তাদেরকে সব ধরনের হেনস্তা করা শেষ। অথচ আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদেরকে বেতন দেওয়া হয় আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য।
চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করার জন্য খুলশী থানায় জিডি করি, থানা থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হবে বলে জানান,এবং এই খরচ দিতে রাজী থাকলে ফোন উদ্ধার হবে এই শর্তে ফোন উদ্ধার করে দেন, আমি মোবাইল পেয়ে ৩০০০ টাকা পরিশোধ করি
চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর অফিসে থেকে যে কোনো ধরনের বিল পাস করতেই ঘুষ দিতে হয় তা না হলে নানা বাহানায় মাসের পর মাস ফেলে রাখে। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রত্যয়ন আনা যেহেতু জরুরি বিষয় তাই বাধ্য হয়ে তাদের চা নাস্তার দাবি কৃত অর্থ (৫০০টাকা) দিতে হয়েছে।
আমার মা একজন পেনশনার. প্রতি বছর লাইভ ভেরিফিকেশন করতে হয়, সেটার জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে,
রায়পুরা উপজেলা পরিষদে এনআইডির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে দেখে হয়তো ভাবছে বড়লোক মানুষ। আমি পেছনের সিরিয়ালে ছিলাম। ওইখান থেকে একটা দালাল আমাকে সিরিয়াল ভেঙ্গে সবার আগে ঢুকাইছে। পেছনের সবাই চিল্লাচিল্লি করছিল। আমার নিজের কাছেও অস্বস্তি লাগছিল। পরে দেড় হাজার চাইছে। আমি এক হাজার দিছি। তারপর আমাকে দুই নাম্বার সিরিয়ালে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া সহ সবকিছু করে দিছে। ওই দালালের সাথে অফিসের লোকও জড়িত
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
Gazipur mouchak skout sakha jonota bank ami amr babar sathey goto 1 week agey account korte jai first e akta line e darai then chobi ro baki kagojpati newar pore amader ke akta 5-6 page er from Puron korte deya hoy savabik vabei amra jehetu protidin esob kori na tai eto jana nei tarporeo jetotuku somvob amra Puron kore joma dile sekhaney khubi rude bebohar kora hoy akjon boyosko lok chilo and tar pashei bose akjon choto height er akjon Clark amader ke bar bar fereye deya hoy help chaile bole eta amader kaj na help kora Bangladesh e government Bank e account korte geye sokal 10 ta theke dupur 3 ta beje jay then amader then amader kachey 500 tk nay 2 ta from puron er jonno eta na dile
আয়কর রিটার্ন আনতে গিয়ে দিতে হয়েছে। আম্মুর সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য আয়কর রিটার্ন লাগতো। প্রথমে ৬০০০ চাইছে। দেন একজন কে নিয়ে যাওয়ায় ৩৫০০। দুপুরে দিছি, বিকালের মধ্যে কাগজ রেডি।
এইচএসসি সার্টিফিকেট সরকার ফ্রিতে দিলেও কলেজ থেকে সবার কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের কাগজ দেওয়ার জন্য। যখন আমি দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করি এবং বলি এটা সরকারি, তখন আমার সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া হয় এবং পরে টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে হয়।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের — কৃষি অফিসার আমার চাচার কাছ থেকে আজ কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চায়চে৷ এভাবে আরো অনেকের কাচ থেকে নিচে আজকে ২৩ আগস্ট তারিখ