পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স
নতুন কারখানার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন কারখানার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
আমার মা একজন পেনশনার. প্রতি বছর লাইভ ভেরিফিকেশন করতে হয়, সেটার জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে,
আমি শিয়ালঘনী, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমার কাছে ৪৫০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। যা আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি। কারণ আমার জন্ম নিবন্ধন করার দরকার ছিলো।
চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর অফিসে থেকে যে কোনো ধরনের বিল পাস করতেই ঘুষ দিতে হয় তা না হলে নানা বাহানায় মাসের পর মাস ফেলে রাখে। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রত্যয়ন আনা যেহেতু জরুরি বিষয় তাই বাধ্য হয়ে তাদের চা নাস্তার দাবি কৃত অর্থ (৫০০টাকা) দিতে হয়েছে।
৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের সময় NOC নিতে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জেলা শিক্ষা অফিসে। নিয়ম হচ্ছে সবধরণের কাগজপত্র জমা দিয়ে ডকেট করে রাখতে হবে। পরীক্ষায় পাশের পর ভাইবার আগে ডকেট নাম্বার দেখিয়ে NOC নিতে হবে। আবেদনের সময় সেই সব কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। কাগজে সাইন লাগবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার। সেই সাইন নেওয়া জন্য নাকি ৫০০ টাকা লাগবে!!! মানে কাগজপত্র ডকেট করার জন্যই ৫০০ টাকা!! উপজেলায় দিয়েছি ২০০টাকা। আসলে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। তখন ভাবতেছি NOC এর জন্য আসতে হলে কত টাকা খুজবে!!
নোয়াখালী চাটখিলের উপজেলা অফিসে নতুন এনআইডি কার্ডের আবেদন করতে গেছে আমার একজন রিলেটিভ, অফিসের লোকজন কোনো পাত্তাই দেয় না৷ একবার বলে এই সমস্যা আর একবার বলে ওই সমস্যা। একবার বলে ওনার দাদার আইডি কার্ড লাগবে পরে আবার বলে দাদার আমলের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ লাগবে। মানে বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব ১০ কিলো প্রায় ৫ বার বাড়িতে আপ-ডাউন করা লাগছে। কিন্তু একবারে বলে না কি কি ডকুমেন্টস লাগবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকার কম্পিউটার দোকান থেকে সব রেডি করে আনতে হবে। যাইহোক সবশেষে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। আচ্ছা এইবার আমার ওই রিলেটিভ ৫০০০ টাকা দিলো তারপর ৩০ মিনিটের মধ্যে সব কাজ কমপ্লিট। অথচ সকাল থেকে তাদেরকে সব ধরনের হেনস্তা করা শেষ। অথচ আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদেরকে বেতন দেওয়া হয় আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য।
চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করার জন্য খুলশী থানায় জিডি করি, থানা থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হবে বলে জানান,এবং এই খরচ দিতে রাজী থাকলে ফোন উদ্ধার হবে এই শর্তে ফোন উদ্ধার করে দেন, আমি মোবাইল পেয়ে ৩০০০ টাকা পরিশোধ করি
জাতীয় পরিচয় পত্র তুলতে গেলে অফিস(কালশী, মিরপুর) থেকে জানায় সেটি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। ৭ দিন পর আসতে বলা হলো। এরপর আরো ৩ দিন পর আসতে বলা হলো। নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হলে অফিস কর্মচারি জানান, কার্ড খুজে পেতে কিছু টাকা লাগবে। আমি বললাম কার্ডটি কোথায় আছে? কর্মচারী বলল, সে জানে না, তাকে খুজে দেখার সময় দিতে হবে এবং অনেক পরিশ্রমের ব্যাপার তাই অন্তত ৭০০ টাকা লাগবে। সে সময় এই পরিচয় পত্র না থাকায় কিছু জরুরি কাজ আটকেছিল তাই অনেক বুঝানোর পর ৫০০ তে সেই কর্মচারি রাজি হলেন এবং আমাকে অফিসের নিচে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলা হলো। ১০ মিনিট পর অন্য একজন লোক(সেই কর্মচারীর কালেকশান এর জন্য নির্ধারিত) এসে কার্ড দিলেন আর ৫০০ টাকা নিয়ে গেলেন।
আমার কোম্পানীর পেমেন্ট ও তা থেকে কর্তিত ভ্যাট-ট্যাক্সের ডকুমেন্টস সংগ্রহ, দুই বারই হিসাব বিভাগে ঘুষ দিতে হয়েছে৷ আরো অনেক টাকা লাগতো, কিন্তু ফাইক নিয়ে কয়েকটা রুমে নিজে দৌড়েছি বিধায় কিছু খরচ এড়ানো গেছে৷ টাকা ছাড়া বিল ছাড়তে চায় না৷ ভ্যাট-ট্যাক্সের কাগজও দিতে চায় না৷
২০২৪ সালে একটা জমি এর রায় পাওয়া পর সেটার নকল তুলতে মুক্তাগাছা দায়ারা জজ (ময়মনসিংহ এর বিদ্যুৎ অফিস এর ২য় তালায় এক দাত ওয়ার করানো ফসা লোক (উন্নত শিক্ষিত) তাকে ২৫০০/- টাকা দিতে হয় এবং কপি পেতে নিচ তালায় কে ১৫০০/- দেই যদিও ২০০/- ফেরত দিসে বলছিলও এতেই হবে।
এনজিও ব্যুরোর অনুমোদিত প্রকল্পের প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির প্রক্রিয়া ও বাস্তব চিত্র এনজিও ব্যুরোর অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র (Completion/Certification) সংগ্রহ করতে হয়। এ জন্য সাধারণত আবেদনপত্র জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। আবেদনটি পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা বা অন্যান্য দপ্তরে মতামতের জন্য প্রেরণ করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মতামত সংগ্রহ করে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৪,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।
ই-কমার্স এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম ।গ্যাজেট নাম্বার অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের টাকা আসে আনুমানিক ৪২০০ টাকা ,ভ্যাট;ট্যাক্স সহ । তারা দাবি করে ৬০০০ টাকা ।তা না হলে সময় লাগবে ২-৩ মাস ।তাই ৫৫০০ টাকা পরিশোধ করা লাগে । ২য়: বাড়ির ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে গিয়েছিলাম ।ভ্যাট ট্যাক্স সহ চার্জ আসে ২৭৯০ আনুমানিক ।তারা ৩৫০০ টাকা নিয়েছে ।এগুলো রিসেন্ট কথা বললাম ।আগে পরে সকল কাজে ১০০০-৩০০০ টাকা প্রতি কাজে ঘুষ নিয়েছে ও নিয়ে থাকে তা ব্যাক্তি ভেদে কমবেশি
যতগুলো শুরুম আছে সবাই ভ্যাট ফাকি দিয়ে অফিসার কে ঘুস দেয় যে খানে সরকার ভ্যাট পাবে ৪ লাখ সেটা ২০ হাজারে মিটানো হয়
I'd applied for BIN on NBR online portal. But it has to be approved by VAT officials after that I got the BIN. But, for this approval they asked me to pay 5000 BDT. After negotiations I have to pay 2000 bdt then I got the BIN & drop box in NBR online portal.
সোউদিতে জাব।তাই 3 দিন ট্রেনিং করতে ৬৫০ টাকা লাগবে বলে টাকা নিয়েছে
জামালপুর ইউনিয়নের পল্লি বিদ্যুৎতের কর্মকর্তা, ইঞ্জিনিয়ার এবং লাইন টেকনিশিয়ান, ওয়ারিং পরিদর্শক, এবং সকল লাইনম্যান টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা, আমি তাঁর প্রধান সাক্ষী।
নামের বানান সংশোধন করার জন্য ফাইল জমা দিলাম তিন মাস হলো এখনো কাজ হলো না। এখন প্রতি ফাইলে দশ হাজার করে ঘুষ চায়
চাকুরীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এই পরিমান টাকা দিতে হয়েছিল পুলিশকে।
Written selected but faced this kind of offer from the viva board